Explore with a sailor

Explore with a sailor I am sailor & travel around the world. Let’s sail & travel with me through my eyes.

02/06/2026

Who said ships have to be boring? This hull color is an absolute mood. ⚓✨

21/04/2026

A ship shipping ship shipping ship :D #

03/02/2026

Next destination is Brazil 🇧🇷

22/11/2025

ভূমিকম্প? দৌড়াবেন না—বাঁচার চেষ্টা করুন!
ঢাকার অধিকাংশ আবাসনই ৫–৭ তলার অ্যাপার্টমেন্ট। এ ধরনের ভবনে ভূমিকম্পে বাঁচা বা মারা যাওয়ার সবচেয়ে বড় পার্থক্য তৈরি করে—আপনার প্রথম ১০–২০ সেকেন্ডে নেওয়া সিদ্ধান্ত।
ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে দৌড়ে সিঁড়ির দিকে যাওয়াই সবচেয়ে সাধারণ ভুল—এবং এটিই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর কারণ।

❌ কম্পন শুরু হলে যে ভুলগুলো প্রাণঘাতী হতে পারে
১. সিঁড়ির দিকে দৌড়ানো
বিশ্বের বিভিন্ন স্ট্রাকচারাল রিসার্চ অনুযায়ী—
নিচের তলা ধসে পড়লে ওপরের তলা সরাসরি সিঁড়ির উপর ভেঙে পড়ে।

ধাক্কাধাক্কি, ভিড়, আলো নিভে যাওয়া—
৯০% মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত সিঁড়িতেই ঘটে।

২. বারান্দায় যাওয়া
বারান্দার রেলিং ভূমিকম্পে একাধিক দিক থেকে চাপ পায়, যা সহজেই ভেঙে নিচে পড়ে যেতে পারে।
৩. লিফট ব্যবহার
কম্পনে লিফট জ্যাম, দড়ি ছিঁড়ে যাওয়া, মাঝপথে আটকে পড়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করে।

✔️ বাঁচার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়: Drop – Cover – Hold On
১. বেডরুমে থাকলে
খাটের নিচে ঢুকে মাথা–ঘাড় ঢেকে রাখুন। খাট ভেঙে পড়লেও ভেতরে “লাইফ ট্রায়াঙ্গেল” তৈরি হয়, যা নিরাপদ।
২. ড্রয়িং/ডাইনিং
মজবুত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
কাঁচ, জানালা, বড় ফ্রেম, শোকেস থেকে দূরে থাকুন।
৩. কিছুই না পেলে
দেয়ালের কোণে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন।
একে বলা হয় “সেফ কর্নার পজিশন”—ভবন ধসে পড়লেও সাধারণত কোণার অংশ সম্পূর্ণ চাপে ভাঙে না।
৪. বাথরুম
অনেক সময় সবচেয়ে শক্ত অংশ। বালতি/হেলমেট মাথায় দিলে আঘাত কমে।
৫. মাথা রক্ষার ব্যবস্থা
হেলমেট, বালতি, ঝুড়ি, ব্যাগ—যা পাবেন তাই মাথার ওপর চেপে ধরুন।
ভূমিকম্পে যেকোনো ভাঙা বস্তু মাথা লক্ষ্য করে পড়ে।

🏠 ১ম বা ২য় তলায় থাকলে আপনি সবচেয়ে ভাগ্যবান
এই দুই তলায় থাকা মানুষদেরই নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।
✔️ কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দরজা খুলে রাখুন, জ্যাম হয়ে গেলে বের হতে পারবেন না।
✔️ প্রথম ১৫–২০ সেকেন্ডে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামুন।
✔️ বাইরে এসে ভবন থেকে অন্তত ১০০ ফুট দূরে দাঁড়ান।
✔️ বিদ্যুতের খুঁটি, তার, গাছের নিচে দাঁড়ানো ❌
✔️ সম্ভব হলে খোলা মাঠে অবস্থান নিন।

🆘 ধ্বংসস্তূপে আটকে গেলে কী করবেন? (ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ প্রোটোকল)
✔️ চিৎকার করবেন না → ধুলো ফুসফুসে ঢুকে শ্বাসনালী বন্ধ করে দিতে পারে
✔️ হুইসেল থাকলে বাজান → দূর থেকে সহজে শোনা যায়
✔️ না থাকলে, দেয়াল বা পাইপে ৩ বার করে টোকা দিন → এটি আন্তর্জাতিক “SOS Rescue Signal”
✔️ মোবাইলের টর্চ অন রাখুন, কিন্তু কথা বলবেন না → ব্যাটারি বাঁচাতে হবে
✔️ মুখে কাপড় চেপে রাখুন → ধুলো কম ঢুকবে, শ্বাস নেওয়া সহজ হবে

আজ থেকেই ন্যূনতম কিছু প্রস্তুতি নিন
🔸 বিছানার পাশে জুতা, হেলমেট, হুইসেল রাখুন
🔸 ভারী আলমারি, ফ্রিজ, টিভি—দেয়ালে স্ক্রু দিয়ে ফিক্স করে রাখুন
🔸 গ্যাস সিলিন্ডার চেইন বা স্ট্যান্ড দিয়ে বেঁধে রাখুন
🔸 ঘরের দরজা যেন অটো-লক না হয়
🔸 চাবি সবসময় হাতের কাছে রাখুন
🔸 জরুরি নম্বর পরিবারে সবার ফোনে সেভ করুন

একটি লাইন মনে রাখুন:
🔸 ৪র্থ তলা বা তার উপরে থাকলে — দৌড়ানো মানে মৃত্যুর ঝুঁকি। আশ্রয় নিন।
🔸 ১ম–২য় তলায় থাকলে — প্রথম ২০ সেকেন্ডই আপনার জীবন। দ্রুত বের হন।

শেষ কথা
প্রস্তুতি ছাড়া বাঁচা ভাগ্যের উপর।
প্রস্তুতি থাকলে বাঁচা আমাদের হাতে।
প্রকৃতি আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়—
মানুষ ভঙ্গুর, কিন্তু সচেতনতা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
একটু প্রস্তুতি, একটু জ্ঞান— অনিশ্চিত এক মুহূর্তেও জীবন বাঁচাতে পারে।মহান আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুক। আমিন।
#ভূমিকম্প

20/11/2025

সমুদ্রের ঢেউ পাড়ি দিয়ে, পরিবার থেকে হাজার মাইল দূরে, ঝড়-তুফানের মাঝে দাঁড়িয়ে—বাংলাদেশী মেরিনাররা দেশের পতা....

Congratulations to the Bangladesh team on their historic victory against India.
18/11/2025

Congratulations to the Bangladesh team on their historic victory against India.

16/11/2025

১লা ডিসেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে। কিন্তু আপনি ট্যুর প্ল্যান ও খরচ নিয়ে টেনশনে আছে। নানান প্রশ্ন আপনার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে? এ পোস্ট পুরোটা পড়েন।

👉 এখন কি সেন্টমার্টিন যাওয়া যায়?
না, যাওয়া যায় না। কারণ ডে লং ট্যুর অনুমোদনের কারণে মানুষের আগ্রহ নেই। ফলে জাহাজ বন্ধ।

👉 টেকনাফ থেকে যাওয়া যায় না?
টেকনাফ বা শাহপরীর দ্বীপ থেকে পর্যটক যাওয়া যায় না। পর্যটকরা শুধুমাত্র জাহাজে করে যেতে পারবে।
👉 টেকনাফ থেকে অনেকে গিয়েছে দেখলাম! তারা কিভাবে গেছে?
আপনি যাদের কথা বলছেন তারা কেউ পর্যটক হিসেবে যায়নি।
টেকনাফ থেকে সাংবাদিক, রিসোর্ট মালিক বা পার্টনার, রিসোর্টের কর্মচারী, ব্যবসায়ী যাদের ব্যবসা সেন্টমার্টিন রিলেটেড, গবেষক, এনজিও প্রতিনিধি, সরকারি কোন প্রজেক্টের কাজে ও যাদের বৈবাহিক সূত্রে সেন্টমার্টিন আত্মীয়স্বজন আছে তারা টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের লিখিত অনুমতি নিয়ে যেতে পারেন।

👉 তাহলে কবে থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়া যাবে?
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১লা ডিসেম্বর থেকে যেতে পারবেন।
👉 কি নিয়ে যেতে হবে?
আগেই বলছি, শুধু জাহাজ নিয়ে যেতে হবে। কারণ ট্রাভেল পাস জাহাজের টিকিটের সাথে সংযুক্ত থাকবে।
👉 ট্রাভেল পাস কিভাবে নেব?
সেটা আপনি যে এজেন্সির মাধ্যমে টিকেট কাটবেন তারা করে দিবে।
👉 টিকিট কাটতে কি কি লাগবে?
আপনার এন আইডি ও যারা সাথে যাবে তাদের আইডি কার্ড। যদি আইডি কার্ড না থাকে তাহলে জন্ম নিবন্ধন লাগবে। আর বিদেশি হলে পাসপোর্ট এর কপি।

👉 টিকিট কার থেকে কাটব?
এটা নিয়ে একটু ঝামেলা আছে। কারণ জাহাজগুলো তাদের বেশিরভাগ টিকিট নিবন্ধিত এজেন্টদের দিয়ে বিক্রি করে। এক্ষেত্রে আপনার বিশস্ত ও পরিচিত এজেন্ট থেকে টিকিট নিবেন। অপরিচিত কারো কাছ থেকে নিলে যদি সে প্রতারক হয় তাহলে আপনার ট্যুর ও টাকা দুইটাই মাটি হয়ে যাবে।
👉 টিকিট কি সফট কপি নিলে হবে?
না। আপনাকে অবশ্যই হার্ড কপি সাথে আনতে হবে। কারণ টিকিটের উপর থাকা কিউআর কোডই হচ্ছে আপনার ট্রাভেল পাস। এটা ছাড়া ঘাটে আপনাকে আটকাবে। টিকিটের ফটোকপিও গ্রহণযোগ্য না।
👉 ভাড়া কি রকম?
এবার মাত্র দুই মাস পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবে সেজন্য ভাড়া বৃদ্ধি করেছে জাহাজ কর্তৃপক্ষ। একেক জাহাজ একেক রকম ভাড়া নির্ধারণ করে। তবে এখন পর্যন্ত আমি জেনেছি ৩৪০০/- সর্বনিম্ন ভাড়া। এটা আটলান্টিক ক্রুজের ভাড়া।

👉 কোন জাহাজ ভালো?
আপনার এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে একটু পক্ষপাতি হয়ে যায়। কারণ এ রুটে অনুমোদিত সব জাহাজই সমুদ্রের উপযোগী। তবে গতি, ধারণক্ষমতা, সার্ভিস ও অন্যান্য মিলিয়ে বারো আউলিয়া জাহাজের রিভিউ ভালো। এর পর কর্ণফুলী যদিও আমি কখনো কর্ণফুলীতে ভ্রমণ করিনি। আমি আসলে সেন্টমার্টিন-কক্সবাজার রুটে জাহাজে করে আসা-যাওয়া করিনি।

👉 কোন সময় সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করা ভালো?
এখন যেহেতু মাত্র দুমাস ফলে আলাদা করে সময় বলা কঠিন। কারণ প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দর ভিউ পাওয়া যায় তো সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু এখন সে সময় ভ্রমণের অনুমতি নেই।

👉 ডিসেম্বর ও জানুয়ারির মধ্যে কোন সময়টা ভালো হবে?
ডিসেম্বরের শুরুতে জ্যোৎস্নার রাত আছে এবং সিজনের শুরু সে কারণে এটা উত্তম সময় হবে।

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত স্কুল কলেজ ছুটি, সপ্তাহিক ছুটি ও সাধারণ ছুটি মিলিয়ে একটা চাপ থাকতে পারে। ফলে এসময় এড়িয়ে চলা ভালো। কারণ সবাই এক সাথে ছুটি পাওয়ার কারণে পর্যটন স্পট গুলোতে হুমড়ি খাওয়া অবস্থা। এতে খরচ বেশি হয়ে যায় এবং সার্ভিস কম পাওয়া যায়।

👉 সেন্টমার্টিন ভীড় কখন কম থাকে?
মাত্র দুই হাজার মানুষের দৈনিক সেন্টমার্টিন যেতে পারবে। ফলে এখানে ভিড়ের কিছু নাই। সব সময় মুটামুটি একই অবস্থা হবে।

👉 কোন বিচ বেশি সুন্দর?
এটা প্রশ্নের মধ্যে পড়ে না। কারণ সেন্টমার্টিনের চারপাশের সৈকত আলাদা আলাদা সুন্দর। তবে যেহেতু অনেকের জানার আগ্রহ আছে তাই উত্তর দিচ্ছি। সূর্যোদয়ের দৃশ্য(আরাকান পর্বত থেকে) দেখার জন্য পূর্ব সৈকত ভালো। সাগরে গোসল করার জন্য নিরাপদ উত্তর পশ্চিম বিচ ভালো, সূর্যাস্ত দেখার জন্য পশ্চিম বিচ ভালো। আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য দক্ষিণ বিচ। ম্যানগ্রোভ বন ও দ্বীপের শেষ প্রান্ত দক্ষিণ সৈকতে।

👉 ছেঁড়া দ্বীপে যাওয়া যাবে?
না। সরকারি নিষেধাজ্ঞা আছে। এটা পরিবেশ অধিদপ্তরের অধিগ্রহণ করা সম্পত্তি। ফলে মানুষের যাতায়াত বন্ধ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রশাসনের লোক পাহারায় থাকে। গতবছর কিছু মানুষ ভোরে অটো নিয়ে দ্বীপের শেষপ্রান্ত গিয়ে গোপনে ছেঁড়া দ্বীপ গেছে শুনেছি। এবার সে কৌশল কাজে আসবে কিনা জানি না! ধরা খেলে বড় বেইজ্জতি হতে হবে। কান ধরে কিছুক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখতে পারে। সুতরাং ছেঁড়া দ্বীপ ট্যুর প্ল্যান থেকে বাদ দিবেন।

👉 সেন্টমার্টিন দেখার মতো কি আছে?
যারা নতুন তাদের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। পুরো দ্বীপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার। নীল সমুদ্রের ঢেউ, অগুনিত পাথর, প্রবাল, ঝিনুক, ঝিনুক পাহাড়, কেয়াবন(প্রবেশ নিষিদ্ধ), ম্যানগ্রোভ বন, পাথরের ভাস্কর্য(বিড়ালের গুহা), পাথর মানব(দূর থেকে মানুষের মতো দেখায়), জেলেদের জীবন জীবিকা ইত্যাদি অনেক কিছু দেখার আছে। তবে প্রকৃতি প্রেমীদের জন্যই সেন্ট মার্টিন সুন্দর। যারা কৃত্রিম সৌন্দর্য পছন্দ করে তাদের সেন্টমার্টিন না যাওয়া ভালো।

👉 থাকার ব্যবস্থা কেমন?
এখানে থাকার ব্যবস্থা দুই রকম।
১/ বিভিন্ন রিসোর্ট ও হোটেল
২/ হোম স্টে বা বাড়িতে থাকা।

👉 ভাড়া কেমন?
রিসোর্টের লোকেশন, রুম কোয়ালিটি ও সার্ভিসের উপর ভাড়া নির্ভর করে। বিচের পাশের হোটেলে ভাড়া বেশি। সাধারণত ৩০০০-১৮০০০/- পর্যন্ত হয়। চাপের কারণে কম বেশি হতে পারে।

★ পশ্চিম পাশ সূর্যাস্তের দৃশ্যের জন্য জনপ্রিয় ফলে সেদিকের ভাড়া বেশি।

★ তার পর উত্তর বিচ সাগরের নিরাপদ গোসল করার জন্য জনপ্রিয়। ফলে সেখানেও ভাড়া বেশি।

★ ইকো রিসোর্টগুলো পরিপাটি ও বেশ সুন্দর করে করা। এবং কাপলদের জন্য বেশ জনপ্রিয়। ফলে সেগুলো ভাড়াও বেশি।

★ রাস্তার পাশের হোটেল, বাজার ও জেটি ঘাটের আশেপাশের হোটেল এবং পূর্ব সৈকতের হোটেল রিসোর্ট অপেক্ষাকৃত কম দামে পাওয়া যায়।

★ হোম স্টে বা মানুষের বাসাবাড়িতে থাকতে চাইলে একদম কম খরচে থাকার ও খাওয়ার ব্যবস্থা হয়। কম বলতে আলোচনা করে যা দেওয়া যায়! এগুলোকে কমিউনিটি বেজ ইকো-ট্যুরিজম বলা হয়।

👉 হোম স্টের সুবিধা অসুবিধা কি?
সাধারণ মানুষের সাথে এবং তাদের জীবনযাত্রার সাথে কয়েকটি দিন মিলেমিশে থাকা ও খাওয়া এবং তাদের আড্ডা দেওয়া যায়।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে, শহুরে জীবন থেকে হুট করে অজপাড়াগাঁর মানুষের সান্নিধ্যে এসে তাদের সুখের দুখের গল্প শোনা, সমুদ্রের মাঝে প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে থাকা এবং দুর্যোগ দুঃসময়ের সংগ্রামের গল্প শোনে শোনে কিছুদিন কাটানো।

তবে অসুবিধাও আছে অনেক। সেন্ট মার্টিনের গ্রামীণ পরিবেশ পর্যটন বান্ধব না। ভাষাগত জটিলতায় পড়তে পারেন।

পুরুষদের সময় কাটানো কঠিন, কারণ মহিলারা বেশিরভাগ পর্দানশীন, এবং অপরিচিত কারো সাথে কথা বলে না। দেখাও যাবে না! দেখা গেলো লাইনে পানি নাই, কিন্তু কাউকে বলতে পারছেন না! কিন্তু ঠিকই ঘরে মানুষ আছে, নড়াচড়া করতাছে!

বিদ্যুৎ ও বার্থ রুম নিয়ে সমস্যায় পড়বেন। কারণ তাদের অনেকের নিজস্ব জেনেটর নাই। এবং বেশিরভাগ পাড়ার ভিতর।

👉 খাবার ব্যবস্থা কেমন?
সেন্টমার্টিন অনেক খাবারের রেস্টুরেন্ট আছে। অনেক রিসোর্টের সাথেও রেস্টুরেন্ট আছে।
এছাড়া বাজার, প্রতিটি মোড় ও রাস্তার পাশে অনেক রেস্টুরেন্ট আছে।

👉 দাম কেমন?
দাম আপনার পছন্দের মেনুর উপর নির্ভর করবে। কিছু রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টের খাবারের প্যাকেজ থাকে। এক রাত দুইদিন হলে ৪ বেলার প্যাকেজ। দাম আসলে আগে থেকে বলা কঠিন কারণ জিনিসপত্র দাম এদিকে সেদিক হলে দামও এদিকসেদিক হয়।

সাধারণত ১০০০/- থেকে ১২০০/- পর্যন্ত হতে পারে যদি বারবিকিউ ও সামুদ্রিক মাছের প্যাকেজ নেন।
আর দুইরাত তিন দিনের প্যাকেজ ৭ বেলা হয়। এক্ষেত্রে ১৭০০-২০০০/- পর্যন্ত হতে পারে।

👉 নিজে কিনে রান্না করা যাবে?
এটা খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি। কিছু মানুষ চাপাবাজী বা কিপটেমি করতে গিয়ে কিনে খেতে চায়। এরা মনে করে টাটকা খাইতে হলে কিনে নিয়ে রান্না করতে হবে। এটা আসলে সময় ও টাকা অপচয় ছাড়া কিছুই না। আহামরি টাকা বাঁচে না। এবং কখনো খারাপ মাছ বা কম দামী মাছ বেশি দামে কিনতে হয়!
রান্না করতে হলে কোন রেস্টুরেন্টের সাথে আলোচনা করে খরচাপাতি দিয়ে করা যায়। এছাড়া কোন বাড়িতেও দিয়ে রান্না করে খাওয়া যায়। এক্ষেত্রে নিজেদের তত্ত্বাবধানে রান্না ভালো। কারণ স্থানীয় পদ্ধতি ও আপনার রান্না পদ্ধতি এক না।

👉 ওখানে কি ভালো ফটোগ্রাফার পাওয়া যাবে?
বাংলাদেশের সব পর্যটন কেন্দ্রে কম বেশি ফটোগ্রাফার আছে। সুতরাং সেন্টমার্টিনও আছে। তবে দরদাম করে দেওয়া ভালো। ক্ষেত্রবিশেষে দেখা যায় একই পোজে একাধিক ছবি উঠে সেগুলো নিয়ে ভাড়াবাড়ি বেশি হয়। আবার দেখা যায় ছবি বেশি তোলে, বেছে বেছে কয়েকটি নিয়ে বাকিটা অনেকে নেনা এটাও ঝামেলা।

👉 অটোনিয়ে অনেক অনেক অভিযোগ শুনেছি সেটা কি সত্যি?
অটো ভাড়া নিয়ে অনেক কথা শুনেছি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে দ্বীপে সরকারি বিদ্যুৎ সেবা নাই। ফলে অটোওয়ালা বেশি দামে ব্যাটারি চার্জ করে এবং তারা দুই মাসের ইনকাম দিয়ে ১০ মাস বসে থাকবে সেজন্য ভাড়া অন্যান্য যায়গার তুলনায় বেশি।
আমি পরামর্শ দিব, দরদাম করে বা আগে থেকে ভাড়া জেনে উঠবেন। যে রিসোর্টে যাবেন আগে থেকে তাদের থেকে ভাড়া জেনে নেবেন।

👉 শুটকি মাছ কি ভালো পাওয়া যাবে?
হ্যাঁ ডিসেম্বরের শুরু থেকে মাঝামাঝি স্থানীয় শুটকি পাবেন। পরে চাহিদা বেড়ে গেলে বাহির থেকে আমদানি করা হয়। দাম সেন্টমার্টিন হিসেবে ঠিক আছে। কিন্তু কক্সবাজার হিসেবে বেশি মনে হবে।

👉 জিনিসপত্রের দাম কেমন?
যাতায়াত খরচ ও ঘাটের টুলের কারণে জিনিসপত্রের দাম বেশি। অন্যান্য যায়গায়র থেকে সামান্য বেশি।

👉 গ্রুপে যাওয়া ভালো? বাকি নিজেরা যাওয়া ভালো?
গ্রুপের সুবিধা হচ্ছে খরচ কম। আর অসুবিধা হচ্ছে মনমতো সব হয় না।
নিজেরা যাওয়ার সুবিধা হচ্ছে ইচ্ছেমতো সব ম্যানেজ করা যায়। অসুবিধা হচ্ছে পদে পদে অন্যের সহযোগিতা লাগে!

বিঃদ্রঃ এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য লেখা না। সুতরাং এ লেখা ১০০% নাও মিলতে পারে। কোথাও গিয়ে এটা দেখিয়ে সুবিধা চাইবেন না। এখানে এরকম লেখা আছে বলে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করবেন না।

© Tayub ullah ভাই এর ওয়াল থেকে যিনি একজন স্থানীয় বাসিন্দা

দার্শনিক প্লেটোর সৃষ্টি ফ্রিডাস এর একটা উক্তি আছে। উক্তিটি এমন - “what you see is not always what it seems”  নিচের ছবিতে...
15/10/2025

দার্শনিক প্লেটোর সৃষ্টি ফ্রিডাস এর একটা উক্তি আছে। উক্তিটি এমন - “what you see is not always what it seems”

নিচের ছবিতে যেই মহিলাটা দেখছেন, তার নাম ক্রিস্টেল ক্যান্ডালারিও। দেখতে বেশ ইনোসেন্ট আর ১০-১৫টা সাধারণ ছবির মতো লাগছে। আমরা ফেইসবুক বা ইন্সটাগ্রামে ঢুকলেই সচরাচর যেসব ছবি দেখি আরকি!

ক্রিস্টেল তার সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে এই ছবিটাই পোস্ট করেছে।

ছবিটার ক্যাপশন ছিল এমন - “The time enjoyed is the time truly lived.”

ব্রাজিলের পোয়ের্তো রিকো বীচে সে ১০ দিনের ছুটি কাটাতে এসে এই ছবিটা পাবলিশ করে।

কিন্তু এই ছবিতে ছবিটার পিছনের রহস্য আমি আপনি কেউ দেখতে পাচ্ছি না।

ছবিতে দেখতে পাচ্ছি না তার ২ বছরের ছোট মেয়ে জাইলিনকে।

জাইলিন হচ্ছে তার ছোট মেয়ে (বড় মেয়েকে নানা নানীর কাছে রেখে এসেছে) যাকে সে বাসায় রেখে এসেছে, কিন্তু কোন আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব বা কোন চাইল্ড-কেয়ার প্রতিষ্ঠানকে বলে আসেনি।

ক্রিস্টেল এই ২ বছরের মেয়েকে সম্পূর্ণ একা রেখে, সিমপ্লি বাসা থেকে বের হয়ে গিয়েছে, তাও এক দিনের জন্যে না - পুরো ১০ দিনের জন্যে।

প্রচণ্ড ভয়, দ্বিধা, একাকীত্ব আর ক্ষুধার তীব্রতায় মা মা বলে কান্না করতে করতে, ভীষণ কস্ট পেয়ে, নিশ্চয়ই যন্ত্রণার শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েও জায়লিন আর পারেনি।

ছোট্ট মেয়েটা ক্ষুধা, তৃষ্ণায়, ডিহাইড্রেটেড হয়ে মারা গেলো। সে ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেনি বা বুঝতে পারেনি যে, কেন তার মা তাকে এভাবে ফেলে রেখে গিয়েছে।

ক্রিস্টেল ক্যান্ডালারিও তার ১০ দিনের ছুটি, অসংখ্য ছবি, সেলফি আর আনলিমিটেড মাস্তি শেষে বাসায় ফিরে দেখে তার মেয়ে মারা গিয়েছে।

সে সুন্দর করে ড্রেস চেঞ্জ করে এবং ৯৯৯ এ কল দেয়।

পুলিশ এসে অনেক কথোপকথনের পর, আসল ঘটনা বুঝতে পেরে, তাকে গ্রেফতার করে।

আদালতে তার যাবজ্জীবন সাজা হয়।

সাজা দেয়ার সময় বিচারক তাকে বলেন -“জাইলিনকে তুমি যেমন বন্দি করে মেরে ফেলেছ, তোমাকেও সারা জীবন একটা সেলে বন্দি থাকতে হবে। তবে একটা পার্থক্য আছে - জেল তোমাকে অন্তত খাবার দিবে, পানি দিবে; যেটা তুমি তোমার মেয়েকে দাওনি।”

Things are not always what they seem; the first appearance deceives many; the intelligence of a few perceives what has been carefully hidden.
- collected

Dirección

Campana
B 2804

Página web

Notificaciones

Sé el primero en enterarse y déjanos enviarle un correo electrónico cuando Explore with a sailor publique noticias y promociones. Su dirección de correo electrónico no se utilizará para ningún otro fin, y puede darse de baja en cualquier momento.

Compartir