দৈনিক গর্জনিয়া বার্তা-The Daily Garjania Bartha

দৈনিক গর্জনিয়া বার্তা-The Daily Garjania Bartha বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন এর জনপ্রিয় মাধ্যম দৈনিক গর্জনিয়া বার্তা।

গর্জনিয়ায় নদীভাঙন পরিদর্শনে এমপি লুৎফুর রহমান কাজল: দ্রুত বলি স্পার নির্মাণের নির্দেশনিজস্ব প্রতিবেদক, রামু (কক্সবাজার):...
14/07/2026

গর্জনিয়ায় নদীভাঙন পরিদর্শনে এমপি লুৎফুর রহমান কাজল: দ্রুত বলি স্পার নির্মাণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রামু (কক্সবাজার):
গত এক সপ্তাহ ধরে টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার পূর্বাঞ্চলের গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে নদীভাঙন ও প্লাবনে মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। একই সঙ্গে খুনিয়াপালং ও মিঠাছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাও বন্যা ও নদীভাঙনের কারণে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজার-৩ (রামু-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা, পূর্ব বোমাংখিল ও ক্যাজেরবিল এলাকার নদীভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে নদীভাঙনের ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন।

পরিদর্শন শেষে এমপি লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, নদীভাঙনে মানুষের ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, কক্সবাজারকে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনকবলিত এলাকায় বলি স্পার নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ করে মানুষের বসতভিটা ও জানমাল রক্ষা করা সম্ভব হবে।

এদিকে গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ গর্জনিয়া বার্তাকে জানান, গত ১৩ জুলাই তিনি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, কক্সবাজার বরাবর মাঝিরকাটা, পূর্ব বোমাংখিল, বাঁকখালী ব্রীজের নিচে এবং ক্যাজেরবিল এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে বলি স্পার নির্মাণের জন্য আবেদন করেন। উক্ত আবেদনে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল এমপি সুপারিশ করেন। তিনি আরও জানান, আবেদন করার পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা দ্রুত সরেজমিনে পরিদর্শনের আশ্বাস দেন। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করার জন্য গর্জনিয়া যাবেন এবং অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছে।

মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ বলেন, “আমরা আশা করি দ্রুত বলি স্পার নির্মাণ করা হলে বাঁকখালী নদীঘেঁষা শত শত বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মূল্যবান কৃষিজমি, গাছপালা এবং স্থানীয় অবকাঠামোও সুরক্ষিত থাকবে।”

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রামু উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাবু, রামু উপজেলা জামায়াতের আমির ফয়জুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান, গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল আলীম, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম মিন্টু, আব্দুল মালেক, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান, জয়নাল আবেদীন জনি, রামু উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক আজিজ, গর্জনিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহিব উল্লাহ মুহিব, কৃষকদলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাজাহান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তৈয়বসহ ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বলি স্পার নির্মাণ ও নদীভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে বর্ষা মৌসুমে আরও বহু ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে বন্যা ও টানা বর্ষণের প্রভাব: গর্জনিয়ায় নদীভাঙন ও প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, দ্রুত ব্যবস্থ...
14/07/2026

চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে বন্যা ও টানা বর্ষণের প্রভাব: গর্জনিয়ায় নদীভাঙন ও প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক:
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় বন্যা, জলাবদ্ধতা ও নদীভাঙন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে, আবার অনেক এলাকায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়িসহ বিভাগের বিভিন্ন স্থানে হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে। পাশাপাশি প্রবল স্রোতের কারণে বিভিন্ন নদীর তীরবর্তী এলাকায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙন।

এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার জেলার নদীভাঙন ও প্লাবন পরিস্থিতি পরিদর্শনে আজ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মান্নান। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রামু উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমান।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক সারাদিন ঈদগড়, গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন প্লাবিত ও নদীভাঙন কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগ, ক্ষয়ক্ষতি এবং জরুরি প্রয়োজন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ থোয়াঙ্গাকাটা এলাকায় গর্জইখালের ভয়াবহ ভাঙন এবং বাঁকখালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো জেলা প্রশাসক সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। নদীর তীব্র স্রোতে ইতোমধ্যে বহু বসতভিটা, কৃষিজমি, গ্রামীণ সড়ক ও জনসাধারণের ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। অনেক পরিবার আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে, কারণ নদীর ভাঙন প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা গ্রাস করছে।

পরিদর্শনের সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানান, প্রতি বর্ষা মৌসুমে বাঁকখালী নদীর ভয়াবহ ভাঙনের কারণে এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ে। কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় অনেক পরিবার জীবিকা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। অনেক স্থানে সড়ক ভেঙে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনাও হুমকির মুখে রয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মান্নান বলেন, "নদীভাঙন ও প্লাবনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে বাস্তব চিত্র দেখেছি এবং স্থানীয় মানুষের বক্তব্য শুনেছি। মানুষের জানমাল ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেখানে জরুরি ভিত্তিতে বলি স্পার ও জিও ব্যাগ স্থাপন প্রয়োজন, সেখানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।"

এ বিষয়ে গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল জব্বার মেম্বার বলেন, "দক্ষিণ থোয়াঙ্গাকাটা এলাকায় নদীভাঙন দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। জেলা প্রশাসক সরেজমিনে এসে বাস্তব পরিস্থিতি দেখেছেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা আশা করছি, অতি দ্রুত বলি স্পার ও জিও ব্যাগ স্থাপনের কাজ শুরু হলে মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হবে।"

স্থানীয়দের দাবি, নদীভাঙন রোধে শুধু অস্থায়ী নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তারা বাঁকখালী নদীর ঝুঁকিপূর্ণ অংশে স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নেরও দাবি জানান।

এদিকে, টানা বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি জমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। কৃষি, মৎস্য ও যোগাযোগ খাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জেলা প্রশাসনের তদারকি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে গর্জনিয়াসহ কক্সবাজারের নদীভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং জানমাল, বসতভিটা, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষা করা সম্ভব হবে।

গর্জনিয়ায় বাঁকখালী নদীর ভাঙনরোধে ১৬টি বলি স্পার নির্মাণের আবেদন, এমপি কাজলের সুপারিশনিজস্ব প্রতিবেদক:কক্সবাজারের রামু উপ...
14/07/2026

গর্জনিয়ায় বাঁকখালী নদীর ভাঙনরোধে ১৬টি বলি স্পার নির্মাণের আবেদন, এমপি কাজলের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নে বাঁকখালী নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে জনস্বার্থে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর ৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জরুরি ভিত্তিতে মোট ১৬টি বলি স্পার নির্মাণের আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনটি করেন গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, চলমান বর্ষা মৌসুমে বাঁকখালী নদীর তীব্র ভাঙনের কারণে বিভিন্ন এলাকার বসতভিটা, কৃষিজমি, সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে কক্সবাজার-৩ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল এমপি আবেদনটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা এমপি লুৎফুর রহমান কাজল ও আবেদনকারী মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহর এ সময়োপযোগী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিলে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা অসংখ্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কৃষিজমি, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জনসম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

স্থানীয়দের মতে, গর্জনিয়া ইউনিয়নের নদীভাঙন কবলিত এলাকাগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। তাই দ্রুত ১৬টি বলি স্পার নির্মাণের মাধ্যমে নদীর ভাঙন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

11/07/2026

অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও প্লাবিত এলাকায় গিয়ে গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করছেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য জনাব লুৎফুর রহমান কাজল এমপি মহোদয়- Lutfur Rahman Kazal MP ।

#দৈনিক_গর্জনিয়া_বার্তা
#কক্সবাজার
#কাজল_এমপি
#প্লাবিত
#ত্রাণ_সহায়তা

গর্জনিয়ার নদীভাঙন ও প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি লুৎফুর রহমান কাজল।বিশেষ প্রতিনিধি: টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা...
10/07/2026

গর্জনিয়ার নদীভাঙন ও প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি লুৎফুর রহমান কাজল।

বিশেষ প্রতিনিধি: টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল এমপি।

আজ বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে তিনি গর্জনিয়া বাঁকখালী ব্রিজে পৌঁছালে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পরে সংসদ সদস্য উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং গর্জনিয়া ইউনিয়নের নদীভাঙন, প্লাবন ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। বিশেষ করে মাঝিরকাটা, বোমাংখিল, সিকদারপাড়া, ক্যাজেরবিল ও জুমছড়িসহ নদীভাঙন ও প্লাবিত বিভিন্ন এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। স্থানীয়রা তাঁকে জানান, নদীর তীব্র স্রোতে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। অনেক কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে এবং বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল এমপি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, "যেখানে যেখানে নদীভাঙন হচ্ছে, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী বল্লি স্পার ও জিও ব্যাগ স্থাপনের মাধ্যমে ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।"

তিনি আরও বলেন, "যেসব পরিবার প্লাবনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে ত্রাণসামগ্রী তাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেবেন। কোনো অসহায় পরিবারকে একা রাখা হবে না।"

তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলীম, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহসহ ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, মৎস্যজীবী দল ও শ্রমিক দলের অসংখ্য নেতাকর্মী।

স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, সংসদ সদস্যের এই পরিদর্শনের মাধ্যমে নদীভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো প্রয়োজনীয় সরকারি ও মানবিক সহায়তা পাবে।

গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়ায় হু হু করে বাড়ছে পানি, উৎকণ্ঠায় এলাকাবাসী।বিশেষ প্রতিবেদক, রামু:টানা কয়েক দিনের মুষলধারে বৃষ্টি ...
09/07/2026

গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়ায় হু হু করে বাড়ছে পানি, উৎকণ্ঠায় এলাকাবাসী।

বিশেষ প্রতিবেদক, রামু:
টানা কয়েক দিনের মুষলধারে বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নসহ জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। মাঝে গত দুইদিন পানির বেগ কিছুটা কম থাকলেও, আজ (অদ্য) সকাল, সন্ধ্যা এবং রাত বাড়ার সাথে সাথে পানির তীব্রতা ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। পাহাড়ি বাঁকখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় হু হু করে লোকালয়ে প্রবেশ করছে ঢলের পানি। হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় লক্ষাধিক মানুষ। সন্ধ্যা যতই ঘনিয়ে আসছে, বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের চোখে-মুখে দুশ্চিন্তার ভাজ ততই তীব্র হচ্ছে। এই মুহূর্তে দুর্গত মানুষের প্রধান দাবি—জরুরি মানবিক সহায়তা এবং নিরাপদ আশ্রয়স্থল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু গর্জনিয়া বা কচ্ছপিয়াই নয়, বন্যার পানি ছড়িয়ে পড়েছে কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলায়। রামু উপজেলার গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, কাউয়ারখোপ, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, চাকমারকুল ও রাজারকুলসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন ইতিমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া নাইক্ষ্যংছড়ি, উখিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া এবং পেকুয়াসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন নিম্নঅঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কচ্ছপিয়ার মৌলভীরকাটা, ডেকুবনিয়া, তিতাপাড়া, ফাক্রিকাটা, গর্জনিয়া বাজার এবং গর্জনিয়ার মাঝিরকাটা, বোমাংখিল, সিকদারপাড়া, ক্যাজেরবিল, জুমছড়ি, থিমছড়ি এবং থোয়াঙ্গাকাটা, বড়বিলসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রধান সড়কগুলো পানির নিচে। শত শত পরিবার ইতিমধ্যে পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এদিকে সামনে স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ডজনখানেক চেয়ারম্যান প্রার্থীর তৎপর থাকার কথা থাকলেও, এই চরম দুর্যোগ মুহূর্তে কেবল হাতেগোনা কয়েকজন প্রার্থীকে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে প্লাবিত এলাকা এবং নদী ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে। বিপদের দিনে বেশিরভাগ প্রার্থীর এমন অনুপস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ভোটের সময় প্রার্থীর অভাব না হলেও বিপদের সময় তাদের পাশে পাওয়ার লোক খুব কম।এমন পরিস্থিতিতে জরুরি মানবিক সহায়তার আশায় স্থানীয় জনগণ এখন মাননীয় সংসদ সদস্য (এমপি) এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সুদৃষ্টি ও জরুরি হস্তক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছেন।

হঠাৎ পানি বাড়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও খামারিরা। শত শত একর আমন ধানের বীজতলা এবং শাকসবজির ক্ষেত বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। গবাদিপশুগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত শুকনো জায়গা না থাকায় চরম সংকটে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। নদীর পানি কমার কোনো লক্ষণ না থাকায় এবং বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পুরো কক্সবাজার জেলাজুড়ে এখন কেবলই আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা কাজ করছে। দুর্গত এলাকার মানুষ এখন প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতার আশায় পথ চেয়ে বসে আছেন।

08/07/2026
আর্জেন্টিনার জয় নিয়ে তুমুল বিতর্ক, কাঠগড়ায় ফরাসি রেফারিমতিউর রহমান চৌধুরীআর্জেন্টিনার জয় নিয়ে তুমুল বিতর্ক, কাঠগড়ায় ফরাস...
08/07/2026

আর্জেন্টিনার জয় নিয়ে তুমুল বিতর্ক, কাঠগড়ায় ফরাসি রেফারি
মতিউর রহমান চৌধুরী

আর্জেন্টিনার জয় নিয়ে তুমুল বিতর্ক, কাঠগড়ায় ফরাসি রেফারি
অভিযোগ উঠেছে- ফ্রান্সের রেফারি ল্যাতেজিয়ার দুর্বল ও পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়ে আর্জেন্টিনা জিতেছে বটে। তবে আটলান্টা স্টেডিয়ামে লজ্জাজনক অধ্যায়ও রচিত হলো। ফ্রান্সের রেফারি ল্যাতেজিয়ার ছিলেন দুর্বল ও পক্ষপাতদুষ্ট। এটা স্বীকার করতেই হবে- আর্জেন্টিনা ঝড়ের কবলে পড়েছিল। লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল প্রায় সবকিছু। মেসি পেনাল্টিতে গোল করতে ব্যর্থ হন। এই আসরেই অষ্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে পেনাল্টি মিস করেন। খেলায় গোল হয়েছে পাঁচটি। প্রথম গোল করেন মিশরের ইয়াসের ইব্রাহিম। দ্বিতীয় গোলটি করেন মোস্তফা জিকো।

এর আগে নাটকীয় ঘটনাও ঘটে বেশ কিছু। মিশরের একটি গোল বাতিল হয়। যা নিয়ে বিশ্বব্যাপী ফুটবলভক্তরা তাজ্জব হয়েছেন। মাঠের মধ্যে উসকানি দেখে ফরাসি তারকা এমবাপ্পে শুধু হাসলেন। সংবাদমাধ্যম এই খবরটাই দিয়েছে। কিন্তু কেন? বোধ করি আপনারাও বুঝতে পেরেছেন। কারণ গোল হওয়ার ২০ সেকেন্ডে একটা ফাউলের অভিযোগে গোল বাতিল হয়। যা ছিল হাস্যকর, কলঙ্কিত। রেফারির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক বিতর্ক ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে বিশ্বকাপের মঞ্চে। বাইরের দুনিয়াও একই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই বলেছেন, এটা আর্জেন্টিনা নয় ভার্জেন্টিনা। যাই হোক, পাঁচ মিনিটের মধ্যে আর্জেন্টিনা দুটো গোল করে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেয়। মেসি সরাসরি গোল করেন। আর তার বলে অন্যটি করেন রোমেরো। বিশ্বকাপে টানা ৯ ম্যাচে গোল করলেন মেসি। খেলার ভাগ্য নির্ধারিত হয় ইনজুরি টাইমে। এই গোলটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কারণ মিশরের তারকা সালাহকে স্পষ্ট ফাউল করলেও তা রেফারি এড়িয়ে যান। এমনকি রিভিউতেও পাঠাননি। যেটা অবিশ্বাস্য।

অভিযোগ, মিশর হেরে গেল রেফারির ছল-চাতুরিতে। নাহলে হয়তো খেলাটি ঘিরে তেমন একটা বিতর্ক হতো না। মোস্তফা জিকোর গোলটা বাতিলের পর বোঝা গিয়েছিল অন্য কিছু হতে পারে। এর আগের ইতিহাস- রোনালদো নেই, ব্রাজিল নেই বিশ্বকাপে তাহলে থাকলো কী। এবার যদি আর্জেন্টিনাও চলে যায় তাহলে তো বিশ্বকাপের উন্মাদনাই থাকবে না। মিশরের গোলকিপার মোস্তফা শোবেইর আসলেই এক পিরামিড হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই পিরামিড ভাঙলো অদৃশ্য শক্তির খেলায়। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি বিতর্কিত অধ্যায়ও লিপিবদ্ধ হলো।

বিশ্বকাপে শুধু খেলা নয়, ব্যবসার দিকটাও দেখতে হবে। এবার ফিফা কি সেই ঝুঁকি নেবে। মিশর এর আগে চারবার বিশ্বকাপে এসেছিল। আর এবারই প্রথম নকআউটে আসে। অঙ্কের হিসেবে মিশর হারলেও বিবেকের বিচারে আসল জয়ী তারাই। খেলা শেষে মেসি আবারও আলোচনায়।

বলা চলে, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ফুটবলকে শাসন করছেন। তিনি এখন ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে। গত সপ্তাহে দুটি জয়ের মাঝখানে তিনি তার ৩৯তম জন্মদিন পালন করেছেন। তার অগণিত ভক্তরা কীভাবে তাদের প্রিয় তারকার শেষ বিশ্বকাপকে উপভোগ করছেন- এই প্রশ্নের মধ্যেই মিশরের উত্থান দেখে মেসি নিজেই চিন্তায় পড়ে যান। মিশরের প্রথম গোলের পর তিনি উপুড় হয়ে ঘাস দেখছিলেন। এই ঘাস, এই মাঠ ও এই গ্যালারি তার শক্তি, সাহস।

বিতর্ক হচ্ছে- এই বিশ্বকাপে সেরা খেলোয়াড় হবেন কে। লামিন ইয়ামাল- এক স্প্যনিশ কিশোর? কিলিয়ান এমবাপ্পে- ফুটবলের অতি গতিসম্পন্ন বোগাত্তি গাড়ি! নাকি আর্লিং হালান্দ- নরওয়ের সেই গোলদানব! বৃটেনের হ্যারি কেইন? ১৯শে জুলাই এর উত্তর মিলবে। খেলা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে কুৎসিত কিছু ঘটনাও ঘটে। রেফারি আবোল-তাবোল অনেক সিদ্ধান্ত দেন। লাল কার্ড, হলুদ কার্ড মাঠে নয়, মাঠের বাইরেও দেখান। যা খেলার সৌন্দর্যে দাগ লাগিয়ে দেয়। জমজমাট প্রশ্নের সৃষ্টি করে।

Address

Garjania
Cox's Bazar
4660

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দৈনিক গর্জনিয়া বার্তা-The Daily Garjania Bartha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category