R.Mizan

R.Mizan Reminding yourself that life is beautiful helps to improve the quality of your life and those you co

আমলকীর প্রধান পুষ্টি গুণ হলো এর উচ্চ ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং স্বাস্থ্যকর ত্বক, চুল ও দাঁত বজায় রাখ...
12/09/2025

আমলকীর প্রধান পুষ্টি গুণ হলো এর উচ্চ ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং স্বাস্থ্যকর ত্বক, চুল ও দাঁত বজায় রাখতে সাহায্য করে। এতে ফাইবার, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে। আমলকীর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আমলকীর প্রধান পুষ্টি উপাদান:

ভিটামিন সি: আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত সহায়ক।

ফাইবার: আমলকিতে ডায়েটারি ফাইবার থাকে, যা হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক।

ভিটামিন এ: এটি চোখের স্বাস্থ্য এবং ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।

ক্যালসিয়াম: হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্যকর বিকাশের জন্য এটি প্রয়োজনীয়।

আয়রন: রক্তাল্পতা প্রতিরোধে আয়রন গুরুত্বপূর্ণ।
ফসফরাস: এটি শরীরকে শক্তি সরবরাহ করে এবং বিভিন্ন শারীরিক কাজে সাহায্য করে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: ভিটামিন সি ছাড়াও, আমলকিতে অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা কোষের ক্ষতি রোধ করতে এবং বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করতে পারে।

🌿 ছাদ বাগানে নিমতেল ব্যবহারের উপকারিতা ও সঠিক নিয়ম 🪴 প্রাকৃতিক যত্নে গাছপালাকে সুস্থ রাখতে নিমতেল একটি অপরিহার্য উপাদান।...
12/09/2025

🌿 ছাদ বাগানে নিমতেল ব্যবহারের উপকারিতা ও সঠিক নিয়ম 🪴 প্রাকৃতিক যত্নে গাছপালাকে সুস্থ রাখতে নিমতেল একটি অপরিহার্য উপাদান। কীটনাশক হিসেবে এটি নিরাপদ, কার্যকর এবং পরিবেশবান্ধব। যারা ছাদ বাগান বা ছোট বাগান করেন, তাদের জন্য এটি একদম আদর্শ।

✅ নিমতেলের উপকারিতা:
1️⃣ প্রাকৃতিক কীটনাশক — পোকামাকড় দূর করে।
2️⃣ ছত্রাকনাশক — ছত্রাকজনিত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
3️⃣ পাতার রঙ উজ্জ্বল রাখে ও গাছকে সতেজ রাখে।
4️⃣ মাটি জীবাণুমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।
5️⃣ ফল, সবজি ও ফুলগাছে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।

🧴 ব্যবহারের সঠিক নিয়ম:
🔹 ১ লিটার পানিতে ৫-১০ মি.লি. বিশুদ্ধ নিমতেল মিশিয়ে নিন।
🔹 ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে স্প্রে বোতলে ঢালুন।
🔹 গাছের পাতা, ডাঁটা ও চারপাশে স্প্রে করুন — বিশেষ করে পাতার নিচে ভালোভাবে দিন।
🔹 সপ্তাহে ১-২ বার ব্যবহার করলে ফলাফল ভালো হয়।
🔹 সকাল বা বিকেলের দিকে স্প্রে করুন — রোদে গরম থাকতে নেই।

⚠️ সতর্কতা:
🔸 বৃষ্টির আগে স্প্রে করবেন না।
🔸 খুব বেশি নিমতেল ব্যবহার করবেন না — গাছের পাতায় দাগ পড়তে পারে।
🔸 স্প্রে করার আগে ছোট এলাকায় পরীক্ষা করে নিন।

🌱 প্রাকৃতিক উপায়ে গাছকে সুস্থ রাখুন, ভালো ফলন পান আর পরিবেশও বাঁচান! আপনি কি ইতিমধ্যেই নিমতেল ব্যবহার করছেন আপনার বাগানে? কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা জানান!

👉নিম তেল আমাদের কাছে পাবেন।

#ছাদবাগান #নিমতেল #প্রাকৃতিক_কীটনাশক

ছাদ বাগানে গাছের সুপার ফুড হরলিক্স তৈরি পদ্ধতি :ছাদ বাগানে গাছের জন্য "সুপার ফুড" হিসেবে পরিচিত হরলিক্স জাতীয় পুষ্টিকর ...
12/09/2025

ছাদ বাগানে গাছের সুপার ফুড হরলিক্স তৈরি পদ্ধতি :

ছাদ বাগানে গাছের জন্য "সুপার ফুড" হিসেবে পরিচিত হরলিক্স জাতীয় পুষ্টিকর সার তৈরি করা একটি সহজ এবং কার্যকরী পদ্ধতি, যা গাছের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং ফলন বাড়ায়। এটি সাধারণত জৈব উপাদান যেমন সরিষার খৈল, গোবর, কলার খোসা, পচা পাতা এবং অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। নিচে সরিষার খৈল ও অন্যান্য উপাদান দিয়ে গাছের জন্য হরলিক্স তৈরির পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হলো:

🔰গাছের জন্য হরলিক্স তৈরির পদ্ধতি

#প্রয়োজনীয়_উপকরণ
1. **সরিষার খৈল**: ১ কেজি (প্রোটিন ও নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ, গাছের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে)।
2. **পচা গোবর বা ভার্মিকম্পোস্ট**: ৫০০ গ্রাম (জৈব পদার্থ ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সরবরাহ করে)।
3. **কলার খোসা**: ২-৩টি (পটাশিয়াম ও ফসফরাস সমৃদ্ধ, ফল ও ফুলের জন্য উপকারী)।
4. **পচা পাতা বা কাঠের ছাই**: ২০০-৩০০ গ্রাম (মাটির গঠন উন্নত করে ও পুষ্টি যোগায়)।
5. **পানি**: ৫-১০ লিটার (উপাদান মিশ্রিত ও পচনের জন্য)।
6. **অণুজীব সংস্কৃতি (যদি পাওয়া যায়)**: ইএম (ইফেকটিভ মাইক্রোঅর্গানিজম) বা ট্রাইকোডার্মা (পচন ত্বরান্বিত করতে)।
7. **অন্যান্য (ঐচ্ছিক)**: হাড়ের গুঁড়া (৫০ গ্রাম, ক্যালসিয়ামের জন্য), ডিমের খোসা গুঁড়া (ক্যালসিয়াম ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট)।

#তৈরির_পদ্ধতি
1. **উপকরণ সংগ্রহ ও প্রস্তুতি**:
- সরিষার খৈল পানিতে ২৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন, যাতে এটি নরম হয় এবং পচন প্রক্রিয়া সহজ হয়।
- কলার খোসা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন বা গুঁড়ো করে নিন।
- পচা গোবর বা ভার্মিকম্পোস্ট শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। তাজা গোবর হলে ৭-১০ দিন রোদে শুকিয়ে গন্ধমুক্ত করুন।

2. **মিশ্রণ তৈরি**:
- একটি বড় পাত্রে (প্লাস্টিকের ড্রাম বা বালতি) ৫ লিটার পানি নিন।
- ভেজানো সরিষার খৈল, পচা গোবর, কলার খোসা, পচা পাতা এবং কাঠের ছাই একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।
- ঐচ্ছিক হিসেবে হাড়ের গুঁড়া বা ডিমের খোসা গুঁড়া যোগ করুন।
- অণুজীব সংস্কৃতি (ইএম) থাকলে ১০-২০ মিলি মিশিয়ে দিন। এটি পচন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে।
3. **পচন প্রক্রিয়া**:
- মিশ্রণটি পাত্রে ঢেকে ছায়াযুক্ত স্থানে ৭-১০ দিন রাখুন। প্রতিদিন ১-২ বার কাঠি দিয়ে নাড়ুন, যাতে অক্সিজেন সরবরাহ হয় এবং পচন সমানভাবে হয়।
- পানির পরিমাণ এমন রাখুন যেন মিশ্রণটি স্যাঁতসেঁতে থাকে, কিন্তু অতিরিক্ত ভিজে না যায়।
4. **ছাঁকনি ও সংরক্ষণ**:
- ৭-১০ দিন পর মিশ্রণটি পচে গেলে, এটি একটি সূক্ষ্ম জালি দিয়ে ছেঁকে তরল অংশ আলাদা করুন। এই তরলই হলো গাছের জন্য "হরলিক্স"।
- অবশিষ্ট কঠিন অংশ মাটিতে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- তরল সারটি বোতলে ভরে ঠান্ডা, ছায়াযুক্ত স্থানে সংরক্ষণ করুন। এটি ১-২ মাস ব্যবহারযোগ্য থাকে।

5. **প্রয়োগ পদ্ধতি**:
- তরল হরলিক্স ১:১০ অনুপাতে পানির সঙ্গে মিশিয়ে গাছের গোড়ায় দিন। প্রতি ১৫ দিনে ১ বার প্রয়োগ করুন।
- ফুল বা ফলের গাছের ক্ষেত্রে পাতায় স্প্রে করা যায় (১:২০ অনুপাতে পানির সঙ্গে মিশিয়ে)।
- টবে চাষের ক্ষেত্রে প্রতি টবে ১০০-২০০ মিলি তরল সার মাটি ভিজে থাকলে শুকিয়ে যাওয়ার পর দিন।

#সতর্কতা⚠️
- সরিষার খৈল অতিরিক্ত ব্যবহার করলে মাটির অম্লতা বাড়তে পারে। তাই পরিমিত (১০০ গ্রাম/টব) ব্যবহার করুন।
- তাজা গোবর ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে গাছের শিকড় পুড়ে যেতে পারে।
- পানি জমে থাকলে গাছের ক্ষতি হতে পারে, তাই টবে ভালো নিষ্কাশন ব্যবস্থা রাখুন।
- অণুজীব সংস্কৃতি ব্যবহার করলে গাছের পুষ্টি শোষণ ক্ষমতা বাড়ে, তবে অতিরিক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

#উপকারিতা
- **দ্রুত বৃদ্ধি**: সরিষার খৈলের নাইট্রোজেন ও কলার খোসার পটাশিয়াম গাছের কাণ্ড, পাতা ও ফলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।
- **ফলন বৃদ্ধি**: জৈব সার ফল ও ফুলের গুণগত মান বাড়ায়। উদাহরণস্বরূপ, টবে টমেটো বা বেগুনের ফলন ২০-৩০% বাড়তে পারে।
- **পরিবেশবান্ধব**: রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব হরলিক্স মাটির উর্বরতা ধরে রাখে এবং পরিবেশের ক্ষতি করে না।

#পরামর্শ🗣️
- ছাদ বাগানে ফলের গাছ (যেমন আম্রপালি আম, ডালিম, পেয়ারা) বা সবজি (টমেটো, বেগুন, মরিচ) চাষের জন্য এই সার বিশেষভাবে কার্যকর।
- নিয়মিত গাছের পাতা পরীক্ষা করুন। হলুদ বা শুকিয়ে যাওয়া পাতা পুষ্টির অভাবের লক্ষণ হতে পারে। তখন এই হরলিক্স প্রয়োগ করুন।
- স্থানীয় নার্সারি বা কৃষি অফিস থেকে ভালো মানের সরিষার খৈল ও অণুজীব সংস্কৃতি সংগ্রহ করুন।

এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনি ছাদ বাগানের গাছের জন্য একটি কার্যকরী ও পুষ্টিকর "হরলিক্স" তৈরি করতে পারবেন, যা গাছের স্বাস্থ্য ও ফলন বাড়াতে সাহায্য করবে।

 #কোন সারের কি কাজ:আমরা কৃষি জমিতে সবাই বিভিন্ন রকম সার ব্যবহার করি। কিন্তু কোন সার ফসলের জন্য কি কাজ করে তা আমরা অনেকে ...
12/09/2025

#কোন সারের কি কাজ:
আমরা কৃষি জমিতে সবাই বিভিন্ন রকম সার ব্যবহার করি। কিন্তু কোন সার ফসলের জন্য কি কাজ করে তা আমরা অনেকে জানি আবার জানি না, এমনকি জানার চেষ্টাও করিনা। কিন্তু ভাল ফসল উৎপাদনের জন্য এটা জানা খুবই জরুরী। নিচে কোন প্রকার রাসায়নিক সারের কি কাজ তা সংক্ষেপে তুলে ধরলাম।

#ইউরিয়াঃ
ইউরিয়া সার গাছের ডালপালা, কান্ড ও পত্রের বৃদ্ধি সাধন করে। এই সার গাছপালাকে গাঢ় সবুজ রং প্রদান করে। এর নাইট্রোজেন পাতার সবুজ কণিকা বা ক্লোরফিলের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং উদ্ভিদের প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে।

#টিএসপিঃ
টিএসপি, ডিএপি বা ফসফেট জাতীয় সারের ফসফরাস গাছের প্রথম পর্যায়ের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। এছাড়া উদ্ভিদের জীবকোষের বিভাজনে অংশগ্রহণ করে এবং গাছের মূল বা শিকড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাছাড়া সময় মতো গাছকে ফুল ও ফলে শোভিত করে এবং ফলের পরিপক্কতা ত্বরান্বিত করে।

#পটাশঃ
এমপি সার বা পটাশ সারের পটাশিয়াম পাতারোো ক্লোরফিল তৈরির অবিচ্ছেদ্য অংশ যা শর্করা প্রস্তুতিতে সহায়তা এবং সেগুলির দেহাভ্যন্তরে চলাচলের পথ সুগম করে। এই সার নাইট্রোজেনের কার্যকারিতার পরিপূরক এবং পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে গাছকে রক্ষা করে। এই সার গাছের খরা সহিঞ্চুতা বাড়ায়, গাছকে মজবুত করে।

#জিপসামঃ
জিপসাম সারের মধ্যে থাকা সালফার নাইট্রোজেন আত্মকরণে সহায়তা করে। এই সার প্রোটিন প্রস্তুতিতে অংশ গ্রহণ করে, তেল উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সালফার ভিটামিন ও কো-এনজাইমের উপাদান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

#জিংক_সালফেটঃ
জিংক সালফেটের জিংক প্রোটিন প্রস্তুতিতে সহায়তা করে এবং হরমোনের কার্যকারিতার জন্য সহায়তা করে।

#বোরাক্সঃ
বোরাক্সের বোরন ফলের বিকৃতি রোধ করে এবং ফুল ফল ধারণে সাহায্য করে।

👉 সব ধরনের রাসায়নিক সার আমাদের কাছে পাবেন।

♦️*ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন আমাদের সাথে,ধন্যবাদ।❤️




সরিষার খৈলের বুস্টার সার তৈরি পদ্ধতি জেনে নিন! 🔰আমরা প্রায় সকল বাগানীরা সরিষার খৈল পচানো পানির সাথে পরিচিত। সাধারণত আমরা...
12/09/2025

সরিষার খৈলের বুস্টার সার তৈরি পদ্ধতি জেনে নিন!

🔰আমরা প্রায় সকল বাগানীরা সরিষার খৈল পচানো পানির সাথে পরিচিত। সাধারণত আমরা ৫-৭ দিন সরিষার খৈল পানিতে ভিজিয়ে রেখে পচাই। তারপর তার সাথে পানি মিশিয়ে গাছের মাটিতে দেই। সরিষা খৈল যখন পানিতে পচানো হয় তখন সেই পানিতে বিভিন্ন উপাদান তৈরী হয় যা পরবর্তীতে মাটি হয়ে গাছে চলে যায় ও গাছের বৃদ্ধি,ফুল-ফল ধরানো,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ নানাবিধ উপকার করে।

🔰সরিষার খৈল পচানোর প্রক্রিয়াটাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ফার্মান্টেশন। international journal of chemical studies এর গবেষণায় দেখা গিয়েছে সরিষার খৈলকে যতো বেশীদিন ফার্মান্টেশন প্রসেসে রাখা যাবে ততোই এর উপকারী উপাদান বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ আমাদের মাঝে যেই প্রচলিত মতবাদ আছে যে ৭-৮ দিনের মধ্যে খৈল ভেজানো পানি ব্যবহার করে ফেলতে হবে, এই প্রক্রিয়া থেকে এটা আপডেট। এ পদ্ধতিতে সরিষার খৈলকে যদি ৪০ দিন পর্যন্ত পচানো যায় তাহলে সেই পচানো পানিতে মাইক্রো ও ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট,যেমন-নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সালফার, ম্যাগিনেসিয়াম, কপার, জিংক সহ গাছের দরকারী সব উপাদান কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।

🔰পাশাপাশি আমরা বাজার থেকে ট্রাইকোডার্মা,বায়োডার্মা নামক যেই জৈব ফাংগিসাইড কিনে টবের মাটিতে প্রয়োগ করি সেই সিডিউমুনাস,ট্রাইকোডার্মা, রাইজোব্যাকটেরিয়াসহ গাছের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ফাংগি ও ব্যাংক্টেরিয়াগুলো ৪০ দিন পর সরিষা খৈল পচানো পানিতে উল্লেখযোগ্য হারে তৈরী হয়।

🔰অর্থাৎ, আপনি যদি একটি ভালো মানের সরিষার খৈল ৩৫-৪০ দিন পর্যন্ত পানিতে পচিয়ে তারপর গাছের মাটিতে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে গাছের প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান, জৈব অনুজীব,ছাত্রাকনাশক ও কীটনাশক কয়েকগুণ বেশী পাবেন।

🔰আরেকটি বিষয় হলো খৈল পচানোর পানিতে আপনাকে নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ করতে হবে। কারণ যেই অনুজীব জীবগুলো এই খৈল পচানোর রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবে তাদের সার্ভাইভ করার জন্য বা বেঁচে থেকে পচন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। আর অক্সিজেন সরবরাহের জন্য প্রতিদিন কয়েকবার পাত্রের ঢাকনা তুলে পাত্রের পানিকে বাঁশ বা কাঠের কাঠি দিয়ে ক্লকওয়াইজ ও এন্টিক্লকওয়াইজ ঘুরিয়ে নাড়িয়ে দিতে হবে এবং নাড়ানো শেষে আবার ঢাকনা নাড়িয়ে দিতে হবে। আর ফার্মান্টেশন প্রক্রিয়া সবচাইতে ভালো হয় মাটির পাত্রে। সরিষার খৈল পচানোর কাজটি মাটির কলসি বা মাটির পাত্রে করতে পারলে সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

👉প্রয়োজনীয় উপকরণ:

১. খৈল ১ কেজি ।
২. পানি ১০ লিটার।
৩. মাটির পাত্র ( সম্ভব হলে )।
৪. কাঠ বা বাঁশের লাঠি।

🔰উক্ত সার তৈরির পর আরও ১০ গুণ পানি যোগ করতে হবে। অর্থাৎ প্রথমে ১০ লিটার পানির সাথে আরও ৯০ লিটার পানি মেশাতে হবে। অর্থ্যাৎ মোট সারের পরিমাণ হবে ১০০ লিটার। এটা গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করতে হবে।

👉কৃষি বিষয় প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন অথবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।

🌿 হাড়ের গুঁড়ো কি? এর উপকারিতা কি? কিভাবে কাজ করে??হাড়ের গুঁড়া (Bone Meal) একটি প্রাকৃতিক জৈব সার, যা পশুর হাড় থেকে ...
11/09/2025

🌿 হাড়ের গুঁড়ো কি? এর উপকারিতা কি? কিভাবে কাজ করে??
হাড়ের গুঁড়া (Bone Meal) একটি প্রাকৃতিক জৈব সার, যা পশুর হাড় থেকে তৈরি হয় এবং এটি ফসফরাস ও ক্যালসিয়ামের একটি সমৃদ্ধ উৎস। এটি গাছের শিকড়, ফুল ও ফলের বৃদ্ধি এবং সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হাড়ের গুঁড়া ধীরে ধীরে মাটিতে পুষ্টি সরবরাহ করে, যা এটিকে একটি দীর্ঘস্থায়ী সার হিসেবে পরিচিত করে তোলে।

🌿 উপকারিতা:

ফসফরাস ও ক্যালসিয়ামের উৎস:

হাড়ের গুঁড়াতে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম থাকে, যা গাছের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান।

🌿 উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ:

এই পুষ্টি উপাদানগুলো গাছের শিকড় গঠন, ফুল ফোটা, ফল ধারণ এবং স্বাস্থ্যকর কোষ গঠনে সাহায্য করে।

🌿 দীর্ঘস্থায়ী পুষ্টি সরবরাহ:

এটি একটি ধীর-মুক্তি (slow-release) পুষ্টি উৎস হওয়ায় গাছের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে।

🌿 পরিবেশবান্ধব:

হাড়ের গুঁড়া সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান থেকে তৈরি হওয়ায় এটি পরিবেশবান্ধব একটি সার।

🌿 ব্যবহার:

🍀 ফুলের গাছ:

গাঁদা, গোলাপ ও ডালিয়ার মতো ফুলের গাছের জন্য এটি খুবই উপকারী।

🍀 ফল ও সবজি গাছ:

গাছের ফল ও সবজির গুণমান বৃদ্ধিতে হাড়ের গুঁড়া ব্যবহৃত হয়।

🍀 শিকড় ও কান্ড শক্তিশালী করা:

এটি গাছের শিকড়কে শক্তিশালী করতে এবং সামগ্রিক বৃদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করে।

🍀 যেভাবে কাজ করে:

হাড়ের গুঁড়া মাটিতে মিশিয়ে দিলে তা ধীরে ধীরে পচে উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলো (প্রধানত ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম) মাটিতে সরবরাহ করে। এই পুষ্টিগুলো গাছের শিকড় গ্রহণ করে।

👉হাড়ের গুড়া শিং কুচি নিম খৈল ও সরিষা খৈল গুড়া আমাদের কাছে পাবেন।

টবের গাছে ইপসম সল্ট ম্যাগনেসিয়াম সালফেটগাছে কেন দিবেন এবং প্রয়োগের নিয়ম জেনে নিন.!! 🍚🌿🪴ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে গাছে কিছু...
11/09/2025

টবের গাছে ইপসম সল্ট ম্যাগনেসিয়াম সালফেট
গাছে কেন দিবেন এবং প্রয়োগের নিয়ম জেনে নিন.!! 🍚🌿🪴

ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে গাছে কিছু লক্ষণ দেখা যায়। যার মাধ্যমে বুঝতে হবে গাছে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব হয়েছে। আসুন জেনে নিই লক্ষণ গুলোঃ
✅পুরোনো গাছ ঝিমিয়ে পড়লে।
✅ টবে বসানো নতুন চারা ঝিমিয়ে পড়লে।
✅গাছের পাতার রং ফ্যাকাশে বা হলুদ হয়ে গেলে।
✅ গাছের পাতা কুঁকড়ে গেলে।
✅গাছের বৃদ্ধি কমে গেলে।
✅ গাছ দুর্বল হয়ে গেলে।
✅ গাছের ফুল, ফল কম হলে বা ছোট হলে।
এইসব লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে গাছে। ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের অভাব হয়েছে।

✅ব্যবহারঃ
৩ ভাবে এপসম সল্ট গাছে ব্যবহার করা যায়।
১. স্প্রে এর মাধ্যমে পাতায় ব্যবহার।
২. পানিতে মিশিয়ে টবের মাটিতে ব্যবহার।
৩. রিপটিং এর সময় সরাসরি মাটিতে ব্যবহার।

🪴স্প্রে এর মাধ্যমে পাতায় ব্যবহারের নিয়মঃ

🌱১ লিটার পানিতে ১ টেবিল চামুচ এপসম সল্ট নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে পাতায় ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।
🌱মাসে ১ বার। গাছের যতই সমস্যা থাকুক না কেন ১ বারের বেশি স্প্রে করা যাবে না।
🌱ভোর বেলা অথবা সন্ধ্যার সময় এই স্প্রে করতে হবে।
কখনোই রোদ্রের মাঝে স্প্রে করা যাবে না।

এপসম সল্ট স্প্রে করার ৩ দিন আগে ও ৩ দিন পরে অন্য কোনো সার বা কীটনাশক বা অন্য কোনো কিছু গাছে স্প্রে করা যাবে না।

🪴টবের মাটিতে ব্যবহারের নিয়মঃ
🌱১ লিটার পানিতে ২ টেবিল চামুচ এপসম সল্ট নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে টবের মাটিতে দিতে হবে।
🌱অথবা সরাসরি টবের মাটিতেও দেয়া যাবে। সেক্ষেত্রে টবের ওপরের মাটি আগে নিড়ানি (টবের ওপরের মাটি খুঁচিয়ে নেয়া) দিয়ে নিতে হবে। তারপর ১০ ইঞ্চি / ১২ ইঞ্চি টবের জন্য ১ চামুচ এবং এর ছোট টবে হাফ চা চামুচ এপসম সল্ট দিতে হবে। এরপর মাটির সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে পানি দিয়ে দিতে হবে।
🌱মাসে ১ বার ব্যবহার করতে হবে।

🪴রিপটিং এর সময় সরাসরি মাটিতে ব্যবহারের নিয়মঃ
রিপটিং শক অর্থাৎ টবে নতুন কোনো চারা বসালে বা পুরোনো কোনো গাছ বড় টবে রিপটিং করার সময় অনেক সময় গাছ ঝিমিয়ে পরে। এটা রিপটিং শকের কারণে হয়ে থাকে।

📌ব্যবহারের নিয়মঃ
🪴প্রতি টবের মাটির সাথে ১/২ চামচ এপসম সল্ট ব্যবহার করতে হবে।
🪴সব ধরনের গাছে যেমন ইন্ডোর প্ল্যান্ট,আউটডোর প্ল্যান্ট, ফুল গাছ , ফল গাছ , সবজি গাছে দেয়া যাবে।
🪴 কিন্তু যে সবজি গুলো সরাসরি বা রান্না করে খাওয়া হয় যেমন বিভিন্ন ধরণের শাক, শশা, ধনিয়া পাতা ইত্যাদি তে এপসম সল্ট স্প্রে না করে মাটিতে দেয়া ভালো।

👉মোটা দানার ক্রিস্টাল ক্লিয়ার এপসম সল্ট পাবেন আমাদের কাছে। সারা বাংলাদেশে ডেলিভারিতে দেওয়া হয়।

#এপসমসল্ট #ম্যাগনেসিয়াম
#লবনসার #ম্যাগসার

গোধূলি বিকেল প্রকৃতির এক মোহনীয় মুহূর্ত, যখন সূর্য অস্তমিত হতে হতে আকাশে ছড়িয়ে দেয় লাল, কমলা আর সোনালি রঙের অপূর্ব মিশ্...
31/05/2025

গোধূলি বিকেল প্রকৃতির এক মোহনীয় মুহূর্ত, যখন সূর্য অস্তমিত হতে হতে আকাশে ছড়িয়ে দেয় লাল, কমলা আর সোনালি রঙের অপূর্ব মিশ্রণ। এই সময়টুকু যেন এক অনির্বচনীয় প্রশান্তির স্পর্শ নিয়ে আসে, যা হৃদয় ছুঁয়ে যায় নিঃশব্দে। গোধূলি বিকেলের সৌন্দর্য শুধু চোখ নয়, মনকেও আলোড়িত করে। সূর্যের শেষ আলো, নরম হাওয়া এবং আকাশের রঙিন ছোঁয়া মিলে তৈরি করে এক অপূর্ব অনুভূতির জগত। গোধূলির এই মনোমুগ্ধকর মুহূর্ত আর সৌন্দর্যকে উপভোগ করেছি আজ।

ভাবতে পারেন, কথা বলা—এ আর এমন কী! কিন্তু জেনে রাখুন, শুধু সুন্দর করে কথা বলার গুণ আপনার ক্যারিয়ারকে নিয়ে যেতে পারে অনন্য...
28/05/2025

ভাবতে পারেন, কথা বলা—এ আর এমন কী! কিন্তু জেনে রাখুন, শুধু সুন্দর করে কথা বলার গুণ আপনার ক্যারিয়ারকে নিয়ে যেতে পারে অনন্য উচ্চতায়। শিক্ষকের সঙ্গে, ব্যবসায়িক বা কোনো উদ্ভাবনী ভাবনা উপস্থাপনের সময়, এমনকি করপোরেট দুনিয়ায় বুদ্ধিদীপ্ত কথা আপনার লক্ষ্য অর্জন অনেক সহজ করে দিতে পারে।

বয়সের সাথে সাথে উপলব্ধি করা ১২টি বিষয়।১। বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী নয়। জীবনের পথে অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও সময়ের সঙ্গে দূরে সরে যায়।২...
09/05/2025

বয়সের সাথে সাথে উপলব্ধি করা ১২টি বিষয়।
১। বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী নয়। জীবনের পথে অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও সময়ের সঙ্গে দূরে সরে যায়।

২। নিজের সঙ্গে সম্পর্কই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আত্মসম্মান ও মানসিক শান্তি বিশ্বের সব সম্পর্কের চেয়ে মূল্যবান।

৩। কেউ পরিশ্রম দেখে না, সবাই শুধু ফলাফল দেখে। সফল হলে প্রশংসা, আর ব্যর্থ হলে সমালোচনা করে। তাই নিজের জন্যই পরিশ্রম করুন।

৪। হৃদয়ভঙ্গ ও ব্যর্থতা জীবনেরই অংশ। এগুলো এড়ানো নয়, বরং শেখার সুযোগ হিসেবে দেখাই শ্রেয়।

৫। বাড়ির মতো আপন কোনো জায়গা নেই। দুনিয়ার যেখানেই যান, মানসিক শান্তির ঠিকানা একটা, নিজের ঘর।

৬। পরিবার ও অর্থই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু, গ্ল্যামার বা সামাজিক মর্যাদা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরিবার ও অর্থ দীর্ঘ মেয়াদে আপনাকে আগলে রাখে।

৭। বই-ই সত্যিকার বন্ধু। বই কখনো প্রতারণা করে না, বরং জ্ঞানের আলো দিয়ে পথ দেখায়।

৮। শারীরিক ব্যায়াম চাপ কমায়। শুধু ফিটনেসের জন্য নয়, মানসিক প্রশান্তির জন্যও ব্যায়াম জরুরী।

৯। অনুশোচনা ও কান্নায় সময় নষ্ট নয়। যা হয়ে গেছে, তা আর ফিরে আসবে না। সামনে এগোনোর দিকেই নজর দিন।

১২। আজ যা চাইছেন, কাল হয়তো তার মূল্যই থাকবে না। মানুষের চাহিদা বদলায়, তাই আবেগের বশে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো।

১১। আপনার সিদ্ধান্তই জীবন গড়ে দেয়, ভাগ্য নয়। ভাগ্য নির্ধারিত নয়, বরং আপনার সিদ্ধান্ত ও পরিশ্রমই ভাগ্য তৈরি করে দেয়।

১২। শৈশবই জীবনের সেরা সময়। দায়িত্বহীন, নির্মল আনন্দের সেই দিনগুলো আর কখনোই ফিরে আসে না।

# রাসেল মিজান

Address

Rampura Dhaka
Dhaka

Telephone

+8801717733522

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when R.Mizan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to R.Mizan:

Share

Category