Atik Hasan Click

Atik Hasan Click I Love Videography. Support me & keep me in your Prayers.

সবাই আপনার সুনাম করবে না , আবার বদনামও করবে না। মানুষের জীবন সবসময় খ্যাতির উপর দিয়ে চলে না।  অনেক সময় সমপরিমাণ বদনামেও চ...
23/08/2026

সবাই আপনার সুনাম করবে না , আবার বদনামও করবে না। মানুষের জীবন সবসময় খ্যাতির উপর দিয়ে চলে না। অনেক সময় সমপরিমাণ বদনামেও চলে যায়।

আমি সম্মানকে সম্মান করি , বদনামকে ডরি না।

আমাদের ছোটো নদী চলে বাঁকে বাঁকেবৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে।পার হয়ে যায় গোরু, পার হয় গাড়ি,দুই ধার উঁচু তার, ঢালু তার...
20/08/2026

আমাদের ছোটো নদী চলে বাঁকে বাঁকে
বৈশাখ মাসে তার হাঁটু জল থাকে।
পার হয়ে যায় গোরু, পার হয় গাড়ি,
দুই ধার উঁচু তার, ঢালু তার পাড়ি।

চিক্ চিক্ করে বালি, কোথা নাই কাদা,
একধারে কাশবন ফুলে ফুলে সাদা।
কিচিমিচি করে সেথা শালিকের ঝাঁক,
রাতে ওঠে থেকে থেকে শেয়ালের হাঁক।

আর-পারে আমবন তালবন চলে,
গাঁয়ের বামুন পাড়া তারি ছায়াতলে।
তীরে তীরে ছেলে মেয়ে নাইবার কালে
গামছায় জল ভরি গায়ে তারা ঢালে।

সকালে বিকালে কভু নাওয়া হলে পরে
আঁচল ছাঁকিয়া তারা ছোটো মাছ ধরে।
বালি দিয়ে মাজে থালা, ঘটিগুলি মাজে,
বধূরা কাপড় কেচে যায় গৃহকাজে।

আষাঢ়ে বাদল নামে, নদী ভর ভর
মাতিয়া ছুটিয়া চলে ধারা খরতর।
মহাবেগে কলকল কোলাহল ওঠে,
ঘোলা জলে পাকগুলি ঘুরে ঘুরে ছোটে।
দুই কূলে বনে বনে পড়ে যায় সাড়া,
বরষার উৎসবে জেগে ওঠে পাড়া।।
আমাদের ছোট নদী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রাস্তা কাটার এই সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া জরুরি।কয়েক মাস ধরে ঠিক এভাবেই পড়ে আছে ঢাকায় প্রবেশের অনত্যম প্রধান সড়ক। প্রতিদিন লক্...
19/08/2026

রাস্তা কাটার এই সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া জরুরি।
কয়েক মাস ধরে ঠিক এভাবেই পড়ে আছে ঢাকায় প্রবেশের অনত্যম প্রধান সড়ক। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ এই পথে চলাচল করে। রামপুরা - স্টপ কোয়াটার রোডের ( ত্রিমোহনী- বাগানবাড়ি) অংশ বনশ্রী, রামপুরা।

আমি নিয়মিত এ রোডের একজন যাত্রী ছিলাম রাস্তার খারাপ অবস্থা বাধ্য হয়ে যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছি বিকল্প রুট ব্যবহার করছি যেখানে আমার জন্য খরচ একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে!

আমার লেখাটি কেউ দেখে থাকলে আপনাদের পরিচিত মধ্যে এরকম কেউ থাকলে সম্পৃক্ত কেউ থাকে তাদেরকে নজরে দিন যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে যাতায়াজের উপযোগী করে তোলেন।

কাজ চলমান রয়েছে কিন্তু এভাবে চলমান এভাবে উন্নয়ন কেমনে কি! প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ মানুষকে ভোগান্তি দিয়ে প্রকল্প হবে কেমনে কি!? একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকবে এত কিলো রাস্তা এত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে কেননা এখানে স্টাফ কোয়াটার রোডের এতো পরিমাণ গাড়ি। চিটাগাং রোডের ম্যাক্সিমাম গাড়ি এ রোড দিয়ে চলাচল করে ৪০ ফিট দৈর্ঘ্যের বড় বড় লরি, কনটেইনারবাহী গাড়ি ইত্যাদি ইত্যাদি।

রাস্তা কাটার এই সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া জরুরি। আমাদের দেশে নতুন রাস্তা নির্মাণের কিছুদিন পরই দেখা যায় বিভিন্ন সংস্থা আবার সেই রাস্তা কেটে ফেলছে—কখনো গ্যাস, কখনো পানি, কখনো বিদ্যুৎ বা অন্য কোনো কাজের জন্য। একটি রাস্তা নির্মাণে জনগণের করের বিপুল টাকা ব্যয় হয়। অথচ কিছুদিন পর আবার সেই রাস্তা কেটে ফেলে দীর্ঘদিন মেরামত না করায় সরকারি অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বাড়ে।
আরও দুঃখজনক বিষয় হলো, রাস্তা কাটার পর অনেক সময় আগের মানে মেরামত করা হয় না। কাজ ধীরগতিতে চলে, ফলে দিনের পর দিন যানজট, ধুলাবালি ও ভোগান্তি সহ্য করতে হয় জনগণকে। একই সঙ্গে রাস্তার কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন থাকে।
সরকারের কাছে অনুরোধ—একটি কার্যকর সমন্বিত নীতিমালা করা হোক। কোনো রাস্তা নির্মাণের আগে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা—গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ, টেলিকমসহ—তাদের প্রয়োজনীয় কাজের পরিকল্পনা একসঙ্গে সম্পন্ন করবে। এরপর রাস্তা নির্মাণ করা হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিশেষ জরুরি কারণ ছাড়া সেই রাস্তা কাটার অনুমতি দেওয়া যাবে না।
আমরা জনগণের করের টাকা দিয়ে রাস্তা তৈরি করি, আবার সেই রাস্তা বারবার কাটার খরচও জনগণের টাকাতেই হয়। সরকারি অর্থের অপচয় বন্ধ করে পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা দরকার। প্রতি বছর কর বাড়ানোর আগে জনগণের টাকা কীভাবে আরও দক্ষতার সঙ্গে ব্যয় করা যায়, সেটাও গুরুত্ব দিয়ে ভাবা উচিত।

২০২৪ সালে সরকারি চাকরিজীবীদের পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে সরকারি চাকরিতে অনুমোদিত পদ আছে ১...
18/08/2026

২০২৪ সালে সরকারি চাকরিজীবীদের পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে সরকারি চাকরিতে অনুমোদিত পদ আছে ১৯ লাখ ১৯ হাজার ১১১টি।

এর মধ্যে কর্মরত আছেন ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯১ জন। অর্থাৎ বিশাল এই জনসংখ্যার রাষ্ট্রে সরকারি চাকরিজীবী ১৫ লাখেরও কম। দেশে জনসংখ্যা আসলে কত সেই তথ্য একেক সংস্থার জরিপে একেক রকম।

তবে সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের সময় জানা যায় দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ। অতএব এর বাইরে আরো তো ২৫-৩০% বা তারও বেশি আছে যাদের ভোটার হওয়ার বয়স হয়নি৷

মূল আলোচনায় আসি। দেশের ২০ কোটি বা তারও বেশি জনসংখ্যার মাত্র ১৫ লাখ সরকারি চাকরিজীবী। অথচ দেখেন দেশের সকল অনিয়ম, সকল অপরাধ, সকল দুর্নীতির দায় দেওয়া হচ্ছে এই ১৫ লাখের উপরে। এটা তো অবশ্যই সত্য যে সরকারি চাকরিজীবীরা সাধারণ মানুষকে ঠিকঠাক সেবা দেন না, হয়রানি করেন। কিন্তু দেশের সকল অনিয়ম, সকল দুর্নীতির দায়ই কী সরকারি চাকরিজীবীদের?

এই যে ১৫ লাখ সরকারি চাকরিজীবী আছেন এর মধ্যে মিনিমাম ৫০-৬০% এর কোনো দুর্নীতি করার সুযোগই নাই। যদি আর্থিক দুর্নীতির কথা চিন্তা করেন আর কী। একজন আর্মি, বিজিবির সাধারণ সদস্য কী দুর্নীতি করবে? এরকম অনেক সরকারি চাকরিজীবী আছে, যাদের দু্র্নীতি করার সুযোগই নাই। অর্থাৎ দুর্নীতিবাজ সরকারি চাকরিজীবী ২-৩ লাখের বেশি হবে না। তাদের কেউ নিজের লোভ থেকে দুর্নীতি করছেন, আর কেউ কেউ সিস্টেমের কারণে, কম বেতনের কারণে সৎ থাকতে পারছেন না।

বিপরীতে দেখেন বৃষ্টি নামলে ৯৯% রিক্সাওয়ালা, সিএনজিওয়ালা ভাড়া বেশি নেয়। আমার এলাকায় যেদিন কলেজে পরীক্ষা থাকে সেদিন সিএনজি ভাড়া ডাবল হয়ে যায়। অথচ সেদিন তারা নরমালিই বেশি আয় করতে পারে। আবার তারা সন্ধ্যা হলেই ভাড়া বেশি নেয়। অথচ তারা এটাকে দু্র্নীতি মনে করেন না। মনে করেন এটা তারা নিতেই পারেন।

আবার দেখেন বর্ষা আসলেই কাঁচা মরিচের দাম হয় ২০০-৩০০ টাকা কেজি। বলা হয় কাঁচা মরিচ পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু ভারত থেকে আমদানি করা হবে এই ঘোষণা দিলেই দাম অর্ধেক হয়ে যায়।

এইমাত্র কয়েকটা উদাহরণ এরকম আরো হাজারো উদাহরণ আছে ভাড়া বৃদ্ধি, মূল্য বৃদ্ধি সিন্ডিকেট ইত্যাদি ইত্যাদি

এই যে ছোট ছোট অপরাধ, ছোট ছোট দুর্নীতি অনিয়ম এসব নিয়ে তেমন কথা হয় না। অথচ কালেক্টিভভাবে রিক্সাওয়ালারা এক বৃষ্টিতে কত টাকা পকেটে ভরলো এটা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নাই। কারণ তারা গরিব। এই যে ছোট ছোট দুর্নীতিকে অগ্রাহ্য করা হয়, এসবই সমাজে ধীরে ধীরে দুর্নীতিকে সহনশীল করে তোলে।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে আমাদের সমাজ দুর্নীতির বিরুদ্ধে যতই কথা বলুক, সে নিজে দুর্নীতিকে ঔন করে, দুর্নীতিকে উৎসাহ দেয়। সমাজের সবচেয়ে টাকাওয়ালা লোকটা সমাজে সবচেয়ে গুরুত্ব পায়, এখন তার টাকা বৈধ না অবৈধ, সেটা কোনো বিষয় না। আবার ধরেন যে সে সরকারি চাকরিজীবীদের ঘৃণা করে কিন্তু আবার ঘুষ দিয়ে নিজের সন্তানকে চাকরি দেওয়ার জন্য জমি বিক্রি করতেও রাজি। আপনি আগে এসবকে রিজেক্ট করেন। তাহলে না দুর্নীতি কমবে।

আবার ধরেন কথায় কথায় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে খোটা দিয়ে বলা হয় আমাদের ট্যাক্সের টাকায় আপনাদের বেতন হয়। অথচ দেশের সিংহভাগ লোক ইনকাম ট্যাক্স দেয় না। রাস্তার ফুটপাতে যে পণ্য বিক্রি করে তার ইনকাম ট্যাক্সের আওতায় আসার পরও যুগ যুগ ধরে তারা ট্যাক্স দেন না। সরকারি চাকরিজীবীদের কিন্তু ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নাই। অথচ যে লোকটা ট্যাক্স দিচ্ছে না বছরের পর বছর ধরে সেই লোকটা ট্যাক্স দেওয়া সরকারি চাকরিজীবীকে গালি দেয়।

সরকার পে-স্কেল দিতে যাচ্ছে। এ নিয়ে সমালোচনার অভাব নাই। ১০ বছর আগে ৪০০ টাকায় দিনমজুরের কাজ করা লোকটা আজ ৭০০-৮০০ টাকা পাচ্ছে। কিন্তু সরকারি চাকরিজীবী নামক গোলামদের ১০ বছর আগের বেতনেই চাকরি করতে হবে। এবং শুনতে হবে না পোষালে চাকরি ছেড়ে দেন।

সরকারি চাকরিজীবীদের প্রতি বিদ্বেষ মূলত দুই কারণে। প্রথমত, ঠিকঠাক সেবা না দেওয়ার কারণে। এবং এটা যৌক্তিক।

দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে নিজে সরকারি চাকরি না পাওয়ার হতাশা থেকে। এর বাইরে আর কোনো কারণ নাই। দেশের সিস্টেম খারাপ শুধু সরকারি চাকরিজীবীদের না। তারা সংখ্যায় মাত্র ১৫ লাখ। বাকিদের নিয়ে যে সমাজ সেই সমাজও চরম দুর্নীতিগ্রস্থ বলেই দেশে কোনো পরিবর্তন নাই।

এজন্য আমি একটা কথা ঔন করি এবং ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার লেখালেখি করেছি আমরা কয়েক কোটি সাধারণ মানুষ যদি নিয়ম মেনে সরকারের সেবা গ্রহণ করি করতে চাই তাহলে দু-র্নীতি ও দু-র্নীতিবাজেরা ঘুষখোররা ঘুষ খাওয়া সুযোগ পাবে না, থাকবে না। আমরাই তো তাদেরকে ঘুষ খাওয়ার দু-র্নীতি করার সুযোগ করে দি, কিভাবে সেটা বিভিন্ন উপায়ে হতে পারে অল্প সময়ে সেবা গ্রহণ করতে গিয়ে, অসুদপায় অবলম্বন করে কাজ করতে গিয়ে আমরা অনিয়ম দু-র্নী-তির সাথে জড়িয়ে পড়ি। এ সুযোগটা কাজে লাগিয়ে চেয়ার চেয়ারে বসে থাকা মানুষগুলো ঘুষ খাওয়ার সুযোগ পায়।

এজন্য বলি আমাদেরকে আগে নিয়ম মেনে সঠিক উপায়ে, নিয়মতান্ত্রিকভাবে সেবা গ্রহণের মানসিকতা তৈরি করতে হবে তাহলে পারেই পর্যায়ক্রমে অনিয়ম, দু-র্নী-তি, ঘু-ষ এ বিষয়গুলো হ্রাস পাবে।

লেখা সংগৃহীত ও সংযোজিত।

Dear 🇧🇩 fans 💚 Well Done, Tigers! 🏆History Made. Legacy Earned.🏏🇧🇩 ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ! ❤️💚অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলি...
16/08/2026

Dear 🇧🇩 fans
💚 Well Done, Tigers! 🏆
History Made. Legacy Earned.

🏏🇧🇩 ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ! ❤️💚
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টেস্ট জয়ের গৌরব—এ যেন টাইগারদের এক অনন্য অর্জন! 🔥

অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল! 🎉👏
তোমাদের এই জয় গর্বিত করেছে পুরো দেশকে। 🇧🇩

সাবাশ বাংলাদেশ, আমরা জিতেছি,আমরা অস্ট্রেলিয়ার সাথে জিতে গেছি 👌💥

সারা বিশ্বের বিস্ময়, তুমি আমার অহংকার 🇧🇩
বছর ঘুরে স্মৃতি হয়ে ফিরে আসবে 😎

AUS vs BAN, 1st Test, Bangladesh tour of Australia, 2026

Scorecard
AUS-198 & 284

BAN- 426 & 57/1

Bangladesh won by 9 wkts

PLAYER OF THE MATCH
Hasan Mahmud
14 & DNB•6-55 & 3-56

Will return as memories over the years

𝗙𝗥𝗔𝗠𝗘 𝗧𝗛𝗜𝗦 𝗦𝗖𝗢𝗥𝗘𝗖𝗔𝗥𝗗 🥹
𝐓𝐡𝐞 𝐟𝐥𝐚𝐠 𝐟𝐥𝐢𝐞𝐬 𝐚 𝐥𝐢𝐭𝐭𝐥𝐞 𝐡𝐢𝐠𝐡𝐞𝐫 𝐭𝐨𝐝𝐚𝐲 🇧🇩

A special win, a special moment, and a team that made Bangladesh proud 💚


|

Silence feels beautiful under the sky 🌅⛅☁️💥📸 Oppo Reno 12pro 5G 📍 Dhaka City 🌆🏙️🇧🇩
16/08/2026

Silence feels beautiful under the sky 🌅⛅☁️💥

📸 Oppo Reno 12pro 5G
📍 Dhaka City 🌆🏙️🇧🇩

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Atik Hasan Click posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Atik Hasan Click:

Shortcuts

Share