ab_.hamid

ab_.hamid this is my personal page.

08/12/2024
23/05/2022



আমি অধ্যাপক আর আমার স্ত্রী হাইস্কুলের শিক্ষিকা।

সকাল বেলায় আমার গিন্নির মেজাজ আর চায়ের জল এক সংগে ফুটতে থাকে।

আজ হঠাৎ গিন্নির আদেশ হলো - তিতলির (আমার মেয়ের নাম) স্কুল থেকে ডাক এসেছে, তোমাকে যেতেই হবে। অংকের দিদিমণি দেখা করতে চেয়েছেন।

অগত্যা যেতেই হলো।

গিয়ে দেখি, বিশাল একটা হলঘরে চশমা আঁটা অংকের দিদিমণি বসে আছেন।

গম্ভীর গলায় ডাকলেন - অনন্যা পাল। সেই ডাকে অনন্যার মা উঠে দাঁড়ালেন। চললো অনন্যা কোন কোন অংক পারেনি তার বিশ্লেষণ। তার সংগে পাল্লা দিয়ে চললো, বেচারা অনন্যার মায়ের তীব্র আস্ফালন।
- এতগুলো টাকা খরচ করে মাষ্টার রেখেছি। আজ বাড়ি চল, তোর হাত-পা ভাঙব!

পল্লবীর মা আর বাড়ি পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন না। তিনি হলের মধ্যেই পল্লবীর চুলের মুঠি ধরে কয়েকটা চড় মেরে বললেন - আজ তোর বাবা বাড়িতে আসুক। দেখবি ফাঁকি মারার কত মজা!

আর টুম্পার বাবা - টুম্পা তিনটে অংক ভুল করায় তীক্ষ্ণ কন্ঠে বললেন - সামনের তিনদিন টুম্পার খাওয়া বন্ধ !!!

এভাবেই কেটে গেল অনেকটা সময়।
অবশেষে ডাক এলো - তিতলি চ্যাটার্জ্জী, মানে আমার মেয়ে, যার জন্য এখানে আমার আসা।

দিদিমনি বলে চললেন - আপনার মেয়ে তো অর্ধেক অংকই পারেনি!

আমি বললাম
- অর্ধেক অংক তো পেরেছে। আর একটু বড় হলে বাকিটা শিখে নেবে। আপনি টেনশন করবেন না, ম্যাডাম।

- আপনি কনফিডেন্ট?

- নিশ্চিত। আসলে কি জানেন ম্যাডাম, আমি আর তিতলির মা, মাধ্যমিকে দুজনে মিলে অংকে ১০০ তুলতে পারি নি। তবুও আমার অধ্যাপক হওয়া কিম্বা তিতলির মায়ের রাগী দিদিমণি হতে কোন অসুবিধেই হয় নি!

তিতলি খুশী হয়ে বলল --
- বাবা, আজ বিরিয়ানী খাব।

আমি বললাম - টুম্পাকেও ডাকিস। ওর বাবা ওকে তিন দিন খেতে দেবে না বলেছে !!!!

*বাড়তি চাপ দিয়ে ছেলেমেয়েকে টেনশন দেবেন না। টেনশন নেওয়ার জন্য তো সারা জীবনটা পড়ে রইল ওরা যেদিন নিজে বুঝবে ঠিক শুধরে যাবে।*

04/10/2021

পোস্টটা সময় নিয়ে পড়ুন, আশাকরি একটু হলেও কাজে লাগবে

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১৪টি উপায়

১) মানুষের ব্যাপারে খরবদারী করবেন না। কে কী করছে সে বিষয়ে মাথা ঘামানো নিজের মানসিক চাপ বৃদ্ধির একটি কারণ। আরেকটি সমস্যা হবে, অন্যের বিষয় নিয়ে মাথা ঘামালে নিজেকে অন্যদের সাথে তুলনা করার মনোভাব সৃষ্টি হবে। টাকা-পয়সা, সামাজিক অবস্থান, পদমর্যাদা, গাড়ি, বাড়ি, অলংকার, পোশাক, সৌন্দর্য ইত্যাদি দিক থেকে তখন মানসিক চাপ অনুভব করবেন। তাই আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছেন তা নিয়ে খুশি থাকুন আর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন। তাহলে হৃদয়ে পরম প্রশান্তি অনুভব করবেন ইনশাআল্লাহ।

২) আপনার যতটুকু দায়িত্ব ও কর্তব্য ততটুকু পরম আন্তরিকতার সাথে পালন করুন। আপনার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব কাঁধে তুলতে যাবেন না। অনুরোধে ঢেঁকি গিলবেন না। অন্যথায় আপনাকে অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকতে হবে।

৩) মানুষের সাথে অতিরিক্ত সম্পর্ক মানসিক চাপের অন্যতম কারণ। তাই আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী, কলিগ, ক্লাসমেট ইত্যাদির সাথে সীমিত সম্পর্ক রাখুন। সম্পর্ক যত ব্যাপক হবে ততই আপনি নানা বাধ্যবাধকতার জালে আটকে যাবেন।

৪) অতিলোভ করবেন না। অতিলোভী ব্যক্তি অর্থ-কড়ি, ধন-দৌলত, পদমর্যাদা ইত্যাদি বৃদ্ধির চিন্তায় বিভোর থাকে। যদি সামান্য টাকা-পয়সা হাতছাড়া হয় বা চাকুরীর প্রমোশন থেকে বঞ্চিত হয় তবে তার হাহুতাশ দেখে কে? সুতরাং অল্পে তুষ্টি মানসিক শান্তির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি তাকওয়ারও পরিচায়ক।

৫) সাধ্যের বাইরে নিজের অর্থ-সম্পদ, আরাম-আয়েশ উজাড় করে দিবেন না। যারা কৃত্রিমভাবে নিজের সব কিছুকে উৎসর্গ করে দেয় তারা তাদের কথা-বার্তা ও আচরণে মানুষের ধন্যবাদ ও প্রশংসা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু যদি তা না পায় তখন তার মানসিক অস্থিরতা ও টেনশন বেড়ে যায়।

৬) আজকের দিনটিকে ভালভাবে উপভোগ করুন। আগামী কাল কী হবে সেটা আল্লাহর উপর ছেড়ে দিন। ইবাদত-বন্দেগীর পাশাপাশি আল্লাহর দেয়া নেয়ামত স্বাচ্ছন্দ্যে উপভোগ করুন। দুনিয়াবী বিষয়ে আগামীর চিন্তায় অস্থির হয়ে মানসিক চাপ বৃদ্ধি করবেন না।

৭) প্রতিদিন একান্ত নির্জনে কিছু সময় কাটান। এ সময় দুনিয়ার কারও সাথে সম্পর্ক রাখবেন না। বিশেষ করে ইন্টারনেট তথা হোয়াটসএ্যাপ, ফেসবুক ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন। এ সময় আত্মসমালোচনা করুন আর আল্লাহর নিকট দুয়া করুন। তাহলে দেখবেন, মহান আল্লাহ আপনার মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দান করবেন ইনশাআল্লাহ।

৮) জ্ঞানীদের জীবনী পড়ুন, তাদের উপদেশ ও মূল্যবান বাণীগুলো পড়ুন তাহলে তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা ও উপদেশ দুনিয়ার জীবনে আপনার চলার পথকে সহজ করে দিবে ইনশাআল্লাহ।

৯) জীবনে যত বিপদ ও সমস্যাই আসুক না কেন-যেমন, আর্থিক ক্ষতি, পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট, অসুখ-বিসুখ ইত্যাদি এগুলো নিয়ে খুব বেশী দু:শ্চিন্তা করবেন না। বরং সহজভাবে মেনে নিন। মনে রাখুন, মহান আল্লাহর লিখিত তাকদিরের বাইরে কিছুই ঘটে না। বিপদাপদেই হয়ত কল্যাণ রয়েছে যা বাহ্যিক দৃষ্টিতে মানুষের দৃষ্টিগোচর হয় না। কিন্তু নিশ্চয় আল্লাহ হেকমত ছাড়া কিছুই করেন না।

১০) সব কিছুই গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করবেন না। মানুষের প্রতিটি কথা বা কাজ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা ঠিক নয়। সব কিছু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা ঠিক নয়। বরং মনে আনন্দ বজায় রাখুন, মানুষের সাথে দেখা-সাক্ষাতে হাসতে শিখুন। আপনার কথা ও আচরণে যেন ফুলের সুঘ্রাণ বের হয়। তাহলে ইনশাআল্লাহ মন ফ্রেশ থাকবে আর মানসিক চাপ কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।

১১) শরীরকে তার হক দিন। প্রয়োজনীয় খাবার, ঘুম, বিশ্রাম গ্রহণ করা জরুরি।

১২) দৈনন্দিন গুরুত্বপূর্ণ কাজের লিস্ট তৈরি করে আগেরটা আগে পরেরটা পরে করুন। তবে তা করতে গিয়ে নিজেকে কষ্টের মধ্যে ফেলে দিবেন না। মনে রাখবেন, অগোছালো কার্যক্রম মানসিক অস্থিরতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ তৈরি করে।

১৩) ‘প্রতিটি কাজ ১০০ পার্সেন্ট নির্ভুল করতে হবে’ এই চিন্তা মাথা থেকে সরাতে হবে। কেননা, পূর্ণাঙ্গতার গুণ কেবল মাত্র আল্লাহর। যারা সব কাজ নির্ভুল করার চিন্তায় থাকে তাদেরকে চতুর্দিক থেকে দু:শ্চিন্তা, টেনশন,অস্থিরতা ঘিরে ধরে। ফলে তাদের মানসিক চাপ চরম আকার ধারণ করে।

১৪) নিশ্চিত থাকুন, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক যত গভীর হবে দুনিয়া ও আখিরাতের সব কাজ তত সহজ হবে। আল্লাহ ভীতি, নামায, সকাল-সন্ধ্যার দুয়া ও যিকির, নেকীর কাজ, মানুষের কল্যাণে কাজ ইত্যাদির মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার মনে অফুরন্ত প্রশান্তি বর্ষণ করেন, সমস্যা দূরভিত করেন আর তখন জীবন হয়ে উঠে আরও প্রাণবন্ত, স্বচ্ছন্দয় ও আল্লাহর ভালবাসায় সুরভিত।
আল্লাহ সকলকে তাওফিক দান করুন।

# সংগৃহীত 🌸

04/10/2021

আমার যত ঋণ
অপূর্ব চৌধুরী

আমি দুঃখ পেলে হাসি
সুখটা পেলে হয় যে মনে
দুঃখগুলো বাসি
আমি নিজের মতো চলি
ভিড়ের মাঝে গেলে আমি
হারাই আমার হাসি
কষ্টগুলো বৃষ্টি হবার আগে
বরফ হয়ে বুকের খাঁজে থাকে
মেঘগুলোরা ঘুড়ি হয়ে ভাসে
আমার আমি কষ্টগুলো
গোলাপ হয়ে হাসে
আমি দুঃখ পেলে ভাবি
সুখটা পেলে সময় কখন যায়
তাকিয়ে দেখি সুখটা গেছে
দুঃখ আছে ঠাঁয়
এক জীবনের দায়
শুধেই আমি মুছবো সকল ঋণ
দুঃখগুলো মুদ্রা করে
কিনবো সুখের ছাই ।

© Opurbo Chowdhury

04/10/2021

সিদ্ধান্ত নেয়া : আবেগ বনাম যুক্তি 😃

আমরা মানুষেরা, নৈতিকতার প্রশ্নকে কীভাবে মোকাবেলা করি বলুন তো? আমার ধারণা, বেশীরভাগ পাঠক উত্তর করবেন যে আমরা ভেবে চিন্তে ব্যক্তি ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর হোলে সিদ্ধাস্ত দেই যে ব্যাপারটি অনৈতিক। দুঃখের বিষয় মানুষের মাথা এভাবে কাজ করে না। সে প্রথমে চিন্তা করে না। হুট করে সিদ্ধান্তে আসে, তারপরে নিজের মতোন করে যুক্তি খাড়া করে। এই যুক্তিগুলোও খুব মজার। সে যদি মনে করে কোনো একটি বিষয় অনৈতিক, তাহলে সে কল্পনায় কাউকে না কাউকে ভিক্টিম বানাবেই বাস্তব যাই হোক না কেন। অর্থাৎ সূক্ষ্ম বিচারে নৈতিকতার ব্যাপারটি ইনটুয়িটিভ, র্যাশনাল না। সমস্যা হোলো ঐ যে হুট করে সিদ্ধান্তে আসা এই প্রক্রিয়াটাকে মানুষ স্বীকার করতে চায় না. মনুষ্যত্বের অবমাননা হবে বলে। আমি বলছি, হুট করেই যদি সিদ্ধান্তে আসি-না ভেবে-চিন্তে - তাহলে ঐ একটি সিদ্ধান্তের প্রতিই এতো আস্থা কেন?[1]

এর একটা সুন্দর নাম আছে—

‘পোস্ট হক জাস্টিফিকেশান' (post hoc justification)। অর্থাৎ তারা আগেই ঠিক করে রেখেছে তারা কী অর্জন করতে চায়। পরে সেটার একটা ব্যাখ্যা তারা তৈরি করে।

[1] বাঙালির মিডিয়োক্রিটির সন্ধানে - ফাহাম আব্দুস সালাম

#সুন্দরনাম

04/10/2021

⭕সাইকোলজিক্যাল হ্যাক⭕

◽১..স্মার্টফোন কেনার সময় কখনই ক্যামেরাটা গুরুত্ব দেবেন না। প্রসেসর এবং RAM এর গুরুত্ব সর্বাধিক। স্ক্রীনসাইজ ও খুব একটা গুরুত্ব রাখেনা। মনে রাখবেন আপনি ক্যামেরা অথবা TV নয়, মোবাইল ফোন কিনছেন।

◽২..যখন কারো সাথে কোনো বিতর্কে অংশ নেবেন তখন পুরো সময় নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন..... ঠান্ডা মাথায় বিতর্কে জয়লাভ করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে

◽৩..কোন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত মানসিক চাপের সৃষ্টি হলে চুইংগাম চিবতে পারেন; পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে

◽৪..যখনই কারো সাহায্য প্রয়োজন হবে সরাসরি তাকে বলুন "আমি আপনার সাহায্য চাই"। এতে অনেক দ্রুত কাজ হয়।

◽৫..কোন ব্যক্তি যদি আপনাকে অপমান করে আপনি শুধু তাকে অবহেলা করুন অথবা পারলে তার নকল করুন। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই আপনি আপনার মেজাজ হারাবেন না এবং পরিস্থিতি কখনও আপনার হাতের বাইরে যেতে দেবেন না

◽৬..অনলাইন থেকে কোন জিনিস কিনতে চাইলে সেই জিনিসটাকে আপনার cart এ কয়েকদিনের জন্য সেভ করে রাখুন কিন্তু অর্ডার দেবেন না। কিছুদিনের মধ্যে দেখবেন এই জিনিসটির দাম বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিছুটা কম হয়ে যাবে।

◽৭..কোনো নতুন জায়গায় ঘুরতে গেলে আপনি যদি ওই জায়গাটির সম্বন্ধে একটা সম্যক ধারণা চান তাহলে কোন চায়ের দোকানে চলে যান। চা খেতে খেতে এবং দোকানদারের সাথে কথা বলতে বলতে ওই জায়গার সম্বন্ধে মোটামুটি একটা ধারণা পেয়ে যাবেন

◽৮..আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজেকে দেখুন এবং নিজের সাথে হাসতে থাকুন এবং নিজেকে বলুন "আমি নিজেকে পছন্দ করি" তাৎক্ষণিকভাবে এটি আপনার আত্মবিশ্বাস অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে

◽৯..আপনার ঘরে একটি নীল বাতি রাখুন। এটি আপনাকে শান্ত থাকার প্রয়োজনীয় হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করবে

◽১০..আপনি যদি কোন দলের সাথে একসাথে থাকেন এবং জানতে চান কে আপনাকে সবথেকে বেশি পছন্দ করে তাহলে কোন হাসির মুহূর্তে দেখুন কোন ব্যক্তি আপনার দিকে হাস্যরত অবস্থায় তাকিয়ে রয়েছে! যখন কেউ মন খুলে হাসে তখন সে তার সবথেকে নিকট ব্যক্তির দিকেই তাকিয়ে থাকতে পছন্দ করে।

◽১১..যখন কেউ আপনার দিকে রাগান্বিত অবস্থায় তাকিয়ে আছে তখন শান্ত থাকার চেষ্টা করুন

◽১২..দুটো সিদ্ধান্তের মধ্যে কোন একটি কে পছন্দ করতে হলে কঠিনতর সিদ্ধান্তটি গ্রহন করুন। ভবিষ্যতে আফসোস করবেন না।

◽১৩..ইন্টারভিউ বোর্ডে যদি কোনো অজানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন তাহলে তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে জানিয়ে দিয়েন আপনি ওই প্রশ্নের উত্তর জানেন না। কোনরকম ভনিতা করবেন না। এতে আপনার ব্যক্তিত্বের প্রভাব বৃদ্ধি পাবে।

◽১৪..কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসার এক ঘণ্টা আগে থেকে পরীক্ষার হলে ঢোকার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত আপনি ওই কোম্পানি সম্বন্ধে শুধু ভাবতে থাকুন এবং চাকরিরত অবস্থায় ওই কোম্পানিতে আপনার অবস্থানের প্রতিচ্ছবি কল্পনা করুন। পরীক্ষার সময় আপনার ইতিবাচক মানসিকতা অনেকটাই বেড়ে যাবে।

️ শেয়ার করে আপনার সব বন্ধু বান্ধব দের জানিয়ে দিন☺️
—ধন্যবাদ,,,,,

©

ঘোড়া যেখান থেকে পানি পান করে, সেখানে পানি পান করুন। ঘোড়া কখনও খারাপ পানি পান করে না।বিড়াল যেখানে ঘুমায়, সেখানে আপনার ব...
04/10/2021

ঘোড়া যেখান থেকে পানি পান করে, সেখানে পানি পান করুন। ঘোড়া কখনও খারাপ পানি পান করে না।
বিড়াল যেখানে ঘুমায়, সেখানে আপনার বিছানা পাতুন। বিড়াল কখনও অপবিত্র বা নোংরা জায়গায় ঘুমায় না।
যে ফল পোকা ছুঁয়েছে তা নির্ধিতায় খান। পোকা কখনও বিষাক্ত ফল খায় না।
পোকাপ্রাণী মাটিতে যেখানে খনন করে বাস করে, সেখানে গাছ লাগান। ভাল গাছ পাবেন।
পাখির সাথে একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং পাখির সাথে একই সময়ে জাগ্রত হন। আপনার সমস্ত দিন স্বর্নের শস‍্যে কাটবে।
মাছের মতো পানীতে প্রায়শই সাঁতার কাটুন। মাছের মতো আপনি নিজেকে পৃথিবীতে হালকা, ফুরফূরে এবং সজীবতা অনুভব করবেন।
যতবারই সম্ভব আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকুন। আপনার চিন্তাধারা আকাশের মতো স্বচ্ছ, সুন্দর এবং পরিষ্কার হয়ে উঠবে।
যথাসম্ভব শান্ত থাকার চেষ্টা করুন এবং অল্প কথা বলুন। আপনার হৃদয়ে দেখবেন নীরবতা আসবে, আপনার তনু মন প্রশান্তিতে ভরে উঠবে ইনশাআল্লাহ।
#সংগৃহীত

প্রজাপতি ছাতা✍ সুস্মিতা ✍এইত সেদিন প্রথম দেখা তোমার হাতে ছিল প্রজাপতির মত ছাতা।দীর্ঘ শরীরের অনেকটাই ঢেকেছিল ঐ ছাতার আবডা...
04/10/2021

প্রজাপতি ছাতা
✍ সুস্মিতা ✍
এইত সেদিন প্রথম দেখা
তোমার হাতে ছিল প্রজাপতির মত ছাতা।
দীর্ঘ শরীরের অনেকটাই ঢেকেছিল
ঐ ছাতার আবডালে।
হঠাৎ করেই সামনে চলে এলো
সেই প্রজাপতির শরীর।
আমি বেশ চমকে গেলাম।
কানে ভেসে এলো কোন সম্মোহন মন্ত্র,
আমি মুহূর্তে যেন থমকে দাড়ালাম।
কাঁধ ঘুরিয়েই দেখে নিলাম ভুল মানুষকে
সঠিক শব্দের মোহময় মায়াজালে।
আবার চলতে শুরু করা আমার
তোমাকে এড়িয়ে যাওয়ার নানা ফন্দি ফিকিরেও
আড়ালে অন্তরালে যেন চলত দেখে নেওয়া।
ভীষণ বৃষ্টিতে যখন পায়ে সাদা পানির আস্তরণ জমেছে
তুমি ঠিক তখনই চেয়ে থেকেছ সেই বৃষ্টির গতিতে
আমার চলায় ঢেলেছো মন্ত্রপুত বিষ।
আমি ধীরে ধীরে হয়ে গেছি সম্মোহিত
ফিরে আসতে চেয়েছি বারবার তোমার ঐ
প্রজাপতি ছাতার ছায়াতলে
একসঙ্গে হাটব বলে বহুপথ অহর্নিশ।।

24/09/2021

আপনার ঘরে অন্তত একটি ব্ল্যাক রাবার প্ল্যান্ট থাকুক।

ঠিক ২০ বছর বয়সে বিয়ে হয় আমার।  বাবা এক প্রকার জোর করেই বিয়েটা করান আমাকে! যাইহোক, সে কথায় পরে আসছি...বিয়ের পর প্রথম-প্রথ...
24/09/2021

ঠিক ২০ বছর বয়সে বিয়ে হয় আমার। বাবা এক প্রকার জোর করেই বিয়েটা করান আমাকে! যাইহোক, সে কথায় পরে আসছি...
বিয়ের পর প্রথম-প্রথম শেষ রাতে বউয়ের ডাকে ঘুম ভাঙত আমার । সে এক প্রকার আদেশ করেই বলত, "আযান দিচ্ছে, নামাজে পড়ে আসেন।"

আমার বাবা মাদ্রাসার একজন শিক্ষক। টানা ৩০ বছর ধরে মসজিদে ইমামতি করছেন। যেদিন ফজরের নামাজে মসজিদে আমায় দেখতে পান না, সেদিন অর্ধেক বেলা কপালে খাবার জুটে না আমার। বাবা এমনিতেই খুব কঠোর প্রকৃতির মানুষ। দাদি ব্যতীত, তার হুকুম ছাড়া বাড়ির একটা মানুষও নড়াচড়ার সাহস রাখে না।

ছোট বেলা ফজরের নামাজ মিস হলে কয়েকটা বেত্রাঘাত পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। বড় হওয়ার পর থেকে এই কড়া নিয়ম। মা অবশ্য চুপিচুপি খেতে দিতেন।

কিন্তু বাবা আমায় বিয়ে করিয়ে দেয়ায় হয়েছে আরেক ঝামেলা। বাবা যার সাথে আমার বিয়ে দেন সে বাবার ছাত্রী। আমি সারাদিন কী করি না করি, বাবার কাছে নালিশ দেয়াই তার প্রধান কাজ। হঠাৎ কোন কারণে ফজরের নামাজ মিস হয়ে গেলে সে কুটকুট করে হেসে বলত, "আজ কিন্তু খাওয়া বন্ধ।"

সত্যিই তাই, বিয়ের পর থেকে নামাজ মিস হলেই দুপুর পর্যন্ত খাওয়া বন্ধ থাকে আমার।

এখন নিশ্চয়ই বুঝতেই পারছেন কেমন ফ্যামিলি তে বড় হয়েছি আমি। বাবার অবশ্য এই কড়া নিয়মের পিছনে একটা যুক্তি ছিল। তিনি বলতেন, "ক্ষণস্থায়ী আরামের ঘুমের জন্য যে অনন্তকাল সুখের ঘুমের বেঘাত ঘটায় সে বোকা। আর বোকাদের শাস্তি দিয়ে চোখ-কান খুলে দিতে হয়।"

আমরা চার ভাই-বোন। পিঠাপিঠি বড় দুই ভাই কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে 'আল কুরআন ও ইসলামী শিক্ষা' বিভাগে পড়া লেখা করছে। তারাও বিবাহিত। বড় বোন কুরানে হাফেজ। বছর খানেক আগে তারও বিয়ে হয়। আমি পরিবারের সবার ছোট। বাবার ইচ্ছে ছিল মাদ্রাসায় পড়ে বড় মাওলানা হই। ৮ বছর বয়স পর্যন্ত সেখানেই ছিলাম।

একদিন বাবা সন্ধার পর বাড়ি আসলেন। দাদি আমাকে দিয়ে খবর পাঠালেন বাবাকে ডেকে নিয়ে আসতে। বাবা সালাম দিয়ে দাদির পাশে এসে বসলেন। দাদি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বাবার দিকে তাকিয়ে বললেন,

''খলিল তোর আব্বা কী অসুখে মরছিল তোর মনে আছে?"

কথা শুনে বাবা থতমত খেয়ে গেলেন। তিনি হয়তো এমন কথা আশা করেননি। কারণ দাদি সবসময় তার নাতিনাতনি দের উপর কড়া শাসনের জন্য বাবাকে নানা রকম কথা শুনাতেন। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন সেরকম কোন কথাই হবে। বাবা অপ্রস্তুত কণ্ঠে বললেন, "জি আম্মা, মনে আছে। আব্বার কলেরা হয়েছিল, এক প্রকার বিনা চিকিৎসায় মারা যান।"

দাদি চোখ মুছে বললেন, "সাত গেরামের মধ্যে কোন ডাক্তার আছিলো না। যদি থাকতো তোর আব্বা হয়তো আজো বাঁইচা থাকত।"

"হ্যাঁ, আম্মা। আল্লাহ চাইলে হয়তো বেঁচে থাকতে পারত।" এই বলে বাবা পাঞ্জাবির হাতা দিয়ে চোখ মুছলেন।

আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলাম। দাদি আমাকে পাশে এনে বসালেন। আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বাবাকে বললেন, "আমি চাই বংশের এক পোলা ডাক্তার হোক। মানুষের সেবা করুক।" দাদি একটু থেমে, বাবার চোখের দিকে তাকালেন। "তুই আবদুল্লাহ কে মাদ্রাসায় না পড়িয়ে স্কুলে ভর্তি করে দে।"

দাদির এক কথাতেই পরদিন বাবা আমাকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিলেন। আমার লাইফ স্টাইলে আমূল পরিবর্তন ঘটে গেল! সাদা পাঞ্জাবি টুপি ছেড়ে প্যান্ট-শার্ট পড়ে স্কুলে যেতে লাগলাম।
এস.এস.সি'র পর বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে ক্লিন শেইভ করে বাড়ি এসে ছিলাম। বাবা বাড়িতে ঢুকতে দেননি। অগ্নিমূর্তি ধারণ করে কড়া কণ্ঠে বলতে লাগলেন,
"ইহুদী খিষ্টান চাল-চলনে যে ছেলে চলাফেরা করে, সে আমার ছেলে হতে পারে না। তুই বের হয়ে যা।"

মাথা নিছু করে আছি। মুখ দিয়ে আমার কোন কথা বের হচ্ছিল না। ভাবছিলাম, হোস্টেল বন্ধ, কোথায় যাব কী করব। বাবা হঠাৎ মাটিতে পড়ে থাকা আমার ব্যাগটা তুলে আমার হাতে দিলেন। বের হওয়ার রাস্তাটা দেখিয়ে বললেন,
"যেদিন মুখে দাড়ি উঠবে,সেদিন পরিপূর্ণ সুন্নত নিয়ে বাড়ি আসবি, তার আগে না।"

হৈ চৈ শুনে দাদি বের হয়ে আসলেন। তীক্ষ্ণ গলায় বললেন,
"খলিল কী হইছে রে, কারে বাড়িত থাইক্যা বের করস?"
"আম্মা আপনি এই শরীরে বাইরে বের হলেন কেন? ভিতরে যান।"
"তোর সাহস তো কম দেখতাছি না, আমার নাতিরে তুই বের করে দিবি। এই বয়সে তোর তো ঠিক মত দাড়িই ওঠে নাই।"

দাদি আমার দিকে তাকালেন। থুরথুর করে এগিয়ে এসে আমার হাত ধরে ঘরের ভিতর নিয়ে গেলেন।

এমনিতেও বাবার সাথে আমার কথা খুব কম হত। কোন প্রয়োজন পড়লে তিনিই আমাকে ডেকে পাঠাতেন। সেদিন রাতে বাবা নিজেই আমার রুমে আসলেন। আমি তখন অজানা ভয়ে কাঁপছি। মানসিক প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, উনার কথা গুলো হজম করার। তিনি নরম গলায় বললেন, " ভাত খেয়েছিস বাবা?"

তাঁর কথা বলার আন্তরিকতায় আমি কিছুটা হচকিয়ে গেলাম। মাথা নেড়ে দুর্বল কণ্ঠে বললাম, "হ্যাঁ। "
"তোকে কেন এত বেশি শাসন করি তা জানিস?"
আমি চুপ। জবাব দিচ্ছি না। বাবা আবার বললেন, "বাবা'রা কোন দিন সন্তানের খারাপ চায় না। তুই যেন বাজে সঙ্গীদের পাল্লায় পড়ে নষ্ট না হয়ে যাস, তাই এত শাসন করি।"
"বাবা ভুল হয়ে গেছে মাফ করে দাও।"
"দেখ, মানুষের ভুল হবেই। তবে জেনেশুনে এমন কিছু ভুল করা ঠিক না; যেগুলোর নিজের সাথেই বেঈমানি করা, নিজেকে ঠকানো, এসব ভুল খুব মারাত্মক। তুই কি জানিস কোন আমলটা পুরুষরা সরাসরি কবরে সাথে করে নিয়ে যাবে?"
"না বাবা।"
বাবা মুচকি হেসে উত্তর দিলেন, "দাড়ি হচ্ছে একমাত্র দৃশ্যমান সুন্নাত, যেটা একজন পুরুষের সাথে কবর পর্যন্ত যাবে।"

আমি কিছু বলতে চাইছিলাম, বাবা থামিয়ে দিয়ে বললেন, "ক্লিন শেইভ মানেই স্মার্ট না। আদর্শ মুসলিমদের স্মার্টনেস মানেই যুবক থেকেই দাড়ি রাখা। অনেকে বলে বিয়ে করি, সন্তানাদি হোক, তারপর দাড়ি রাখবো। আরে বেটা,তুই যে কাল পর্যন্ত বেঁচে থাকবি সে ভরসা কি আছে?"
ছাত্র হিশেবে খারাপ ছিলাম না। এইচ.এস.সি'র পর এক চান্সেই মেডিকেলে ভর্তি হলাম। প্রথম সেমিস্টারের পর ছুটিতে বাড়ি এসেই দেখি সবার মুখে এক ধরনের চাপা হাসি। ঈদ ছাড়া ভাইবোন কখনো একত্রিত হতে পারি না। কিন্তু সবাই এখন বাড়িতে।

কিছুটা অবাক হয়েছি, ভেবেছিলাম আমি মেডিকেলে চান্স পেয়েছি, এজন্য প্রথম বাড়ি আসার খবর শুনে সবাই হয়তে এসেছে। কিন্তু সে ভুল ভাঙে আমার রাতে। দাদির সাথে কথা বলার ফাঁকে তিনি হঠাৎ বললেন,
"তোর মা গিয়ে দেখে এসেছে, মেয়ে নাকি অনেক সুন্দর।"
"কোন মেয়ে? কী বলছ এসব!"
"তোর বিয়ে ঠিক হয়েছে। তোর বাবা বাড়ি ফিরুক, ওর মুখেই সব জানতে পারবি।"

দাদির কথা শুনে আমি আকাশ থেকে পড়লাম। বুঝতে পারছি বিয়ের জল হয়তো অনেকটুকু গড়িয়েছে। যেভাবেই হোক এবার বাবাকে থামাতেই হবে। এমনিতেই মেডিকেলের পড়া পড়তে-পড়তে পাগল হয়ে যাবার দশা, তার মাঝে ছাত্র অবস্থায় আবার বিয়ে!

ভোরবেলা ফজরের নামাজের পর বাবার সাথে দেখা। বড় দুই ভাই মুচকি একটা হাসি দিয়ে, বাবার সামনে আমাকে একা রেখে বাড়ির দিকে যেতে থাকল।
বাবা মুখে হাসি এনে বললেন,
"কী খবর তোমার সালাত ঠিক মত পড়া হয় তো?"
"জ্বী, পড়া হয়।"
"খবর তো নিশ্চয় শুনেছ, সামনে শুক্রবার তোমার বিয়ে।"
চোখমুখ শক্ত করে বললাম, " না বাবা, আমি এখন বিয়ে করব না।"

বাবা শব্দ করে হাসলেন। কৈফিয়তের স্বরে বললেন, "কেন বিয়ে করবে না শুনি?"
বললাম, " ছাত্র অবস্থায় কেউ কি বিয়ে করে? আর আমি তো এখনো এক-পয়সাও কামাই করি না। তাছাড়া... "

হঠাৎ বাবা আমাকে থামিয়ে দিয়ে, খালি-পায়ে হাঁটতে লাগলেন। আমিও তার পিছুপিছু হাঁটছি। বেশ কিছুক্ষণ পর আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমার বয়স কত এখন? "
উত্তর দিলাম, "এই তো বাবা, বিশ।"
"হুম তার মানে তুমি যতেষ্ট বালেগ। বিয়ে করার বয়স হয়েছে।"

অসহায় ভাবে বললাম, "তার মানে এই না যে এখনি বিয়ে করতে হবে।"

কথাটা শুনে বাবা নড়েচড়ে দাঁড়ালেন। আমার পাঞ্জাবির পকেটে থাকা ফোনটার দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, " স্মার্ট ফোন তো সাথেই আছে। নিশ্চয়'ই পেপারের সব খবর আগেই পেয়ে যাও।"

আমি বাবার দিকে তাকালাম, কিছু বললাম না।

বাবা বললেন, "এই যে হারাম রিলেশনশিপ, জিনা, ধর্ষণ, আরো অজানা অনেক খারাপ কাজ পত্রিকা খুললেই দেখতে পাই। প্রতিটা যুবকের চরিত্র যদি ঠিক থাকত, নৈতিক আদর্শ ও পারিবারিক শিক্ষা যদি সঠিক ভাবে পেত, এসব কি হত? আমি বলছি না তুমি এসব খারাপ কাজে লিপ্ত হবে। কিন্তু, বাবা হিশেবে আমার দায়িত্ব হলো অজানা অনেক পাপ থেকে তোমাকে হেফাজত করা।

"বললে যে টাকা পয়সা কামাই কর না, বিয়ে করে খাওয়াবে কী? আরে খাওয়ানোর মালিক তো উপরওয়ালা। কেউ কি কারো রিজিক খেতে পারে? যার যতটুকু, সে ততটুকুই খেতে পারে। প্রয়োজনে তিন বেলার খাবার তুমি এক বেলা কম খাবে।"

সেদিন বাবার মুখের উপর আর কোন কথা বলার যুক্তি আমার ছিল না। বিয়েটা হয়েই যায় আমার। বিয়ের পর বাবা বললেন বৌকে সাথে নিয়ে যেতে। বুঝিয়ে শুনিয়ে বললাম, হঠাৎ তো নিয়ে যাওয়া সম্ভব না। পরের বার এসে নিয়ে যাব।

আমার বিয়ের খবর শুনে বন্ধুরা অনেকে হাসাহাসি করল। কেউ অভয় দিয়ে বলল, "হ্যাঁ যা করেছিস, একদম ঠিক করেছিস।"

ক্লাস শেষে ক্যাম্পাসে একা-একা বসে থাকি। বন্ধুরা অনেকেই গার্লফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, গল্প করে, চিল-মাস্তি করে। তখনি বাবার কথাটা মনে হয়ে যায়, 'হারাম রিলেশনশিপ'। ভাবতে থাকি, রঙিন চশমা দিয়ে দেখলে হয়তো এসব ভালোই দেখায়। কিন্তু একজন মুসলিম হিশেবে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলে এই ব্যাপার গুলো আসলেই অনেক স্পর্শকাতর ...

জ্ঞানের স্বল্পতা ও বোঝার অক্ষমতায় একসময় মনে হয়েছিল বাবা বুঝি আমার উপর খবরদারি বা অত্যাচার করছেন। আজকাল চিন্তা করি, বাবা যা করেছেন সবই সঠিক ছিল।
পরের বার স্ত্রীকে সাথে করে নিয়ে আসি। ছোট্ট একটি বাসায় আমাদের সংসারটা খুব ভালোভাবেই জমে যায়। ক্লাস শেষে যখন বাসায় আসি, দেখি সে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে। প্রতিদিন সে আমার জন্য এভাবেই অপেক্ষা করে। আজ আমাকে রিক্সা থেকে নামতে দেখেই এক ঝাটকায় সরে যায়।

আমি জানি সে এখন কী কী করছে। প্রথমে দৌড়ে ওয়াশরুমে গিয়ে পানির কল ছাড়বে, আমার কাপড় গুলো আনবে, তারপর চুপিচুপি দরজার ওপাশে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি হাতে দাঁড়িয়ে থাকবে, এবং কলিংবেল টিপার আগেই আমার পায়ের আওয়াজ শুনে দরজা খুলে ফেলবে।

ঠিক আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। গোসল শেষ করে এসে খাওয়ার সময় বললাম, "এই যে প্রতিদিন তুমি আমার জন্য এত কিছু কর, বিনিমেয়ে আমি তো তোমার জন্য কিছুই করতে পারি না।"

সে মুচকি হেসে বলে, "কে বলে পারেন না? এই যে আপনি প্রতিদিন ক্লাস শেষে ঠিক সময়ে ফিরে আসেন। অযথা কোন বাজে আড্ডা দেন না। আমি সারাদিন খালিবাড়ি তে অপেক্ষা করে যখন আপনার মুখটা দেখতে পাই, তখনি তো সব পাওয়া হয়ে যায় আমার।"

ওর কথা শুনে চোখ ভিজে যায় আমার। ভাবি, পুরুষদের জীবনে ঠিক সময়ে বিয়ে করাটা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক ততোটা গুরুত্বপূর্ণ একজন পুণ্যবতী স্ত্রী পাওয়া।

#প্রাপ্তি

✍️ Meyad Rahman
Come back to ALLAH গ্রুপ থেকে সংগৃহীত

Address

Dhaka

Telephone

+8801778211083

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ab_.hamid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ab_.hamid:

Share

Category