02/06/2026
শেখ হাসিনাই অপ্রতিরোধ্য: গণমানুষের আস্থার অবিচল প্রতীক
'রিফাইন্ড' বা সুবিধাবাদী আওয়ামী লীগের কোনো স্থান সাধারণ কর্মীর হৃদয়ে নেই। আমি ব্যক্তিগতভাবে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প কল্পনাও করতে পারি না।
ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক ট্র্যাজেডির পর টানা ছয়টি বছর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এক অভিভাবকহীন সময় পার করেছে। সে সময় দল ভাঙার ষড়যন্ত্র হয়েছে, আদর্শিক বিচ্যুতি ঘটেছে এবং দলের ভেতর চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই দাবি করেন, তখন রাজনৈতিক পরিবেশ অনুকূলে ছিল না—কথাটি আংশিক সত্য হলেও সম্পূর্ণ নয়।
তাহলে প্রশ্ন জাগে, ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা যখন দেশে ফিরে এলেন, তখন এই বিশাল জনসমুদ্র কোথা থেকে এলো? কেন মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে মেহনতী মানুষ সেদিন রাজপথে নেমে এসেছিল? এর উত্তর একটাই—বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শেখ হাসিনার আগমনে মানুষ ফিরে পেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি, খুঁজে পেয়েছিল নিজেদের অস্তিত্বের প্রেরণা। সাধারণ মানুষের কাছে আওয়ামী লীগ মানেই শেখ হাসিনা, আর শেখ হাসিনা মানেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধারক।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং চ্যালেঞ্জ করে বলছি, একদিকে যদি তথাকথিত 'রিফাইন্ড' আওয়ামী লীগ ও অন্য সব রাজনৈতিক দলের জোট থাকে এবং অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মাত্র একটি প্রতীক থাকে, তবুও জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে শেখ হাসিনাই বিজয়ী হবেন। কারণ, তিনি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান নন, তিনি কোটি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত এক অবিসংবাদিত নেতা। মূলত এই অজেয় জনপ্রিয়তার কারণেই একটি মহল সর্বদা চায়, শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দিতে।
আমরা যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করি, আমরা বিশ্বাস করি—ক্ষমতা কোনো বড় বিষয় নয়, আসল হলো জনগণের পাশে থাকা। শেখ হাসিনা বারবার প্রমাণ করেছেন, তিনি ক্ষমতা আঁকড়ে ধরার চেয়ে জনগণের স্বার্থ রক্ষা করাকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।
আমি রাইহান আহমেদ,(সভাপতি ভোলা জেলা ছাত্রলীগ) আজ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই—বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই এবং যতদিন তিনি জীবিত আছেন, ততদিন তার কোনো বিকল্প চিন্তাও আমি করতে পারি না। তিনি আছেন বলেই আওয়ামী লীগ আজও গণমানুষের দল হিসেবে টিকে আছে।