Shakil Hasan Official

Shakil Hasan Official সুন্দর একটা জিবন চাই
যেটায় থাকবে না অতীত।
শুধু থাকবে মৃত জীবনকে বাঁচানোর আশা
বাঁচতে চাওয়া তীব্র ইচ্ছে Welcome to my Page. This is Shakil Hasan Official Page.

You can get Home Health Care Service in Dhaka City. Besides I can do many things Such as,
Video Content Creator. I Would like to Create our Traditional Video, Life Style Video, Health Care Bangladesh Video.

দেখতে থাকো, পাশে থাকো, সুস্থ থাকো, ভালো থেকো। #শাকিল_হাসান।

বাঙালি তরুণ আরিফ, বয়স মাত্র ২৭, স্বপ্ন নিয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায়। স্টুডেন্ট ভিসায় পড়াশোনা করছিল, কিন্তু বইয়ের পা...
29/09/2025

বাঙালি তরুণ আরিফ, বয়স মাত্র ২৭, স্বপ্ন নিয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায়। স্টুডেন্ট ভিসায় পড়াশোনা করছিল, কিন্তু বইয়ের পাতার পাশাপাশি জীবনের কঠিন বাস্তবতাও তাকে কাজের সন্ধানে ঘুরিয়ে বেড়াতে বাধ্য করেছিল। একদিন এক ক্যাফেতে পার্ট-টাইম কাজ করতে গিয়ে তার পরিচয় হয় ৩৮ বছরের অস্ট্রেলিয়ান নারী এমিলির সাথে।
এমিলি ছিল স্বাধীনচেতা, শিক্ষিত, আর জীবনের নানা অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ।।
শুরুটা ছিল খুব সাধারণ—কফি বানানোর সময় দু’জনের হালকা আলাপ। ধীরে ধীরে আলাপ গড়ালো বন্ধুত্বে, আর বন্ধুত্ব রূপ নিলো গভীর সম্পর্কে। আরিফের সরলতা, হাসি আর জীবনের জন্য সংগ্রামের দৃঢ়তা এমিলির মন ছুঁয়ে গেল। অন্যদিকে এমিলির পরিণত বুদ্ধি আর মমতা আরিফকে আশ্রয় দিল এক নতুন ভরসার। বয়সের ফারাক তাদের কাছে গুরুত্বহীন হয়ে গেল। তারা বুঝল, ভালোবাসা সংখ্যা দেখে জন্মায় না, জন্মায় হৃদয়ের মিলন থেকে।

কয়েক মাস পর তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলো। বিয়ের পর এমিলি আরিফকে বলল, "তোমার দেশ কেমন? তোমার পরিবার?" আরিফের চোখ ভিজে গেল—সে বহুদিন ধরে মায়ের রান্নার গন্ধ, বাবার ডাক, গ্রামের মাটির পথের জন্য মন কাঁদাচ্ছিল। এমিলি একদিন বলল, "চলো, বাংলাদেশে যাই। তোমার মানুষগুলোকে আমি জানতে চাই।"

অবশেষে আজ সেই দিন এসেছে। ঢাকা বিমানবন্দরে নামার সময় আরিফের বুক কেঁপে উঠল। তার পাশে এমিলি, বিদেশি সাজে কিন্তু মনে ভীষণ আন্তরিক। গ্রামের বাড়ির পথে সে এমিলির হাত শক্ত করে ধরল। পথে যেতে যেতে বলল, "ওরা হয়তো অবাক হবে, হয়তো প্রশ্ন করবে, কিন্তু আমি জানি আমার মা-বাবা তোমায় মেনে নেবেন।" এমিলি হাসল, বলল, "আমি শুধু তোমার পরিবারের মেয়ে হয়ে উঠতে চাই।"

গ্রামের বাড়িতে পৌঁছতেই কৌতূহলী চোখে সবাই তাকিয়ে রইল। আরিফ মাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "এটাই আমার স্ত্রী, এমিলি।" কিছুক্ষণ নীরবতা, তারপর মায়ের চোখ ভিজে গেল, সে বলল, "আমার ছেলের পছন্দই আমার পছন্দ।"

সেই মুহূর্তে এমিলি শুধু একজন বিদেশি নারী নয়, আরিফের পরিবারের একজন হয়ে উঠল। ভালোবাসা, সংস্কৃতি আর আস্থার মেলবন্ধন হয়ে গেল তাদের নতুন জীবনের গল্প।

#শাকিল_হাসান_চৌধুরী
#ব্যাংকার_সমাজকর্মী
#উদ্যোক্তা

29/09/2025

সে অনেক কাল আগের কথা। ব্রিটিশরা চলে গেছে। দেশ স্বাধীন হয়েছে। তখনকার পূর্ব বাংলার ছোট্ট এক গ্রাম রসূলপুর। সেই গ্রামের মসজিদের মুয়াজ্জিন আক্কেল আলী। খুবই মধুর তার কন্ঠের আযান। গ্রামের মানুষ সম্মান করে। তবে এই কাজে আয় নাই বললেই চলে। মসজিদের ইমাম সাহেব অবশ্য দাওয়াতে গেলে আক্কেল আলীকে সাথে নিয়ে যায়। লাভ এইটাই যে পেট ভরে ভালো খাবার খাওয়ার সুযোগ হয় মাঝে মধ্যেই।
আক্কেল আলীর বড় মেয়ে হালিমা, বয়স বারো গিয়ে তেরো তে পড়ল। হালিমার মা অন্যের বাড়িতে ধান ভানা সহ নানা রকম কাজ করে দেয়। আক্কেল আলীর পাঁচ সন্তানের মধ্যে হালিমা বড়। ঘরে হালিমার দাদীও আছে। অভাবের সংসারে অনেক সময় ওরা উপোস থাকে।
সোমত্ত মেয়ে ঘরে রাখা ঠিক না। আক্কেল আলী মেয়ের বিয়ে দিলেন গ্রামেরই ছেলে রহিম শেখের সঙ্গে। রহিম শেখ ছৈয়ালের কাজ করে। তার বাপ মা আর তিন ভাই ওলা ওঠায় মারা গেছে আরো কয়েক বছর আগেই। দোচালা টিনের ঘর, বাড়ির পরে এক টুকরো জমি। এইরকম ভালো পাত্রের কাছে মেয়ের বিয়ে দিতে পেরে হালিমার পরিবার খুবই খুশি। এখানে বলে রাখি সেকালে মুসলমানদের মধ্যে যৌতুকের প্রচলন ছিল না বললেই চলে। উপরন্ত পণ দিয়ে বিয়ে করতে হতো।
বিয়ের পর প্রথম কয়েক দিন ভালই চলল । তারপর থেকে হালিমার ঘরে রান্না করার মত কিছুই থাকতো না। রহিম শেখ যখন বাজার করত, তখন রান্না খাওয়া চলত। তারপর আবার দুইদিন, তিনদিন, চারদিন পরে চুলা জ্বলতো। বাবার বাড়িতে হালিমার একদিন উপোস করার অভ্যাস ছিল। এখানে এতদিন উপোস করা তার জন্য অসম্ভব ছিল।
হালিমা অনেক কষ্টে যোগাড়যন্ত্র করে জমিটাতে সবজি চাষ করলো। যখন ফলন হলো, রহিম শেখ সব বিক্রি করে টাকা নিজের কাছে রাখল। এদিকে হালিমাও পোয়াতি।
শুরু থেকেই রহিম শেখ প্রতিদিন খুব সকালে তার কাজের জিনিসপত্র নিয়ে বের হয়ে যায় আর বেশ রাত করে ঘরে আসে। যখনই আসুক পুকুরে গিয়ে গোসল করে, ঘরে খাবার থাকলে হালিমা তাকে খেতে দেয়। না থাকলে হালিমা চুপচাপ শুয়ে থাকে। কোন প্রশ্ন না করলে হালিমার কথা বলা নিষেধ।
পোয়াতি হালিমা ক্ষুধায় কাতর অবস্থায় একদিন এক বুড়ি ভিখারী হালিমাকে কিছু ভিক্ষার চাউল দিল। হালিমা বুড়ির কাছ থেকে ভিক্ষার ব্যাপারে তথ্য জেনে রাখল।
পরের দিন রহিম শেখ বেরিয়ে যেতেই ভিক্ষার উদ্দেশ্যে বের হল হালিমা। নিজের গ্রাম পার হয়ে আরো দুই গ্রাম পড়ে গিয়ে ভিক্ষা করল সে। এরপর থেকে হালিমা প্রায়ই ভিক্ষা করতে যেতে লাগলো। যখন সে একটি ছেলে জন্ম দিল, তখন কিছুদিন বিরতি দিয়ে ছেলেকে কোলে নিয়ে আবার ভিক্ষায় বের হলো। ভিক্ষা করে তার দিন ভালোই চলছিল। সে আবার পোয়াতি হল। কোলেরটার বয়স প্রায় ১০-১১ মাস।
একদিন হালিমার ভিক্ষা করার খবর রহিম শেখের কানে গেল। রহিম শেখ হালিমাকে অনেক মারল তারপর টেনে টেনে বাড়ির সীমানা থেকে বাইরে বের করে দিল এবং শাসিয়ে দিল যেন এখানে আর কখনো না আসে। হালিমা শুধু ছেলেটাকে সাথে নিতে চেয়েছিল।
ছেলেটা কান্নাকাটি করে এক সময় ঘুমিয়ে গেল। হালিমা মধ্যরাতের পরে বসে বসে ছেসরাতে ছেসরাতে এল। পেছনের দরজাটা কীভাবে যেন খুলে ঘরে ঢুকলো। বিছানার কাছে এসে ঘুমন্ত ছেলেকে কোলে তুলে নিয়ে আবার চলে গেল। ঘরের মাটিতে পুরোটা জায়গায় রহিমার রক্ত লেগে রইল।
গরিবের জন্য ক্ষুধা এক অভিশাপ নারীদের জন্য তা আরও ভয়ংকর।

রিনা, বয়স ৪৫। স্বামী সাথে অশান্তি  আজ থেকে দশ বছর আগে। সেই থেকে তিনি মেয়েকে নিয়ে একা জীবন কাটাচ্ছিলেন। নিজের ছোট  সংসারে...
28/09/2025

রিনা, বয়স ৪৫। স্বামী সাথে অশান্তি আজ থেকে দশ বছর আগে। সেই থেকে তিনি মেয়েকে নিয়ে একা জীবন কাটাচ্ছিলেন। নিজের ছোট সংসারের ব্যস্ততা আর সমাজের তির্যক কথা—সব মিলিয়ে তার জীবনটা যেন শুকনো মরুভূমি হয়ে গিয়েছিল।

একদিন বিকেলে পার্কে হাঁটতে গিয়েছিলেন রিনা। হঠাৎ এক যুবক এসে বলল,
“আন্টি, আপনার ব্যাগটা পড়ে যাচ্ছিল, আমি ধরলাম।”
হাসি দিয়ে তাকালেন তিনি। সেই ছেলেটির নাম ছিল অরূপ, বয়স মাত্র ৩৫।

এরপর থেকে প্রায়ই দেখা হতে লাগল। কখনো বইয়ের দোকানে, কখনো কফিশপে। ধীরে ধীরে আলাপ জমে উঠল। বয়সের ফারাক ভুলে অরূপ তাকে “বন্ধু”র মতো আচরণ করতে শুরু করল। রিনা অবাক হতেন—এত কম বয়সী একজন তার কষ্ট, একাকীত্ব আর ভয়গুলো এত সহজে বুঝতে পারে কিভাবে?

দিনগুলো কেটে যেতে লাগল। অরূপের সঙ্গে কথা বললে রিনার মনে হত, অনেকদিন পর আবার নতুন সূর্যের আলো দেখছেন। একদিন অরূপ সোজাসাপ্টা বলল,
“আমি তোমাকে ভালোবাসি রিনা আপা, না—তোমাকে আমি ‘আপা’ বলতে চাই না। আমি চাই তুমি আমার জীবনসঙ্গী হও।”

রিনা প্রথমে চমকে উঠলেন। সমাজ কী বলবে? মেয়ে কী ভাববে? বয়সের এত পার্থক্য! কিন্তু মনের ভেতর জমে থাকা একাকীত্ব আর ভালোবাসার ক্ষুধা ধীরে ধীরে জাগতে লাগল।

তার মেয়ে যখন বলল—
“মা, তুমি সুখী হও, এই মানুষটা তোমাকে সত্যিই ভালোবাসে”—
তখন রিনা আর দেরি করলেন না।

সব বাধা পেরিয়ে, এক সাদামাটা আয়োজনে তাদের বিয়ে হল।

আজ রিনা হাসিমুখে বলে,
“বয়স শুধু সংখ্যা, ভালোবাসা আসলে দুইটা হৃদয়ের গল্প।”

#শাকিল_হাসান_চৌধুরী।
#ব্যাংকার_সমাজকর্মী
#উদ্যোক্তা

Where I seek to lose myself, each dawn feels infinite
27/06/2025

Where I seek to lose myself, each dawn feels infinite

মম জীবন যৌবন,মম অখিল ভুবন,তুমি ভরিবে গৌরবে,নিশীথিনী-সম..!! 🖤
27/06/2025

মম জীবন যৌবন,
মম অখিল ভুবন,
তুমি ভরিবে গৌরবে,
নিশীথিনী-সম..!!
🖤

তোমার বিষন্ন চোখে,আমার সহজ নিরবতা।ঠোঁটের কোনে হারানো আবেগ,ছুঁয়ে দেখ বেঁচে আছি, জীবন্ত লাশেদের ভীড়ে।
27/06/2025

তোমার বিষন্ন চোখে,
আমার সহজ নিরবতা।
ঠোঁটের কোনে হারানো আবেগ,
ছুঁয়ে দেখ বেঁচে আছি,
জীবন্ত লাশেদের ভীড়ে।

নিজের পায়ে যতক্ষণ শক্তি আছে দৌঁড়াবেন, শক্তি কমে গেলে হাঁটবেন, তবুও অন্যের পা ধরে চলার চিন্তা করবেন না!!!
27/06/2025

নিজের পায়ে যতক্ষণ শক্তি আছে দৌঁড়াবেন,
শক্তি কমে গেলে হাঁটবেন,
তবুও অন্যের পা ধরে চলার চিন্তা করবেন না!!!

জীবন হোক অবিরাম ছুটে চলা।নতুন সূর্যের আলোয় জীবন হোক কর্মময়।
27/06/2025

জীবন হোক অবিরাম ছুটে চলা।নতুন সূর্যের আলোয় জীবন হোক কর্মময়।

Just trail
27/06/2025

Just trail

🪴সবাইকে জানাই মিষ্টি সকালের শুভেচ্ছা বন্ধুরা💐“সবসময় সঠিক কাজ করো, এতে কিছু মানুষ খুশি হবে, বাকিরা অবাক হয়ে যাবে।” ゚    ...
27/06/2025

🪴সবাইকে জানাই মিষ্টি সকালের শুভেচ্ছা বন্ধুরা💐
“সবসময় সঠিক কাজ করো, এতে কিছু মানুষ খুশি হবে, বাকিরা অবাক হয়ে যাবে।”

゚ ゚

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shakil Hasan Official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shakil Hasan Official:

Share