02/09/2026
চুপ থাকুন,ধৈর্য ধরুন,হতাশ হবেননা।আপনার রব নিশ্চয়ই আপনার সাধ্যের বাইরে কোনো দুঃখ কষ্ট আপনাকে দেবেননা।কারণ তিনি রহমানুর রহিম।
কিসের জন্য এতো হতাশ? ভেঙে পড়ছেন কেন?
আপনি কি ভুলে যাচ্ছেন আপনার একজন প্রেমময় রব আছেন।যিনি মাতৃগর্ভে আপনাকে তার রহমত দিয়ে আগলে রেখেছেন,যখন আপনিও কিছু বুঝতেননা,তাহলে এখনোও কি রব পারেননা আপনাকে আগলে রাখতে?
নাকি আপনি সৃষ্টির প্রতি এতটায় আসক্ত হয়েছেন যে, রব কে ভুলে গেছেন?পেরেশানি আর হতাশার মধ্যে তার প্রতি অভিযোগ জমে গেছে?
আপনার রব কি আপনার বিষয়ে অবগত নন।তিনি কি দেখছেন না আপনার সাথে কি হচ্ছে?
তিনি সবই জানেন,সবই দেখছেন।শুধু এই সমস্যা আর সমাধানের মাঝে যে মেলবন্ধন টা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে দোআ।যেটা আপনি করছেননা।করলেও তাড়াহুড়ো আর দ্রুততার তার সঙ্গে করছেন।যেটা আপনার রব্বে কারীম পছন্দ করেননা।সময় নিয়ে মন খুলে,আস্থে ধীরে দোআ করুন।সন্তান যেমন পিতামাতার কাছে বায়না ধরে,কান্নাকাটি করে,আপনিও তেমনই ভাবে আপনার রবকে বলুন কান্নাকাটি করে,অসহায় হয়ে,নিজেকে সম্পূর্ণ ভাবে তার কাছে বিলিয়ে দিয়ে,সব কিছু তার উপর ছেড়ে দিয়ে।শুধু তার উপর ভরসা রাখুন।আর দেখুন কিভাবে সব ঠিক হয়ে যায়।বান্দার জন্য কষ্ট নেয়ামত স্বরূপ। কারণ এতে বান্দার গুনাহ মাফ হয়,রবকে স্মরণ করে।তার দিকে ফিরে আসে।
একবার মন থেকে রবকে ডেকেই দেখুন না তিনি সাড়া দেন নাকি।
তিনি চায়লে এক ন্যানো সেকেন্ডেই সব পাল্টে ফেলতে পারেন।শুধু কুন বলার অপেক্ষা।
"নিশ্চয়ই কষ্টের পর স্বস্তি রয়েছে। অবশ্যই কষ্টের পর স্বস্তি রয়েছে। "
আল ইনশিরাহ;৫-৬
চুপ থাকুন,ধৈর্য ধরুন,হতাশ হবেননা।আপনার রব নিশ্চয়ই আপনার সাধ্যের বাইরে কোনো দুঃখ কষ্ট আপনাকে দেবেননা।কারণ তিনি রহমানুর রহিম।
কিসের জন্য এতো হতাশ? ভেঙে পড়ছেন কেন?
আপনি কি ভুলে যাচ্ছেন আপনার একজন প্রেমময় রব আছেন।যিনি মাতৃগর্ভে আপনাকে তার রহমত দিয়ে আগলে রেখেছেন,যখন আপনিও কিছু বুঝতেননা,তাহলে এখনোও কি রব পারেননা আপনাকে আগলে রাখতে?
নাকি আপনি সৃষ্টির প্রতি এতটায় আসক্ত হয়েছেন যে, রব কে ভুলে গেছেন?পেরেশানি আর হতাশার মধ্যে তার প্রতি অভিযোগ জমে গেছে?
আপনার রব কি আপনার বিষয়ে অবগত নন।তিনি কি দেখছেন না আপনার সাথে কি হচ্ছে?
তিনি সবই জানেন,সবই দেখছেন।শুধু এই সমস্যা আর সমাধানের মাঝে যে মেলবন্ধন টা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে দোআ।যেটা আপনি করছেননা।করলেও তাড়াহুড়ো আর দ্রুততার তার সঙ্গে করছেন।যেটা আপনার রব্বে কারীম পছন্দ করেননা।সময় নিয়ে মন খুলে,আস্থে ধীরে দোআ করুন।সন্তান যেমন পিতামাতার কাছে বায়না ধরে,কান্নাকাটি করে,আপনিও তেমনই ভাবে আপনার রবকে বলুন কান্নাকাটি করে,অসহায় হয়ে,নিজেকে সম্পূর্ণ ভাবে তার কাছে বিলিয়ে দিয়ে,সব কিছু তার উপর ছেড়ে দিয়ে।শুধু তার উপর ভরসা রাখুন।আর দেখুন কিভাবে সব ঠিক হয়ে যায়।বান্দার জন্য কষ্ট নেয়ামত স্বরূপ। কারণ এতে বান্দার গুনাহ মাফ হয়,রবকে স্মরণ করে।তার দিকে ফিরে আসে।
একবার মন থেকে রবকে ডেকেই দেখুন না তিনি সাড়া দেন নাকি।
তিনি চায়লে এক ন্যানো সেকেন্ডেই সব পাল্টে ফেলতে পারেন।শুধু কুন বলার অপেক্ষা।
"নিশ্চয়ই কষ্টের পর স্বস্তি রয়েছে। অবশ্যই কষ্টের পর স্বস্তি রয়েছে। "
আল ইনশিরাহ;৫-৬