Walk With Antu

Walk With Antu I am a street photography enthusiast chasing my dream to become a good street photographer. I am rea

ফ্রেম উইদইন ফ্রেম টেকনিকের একটা ছবি। বস্তা মাথায় এ লোকটা দুই হাত দিয়ে দুই ফ্রেম নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন, আমি যাচ্ছিলাম তার ...
16/01/2021

ফ্রেম উইদইন ফ্রেম টেকনিকের একটা ছবি। বস্তা মাথায় এ লোকটা দুই হাত দিয়ে দুই ফ্রেম নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন, আমি যাচ্ছিলাম তার পিছু পিছু। কোন সাবজেক্ট ফ্রেমের ভিতরকার ফ্রেমে ঢুকলে ঘেঁচ করে তুলে ফেলবো। সাবজেক্ট বলতে এই হেলমেট পরা লোকটিকে পেলাম। কী আর করা! খুশি রইলাম। -সদরঘাট-গাবতলী বেড়িবাঁধ, ঢাকা।

এই ফটোটার জন্য কোন নাম ঠিক করতে পারছি না। তেজগাঁওয়ের কোন এক স্কুলের ভেতর থেকে তোলা।এই ফটোটা নিজে কোন স্টোরি বলছে না, কিন...
12/01/2021

এই ফটোটার জন্য কোন নাম ঠিক করতে পারছি না। তেজগাঁওয়ের কোন এক স্কুলের ভেতর থেকে তোলা।

এই ফটোটা নিজে কোন স্টোরি বলছে না, কিন্তু এর পিছনের গল্প আছে। তেজগাঁওয়ের এই স্কুল কোন একটা উৎসব ধরণের একটা প্রোগ্রামে ছবি তুলতে গেছি। ফটোগ্রাফার হিসেবে নয়, ক্যামেরা আছে তাই ডাক পেয়েছি।

আজ স্কুলে উৎসবে তাই আজ ইউনিফর্ম পরার কড়া নিয়ম আজ খাটবে না। গেটের ভিতর লাল-নীল রংবেরংয়ের পোষাকে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা হইচই করে ছুটে বেড়াচ্ছে। বাচ্চাদের কলরবে মুখরিত পুরো বিদ্যালয়।

ফটোর এই বাচ্চাটাও বোধ হয় স্কুলের ভেতরকার বাচ্চাদের কলরবে কৌতুহলী হয়ে গেটের নিচ দিয়ে উঁকি দিয়ে বোঝার চেষ্ট করছে ব্যাপারটা। রং বেরংয়ের পোষাকে ভেতরের বাচ্চাদের হই হুল্লোড় করতে দেখে বাইরের বাচ্চাটার মনেও হয়ত ভেতরের বাচ্চাদের সাথে যোগ দেয়ার ইচ্ছা একবার উঁকি দিয়ে গিয়েছিল। ‘পড়ালেখা করাই যার ভাগ্যে নাই, তার কি আর এই ধরণের চিন্তা করা মানায়?’- কথাগুলো ভাবতে ভাবতে হয়ত ফিরে গিয়েছিল নিজের পথে।

কথাগুলো নিতান্তই রুপক অর্থে বলা। ছবির ছেলেটি নিশ্চয়ই অন্য কোন স্কুলে পড়ে, কৌতুহলী হয়ে বসে ভেতরের প্রোগ্রামটা একটু দেখে চলে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা তো বারবার এই ধরণের শিশুদের সাথে আমাদের দেখা করিয়ে দেয়- যাদের আমরা ছিন্নমূল পথশিশু হিসেবে চিনি। কিন্তু শিক্ষার অধিকার তোর ঐ ‘ঝরে পড়া’ শিশুদেরও। কিছু এনজিও প্রশংসনী কাজ করে যাচ্ছে এই ধরণের শিশুদের ‘ভাগ্য উন্নয়নের’ জন্য কিন্তু সামগ্রিকভাবে এই সংখ্যা একেবারে নগণ্য। দেশের কোন শিশুই যেন শুধু টাকার অভাবে শিক্ষা অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই কামনা করি।

‘তরণী’। স্থান লালবাগের কোন এক গলি, ঢাকা।তরণী শব্দের অর্থ যা পার করে বা উদ্ধার করে। অন্যভাবে বলতে গেলে তরণী অর্থ নৌকা, পা...
10/01/2021

‘তরণী’। স্থান লালবাগের কোন এক গলি, ঢাকা।

তরণী শব্দের অর্থ যা পার করে বা উদ্ধার করে। অন্যভাবে বলতে গেলে তরণী অর্থ নৌকা, পানির গভীরতায় তলিয়ে যাওয়া থেকে উদ্ধার করে নৌকা। এই মাতৃরূপেন ‘তরণী’ তার সন্তানকে পার করছেন ঢাকার রাস্তার ‘খুব স্বাভাবিক’ একটি পরিস্থিতি থেকে।

মা’কে তরণী বলে ছোট করছি কি? মা তো তরণীই, সকল বিপদ-আপদ থেকে মা-ই তো পার করে দেন। জীবনের অন্ধকার গহীনে তলিয়ে যাওয়ার হাত থেকে একমাত্র মা-ই তো উদ্ধার করতে পারেন।

ছবিটি কম্পোজিশনের দিক থেকে ততটা পার্ফেক্ট হয়ত না, কিন্তু এই ডিসাইসিভ মোমেন্টখানা আমার ক্যামেরায় বন্দী করতে পেরে আমি যারপরনাই আনন্দিত। আর আমার আনন্দ বাড়িয়ে দেয় অল্প দূরে দাঁড়িয়ে থাকে বাচ্চাটির নিমগ্ন দৃষ্টি। বিষ্মিত দৃষ্টিতে ঢাকার অলি-গলির দুর্দশার সাথে পরিচিত হচ্ছে। পরিচিত হোক, শক্ত হোক, কঠোর হোক- এই শিশুদের হাতেই আগামীর ঢাকার ভাগ্য লেখা আছে।

'The Frame'. স্থান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।টিএসসি যাচ্ছিলাম। জগন্নাথ হলের সামনে চোখে পড়ল এই গাছ। ফটোগ্রাফিতে এটা খুব কমন আর জ...
09/01/2021

'The Frame'. স্থান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

টিএসসি যাচ্ছিলাম। জগন্নাথ হলের সামনে চোখে পড়ল এই গাছ। ফটোগ্রাফিতে এটা খুব কমন আর জনপ্রিয় একটা কম্পোজিশন টেকনিক। এক নাম ফ্রেম উইদইন আ ফ্রেম। এই টেকনিকে একটা ছবি তোলার অপেক্ষায় ছিলাম। সুযোগ পেয়ে আর নষ্ট করলাম না।

‘ঝরা পাতারা’। স্থান সলিমুল্লাহ মুসলিম হল এলাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।এই ছবিটার আমি নাম দিয়েছি ‘ঝরা পাতারা’। নামটা আক্ষরিক ...
08/01/2021

‘ঝরা পাতারা’। স্থান সলিমুল্লাহ মুসলিম হল এলাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এই ছবিটার আমি নাম দিয়েছি ‘ঝরা পাতারা’। নামটা আক্ষরিক অর্থেই দিয়েছি, রুপক-টুপক কিছু নয়। ব্যাখ্যা করছি। ঐ যে একটু দূরে সবুজ গাছগুলো দেখছে পাচ্ছেন, ওগুলো কড়ই গাছ; কৃষ্ণচুড়াও হতে পারে। ফুল নেই, তাই কড়ই বলেই চালিয়ে দিচ্ছি। যাগ্গে ওসব কথা! এই স্নিগ্ধ সবুজ কড়ই গাছগুলো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলেছে শতগুণ। কী সুন্দর শান্ত স্নিগ্ধ একটা পরিবেশ! এর মধ্যে একটা সুন্দর ছবি তো প্রত্যাশা করাই যায়! কিন্তু দেখুন না, এই সুন্দর ল্যান্ডস্কেপটার মধ্যে আউট অফ ফোকাসে থাকা দু’টো ঝরা পাতা এসে পুরো ছবিটাই কীভাবে কেঁচে দিলো! আরে হ্যাঁ! আক্ষরিক অর্থেই বলছি।

ছবিটার নিচে বাম কোণায় খেয়াল করে দেখুন কিছু অবাঞ্ছিত শুকনো পাতা ঝরে পড়ে ঝুলে আছে। পাতাগুলো ক্যামেরার ফোকাসে ধরা পড়েনি, কিন্তু ঠিকই ফ্রেমের মধ্যে ঢুকে পুরো ছবিটারই বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। ঠিক যেন দেশের হাজারো উন্নয়নের মধ্যে দিনরাত ভুলে ঘুমিয়ে থাকা বাচ্চা দু’টোর মত।

আচ্ছা বলুন তো, আমার এই ছবিটা কি দেশের উন্নয়নের মত সুন্দর একটা ল্যান্ডস্কেপ হতে পারত না? দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তররিয়ে, উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ম করে যোগ হচ্ছে নতুন নতুন কত বিষ্ময়! পদ্মা সেতু হয়ে উন্নয়ন পৌঁছে গেছে বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়েও। ’বন্য’ মানুষগুলোকেও ‘সভ্যতা’র পথে না আনতে পারলে বাংলাদেশ আজ কীসের রোল মডেল?

উন্নয়নের সুবাতাস বইছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় জুড়েও। এই যে ডানপাশের ফুটপাত ধরে হলের আসেপাশে ঘুরছে ছেলেগুলো; পলাশী থেকে নাস্তা করে হলে ফিরছে হয়ত। এই তো আর ক’টা দিন। এরপর এই ফুটপাত ধরেই হলের ছেলেরা, এই রাস্তা ধরেই বাইকে করে হেলমেট মাথায় সাদা পাঞ্জাবি পরে ঐ লোকটা, আর আমি ক্যামেরা হাতে হেলতে দুলতে চা খেতে যাব টিএসসি। এই রে! ‘চা খেতে’ মুখ ফসকে বেরিয়ে গেছে। টিএসসি তো যাব শপিং করতে। এই যে দেশের, ইনভার্সিটির এত এত ভালো দিক, এর মধ্যে কিনা ক্ষুধার যন্ত্রণা ভুলতে ড্যান্ডি খেয়ে শুয়ে আছে হতচ্ছাড়া ছিন্নমূল বাচ্চা দু’টো!

আমার ছবি কিন্তু সত্যি সত্যিই ফ্রেমের বাম দিকের নিচে আউট অভ ফোকাসে থাকা ঐ ঝরা পাতাগুলোকে নিয়েই। বাচ্চাগুলোই বরং এখানে রুপক। রিভার্স মেটাফর ভেবে আপনাদের ঐ ধারায় টারায় ফেলবেন না যেন আবার! কিন্তু হ্যাঁ! হাত কচলে কচলে একটা কথা বলতেই হচ্ছে- পাতগুলো ঝরে পড়ে না গিয়ে সবুজ থাকলে ছবিটা হয়ত অতটাও খারাপ হত না। পাতা তো সবুজেই সুন্দর। কী বলেন, স্যার?

‘এই শহরে!’ স্থান শ্যামলী, ঢাকা।এটা নিশ্চয়ই স্ট্রিট ফটোগ্রাফি নয়, এটাকে ‘সিটিস্কেপ’ বলা যেতে পারে। শ্যামলী’র কোন এক সুউচ্...
08/01/2021

‘এই শহরে!’ স্থান শ্যামলী, ঢাকা।

এটা নিশ্চয়ই স্ট্রিট ফটোগ্রাফি নয়, এটাকে ‘সিটিস্কেপ’ বলা যেতে পারে। শ্যামলী’র কোন এক সুউচ্চ ভবনের টপ ফ্লোরগুলোর কোন একটা থেকে এই ছবিটা তোলা। এই ছবিটা আর কারো কাছে কোন বিশেষত্বপূর্ণ লাগবে কিনা জানি না, আমার কাছে এই ছবিটা বেশ বিশেষত্বপূর্ণ। বিশেষত্বটা এই যে এটা আমার তোলা প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র ‘ক্রিয়েটিভ ফটোগ্রাফি’।

ঐ যে দূরে বড় বড় ভবনগুলো দেখা যাচ্ছে, ওগুলোর উপর কোন আকাশ নেই। আক্ষরিক অর্থেও ঐ কংক্রিটের জঙ্গল থেকে আকাশের দেখা পাওয়া যায় না। মাথায় উপর সিলিং আর তাতে দিন রাত জ্বলে এলইডি বাল্ব। এই শহর রূপকথার গল্পের ম্যাজিকাল ফরেস্টেরই এক বাস্তব রূপ যেন; আর জ্বলজ্বলে ভবনগুলো এক একটা মায়াবীনি ডাকিনী! এ জঙ্গলে কত পথভুলো পথিক পথ হারিয়ে ঐ ডাকিনীদের মায়ার ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব খুঁইয়েছে তার হিসেব দেয়া দুষ্কর। তবু এ জঙ্গলে যেতেই হবে, গোলাম হয়ে থাকতে হবে ঐ ডাকিনীরূপী ঝলমলে আলোকোজ্জ্বল ভবনগুলোর।

এই ঐন্দ্রজালিক জঙ্গলে আপনাকে স্বাগতম। তৈরী থাকুন, নিশির ডাক শোনার অপেক্ষা করুন, ধরা দিন কোন এক ডাকিনী-ডেরায়। কে জানে, ‍ওমন একটা ডাকিনী ভবনের মালিক হয়ে উঠতে পারেন আপনিও! তখন চুষে খান আপনার গোলামদের। আর আপনার মায়ার ফাঁদে পা দেয়ার জন্য আমরা কাস্টোমাররা তো বসেই আছি।

এ এক অন্ধকার জঙ্গল। এখান থেকে আকাশ দেখা যায় না, মাথার উপর সিলিং আর তাতে দিনরাত জ্বলে এলইডি বাল্ব।

‘একলা ইমাম’।  স্থান খান মোহাম্মদ মসজিদ, লালবাগ।এই ছবিটা একটা ব্যর্থ সিমেট্রিকাল ছবির নমুনা। সিমেট্রি হচ্ছে সাবজেক্ট মাঝখ...
26/12/2020

‘একলা ইমাম’। স্থান খান মোহাম্মদ মসজিদ, লালবাগ।

এই ছবিটা একটা ব্যর্থ সিমেট্রিকাল ছবির নমুনা। সিমেট্রি হচ্ছে সাবজেক্ট মাঝখান থেকে ডান বাম উভয় পাশেই একদম একই রকম থাকবে। তবে সেটা ডান-বাম না হয়ে উপর নিচও হতে পারে। এই মসজিদটা দেখে সিমেট্রি প্র্যাকটিস করার চিন্তা মাথায় এলো। অনেকক্ষণ ধরে ডান বাম-ডান বাম করেও মাঝখানে সিঁড়িসহ মসজিদের দরজাকে মাঝখানে রেখে গম্বুজগুলো দুইপাশে একই পজিশনে রাখতেই পারছিলাম না। ধৈর্য্যের শেষ সীমায় পৌঁছাব পৌঁছাব করছি ঠিক তখনই ঘটনাটা ঘটলো। ইমাম সাহেব দরজায় এসে দাঁড়ালেন। 🌼

কম্পোজিশনের দিক থেকে খুঁতসম্পন্ন এই ছবিটা আমার খুব প্রিয় হয়ে থাকবে কোন কারণ ছাড়াই। নিজের ছবি নিজে রিভিউ করতে গেলে এই এক সমস্য, পক্ষপাতিত্ব চলে আসে। আসুক না! কিছু ছবি এমনিতেই প্রিয় হয়ে থাক না!

‘বৃক্ষমানব’। স্থান ধানমন্ডি লেক।ধানমণ্ডির ৩২ নাম্বার রোডে তখন নিয়মিত যাওয়া আসা করি। ক্যামেরাও সাথে নিয়ে ঘুরি। সেদিনও ঘুর...
26/12/2020

‘বৃক্ষমানব’। স্থান ধানমন্ডি লেক।

ধানমণ্ডির ৩২ নাম্বার রোডে তখন নিয়মিত যাওয়া আসা করি। ক্যামেরাও সাথে নিয়ে ঘুরি। সেদিনও ঘুরছিলাম। এদিক ওদিক ঘুরে ছবি টবি তুলছিলাম, তখন এই গাছটা চোখে পড়ে। গাছটারই ছবি তুলব তখন এই লোকটা ফ্রেমে ঢুকে গেলেন। অনেকটা সময় নিয়ে কম্পোজিশন ঠিক করছিলাম, লোকটাও এভাবে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন।

আমি পরিষ্কার বুঝতে পারছিলাম লোকটা ঠাউরে উঠতে পারছিলেন না আমার সাবজেক্ট কে- লোকটা নিজে না গাছটা। এদিকে আমিও তাকে বুঝতে দিতে চাচ্ছিলাম না যে উনিই আমার সাবজেক্ট। ক্যামেরায় চোখ দিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে আছি, উনি চোখ ফেরালে কেটে পড়ব ভেবে। লোকটা চোখ ফেরালেন না আমার কথা ভেবে, আমিও ক্যামেরায় চোখ দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি লোকটার কথা ভেবে।

আমি এই ব্যাপারটা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি। পেশায় ‘নিচের দিকের‘ লোকগুলো কি ভাবেন যে তার পেশা, তার দারিদ্যের জন্য আমি তার ছবি তুলে ফেলছি আর এটা ভেবে কি তারা কষ্ট পান? সেজন্য ছবি তোলার সময় আমি বুঝতে দিতে চাই না আমি তার ছবি তুলছি। একটু লুকিয়েই ছবি তোলার চেষ্টা করি।

আমি নিজেকে রাস্তার একজন পথচারী হিসেবে কল্পনা করে দেখি, কল্পনা কেউ একজন আমার ছবি তুলছেন। খুব অকওয়ার্ড ফিল তো আসে না, বরং খুশিই হতাম। আমার ‘সাবজেক্টরা’ কী ভাবেন কে জানে!

‘ব্রেকিং নিউজ’। স্থান নিউ মার্কেট এলাকা।‘শালার! একটা ভালো নিউজ নাই। প্রত্যেকটা দিন চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ, রোড অ্যক্তি...
25/12/2020

‘ব্রেকিং নিউজ’। স্থান নিউ মার্কেট এলাকা।

‘শালার! একটা ভালো নিউজ নাই। প্রত্যেকটা দিন চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ, রোড অ্যক্তিডেন্ট! একটা দিন একটা ভালো খবর নাই।’ এমন কথা উনি মনে মনে ভাবছিলেন কিনা জানি না। উনার মুখের ভাব দেখে মনে হচ্ছে রাজ্যের বিরক্তি নিয়ে সংবাদপত্রখানা পড়ছেন। বগলে আরেকখানা পত্রিকা হয়তো পরে পড়ার জন্য সংগ্রহ করেছেন।

আর রাজধানী ঢাকার মত শহরে কার মুখের ভাবই বা ঠিক থাকে বলুন। ধুলোয় ঢাকা শহর ঢাকা, ট্রাফিক জ্যামের নগরী এই শহর ঢাকাকে তবু ভালোবেসেছেন আমার মত অনেকেই। এই ইট পাথরে মোড়া যান্ত্রিক শহরের যান্ত্রিকতায় মোড়া রবোটদের ভিড়ে সময় করে একটু দেশের খোঁজ খবর রাখার চেষ্টা করা এই মানুষটিকে শ্রদ্ধা!

‘রোদ্দুরে হাসি’। আমার তোলা প্রথম স্ট্রিট পোর্ট্রেট। স্থান যথারীতি সদরঘাট। আমার তোলা যেকোন পোর্ট্রেটের মধ্যে এটা আমার ভীষ...
24/12/2020

‘রোদ্দুরে হাসি’। আমার তোলা প্রথম স্ট্রিট পোর্ট্রেট। স্থান যথারীতি সদরঘাট।

আমার তোলা যেকোন পোর্ট্রেটের মধ্যে এটা আমার ভীষণ প্রিয়। যেকোন পোর্ট্রেট বলতে আমি পোর্ট্রেট ছবি মোটে তুলেছি হাতে গোণা কয়েকটা। স্ট্রিট ফটোগ্রাফিকে আপন করে তুলতে এই ছবিটারও একটা বিশেষ ভূমিকা আছে।

আমি তো অন্তর্মুখী গোছের লোক, আমার মুখ থেকে কথা বিশেষ ফোটে না। এদিকে কার ছবি তুললে কে কী মনে করেন, এটা ভেবে ক্যামেরা হাতে জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। ইতিউতি একটা দু’টো ছবি তোলার চেষ্টা করছি। এই লোকটা পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন মাথায় এই ঝুড়িটা নিয়ে। উনার দিকে ক্যামেরা তাক করতেই ‘ধরা খেয়ে’ গেলাম। লজ্জায় লাল হব হব করছি, এমন সময় লোকটা আমাকে অবাক করে দিয়ে নিজেই বললেন ‘একটা ছবি তুলে দেন’।

এটাই উনার ভূমিকা। এই ছবি আমাকে রাস্তাকে ভালোবাসতে শেখায়। এই তথাকথিত ‘নীচু তলার’ লোক আমাকে নির্মোহ করতে শেখায়। আমি এই ছবির প্রতি, এই লোকটির প্রতি কৃতজ্ঞ। রাস্তার এইসব লোকেদের প্রতি ভালোবাসা!

Address

Sadek Khan Road, Mohammadpur
Dhaka

Telephone

+8801735522306

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Walk With Antu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Walk With Antu:

Share