SwapanSaha's PhotoPix

SwapanSaha's PhotoPix আলোকচিত্রণ শিল্প কারিগর

বিশ্ব আলোকচিত্র দিবসের দুইশত তম বার্ষিকী উৎসব  উদযাপনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সহ বাংলাদেশেও সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরই ধা...
23/08/2026

বিশ্ব আলোকচিত্র দিবসের দুইশত তম বার্ষিকী উৎসব উদযাপনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সহ বাংলাদেশেও সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় চিত্রচিন্তা সার্কেলের ব্যতিক্রমধর্মী বিশেষ আয়োজন ছিল উল্লেখযোগ্য ও প্রশংসনীয়।

বিগত ছয় বছর পূর্বে অর্থাৎ ২০২০ সনে করনা কালীন লক ডাউনের সময় কিছু উৎসাহী আলোকচিত্রী অনলাইনে একত্রিত হয়ে জনাব আহমেদ রাসেলের অনুপ্রেরণায় 'চিত্রচিন্তা সার্কেল' নামের একটা সংগঠনে নিবন্ধিত হয়ে বিশ্বমানের আলোকচিত্র সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় অর্ধ যুগ উৎসব পালন করতে সম্প্রতী রাজধানী ঢাকায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ২১ - ২২ আগষ্ট ২০২৬ দুই দিনব্যাপী এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান উৎসবে চিত্রচিন্তা সর্কেলের তৃতীয় আন্তর্জাতিক ফিয়াপ ফটো স্যালনে বিজয়ীদের মধ্যো পুরস্কার বিতরন ও ফটো প্রিন্ট প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। বেশ কিছু অসাধারন ফটো- স্লাইড প্রদর্শনী করেন স্যালন চেয়ারম্যান আহমেদ রাসেল ধারা বর্ণনা সহ বক্তব্য প্রদান করেন। এরপর বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জাকিরুল মাজেদ কনক এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন আলোকচিত্র গবেষক, সাংবাদিক সাহাদাত পারভেজ। শুরু হয় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরন ও শুভেচ্ছা বিনিময়।

দ্বিতীয় পর্যায়ের আয়োজন ছিল বিগত পঞ্চাশ বছরে আলোকচিত্রে অসামান্য সাফল্য ও অনন্য অবদানের জন্য প্রাক্তন প্রবীন তিনজন বরেন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রীকে আজীবন সম্মাননা প্রদান। উল্লেখ্য বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সুবর্ন জয়ন্তী বর্ষের আলোকে, তিনজন বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের নির্বাচিত করা হয়। তালিকায় আমার নাম থাকায় আমি গর্বিত ও আনন্দিত হয়েছি। অন্য দুইজন হলেন সর্বজনাব শফিকুল ইসলাম স্বপন ও নাফিজ আহমেদ নাদভি। দুইজনই আমার সতীর্থ শুভানুধ্যায়ী বন্ধু। বলাবাহুল্য শফিকুল ইসলাম স্বপন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত চিত্র গ্রাহক ও আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র পুরুস্কার প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব। মুক্তি যুদ্ধের সময় তিনি ক্যামেরা ও মেশিনগান হাতে নিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদান রেখেছিলেন। আর নাফিজ আহমেদ নাদভি পথিকৃৎ খ্যাতিমান গুনী আলোকচিত্র ঘরনা পরিবারের সদস্য ও বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির স্থায়ী কমিটির সদস্য।

দেশের বাইরে থাকায় নাফিজ আহমেদ নাদভি উপস্থিত হতে পারেন নাই। তার অনুপস্থিতিতে বিশেষ অতিথি হয়ে উপস্থিত ছিলেন নাছিম আহমেদ নাদভি। তিনি বাংলাদেশের বরেন্য একজন চিত্রশিল্পী ও নাফিজের বড় ভাই। সুতারাং সম্মানিতর অনুপস্থিতিতে শিল্পী নাসিম আহমেদ নাদভি সম্মাননা গ্রহন করেন পারিবারিক উত্তরাধিকারে এবং বিশেষ অথিতির প্রদত্ত ভাষনে শিল্পপরিবারের অভিজ্ঞতা বর্ননায় শিল্পচর্চা সংক্রান্ত গুরুত্ব আরোপ করেন। পরবর্তী পর্যায়ে উপস্থিত
সম্মাননা প্রাপ্ত দুই স্বপনের উপস্থিত অতিথি বিশিষ্ট বিদগ্ধ জন ও অভ্যাগত দের দৃষ্টি আকর্ষণ করায় অনুষ্ঠান সঞ্চালক, স্যালন চেয়ারম্যান আহমেদ রাসেল হাস্যরস বিনোদনে মজা করে এক স্বপনের হাতে আরেক স্বপনকে সম্মাননা ক্রেষ্ট ও সনদপত্র তুলে দিতে ঘোষণা করেন। এভাবেই মহা হাস্যরোলে অনুষ্ঠান সকলের উপভোগ্য হয়ে ক্রেষ্ট ও সনদপত্র বিতরন হয়।

পরবর্তী নিয়ম অনুযায়ী অনুষ্ঠানের সম্মানিত প্রধান অতিথি জনাব সাইফুদ্দীন আহমেদ চন্দন মনোজ্ঞ বক্তৃতা দিয়ে সকল শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করেন। চন্দন দেশের সনামধন্য বিশিষ্ট গুনী আলোকচিত্র শিল্পী সমকালীন ও সনাতনী আলোকচিত্রের ভিন্ন মাত্রার গবেষক চিন্তক বিশ্লেষক শিক্ষক ও আন্তর্জাতিক ফিয়াপ স্যালন বিশেষজ্ঞ। আলোচনা শেষে প্রদর্শনী উদ্বোধন ঘোষণা দেওয়ার পর পর ফটোসেশানে সকলেই স্মৃতির ফ্রেমে বন্দী হতে মনোযোগী হয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে। পরিশেষে প্রদর্শনীতে উপস্থিত সকল অতিথিবৃন্দকে চা পানের আপ্যায়ন আড্ডা, মতবিনিময়ে উপস্থিত অতিথি ও আয়োজকদের মধ্যে পরস্পর পরস্পরকে কৃতজ্ঞতায় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

22/08/2026
22/08/2026

Scott Offen - "Grace" (2025) - "The haunting, expressive photographs in this publication can be perceived as evocations of a long and fruitful collaboration between two people whose lives have intertwined across many decades. Scott and Grace are parents, they share a profound commitment to their spiritual pursuits, they are each other’s best friends. But above and beyond persevering together through the vicissitudes of life, they have, later in their relationship, found a way of making photographs that transcend the tradition of active man with camera and passive wife as sitter." - new at josefchladek.com

22/08/2026
22/08/2026
22/08/2026
22/08/2026
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশে সাড়ম্বরে পালিত হল দুই শতাব্দীর বিশ্ব আলোকচিত্র দিবসের উৎসবমুখর উদযাপন। এই শুভক্ষনেই...
21/08/2026

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশে সাড়ম্বরে পালিত হল দুই শতাব্দীর বিশ্ব আলোকচিত্র দিবসের উৎসবমুখর উদযাপন। এই শুভক্ষনেই বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির ৫০তম বছর পূর্তির সুবর্ন জয়ন্তী পালনের প্রস্তুতিপর্ব। সত্তুর দশকে সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশে ফটোগ্রাফির ব্যবহার ও চর্চা ছিল শুধুমাত্র পেশাজীবি সীমিত আলোকচিত্রী সমাজেই। তৎকালীন সময়ে কারিগরি ব্যবস্থাপনায় স্টুডিও ফটোগ্রাফী শিল্প মাধ্যমে অনেক পেশাজীবি কারিগর, শিল্পী থাকলেও সঠিক ব্যবহারিক শিক্ষার অভাবে আধুনিক মানের ফটোগ্রাফী প্রসার লাভ করতে পারে নাই। বানিজ্যিক সুযোগ সুবিধার জন্য তৎকালে একটা সংগঠন কার্যকর ছিল 'বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক এসোসিয়েশন' ব্যানারে।


সৃজনশীল আলোকচিত্র চর্চার উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৭৬ সনে জন্ম হল 'বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটি'র। বেগ স্যারের তত্ত্বাবধানে বেশ কয়েকজন সনাম ধন্য আলোকচিত্রীর উদ্যোগেই "বেগ আর্ট ইনস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফি"র ক্লাস রুমে প্রায়ই আলাপ আলোচনা চলত বিশেষায়িত সংগঠন গড়ে তোলার। সে এক ইতিহাসের বিশাল স্বপ্ন! তৎকালে আমি ছিলাম মে - জুলাই ৭৫ সন সেশন ব্যাচের ছাত্র। আমার অধ্যায়ন কালেই এ সংক্রান্ত মিটিং আলোচনা চলত স্যারের ক্লাস শেষ হওয়ার পর পরেই। সময়টা ছিল আমার জন্য স্মরণীয় এক মূহুর্ত। যদিও সংগঠন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাথমিক কার্যকলাপ, সরকারি অনুমোদন সহ নিবন্ধ, কার্যালয়ের জন্য নতুন ঠিকানার ব্যবস্থা, আর্থিক সহায়তা, গঠনতন্ত্র তেরী সহ সামগ্রিক প্রচার প্রসার ব্যবস্থাপনার জন্য অনেক সময় অতিবাহিত হয়েছিল। তাই সদস্য পদ সংগ্রহ ধীর গতিতে অগ্রসর হয়েছিল সাংগঠন প্রতিষ্ঠার অনেক পর পর্যন্ত। যথাযথ সময়ে আমি সদস্য পদ নিতে পারি নাই পেশাগত নানা কর্মব্যস্ততার জন্য। পরবর্তী ১৯৮০ সনে আমি ২৩৭ নং সদস্য পদ লাভ করি।

সত্তুর দশকের শুরতে ছাত্র জীবনেই জীবিকার প্রয়োজনে ফটোগ্রাফি পেশাতেই আত্মনিয়োগ হয়েছিল অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবেই। মুক্তি যুদ্ধের সময় প্রতিবেশী দেশে অবস্থান কালীন সময়ে আমি ছিলাম এক স্টুডিও সহকারী কর্মী । স্বাধীনতা উত্তর কালে ১৯৭৩ সনের মার্চে ঢাকায় একটি বানিজ্যিক স্টুডিওতে ফটো আর্টিস্ট রিটার্চার পদে চাকুরী নিয়ে ফটোগ্রাফি পেশায় নিয়োজিত হয়ে ছিলাম। ১৯৭৫ সনে বেগ স্যারের ক্লাসে ভর্তি হয়ে তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করে পেশাদারীত্বের অভিজ্ঞতা অর্জনের শিক্ষা নিয়ে সৃজনশীল আলোকচিত্র শিল্পমাধ্যমে শতভাগ আত্মনিয়োগ করে জীবিকা নির্বাহ করতে সচেষ্ট থেকে সফলতা অর্জনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলাম।

সত্তুর দশক থেকে নব্বই দশকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত্য সাদা-কালো ছবি তুলেছি পেশাদারিত্ব শিল্প চর্চায়। যদিও রঙিন আলোকচিত্র ধারন করা শুরু করি সত্তুর দশকের শেষার্ধ থেকেই বানিজ্যিক প্রয়োজনে। শুরুটা ১২০ সাইজ কোডাক রিভার্সেল ফ্লিম এক্সপোজ করেই হয়েছিল। বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির মাসিক আলোকচিত্রন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে মনোক্রোম মাধ্যমে ছবি তুলতে হত নান্দনিক চর্চায়, পাশাপাশি রঙিন নেগেটিভ ফ্লিমেও এক্সপোজ করতাম শৈল্পিক দৃষ্টিকোন থেকে।

তিন চার দশক পূর্বে সিলভার হ্যালাইড প্রলেপে সিলুলোয়েড প্যানক্রোমেটিক ফ্লিমে ছবি তুলে নিজস্ব কারিগরি ব্যবস্থাপনায়, ডার্করুমে রাত জেগে এনলার্জারে নেগেটিভ থেকে আলো প্রতিফলন করিয়ে নিচে রাখা ইজেলে সাদাকালো ব্রোমাইড পেপারে পরিমিত এক্সপোজার দিয়ে রসায়নে প্রসেস করা পরিস্ফুটিত ছবিতে যে তৃপ্তি পেয়েছি তা অন্য কোন ল্যাবঃ পরিস্ফুট রঙ্গিন ছবিতে পাই নাই। সেই সব সংরক্ষিত সাদা-কালো আলোকচিত্রের প্রিন্ট আমার এক অমূল্য সম্পদ। যক্ষের ধনের মত যা এত দিন আগলে রেখেছি তা আজ পর্যন্ত কাজে লাগাতে পারি নাই। যদিও ইচ্ছা ছিল প্রদর্শনী সহ এ্যালবাম প্রকাশনার। নানাবিধ কারনে তা আজ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয় নাই।

'একটি ছবির গল্প হাজার শব্দের সমতুল্য' শিরোনামে সংরক্ষিত পুরাতন সাদা-কালো স্ন্যাপ্ সটের ব্রোমাইড ফটোপ্রিন্ট সোস্যাল মিডিয়ায় পরীক্ষা মূলক নিয়মিত সম্প্রচারে ব্যবহৃত ছবিগুলো এ পর্বে মা ও শিশুর জীবন ধর্মী বিষয় ছিল। জাগতিক মহাকালের নিয়মে প্রকৃতি ও পুরুষ, স্মৃষ্টির অনন্ত যাত্রাপথ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহাপ্রলয়ের তান্ডবে কালভৈরবের রুদ্ররূপ। ভবিষ্যত প্রজন্ম শিশুর বেড়ে উঠায় গর্ভধারিণী মায়ের অস্তিত্বই ছিল এ পর্বের মূল আলেখ্য উপাখ্যান। যা সাজিয়েছি অপরিকল্পিত ভাবে সংরক্ষণে থাকা পুরাতন ছবি দিয়েই।

ডিজিটাল যুগে সমকালীন আলোকচিত্র চর্চায় প্রাচীন প্রথায় কারিগরি ঝামেলা নাই বললেই চলে। তবুও পথিকৃৎদের ব্যবহারিক পরীক্ষা নীরিক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি যুগের আলোকচিত্রী সমাজ অনুসরণ করে চলে আসছে প্রচলিত ধারায়। স্ব শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয় কালজয়ী বিদগ্ধ বর্ষীয়ান আলোকচিত্রীদের কাজ সহ অনুশীলন পদ্ধতি, মূল্যায়নে শিল্পসাধনার সামগ্রিক বিষয়ে জীবন সংগ্রামের ইতিহাস। একারনেই পালিত হয় স্মরনীয় স্মৃতির ঐতিহাসিক সময় দিনক্ষণ বর্ষকাল।এজন্য সাংগঠনিক উৎসাহ উদ্দীপনায় সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠানেই এসব সীমাবদ্ধ থাকে সাধারণ নিয়মে । দুঃখ নিয়ে বলতে হয় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় আলোকচিত্র মাধ্যমে শিল্প চর্চার বিকাশ লাভ করতে পারে নাই দীর্ঘকাল যাবৎ। তাইতো বাংলাদেশে এসবের আর কোন বিশেষ অগ্রগতি হয় নাই। এজন্যই সামাজিক আন্দোলন সহ সোসাইটির কার্যক্রম গতিশীল করতে সোস্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ধরনের পোস্ট এ যুগে বেশি বেশি গুরুত্বপূর্ণ যেন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি সহ শিল্পকলার সব মাধ্যমের মত অনুদান ও সহায়তা পেয়ে আলোকচিত্র বিশ্বমানের হয়। ২০২৬ এর বিশ্ব- আলোকচিত্র দিবসে এটাই হোক সবার প্রত্যাশার মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

১৯৭৬ সনে  "মা ও শিশু"র প্রতিকৃতির তৈরী  মন্তাজ আলোকচিত্রটি আমার প্রিয় একটি শিল্পকর্ম। দুই শততম আলোকচিত্র দিবস ও বাংলাদেশ...
20/08/2026

১৯৭৬ সনে "মা ও শিশু"র প্রতিকৃতির তৈরী মন্তাজ আলোকচিত্রটি আমার প্রিয় একটি শিল্পকর্ম। দুই শততম আলোকচিত্র দিবস ও বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সুবর্ন জয়ন্তী উৎসবের প্রাক কালে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত পথিকৃৎ বাংলাদেশের বরেন্য আলোকচিত্রীদের জন্য নিবেদিত।
ছবিঃ স্বপন সাহা।

শিরোনামঃ ম্যাডোনা!

Address

Sonargaon Road, Hatirpool
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SwapanSaha's PhotoPix posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category