Dhwoni Diary

Dhwoni Diary সবার আগে কুসুম-বাগে উঠব আমি ডাকি। ধ্বনি।

ভারতের অন্যতম প্রখ্যাত নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী শ্রীমতি অলকা ইয়াগনিক, দীর্ঘ চার দশকের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ পদ্...
14/06/2026

ভারতের অন্যতম প্রখ্যাত নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী শ্রীমতি অলকা ইয়াগনিক, দীর্ঘ চার দশকের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত। ভারতীয় বিভিন্ন ভাষায় হাজার হাজার গানে কণ্ঠ দেওয়া এই গুণী শিল্পী দেশের সঙ্গীত জগতে এক চিরস্থায়ী ও অবিস্মরণীয় স্বাক্ষর রেখে গেছেন।


14/06/2026

নতুন ফ্লাটের জন‍্য বেসিন কমোড কিনতে আসলাম। একই দোকানে খুব আলট্রা পশ এক পরিবার এসেছে। এই ভদ্রমহিলার পাশ দিয়ে হাঁটা যায়না।...
14/06/2026

নতুন ফ্লাটের জন‍্য বেসিন কমোড কিনতে আসলাম। একই দোকানে খুব আলট্রা পশ এক পরিবার এসেছে। এই ভদ্রমহিলার পাশ দিয়ে হাঁটা যায়না। তার সামনে পিছে ডানে বামে যখনই যেদিক দিয়ে কেউ যাবার চেষ্টা করছে, সে হাত দিয়ে থামিয়ে দিচ্ছে। কাছে না আসার ইশারা করে আবার নিজেই দুরে সরে যাচ্ছে। ছোটখাট যা শব্দ আছে, সব ইংরেজিতে বলার চেষ্টা করছে…

এরা দোকানে ঢোকার পরপরই তাদের পশনেস দেখে সেলসম‍্যানরা ব‍্যস্ত হয়ে পরলো তাদের খাতিরযত্ন করতে। মহিলা যেই বেসিনটাই দেখে, সেলসম‍্যান বলতেসে ম‍্যাডামের চয়েজ আছে। মহিলা যেই কমোডে হাত দেয়, সেলসম‍্যান বলতেছে, ম‍্যাডাম জিনিস চিনে…

… ম‍্যাডামও খুব খুশি ‍!

দামদর না করেই তাদের ছয় সাতটা কমোড কেনা শেষ। কিন্তু বেসিন পছন্দ করতে পারছেনা…

ভদ্রলোক একটা মিড রেঞ্জের বেসিন দেখিয়ে তার ওয়াইফকে বললেন, "এটা নাও। এটা তো ভালোই।" উত্তরে ভদ্রমহিলা বলতেসে - "কি বললে? say again? এই বেসিন? এত নরমাল বেসিন তো আমি কিনবোনা। তুমি যেটা বুঝোনা, সেটা নিয়ে কেনো কথা বলছো? চুপ থাকো। কোনো নরমাল বেসিন আমি নিবোন।"

মহিলা খ‍্যাটখ‍্যাট করতে করতে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। আর ভদ্রলোক চুপচাপ পেছনে এসে আমার পাশে দাঁড়ায়ে পানির কল দেখতেসে আর বিড়বিড় করে বলতেসে, "ঠিক আছে। কিনো তোমার অ‍্যাবনরমাল বেসিন। বাসায় নিয়া পুজা করো।"

লোকটার দিকে তাকিয়ে একটা কথাই মাথায় আসলো, "এ জীবন কুকুরের" !

আর সবচেয়ে বেশি খুশি মনে হলো সিড়িতে দাঁড়ানো এই ভ‍্যানগাড়িওয়ালা চাচাকে। সে একটু পর পর অন‍্যদিকে তাকিয়ে হাসতেছে। চাচা আজকে বাসায় যেয়ে নির্ঘাত তার বউকে দুইটা কেনু দিয়ে সংসারে আরেকবার প্রভাব প্রতিপত্তি জানান দেয়ার চেষ্টা চালাবে…

Kazi nipu 🙏

নাম সঞ্জয় দেব। বাংলাদেশের ছেলে, সিলেটের ছেলে, সুনামগঞ্জের ছেলে। এমন একজন ঘরের ছেলে ফিফা বিশ্বকাপের অনুষ্ঠানে গান গাইল। এ...
13/06/2026

নাম সঞ্জয় দেব। বাংলাদেশের ছেলে, সিলেটের ছেলে, সুনামগঞ্জের ছেলে। এমন একজন ঘরের ছেলে ফিফা বিশ্বকাপের অনুষ্ঠানে গান গাইল। এর চাইতেও বড় কথা তাঁর পোষাকে ছিল জাতীয় পশু রয়েল বেংগল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা এবং প্রাণের লালসবুজ পতাকার মোটিফ। ছেলেটি গান গাইবার সময় লালসবুজ পতাকার দিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছিলেন বিশ্ববাসীকে। ওর সবটা জুড়েই ছিল বাংলাদেশ, সবটা জুড়েই ছিল দেশপ্রেম।

যদিও উনি মার্কিন নাগরিক, কিন্তু শেকড়ের কথা ভুলে যান নি। মনে প্রাণে ধারণ করেন জন্মভূমিকে, প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশকে। তাঁকে শ্রদ্ধা জানাই। শ্রদ্ধা জানাই তাঁর মা বাবাকে।

জয়, সঞ্জয় দেবের জয়। জয়, বাংলাদেশের জয়। জয়, দেশপ্রেমের জয়। জীবন সুন্দর, আনন্দম।

ছিনতাইকারী প্রাণ নিলো পার্বতীপুরের মেয়ে সোমারঅটো ঢাকা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পার হচ্ছে। এমন সময় ছিনতাইকারী ব...
12/06/2026

ছিনতাইকারী প্রাণ নিলো পার্বতীপুরের মেয়ে সোমার

অটো ঢাকা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পার হচ্ছে। এমন সময় ছিনতাইকারী ব্যাগ ধরে টান দেয়। সোমা ব্যাগ শক্ত করে ধরে রাখে। ওপাশ থেকে জোরে হ্যাঁচকা টান দেয়। ব্যাগ সহ চলন্ত রিকশা থেকে পড়ে যায়। চোখ সহ মাথায় ভীষণ আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

ধানমণ্ডি আনোয়ার খান মডার্নে ভর্তি করানো হয়। অবস্থা গুরুতর। রোগীকে আইসিইউ তে রাখা। মাথার খুলি নেই। সাবধান। ডাক্তাররা এই কয়েকদিন সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

১১ তারিখ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলো সোমা।

আমরা যে একটা অসৌজন্য, স্বার্থপর জাতি-তার আরেকটা চাক্ষুষ প্রমাণ পেলাম।দিনাজপুর থেকে ঢাকায় যাচ্ছি।বাইরে প্রচন্ড রোদ,আর ভেত...
12/06/2026

আমরা যে একটা অসৌজন্য, স্বার্থপর জাতি-তার আরেকটা চাক্ষুষ প্রমাণ পেলাম।

দিনাজপুর থেকে ঢাকায় যাচ্ছি।বাইরে প্রচন্ড রোদ,আর ভেতরে মারাত্মক ভীড়।সাথে ট্রেনের ছাদভর্তি মানুষ।বাহির থেকে মানুষ এমন আগ্রহ নিয়ে দেখতেছে,যেমনটা কুরবানির হাটে কুরবানির গরু দেখে।

ট্রেন সম্ভবত নাটোর স্টেশনে থামলো।জানালা দিয়ে বাইরে তাকায়ে দেখলাম,পাশের একটা খাবারের হোটেলে এক ছেলে কাঁচের গ্লাস পরিষ্কার করছে।

ট্রেন পাশে এসে থামামাত্রই সে আগ্রহ নিয়ে ট্রেনের দিকে তাকালো।এমন সময় ট্রেনের ভেতরে বসা কয়েকজন যাত্রী তাকে ডেকে একটা বোতল ছুড়ে দিল হোটেল থেকে পানি ভরিয়ে দেয়ার জন্য।বাচ্চাটা বেশ আগ্রহ নিয়েই বোতলটা নিয়ে পানি ভরিয়ে আনতেই মানুষ জন আরও বোতল ছোড়া শুরু করলো।দেখে বুঝার উপায় নাই,পানি আনার জন্য নাকি আঘাত করার জন্য বোতল ছুড়ছে!

এর মাঝে ট্রেনের ভেতর থেকে ছোড়া একটা বোতলের ছিপির শক্ত অংশটা সরাসরি গিয়ে বাচ্চাটার চোখে লাগলো।সে চোখ চেপে ধরে কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকলো।আমি খেয়াল করে দেখলাম,যেই লোকটা বোতল ছুড়েছে, সে দিব্বি হাসাহাসি করছে,বোতল চোখে লাগায় মজা পেয়েছে মনে হয়।

অথচ বাচ্চাটা চোখে হাত দিয়েই একটা একটা করে সবগুলো বোতল ভরিয়ে এনে ট্রেনের ভেতরে আর ছাদে-যার যার কাছে দিয়ে গেল।

মজার ব্যাপার কি জানেন?এইযে এতজনের এতগুলো বোতলভর্তি পানি যে সে দিয়ে গেল,কেউ খুশি হয়ে বাচ্চাটাকে দশটা টাকা তো দূরে থাক,একটা হাসি মাখা ধন্যবাদ পর্যন্ত দিল না!
ভাই,দুই লিটার পানির দাম ৪০ টাকা।এই ছেলেটা বোতল ভরিয়ে না দিলে এক পয়সা কমেও পানি কিনতে পারতো না!

অথচ,এই ছেলেটা নিজের হোটেলের কাজ বাদ দিয়ে,চোখে বোতলের আঘাত নিয়ে মিনিট দশেক দৌড়ে দৌড়ে এক এক করে সবাইকে পানি এনে দিল,তবুও কারও মাঝে সামান্য সৌজন্যের চিহ্ন টুকুও নাই!

অসৌজন্যতা আমাদের জাতিগত সমস্যা।আমরা কাউকে সাধাসিধা পেলে তাকে যখন যেভাবে পারি ব্যবহার করি।একটাবারও তার কথা ভাবি না।আর সেই মানুষটা মুখ বুজে সব করে যায়..কোনো বিনিময় ছাড়াই।

প্রিয় ছোটভাই,
তুমি একটা নিষ্ঠুর পৃথিবীতে বড় হচ্ছো।এই পৃথিবীতে সবাই শুধু নিজেরটা বুঝে।স্বার্থ ছাড়া এখানে কেউই কারোর না।তবুও দোয়া রাখি,মানুষের স্বার্থপরতা তোমার কমলতাকে যেন কখনোই মুছে না দেয়।
আবার যদি কখনো আমার ট্রেন তোমার হোটেলের সামনে থেমে যায়,সেদিন বাকিদের যে উপকার তুমি করলে তার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে আসবো।
ঈশ্বর তোমাকে ভালো রাখুন।💜

Imran Khan fahim 🙏

প্রথমে দেখে মনে হতে পারে, এ আর এমন কী! একজন বাসের হেল্পার তার কাজই তো করছে। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায়, সব মানুষ এ...
09/06/2026

প্রথমে দেখে মনে হতে পারে, এ আর এমন কী! একজন বাসের হেল্পার তার কাজই তো করছে। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায়, সব মানুষ এক রকম নয়।

আজ সকালে বাসে উঠেই লক্ষ্য করলাম, যুবকটি অন্যদের মতো শুধু ভাড়া তোলায় ব্যস্ত নয়। একজন শিক্ষার্থী ভাড়া দিতে গেলে সে বলল, "ভাইজান, মন দিয়ে পড়াশোনা করবেন। অনেক বড় মানুষ হতে হবে।"

আরেকজন শিক্ষার্থীকে বলল, "কোনোদিন হতাশ হইয়েন না। বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করবেন।"

অবাক হলাম। কারণ কথাগুলো ছিল না মুখস্থ বা আনুষ্ঠানিক। যেন নিজের ছোট ভাইদের জন্য আন্তরিক উপদেশ।

শুধু শিক্ষার্থীদের সঙ্গেই নয়, বয়স্ক যাত্রীদের প্রতিও তার আচরণ ছিল অসাধারণ। কাউকে ভালো জায়গায় দাঁড়াতে বলছে, কারও জন্য ফ্যান ঠিক করে দিচ্ছে, আবার কারও সুবিধার কথা ভেবে অন্য বাসে উঠার পরামর্শ দিচ্ছে।

পরে কথা বলে জানতে পারলাম, তার নাম রাসেল। জীবনের অনেক কষ্ট আর প্রতারণার অভিজ্ঞতা আছে তার। তাই এখন চেষ্টা করেন কাউকে কষ্ট না দিতে, কাউকে ঠকাতে না।

তার একটা কথা বিশেষভাবে মনে গেঁথে গেছে—

"জীবনে অনেক ঠকছি। তাই কাউকে ঠকাতে চাই না। পারলে উপকার করতে চাই।"

তিনি আরও বললেন, তার তিনটি মেয়ে আছে। জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন, মেয়েরা যেন লেখাপড়া শিখে শিক্ষিত মানুষ হতে পারে।

আমরা প্রায়ই মানুষের পরিচয় বিচার করি তার পেশা দিয়ে। অথচ কিছু মানুষ আছেন, যাদের পরিচয় তাদের কাজের চেয়েও বড়—তাদের মানবিকতা।

রাসেল ভাই হয়তো বড় কোনো পদে নেই, কিন্তু মানুষের প্রতি সম্মান, শিক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার দিক থেকে তিনি সত্যিই বড় মনের একজন মানুষ। ❤️

এখানে সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত কে ?
09/06/2026

এখানে সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত কে ?

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhwoni Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share