Artsana by Afsana

Artsana by Afsana Bangladeshi photographer & Architecture student who was bought-up in Saudiarabia. Afsana is a Bangladeshi self-taught photographer who grew up in Saudiarabia.

As a child, she loved spending her days outdoors, playing and exploring. On rainy days, she would draw pictures of mountains and rivers. During her teen years, she discovered photography. She immediately fell in love with nature photography, and now, it is her passion. She loves adventure. She likes capturing images that would make her audience want to discover more about nature. He travels around the world with her favorite camera and brings home memories immortalized in her amazing photographs. She wants to show the beauty of nature and photography to the world!

02/08/2026

পতনের জন্য অভিশাপ লাগে না
মানুষের দীর্ঘশ্বাসই যথেষ্ট…‼️

জীবন সুন্দর যদি আপনি সুন্দর মনে করেন তাকে 🤍
02/08/2026

জীবন সুন্দর যদি আপনি সুন্দর মনে করেন তাকে 🤍

23/04/2026

কোন ছেলেকে বিয়ে করতে গেলে তার মায়ের লাইফস্টাইল দেখুন।

সুখী, প্রফুল্ল মায়ের ছেলেকে বিয়ে করুন।

সারাজীবন দুঃখী, ভিক্টিম রোল প্লে করা, কান্না করতে থাকা, অপমান সহ্য করে ছেলে মেয়েকে অভিযোগ করতে থাকা মায়ের ছেলেকে বিয়ে করা মানে নিজের জন্য ঠিক তেমন জীবনই ডেকে আনা।

"মেয়েদের জীবনটাই এমন, মেয়ে মানুষের আর কিসের শখ আহ্লাদ" বলতে থাকা মায়ের ছেলেকে বিয়ে করবেন না।

সুখী,আহ্লাদী, সাজুনি, প্রতিবাদি, স্বামী সোহাগি... মায়ের ছেলে বিয়ে করুন...নিজেও এমন লাইফ পাবেন।

পুরুষ জীবনের প্রথম নারীজীবনের স্বকীয়তা উপলব্ধি করে নিজের মাকে দিয়ে। মায়ের বৈশিষ্টকেই নারীর বৈশিষ্ট ধরে বেড়ে উঠে।

মাকে ভিক্টিম হতে দেখে বড় হওয়া ছেলে ধরেই নেয় নারী জীবন মানেই ভিক্টিম হওয়া! মেয়েদের লাইফই অপমানিত, লাঞ্চিত, বঞ্চিত হওয়া!

তার মায়ের জন্য ছোটবেলায় কষ্ট হলেও বড় হতে হতে এটাই তার কাছেও স্বাভাবিক হয়ে যায় যে মেয়েদের জীবনই এমন!!
নারী মানেই মমতাময়ী। মমতা যে নারীকেও প্রভাইড করতে হয় সেটা সে শেখে না!

তার চেয়ে ভয়ানক ব্যাপার হলো ওই ছেলেটা ধরেই নেই যৌবনে, সংসার জীবনে কষ্ট, অপমান, লাঞ্চনা পেতে হয়। এইসব সহ্য করে ছেলে সন্তানের জন্ম দিতে হয়। তারপর এই ছেলে সন্তান বড় হয়ে তার জনমদুখিনী মাকে সুখী অনুভব করাতে মাকে সাথে নিয়ে আবার আরেকটা মেয়েকে ঠিক তেমন কষ্টেই রাখতে হবে যেমনটা তার মাকে সারাজীবন পেতে দেখে এসেছে!!

তার মা ছোটবেলা থেকেই তাকে বলে এবং বুঝিয়ে এসেছে সব সহ্য করছি তোদের জন্য। তোরা বড় হয়ে আমাকে উজাড় করে দিবি সব সেই স্বপ্নে!

ছেলের ডেস্টিনেশনই হয় মায়ের সারাজীবনের দুঃখ কষ্টকে যে কোন মূল্যে বার্ধক্যে এসে পুষিয়ে দেয়া। তাকে যে মা সন্তানের বাইরেও আরও অনেকগুলো সম্পর্কের দায়িত্ব নিতে হবে, আরও কিছু সম্পর্কও মেইনটেইন করতে হবে, আরও কিছু মানুষের সাথেও সুখ আর ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী করতে হবে সেটা সে বোঝেই না কখনও।

প্রতিটি সম্পর্কের যা আলাদা অবস্থান থাকে সেটা সে শেখে বড় হয় না।

সারাজীবন দুঃখী মাকে দেখে বড় হয়ে সুখী,খুশি, আহ্লাদী,প্রতিবাদী স্ত্রীকে সে নারীসুলভ মনে করে না। কল্পনায় নারী বলতে যেমন বোঝে তেমনটার সাথে স্ত্রীর মিল না পেলেই স্ত্রী হয়ে যাবে অসভ্য!!!

যে ছেলে মাকে সারাজীবন খুশী, প্রফুল্ল, প্রতিবাদী, স্বামী আহ্লাদী, সংসারে মূল্যবান দেখে বড় হয়েছে সে তার কল্পনায় নারী, স্ত্রী বলতে এমনটাই ভেবে বড় হবে। সে তার স্ত্রীকেও সেভাবেই ট্রিট করবে। নিজের স্ত্রীকেও সুখী, খুশি আর প্রফুল্ল রাখার চেষ্টা করবে। "মেয়েদের জীবনটাই এমন" টাইপ মানসিকতা তার থাকবে না।

যে ছেলের মায়ের লাইফস্টাইল যত উন্নত সে ছেলের মানসিকতা তত উন্নত। রানী টাইপ মায়ের ছেলে তার বউকেও রানী করেই রাখে। মা যদি স্বভাবগত কারনে ছেলের সংসারে বেশি রাজত্ব করতেও আসে... স্মার্ট ছেলে মা আর বউকে ব্যালেন্স করতে সক্ষম হয়! কারন স্মার্ট মায়ের ছেলেও স্মার্টই হয়🙂

16/02/2026

মেয়েরা রূপকথার রাজপুত্র খুঁজে, আর সেই রাজপুত্রই যখন আপনার জীবনকে 'দৃশ্যমান কারাগারে' পরিণত করে, তখন সেই আঘাতটা কোথায় গিয়ে বাজে, তা কেবল একজন ভুক্তভোগীই বোঝে।
​আজ আমি কথা বলব সেইসব মেয়েদের নিয়ে, যাদের স্বামীরা বাইরে 'ভদ্রলোক' হলেও ঘরে একজন নার্সিসিস্ট। এই পুরুষরা আপনার জীবন থেকে ভালোবাসা আর সম্মান শুষে নিয়ে আপনাকে ধীরে ধীরে নিঃশেষ করে দেয়।

​১. লাভ বোম্বিং (Love Bombing): রূপকথার শুরু, বিষাক্ত শেষ:
বিয়ের আগে বা সম্পর্কের শুরুতে এরা ছিল আপনার স্বপ্নের পুরুষ। আকাশের চাঁদ এনে দেওয়ার মতো প্রতিশ্রুতি, সারাদিন মেসেজ, গিফট আর অতিরিক্ত কেয়ার—এগুলোকে সাইকোলজির ভাষায় বলে 'লাভ বোম্বিং'। আপনি ভাবেন, "আহা! এমন স্বামী আর কারও নেই।" কিন্তু এটাই হলো ফাঁদ। আপনি যখন পুরোপুরি আটকা পড়বেন, তখনই শুরু হবে তার আসল খেলা।

​২. আপনার প্রতিটি শ্বাস-প্রশ্বাসে নিয়ন্ত্রণ:
আপনার মেকাপ, আপনার পোশাক, আপনার বান্ধবীদের সাথে গল্প করা, আপনার হাসা বা কান্না—সবকিছু তার চোখের নিচে থাকবে। আপনি কেন হাসলেন? কাকে দেখে হাসলেন? কেন এটা পরলেন? কেন ওর সাথে কথা বললেন?—এই প্রশ্নগুলো আপনার জীবনকে বিষিয়ে দেবে। সে চাইবে আপনি কেবল তারই জন্য বাঁচুন, তার ইচ্ছেমতো চলুন। আপনার নিজস্ব কোনো সত্তা সে দেখতে চাইবে না।

​৩. গ্যাসলাইটিং (Gaslighting) ও আপনার আত্মবিশ্বাস চুরি:
আপনার স্মৃতিশক্তি, আপনার অনুভূতি, আপনার চিন্তাভাবনা—সবকিছু নিয়ে সে আপনাকে প্রশ্ন করবে। "তুমি অতিরিক্ত রিঅ্যাক্ট করছ", "তুমি ভুল বুঝছো", "আমি তো এমনটা বলিনি"—এই কথাগুলো আপনার মনে নিজের বিচারবুদ্ধি নিয়েই সন্দেহ তৈরি করবে। একসময় আপনি আয়নায় তাকিয়ে নিজেকে চিনতে পারবেন না, আপনি নিজেই নিজেকে ভুল ভাবতে শুরু করবেন।

​৪. 'আর্থিক পরাধীনতা' নামের শিকল:
সে আপনাকে চাকরি করতে দেবে না বা আপনার নিজের উপার্জনের পথ বন্ধ করে দেবে। এর কারণ ভালোবাসা নয়, বরং আপনাকে পুরোপুরি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা। কারণ, সে জানে, আপনার হাতে টাকা না থাকলে আপনি তার নির্যাতন নীরবে সহ্য করতে বাধ্য হবেন। তখন সে আপনার ওপর 'দয়া' করার ভান করবে।

​৫. অভিযোগ করলে সে-ই 'ভিক্টিম':
যখন আপনি তার আচরণ নিয়ে অভিযোগ করবেন, সে নিজেকেই অসহায় প্রমাণ করবে। "আমি তোমার জন্য এত কিছু করি, আর তুমি আমাকে অবিশ্বাস করো?", "সবাই আমার বিরুদ্ধে, শুধু তুমি পাশে ছিলে"—এমন কথা বলে সে আপনাকে অপরাধবোধে ভোগাবে। একসময় আপনিই উল্টো তার কাছে ক্ষমা চাইবেন।

​ইসলাম এবং সাইকোলজির চোখে:
ইসলামে স্বামী তার স্ত্রীর অভিভাবক, কিন্তু 'মালিক' নয়। রাসূল (সা.) বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।" যে ব্যক্তি স্ত্রীকে মানসিক নির্যাতন করে, তাকে ছোট করে, তার আত্মবিশ্বাস কেড়ে নেয়—সে কোনোভাবেই ইসলামের পথে নেই। একজন স্বামী যখন স্ত্রীর শ্বাসরোধ করে, তখন সে আল্লাহর আমানতের সাথে খিয়ানত করে।
​কীভাবে এই বিষাক্ত জাল থেকে বের হবেন?

​চোখ খুলুন: সবার আগে মেনে নিন আপনার স্বামী একজন নার্সিসিস্ট। আপনি তাকে ভালোবাসা দিয়ে পরিবর্তন করতে পারবেন না।

​আর্থিক স্বাধীনতা: ছোটখাটো কাজ শুরু করুন, নিজের জন্য কিছু অর্থ জমানো শুরু করুন। অর্থই আপনাকে পালানোর পথ দেখাবে।

​সীমানা নির্ধারণ: সে কী করতে পারবে আর কী পারবে না, তা আপনার স্বামীকে স্পষ্ট করে বলুন। যদি সে না মানে, তবে বুঝতে হবে আপনার জন্য এই সম্পর্কে কোনো ভবিষ্যৎ নেই।

​সাহায্য চান: বন্ধু, পরিবারের সদস্য, একজন কাউন্সেলর বা নির্ভরযোগ্য আলেমের সাহায্য নিন। লুকিয়ে রাখবেন না, কারণ এই নীরবতা আপনাকে শেষ করে দেবে।

​শেষ কথা:
আপনার জীবনটা মূল্যবান। কোনো পুরুষকে আপনার আত্মবিশ্বাস কেড়ে নিতে দেবেন না। ভালোবাসা মানে আপনাকে ছোট করা নয়, বরং আপনাকে সম্মান দেওয়া। আল্লাহ আপনাকে দুর্বল করে সৃষ্টি করেননি। নিজের জন্য লড়াই করার সাহস আপনার ভেতরেই আছে।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Artsana by Afsana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share