28/02/2026
হযরত আবু হুরায়রা (রাযি:) বর্ণনা করেন, হুজুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এরশাদ ফরমাইছেন, আমার উম্মতকে রমজান শরীফের ব্যাপারে পাঁচটি জিনিস বিশেষভাবে দান করা হয়েছে, যাহা পূর্ববতী উম্মতদেরকে দান করা হয় নাই, ১. রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশকের ঘ্রাণের চাইতেও অধিক প্রিয়।
২. তাহাদের জন্য নদীর মাছও দোয়া করে এবং ইফতার পর্যন্ত করিতে থাকে।
৩. প্রতিদিন তাহাদের জন্য জান্নাত সুসজ্জিত করা হয়।অতঃপর আল্লাহতালা এরশাদ করেন অতিসত্বর আমার নেক বান্দারা নিজেদের উপর হইতে দুনিয়ার কষ্ট ক্লেশ সরাইয়া তোমার কাছে আসবে।
৪. এই মাসের দুষ্টু ও অবাধ্য শয়তানদেরকে আবদ্ধ করিয়ে রাখা হয়। ফলে, অন্যান্য মাসে তাহারা যে সমস্ত খারাপ কাজ পর্যন্ত পৌঁছিতে পারিত এই মাসের সেই পর্যন্ত পৌঁছতে পারে না।
৫. রমজানের সর্বশেষ রাতে রোজাদারকে মাফ করে দাও হয়। সাহাবায়ে কেরাম আরজ করিলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ! সেই রাত্র কি শবে কদর? উত্তরে বলিলেন, না, বরং নিয়ম হইল কাজ শেষ হইলে মজদুরকে তাহার মুজদুরি দেওয়া হয়।
(তারগীব: আহমদ, বাইহাকী)