Nazmul Hridoy

Nazmul Hridoy যে আসে নি ভালোবাসার টানে..
সে কি আসবে আগর বাতির ঘ্রাণে..
🖤🙂

-একজন বিবাহিত পুরুষকে প্রশ্ন করা হলো, আপনি বিয়ে করে কি কি পেয়েছেন ? তার উত্তরটা খুবই মজার ছিল তাও সত্য...! -বিয়ে করে সর্...
10/08/2025

-একজন বিবাহিত পুরুষকে প্রশ্ন করা হলো, আপনি বিয়ে করে কি কি পেয়েছেন ?

তার উত্তরটা খুবই মজার ছিল তাও সত্য...!

-বিয়ে করে সর্বপ্রথম একটা বউ পেয়েছি!
-পকেটে একটা মোবাইল থাকার পরও সারাদিনে যখন একটাও কল আসেনা তখন একটা কল করে ' তুমি এখন কোথায়? বলার মানুষ পেয়েছি! তখন নিজেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ 'পাবলিক' মনে হয়।

- একজন কুকার/সেফ/পাঁচক/রাঁধুনি পেয়েছি। একটা ওয়াসিং মেশিন পেয়েছি। পাঞ্জাবীটা ময়লা হয়েছে বললেই, মেশিন অটো চলে!

-একটা অটো টেপরেকর্ডার পেয়েছি, মাঝে মাঝে 'কি-বোর্ড' টেপা ছাড়াই বাজতে থাকে! কখনো জোড়ে 'স্টপ' বললে বন্ধ হয়, কখনো শব্দ পরিবর্তন হয়ে 'বৃষ্টি' চালু হয়! কখনো 'হাইফাইভ' দেখালে অটো বন্ধ হয়ে যায়। বড় বিচিত্র এই রেকর্ডার!

-সপ্তাহ পাঁচ-সাত দিন পর পর অতি যত্ন সহকারে বাজার-সদায়ের লিস্ট ধরিয়ে দেয়ার জন্য একজন 'কেয়ারটেকার' পেয়েছি!

-আমার ঘরে রাত ১১টা সাড়ে ১১টার পর আমাকেই প্রবেশ নিষেধ বলে হুমকি দেয়ার 'দারোয়ান' পেয়েছি!
-ছোট একটা 'এলার্মক্লক' পেয়েছি!

-বাড়তি প্রাপ্তি হিসেবে শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি, শালা-শালী, সম্বন্ধী পেয়েছি। সম্পূর্ণ অপরিচিত কিছু মানুষকে নিকটাত্মীয় হিসেবে পেয়েছি।

- একটা সন্তান পেয়েছি। সে যখন Baba বলে কোলে চড়ে বসে কিংবা গলা জড়িয়ে ধরে তখন বাগানে ফুল ফুটলে মালির যে অনুভুতি হয় তার চেয়েও বেশি মনটা শীতল হয়!

-এত এত প্রাপ্তির মাঝে কিছু হারিয়েছিও! প্রথমত, কুমারত্ব হারিয়েছি ! (যদিও কোন মেডিকেল রিপোর্ট নাই)

-অতপর, মানিব্যাগ আর রিমোর্টের একছত্র অধিকার হারিয়েছি। মাঝে মাঝে মোবাইলটাও বেদখল হয়ে যায়!
সর্বশেষ সুখে- দুখে একটা কথা বলার সঙ্গী পেয়েছ...!!

একটা মুভি গালফ্রেন্ড ডাউনলোড দিতে বললো। মুভির নাম ছাইয়ারা। প্রথমে ভাবলাম, মোশারফ করিমের ছাইয়া ছাইয়া নাটকের কাহিনীর মতো ক...
05/08/2025

একটা মুভি গালফ্রেন্ড ডাউনলোড দিতে বললো। মুভির নাম ছাইয়ারা।

প্রথমে ভাবলাম, মোশারফ করিমের ছাইয়া ছাইয়া নাটকের কাহিনীর মতো কিছু হবে।

বউ বললো, নাহ। এটা হিন্দি মুভি। খুবই নাকি ইমোশনাল।

মুভির শুরুতে নায়িকা বিয়া করার জন্য কোর্টে অপেক্ষা করে। প্রেমিক বলে, তুমি রাস্তা মাপো।

সেই থেকে মাইয়া কান্দে। খাতায় কবিতা লেখে।

নতুন একটা নায়ক আসে। এটাই মেইন হিরো। খুব হ্যানসাম। কাউরে গোনায় ধরে না। গায়ক হতে চায়।

দুজনের সাথে দেখা হয়। প্রেম হয়। সেগস হয়। মাইয়া গান লেখে। পোলা গান গায়।

এর ভিত্রে মাইয়া অজ্ঞান হইয়া যায়। ডাক্তার বলে :

আপনার গাজনি ২.০ রোগ হইছে। আস্তে আস্তে আপনি সবাইকে ভুলে যাবেন। কাউকেই মনে থাকবে না।

কোন সিনেমায় যেন জিত আর শ্রাবন্তীর এরকম কাহিনী ছিলো। মেহজাবিন নিশোরো এমন কী যেন আছে।

এদিকে নায়কের বড় একটা কনসার্টে গান গাওয়ার কথা। নায়িকাও আসে। কিন্তু এই কনসার্টে নায়িকা তার এক্স বফকে দেখে সব ভুলে যায়। এক্স বফকে বলে, লাভ ইউ। এক্স বফ বলে, চলো সেগস করি। ওকে।

ঠিক এই সময়ে নায়ক হাজির হয়। এক্স বফকে মেরে হোতাইয়া ফেলে। নাক মুখ দিয়ে অক্ত বের হয়ে যায়। নায়িকা ছুরি দিয়া নায়ককে কোপ দিয়া বলে, তোর এত বড় সাহস। আমার জানকে মারিস। ভাগ ইহাছে।

এই সিনটা চেনাচেনা লাগছে।

মনে পড়ছে: রিলসে দেখেছিলাম। হল ভর্তি মানুষ টিস্যু হাতে নিয়ে এই দৃশ্য দেখে কানতেছে।

এরপর কী যেন হলো! ওহ। নায়িকা বরফের দেশে চলে যায়। খুঁজে পাওয়া যায় না। নায়ক বড় গায়ক হয়। একদিন নায়িকার সন্ধান পায়। বরফের দেশে গিয়ে নায়িকারে চেষ্টা করে স্মৃতি ফেরানোর। নায়িকা এক সময় চিনতে পারে।

।হ্যাপি এন্ডিং।

এই রোমান্টিক সিনেমা কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে নাকি ২০০ কোটির বেশী কামিয়েছে।

মুভি শেষে, আমি গালফ্রেন্ডকে বললাম, এসব মুভি আমাকে কখনও সাজেস্ট করবা না। আমার সময়ের দাম আছে।

- প্রথম দিন মোটেও বুঝতে পারিনি যে, - তুমি মানুষ'টা আমার এতো শখের হয়ে যাবে!'❤️‍🩹🌸
03/08/2025

- প্রথম দিন মোটেও বুঝতে পারিনি যে,
- তুমি মানুষ'টা আমার এতো শখের হয়ে যাবে!'❤️‍🩹🌸

03/08/2025

পুরুষের সর্বশেষ স্কুল হলো তার বউ। এরপর তার আর কোন জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না, এবং পূর্বের অর্জিত জ্ঞানও কোন কাজে লাগে না !😊

দুঃখ বোঝো? হৃদয়ে পাহাড়সম ব্যথা নিয়ে হাসি মুখে থাকার নাম দুঃখ! ঐ যে সন্ধ্যা নামলে যে পাখিটা নিঃসঙ্গ আকাশে উড়ে বেড়ায়, তার ...
01/06/2025

দুঃখ বোঝো?
হৃদয়ে পাহাড়সম ব্যথা নিয়ে হাসি মুখে থাকার নাম দুঃখ! ঐ যে সন্ধ্যা নামলে যে পাখিটা নিঃসঙ্গ আকাশে উড়ে বেড়ায়, তার দুঃখ কেউ বোঝে না। মানুষের দুঃখ বলতেও নিজের একটা মানুষ লাগে, মনোযোগী মানুষ, একটা বিশ্বস্ত নির্ভরযোগ্য মানুষ।

অভাব বোঝো?
সবকিছুর তোমার হাতের নাগালে, অথচ স্পর্শ করার অধিকার তোমার নেই। মানুষ মরে মানুষের অভাবে, তাকে ঠিকঠাক বুঝতে পারার মতো একটা সঠিক মানুষের অভাবে। দামী দামী অট্টালিকা-প্রসাদ, গাড়ি কি নেই মানুষের? শুধু মনে একটুখানি শান্তি নেই। সুখের অভাবে মানুষ মরে।

নিঃসঙ্গতা বোঝো?
এই যে তুমি আছো, তবুও হৃদয় ফাকা। এতো মানুষের ভীরে সব মুখ যেন অচেনা খুব। তুমি আছো, পৃথিবীতে সব আছে, তবুও কেমন নিঃসঙ্গতায় পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে থাকি। ঐ যে রাতের আঁধারে ডাহুক পাখির কান্না, শুনতে পারো কী?
সে তো নিঃসঙ্গতার উপমা। কেউ থাকার পরেও নিজেকে একা লাগার মতো এমন বাজে যন্ত্রণা আর হয় না।

অনুভূতি বোঝো?
আর কাউকে না, পৃথিবীতে এতো মানুষের মধ্যে ঠিক একটামাত্র মানুষের জন্যই মন পুড়ে যাওয়া, মায়া লাগা, মানুষটাকে ভালোবাসতে চাওয়ার নামই অনুভূতি। যা সবার প্রতি আসে না। এই যে এতো করে তোমায় চাই, তুমি আর বুঝলে কোই?😅💔

____________🌸__________

যেভাবেই হোক রেখে দাও,পূর্ণজন্মম আর হবে না 💗✨
22/05/2025

যেভাবেই হোক রেখে দাও,পূর্ণজন্মম আর হবে না 💗✨

সম্পর্কে উদাসীনতা কিছু কিছু মানুষের স্বভাবগত অভ্যেস। এরা সম্পর্কের শুরুতে খুব কেয়ারিং দেখায়। যত দিন যায়, তাদের উদাসীনতা ...
15/05/2025

সম্পর্কে উদাসীনতা কিছু কিছু মানুষের স্বভাবগত অভ্যেস। এরা সম্পর্কের শুরুতে খুব কেয়ারিং দেখায়। যত দিন যায়, তাদের উদাসীনতা আরও স্পষ্ট হতে থাকে। তাদের অবহেলা, গুরুত্বহীন মনে করা, হুট করে বদলে যাওয়া, ঠিকঠাক সময় না দেয়া, কথা না বলা মারাত্মক ভাবে সম্পর্কের অপর পাশের মানুষটাকে আহত করে!

ভালোবেসে কাছে আসা, আর কাছে এসে ভালোবাসার চেষ্টা করার মাঝে অনেক ব্যবধান। এই স্বভাবের মানুষগুলো কখনোই ভালোবেসে কাছে আসে না। যখন কাছে আসার পর ভালোবাসার চেষ্টা করে, তখন ধীরে ধীরে অনিহা বোধ সৃষ্টি হয় তাদের!

যারা ভালোবেসে কাছে আসে, তারা কখনোই আগ্রহ হারায় না। তারা গুরুত্ব না দিয়ে থাকতে পারে না, কথা না বলে থাকতে পারে না। নিজের প্রয়োজনেই, ভালো লাগা থেকেই সম্পর্কের মানুষটার সান্নিধ্যে থাকতে চায়।

কিন্তু যারা ভালো না বেসে কাছে আসে, সম্পর্কের বয়স যত বাড়তে থাকে, তাদের স্বভাবে ততই উদাসীনতার মাত্রা বেড়ে যায়! কথা বলা কমিয়ে দেয়, যোগাযোগ কমিয়ে দেয়। ধীরে ধীরে নিজেকে সম্পর্ক থেকে সরিয়ে নিতে মরিয়া হয়ে থাকে।

অবহেলা শুধু দূরেই ঠেলে দেয় না, কখনো কখনো সম্পর্কের অপর পাশের মানুষটাকে আরও তীব্র ভাবে মানুষটার প্রতি আসক্ত করে তোলে। এই অনুভূতি ভীষণ কষ্টদায়ক! না মানুষটাকে বোঝানো যায়, আর না নিজেকে সম্পর্ক থেকে সরিয়ে নেয়া যায়।

অভিমান করতে করতেও একটা সময় মানুষ হাঁপিয়ে ওঠে! যে অভিমান বোঝে না, বোঝার চেষ্টাও করে না, তার কাছে মানুষ প্রকাশ করাটাই একটা...
15/05/2025

অভিমান করতে করতেও একটা সময় মানুষ হাঁপিয়ে ওঠে! যে অভিমান বোঝে না, বোঝার চেষ্টাও করে না, তার কাছে মানুষ প্রকাশ করাটাই একটা সময় পর ঠিকই কমিয়ে দেয়।

অভিমান না ভাঙ্গলে যে যন্ত্রণা হয়, সেই যন্ত্রণা একমাত্র ভুক্তভোগী ছাড়া আর কেউ উপলব্ধি করতে পারে না। মানুষ অধিকারবোধ থেকেই কারো কাছে প্রত্যাশা রাখে। আর যখন অভিমান, অভিযোগগুলো মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে মনের এক কোণে, মানুষ তখন নিজেকে অসহায় মনে করে!

দিনের পর দিন অবহেলা, গুরুত্বহীন হয়ে যাওয়া, কারো কাছে নিজের প্রাপ্য অধিকার এবং সম্মান না পাওয়ার কারণেই যত অভিমানের মেঘ এসে মনের আকাশে ভীড় করে। দু’চোখে বৃষ্টি নামতে নামতে একটা সময় পর মেঘও কেটে যায়। তবুও মনের এক কোণে আক্ষেপ নামক জিনিসটা থেকে যায় আমৃত্যু!

যারা অভিমান বোঝে না, অভিমান ভাঙায় না, এড়িয়ে যায়, গুরুত্ব দেয় না, তাদের কাছে মানুষ কোনোকিছুই প্রকাশ করতে চায় না। ভালোবাসার মতো অভিমানের গভীরতাও অনেক। যারা ভালোবাসা বোঝে, তারা অভিমানও বোঝে। আর যারা অভিমান বোঝে না, তারা ভালোবাসাটাকেও গুরুত্বহীন ভেবে মানুষের বিশ্বাস, অনুভূতি এবং আবেগকে ভ্রূক্ষেপও করে না, খেলা করে।

দেখা হলে অনেক কিছু ঠিক হয়ে যায়। অভিমান কমে দূরত্ব ঘুচে যায়। চোখে চোখ রেখে কথা বললে, অনেক ভুল বোঝাবুঝি আপন আপন লাগে।শুধু ...
14/05/2025

দেখা হলে অনেক কিছু ঠিক হয়ে যায়। অভিমান কমে দূরত্ব ঘুচে যায়। চোখে চোখ রেখে কথা বললে, অনেক ভুল বোঝাবুঝি আপন আপন লাগে।

শুধু দেখা না হওয়ার কারণেই কত সুন্দর সম্পর্ক ভে'ঙে যায়। একটু দেখা, একটু জড়িয়ে ধরাএকসাথে একটু সময় কাটানো এই ছোট ছোট জিনিসগুলোই তো একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখে।❤️

“তাই দেখা করাটা খুব দরকার।
ভালোবাসলে, সময় বের করতেই হয়।"

যখন কোনো সম্পর্ক ধীরে ধীরে গভীর হতে থাকে, তখন আমাদের মনের ভেতর থেকে এক ধরনের চাওয়া জন্ম নেয়। আমরা চাই প্রিয় মানুষটা আমাদ...
12/05/2025

যখন কোনো সম্পর্ক ধীরে ধীরে গভীর হতে থাকে, তখন আমাদের মনের ভেতর থেকে এক ধরনের চাওয়া জন্ম নেয়। আমরা চাই প্রিয় মানুষটা আমাদের জন্য সময় দিক, গুরুত্ব দিক, আগের মতোই প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিক। এই প্রত্যাশাগুলো মুখে বলি না, কিন্তু ভেতরে ভেতরে সেই চাহিদা তৈরি হয় নিঃশব্দে।

আর যখন সেই প্রত্যাশা পূরণ হয় না, তখনই জন্ম নেয় অভিমান। ছোট ছোট উপেক্ষা, সময় না দেওয়া, বদলে যাওয়া আচরণ—সব মিলিয়ে মনটা ভারী হয়ে ওঠে। সেই অভিমান দিন দিন বাড়তে থাকে, জমে যায় কষ্টের পাহাড় হয়ে। একটা সময় সে পাহাড় ভেঙে পড়ে অভিযোগ হয়ে—প্রিয় মানুষটার দিকেই।

এই অভিযোগ-অভিমান বাড়তে বাড়তে একসময় মনে হয়, মানুষটাকে বুঝি হারিয়ে ফেলবো। সেই ভয়টা এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে যে, তখন আমরা অজান্তেই কিছু অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকি।
হুটহাট রাগ, তুচ্ছ ব্যাপারে অভিমান, সবসময় খোঁজ নেওয়া, কারও সাথে বেশি মিশলে হিংসে হওয়া—সবকিছুর শিকড় সেই ভয় থেকে, হারিয়ে ফেলার আতঙ্ক থেকে।

কিন্তু দুর্ভাগ্য এই যে, প্রিয় মানুষটা সব সময় আমাদের সেই ভয়টা বোঝে না। বরং সে ধীরে ধীরে বিরক্ত হতে শুরু করে। প্রতিদিনের অভিযোগ, বারবার অভিমান, একটানা মানসিক টানাপোড়েন তাকে ক্লান্ত করে তোলে। তখন সে একরকম হাঁপিয়ে ওঠে সম্পর্কটা থেকে, আর একসময় সে বেরিয়ে যেতে চায়।

যে মানুষটাকে এত ভালোবেসে আগলে রাখতে চেয়েছি, তাকে নিয়েই একসময় সম্পর্ক বিষিয়ে ওঠে।
আর সম্পর্কের অপর প্রান্তে থাকা মানুষটা যখন চলে যায়, তখন আমরা ভেঙে পড়ি ভেতর থেকে। সব কিছু থাকা সত্ত্বেও ভীষণ একা হয়ে যাই।

এই সত্যটা খুব নির্মম—যে যত গভীরভাবে ভালোবাসে, তার কষ্টটাও হয় গভীর।
আর যে গা ছাড়া ভাবে ভালোবাসে, সে কখনোই অতটা কষ্ট পায় না, কখনোই হারানোর ভয়টুকু বোঝে না।

সম্পর্ক তখনই টিকে থাকে, যখন দুজন মানুষ একসাথে গভীর হয়। না হলে একপক্ষ ভালোবেসে ক্লান্ত হয়, আর অপরপক্ষ স্রোতের মতো ভেসে চলে যায়—নির্বাক, নিঃশব্দে, কোনোরকম উপলব্ধি ছাড়াই।

এভাবেই একদিন সম্পর্কের শেষ হয়।
ভালোবাসা থাকলেও, বোঝাপোড়ার অভাবে।
ভয় থাকলেও, ভাষাহীনতার কারণে।
আর সবচেয়ে আপন মানুষটাকেই হারিয়ে ফেলি—যার জন্য একসময় নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছিলাম।

Address

Barishal

Telephone

+8801876830391

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nazmul Hridoy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share