01/03/2026
নিহতরা হলেন- ফারহানা আক্তার (৩৩) এবং তার ছোট মেয়ে ফাসিহা আক্তার (৭)। ফারহানার স্বামী মুজাহিদুল ইসলাম ঢাকার একটি মাদরাসার শিক্ষক। ঘটনার সময় তিনি কর্মস্থলে ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফারহানা তার সন্তানদের নিয়ে গ্রামের বাড়িতে থাকতেন। তাদের বড় ছেলে জুবায়ের বাবার সঙ্গে ঢাকায় থাকে এবং মেজ মেয়ে ফারিহা ঘটনার সময় মাদরাসায় ছিল।
চান্দিনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, প্রতিবেশীরা আমাদের খবর দেয়ার পর পুলিশ গিয়ে লাশগুলো উদ্ধার করে বিকেলে থানায় নিয়ে আসে। মেয়ে ফাসিহার বয়স ৭ বছর এবং মা ফারহানার বয়স আনুমানিক ৩৩ বছর। ধারণা করা হচ্ছে, মেয়েকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে পরে মা আত্মহত্যা করেন। ফাসিহার বাবা মুজাহিদুল ইসলাম ঢাকার একটি মাদরাসার শিক্ষক এবং তিনি সেখানেই থাকেন।
তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে তাদের মৃত্যুর ঘটনাটি সকালেই হয়েছে। ওই সময় ফাসিহার বোন ফারিহা মাদরাসায় ছিলো, আর তাদের ভাই জুবায়ের তার বাবার সঙ্গে ঢাকায় থাকে। তবে মামলার পর তদন্তেই বেরিয়ে আসবে তাদের মৃত্যুর আসল কারণ।
প্রতিবেশী রাসেল মজুমদার জানান, রোববার দুপুর আনুমানিক বারোটার দিকে পার্শ্ববর্তী এক চাচির কথায় আমি তাদেরকে জোরেশোরে ডাকাডাকি করে ঘর খুলতে বলি। কিন্তু প্রায় ১০-১২ মিনিট ডাকাডাকির পরও কেউ দরজা জানালা না খোলায়। চাচিদের উপস্থিতিতে একটা জানালা খুলে ছোট মেয়ের লাশ দেখতে পাই। পরে চিৎকার করে অন্যদের ডেকে আনি। পরে পুলিশ এসে দুই ঘর থেকে মা ও মেয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।