Md Mamun

Md Mamun �I am not the best? But I am trying to be the best ��

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ একাদশ
02/07/2025

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ একাদশ

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Osman Feni, MD Suhel, Mdmain Uddin, Oli Ahmmod
02/07/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Osman Feni, MD Suhel, Mdmain Uddin, Oli Ahmmod

তাঁদের আড্ডার স্থান ছিল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ফুটপাত! পড়াশোনার পাশাপাশি সেখানকার টং দোকানে তুমুল আড্ডা দেন সব বন্ধুরা...
17/05/2025

তাঁদের আড্ডার স্থান ছিল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ফুটপাত! পড়াশোনার পাশাপাশি সেখানকার টং দোকানে তুমুল আড্ডা দেন সব বন্ধুরা, চায়ের কাপে ঝড় তুলতেন প্রতিদিন। সেই আড্ডায় হুট করে এক বন্ধুর আত্মীয়ের মাধ্যমে প্রস্তাব আসে ঠিকাদারি ব্যবসার।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) আমদানি করা পণ্য খালাসের কাজ। ১৯৭৮ সালে তরুণ বয়সে তারুণ্যের উন্মাদনায় কিছু না ভেবেই রাজি হয়ে গেলেন তাঁরা। কিন্তু গন্ডগোল দেখা দেয় ব্যবসার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে। চার বন্ধু হন্য হয়ে টাকা জোগাড় করতে নেমে গেলেন!

বন্ধুত্বের দৃঢ় বন্ধন, অসীম সাহস আর অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে এভাবে শূন্য পুঁজিতে ধারের টাকায় যাত্রা শুরু করা সেই কোম্পানিটি এখন প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বৃহৎ শিল্পগ্রুপ! বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান।

ইউনাইটেড হসপিটাল, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আর চেইন সুপারশপ ইউনিমার্ট তাদেরই প্রতিষ্ঠান। আরও আছে বিদ্যুৎকেন্দ্র, রেস্টুরেন্ট, আবাসন, হোটেল, বেসরকারি বন্দর, লজিস্টিক ব্যবসাসহ নানা কিছু।

চার বন্ধু হাসান মাহমুদ রাজা, আহমেদ ইসমাইল হোসেন, আকতার মাহমুদ রানা ও খোন্দকার মইনুল আহসান শামীম মিলে শুরু করেছিলেন যাত্রা। ১০ বছর পরে যুক্ত হন তাঁদের আরও দুই বন্ধু। আজকের ইউনাইটেড গ্রুপ এই ছয় বন্ধুর ঐক্যবদ্ধ চেষ্টা, একে অপরের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও হাড়খাটুনি পরিশ্রমেরই ফসল।

📌বালতির পানিতে প্রাণ হারালো শিশু 🥲🥲গোয়ালন্দে বালতির পানিতে ডুবে মরিয়ম নামে ১১ মাস বয়সি এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মরিয়ম পশ্চ...
15/05/2025

📌বালতির পানিতে প্রাণ হারালো শিশু 🥲🥲

গোয়ালন্দে বালতির পানিতে ডুবে মরিয়ম নামে ১১ মাস বয়সি এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মরিয়ম পশ্চিম উজানচর রিয়াজুদ্দিন পাড়ার কৃষক এরশাদ মোল্লার মেয়ে। জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১টায় শিশুটির বাবা-মা বাড়ির পাশের জমিতে কাজ করছিলেন। এ সময় শিশু মরিয়ম বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। কিছু সময় পর বাবা-মা বাড়িতে ফিরে মরিয়মকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বেলা ২টার দিকে টিউবওয়েলের ই পাশে রাখা একটি পানিভর্তি প্লাস্টিকের বালতির মধ্যে মরিয়মের পা ওপরে এবং মাথা পানির নিচে ডুবে থাকতে দেখতে পান।

🌎সোর্স যুগান্তর ১৪মে ২০২৫

আপনারা যারা বাসা বাড়িতে বাচ্চা নিয়ে একা থাকেন, তারা বালতি সব সময় খালি রাখবেন। আপনার সচেতনতায় বেচে যাবে একটি প্রাণ।

রাতে ভাত খেয়ে ঘুমিয়েছিল মেয়েটা। পাশের রুমে বাবা-মাও ছিল। তারপর মধ্যরাতের দিকে বাবা-মা জান্নাতী, জান্নাতী বলে মেয়েটাকে ডে...
15/05/2025

রাতে ভাত খেয়ে ঘুমিয়েছিল মেয়েটা। পাশের রুমে বাবা-মাও ছিল। তারপর মধ্যরাতের দিকে বাবা-মা জান্নাতী, জান্নাতী বলে মেয়েটাকে ডেকে তুলে।

ঘুম থেকে তুলে বলে একটু বাইরে বের হব চল।

মেয়েটা ঘুমঘুম চোখে অবাক হয়। এতরাতে কোথায় যাবে জিজ্ঞেস করতে থাকে। বাবা-মা কোন প্রকার উত্তর না দিয়েই বাইরে যাওয়ার জন্যে জোর করতে থাকে।

যেহেতু বাবা-মা বলছে তাই মেয়েটা আর না করে না। চোখে ঘুম আর কৌতূহল নিয়েই বের হয় তাদের সাথে।

কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা লক্ষ্য করে তার চাচি শাহিনা বেগমও তাদের সাথে যাচ্ছেন। মেয়েটা মনে করেছিল হয়তো সবাই একসাথে কোন দরকারি কাজে যাচ্ছে।

কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা খেয়াল করে তার বাবা-মা বসতবাড়ির রাস্তা ছেড়ে কৃষি জমির দিকে যাচ্ছে।

মেয়টা অবাক হয়েই জানতে চেয়েছিল তারা এখানে কেন এসেছে। কিন্তু বাবা-মা আর চাচি তাকে চুপ করে থাকতে বলে। মেয়েটার চোখেমুখে তখনও ঘুমঘুম ভাব ছিল।

কিছুক্ষণ পরই তারা একটা ভুট্টা ক্ষেতের কাছাকাছি আসে। এখানে এসেও কৌতূহলী হয়ে বাবা-মা আর চাচিকে জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিল তারা এত রাতে এখানে কেন এসেছে।

কিন্তু তার আগেই পেছন থেকে জান্নাতীর হাত এবং মুখ জাপটে ধরে, যাতে চিৎকার করতে না পারে। তারপর মাথায় এবং শরীরে রড দিয়ে জোরে অঘাত করে।

মেয়েটা ছুটে দৌড় দিতে চেয়েছিল কিন্তু আকস্মিক আঘাতের কারণে আর পারে না।

তারপর বাবা-মা এবং চাচি শাহিনা বেগম মিলে ধারালো দা দিয়ে কো*পাতে থাকে মেয়েটাকে। মেয়েটা তখন অনেকটাই নিস্তেজ, তীব্র যন্ত্রণায় গোঙ্গাচ্ছিল শুধু।

তিনজন মিলে অনবরত কোপাতে থাকে মেয়েটাকে, চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর সেখানেই মা*রা যায় মেয়েটা।

পূর্ব পরিকল্পনায় অংশ হিসেবে বাবা-মা এবং চাচি মিলে মেয়েটাকে মেরে ওই ভুট্টা খেতেই রেখে চলে আসে। এ ঘটনা শনিবারের।

পরদিন সকালে স্থানীয় কৃষকেরা যখন জমিতে কাজ করতে যায় তখন সেখানে জান্নাতীর লা*শ দেখতে পায়।

লা*শ দেখতে পেয়ে খোঁজ দেয় বাবা-মাকে। তারা এসে কতক্ষণ কান্নাকাটির নাটক করে যাতে কেউ বুঝতে না পারে।

তারপর মেয়ের চাচা এবং বাবা-মা মিলে প্রতিবেশী ২৭ জনের নামে মামলা করে। তারপর পুলিশ তাৎক্ষণিক সেই প্রতিবেশীদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

কিন্তু পুলিশ কিছুতেই সুরাহা করতে পারছিল না। সবাই অস্বীকার করছিল। পুলিশ আরও জোর দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে কিন্তু কাজ হয় না।

এর দুইদিন পর পুলিশ লাশের ময়নাতদন্ত করে কিছু ক্লু পায়। সেই ক্লু ধরে পুলিশ মেয়েটার বাবা-মা এবং চাচা চাচিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে থানায় নিয়ে আসে।

তারা থানায় এসেই ওই প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে থাকে এবং তাদেরকে ফাঁ*সি দিতে বলে।

বাবা-মা বারবার বলতে থাকে আমার মেয়েটাকে ওই প্রতিবেশীরাই মিলে মেরেছে। কিন্তু পুলিশ সেই কথায় পাত্তা না দিয়ে তাদের স্বাভাবিক ইনভেস্টিগেশন চালিয়ে যেতে শুরু করে।

একপর্যায়ে যখন জোরলো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং ক্লু গুলো সামনে নিয়ে আসে তখন চাচি শাহিনা বেগম পুলিশের কাছে স্বীকার করে ফেলে যে তারাই মেয়েটাকে শনিবার রাতে মে*রেছে।

বাবা-মা তখনও স্বীকার করেনি। কিন্তু চাচি শাহিনা বেগমের স্বীকারোক্তির পর বাবা-মা ও বুঝে যায় বাঁচার আর কোন পথ নেই।

তারপর মেয়েটার বাবা জাহিদুল ইসলাম এবং মা মোর্শেদা বেগমও স্বীকার করে যে তারা তিনজন মিলেই মেয়েটাকে নির্মমভাবে মে*রেছে।

তারপর মারার কারণ জিজ্ঞেস করায় তারা জানায়- প্রতিপক্ষ প্রতিবেশীদের ফাঁসাতেই তারা নিজ মেয়েকে মে*রেছে।

প্রতিবেশীদের সাথে তাদের একটা ৩২ বিঘা জমি নিয়ে ঝামেলা চলছিল বহুদিন ধরেই। তাই চাচি শাহিনা বেগম তাদেরকে প্ল্যান দিয়েছিল নিজ মেয়েকে মেরে ওই জমিতে রেখে আসতে।

তারপর তারা মামলা করবে প্রতিবেশীদের নামে।

এতে করে মামলায় প্রতিবেশীদের জেল হলে তারা সহজেই ৩২ বিঘা জমিটা দখল দিয়ে নিজেদের করে নিতে পারবে।

এজন্যেই তারা ২৭ জন প্রতিবেশীর নামে মামলা করেছিল যাতে ওই পরিবারের সবার জেল হয়।

এ স্বীকারোক্তি গুলো কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইন চার্জ মো. হাবিবুল্লাহ সংগ্রহ করেছেন এবং ভেরিফাই করে সত্যায়িত করেছেন।

তাছাড়া মেয়েটাকে কিভাবে কিভাবে মারা হয়েছিল সে ঘটনার স্বীকারোক্তিও বাবা-মায়ের কাছ থেকেই পুলিশ নিয়েছে।

জান্নাতী মেয়েটার বয়স খুব বেশি না, ১৫ বছর বয়স মাত্র। পড়াশোনা করত ক্লাস নাইনে।

গ্রামের সবাই এ ঘটনায় খুবই অবাক হয়েছে এবং মেয়েটার জন্যে শোকাহত হয়ে কেঁদে কেঁদে বলছিল- মেয়েটার আচার ব্যবহার খুবই ভালো ছিল।

মেয়েটার স্কুলের শিক্ষক এবং সহপাঠীরাও জানিয়েছে- মেয়টা পড়াশোনায় অনেক ভালো ছিল। বেঁচে থাকলে সামনের বছরই এসএসসি পরীক্ষা দিতো। হয়তো ভালো একটা রেজাল্টও করতো।

আমাদের চারপাশে কতশত দম্পতির সন্তান হয়না বিধায় এ হসপিটাল থেকে ও হসপিটালে দৌড়াদৌড়ি করে দিন পার করে। একটা সন্তানের জন্যে কত হাহাকার করে।

অথচ সামান্য কিছু জমির জন্যে নিজ বাবা-মা আর চাচির হাতেই খুন হতে হলো হাসিখুশি মেয়ে জান্নাতির

(কয়েকদিন পরই ঘটনার বাকি আপডেট টুকু জানাব)
তথ্য সংগ্রহ এবং লেখা- Ibrahim Khalil Shawon

11/05/2025

কোর্ট ম্যারেজ করে টাকা বাঁচান, আর হানিমুনে বিদেশ ঘুরে আসুন।
কারণ রিলেটিভস দের এমনিও খাবার পছন্দ হবে না।🙂

পরিবারের যদি আপনার মানসিক শান্তি না থাকে। তাহলে কোথাও খুঁজে পাবেন না এ মানসিক  শান্তি তা
07/05/2025

পরিবারের যদি আপনার মানসিক শান্তি না থাকে। তাহলে কোথাও খুঁজে পাবেন না এ মানসিক শান্তি তা

🌸🌸
22/04/2025

🌸🌸

06/04/2025

রাষ্ট্রীয় ভাবে ইzরাyeলি প্রোডাক্ট বয়কট করা হোক

06/04/2025

😁😁

Address

Dhaka

Telephone

+8801642320665

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Mamun posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md Mamun:

Share