Haqq-الم

Haqq-الم Facts, Truth, Reality, Right, Justice ⚖️☝️

02/06/2026

অন্তর দর্শন ও সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়ার প্রচেষ্টা
(উপলব্ধি — অধ্যায় ২)
একটি উপাসনালয় কি কখনও একটি প্রতিষ্ঠান হয়ে যায়?
একটি প্রতিষ্ঠান চালাতে লোকবল লাগে, অর্থ লাগে, সুনাম ধরে রাখতে হয়, প্রচার-প্রচারণা করতে হয়। মানুষকে আকর্ষণ করার জন্য নানা সুবিধা ও সেবার ব্যবস্থাও করতে হয়। এগুলো একটি প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।
কিন্তু একটি ধর্মীয় উপাসনালয়—যেখানে মানুষ আসে নিজের সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে নিজেকে একত্রিত করতে, নিজের সত্তাকে তাঁর কাছে সমর্পণ করতে, নিজের আসল অস্তিত্বের কাছে ফিরে যেতে, নিজের রবকে অনুভব করতে—সেই স্থান যখন ধীরে ধীরে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়, তখন কি তার মৌলিক উদ্দেশ্য অটুট থাকে?
নাকি শুরু হয় এক অদৃশ্য সামাজিক প্রতিযোগিতা—এক উপাসনালয়ের সঙ্গে আরেক উপাসনালয়ের?
একটি ধর্মীয় উপাসনালয়ের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সকল মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকা। মানুষ যখনই চাইবে, তখনই সে তার রবের কাছে নিজেকে সমর্পণ করবে। সেখানে যদি সামাজিক ভেদাভেদ থাকে, তবে সেটিকে কি সত্যিই উপাসনালয় বলা যায়?
আমার রব কি তাঁর সৃষ্টির মাঝে ভেদাভেদ করেন?
তিনি কি দেখেন—কে দানবাক্সে কত টাকা দিল, কোন মসজিদের টাইলস বেশি দামি, কোথায় এসি আছে, কোন মসজিদ বা মন্দির কত বড়, কিংবা কোন প্রতিমা মাটির আর কোনটি দামী পাথরের?
আল্লাহর ঘরে যদি একজন গরিব রিকশাচালক প্রবেশ করতে বাধা পায়, যদি বিপদে পড়া একজন মানুষ সেখানে আশ্রয় না পায়, তবে সেই ঘর কি সত্যিই মহান আল্লাহর ঘর হয়ে থাকে?
যে মন্দিরে কিছু মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ, যে মন্দিরে প্রসাদ শুধু ধনীদের জন্য—সেটি কি সত্যিই সৃষ্টিকর্তার পছন্দের স্থান হতে পারে?
প্রতিমার সামনে ভরপুর খাবার সাজানো থাকে, অথচ বাইরে একজন অসহায় মানুষ না খেয়ে বসে থাকে। প্রতিমার কি খাদ্যের প্রয়োজন, নাকি ক্ষুধা ও তৃষ্ণা রয়েছে সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির?
সৃষ্টিকর্তা কি শুধু গান, নাচ আর বাহ্যিক আয়োজনেই সন্তুষ্ট হন?
নাকি তিনি তাঁর সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা, সহানুভূতি ও দায়িত্ববোধ দেখতে চান?
সমাজের তথাকথিত সম্মানিত মানুষদের তোষামোদ করে কি সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্য পাওয়া যায়?
নাকি প্রয়োজন নিজের অন্তরের সেই উপলব্ধি, যেখানে সত্যিকার অর্থে সৃষ্টিকর্তা বিরাজ করেন?
সম্ভবত মানুষ যত বেশি বাহ্যিক আড়ম্বরের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তত বেশি নিজের অন্তরের সত্য থেকে দূরে সরে যায়। অথচ সৃষ্টিকর্তাকে খুঁজে পাওয়ার পথ নিশ্চয়ই শুরুই হয় নিজের অন্তরের গভীরতা থেকে।
Inner Reflection and the Pursuit of the Creator
(Realization — Chapter 2)
Can a place of worship eventually become an institution?
An institution requires manpower, money, reputation management, promotion, and publicity. It also creates various services and conveniences to attract people. These are natural characteristics of any institution.
But when a religious place of worship — where people come to unite themselves with their Creator, surrender their existence to Him, return to their true essence, and feel the presence of their Lord — slowly transforms into an institution, does its original purpose remain intact?
Or does an invisible social competition begin — one place of worship competing against another?
The primary purpose of a religious place of worship should be to remain open to all people. Whenever a person wishes, they should be able to surrender themselves to their Lord there. If social discrimination exists within such a place, can it truly still be called a place of worship?
Does my Lord create distinctions among His creations?
Does He look at who donated more money, which mosque has more expensive tiles, where there is air conditioning, which mosque or temple is larger, or which idol is made of clay and which from costly stone?
If a poor rickshaw puller is prevented from entering the house of Allah, if a distressed person cannot find shelter there, can that place truly still be called the house of the Almighty Allah?
If a temple forbids the entry of certain people, if sacred offerings are reserved only for the wealthy, can such a place truly be beloved by the Creator?
Food is often arranged abundantly before idols, while outside, a helpless human being sits hungry. Who truly needs the food — the idol, or the creations of the Creator who suffer from hunger and thirst?
Is the Creator satisfied only with songs, dances, and outward ceremonies?
Or does He seek love, compassion, and a sense of responsibility toward His creations?
Can one attain closeness to the Creator merely by flattering society’s so-called respected people?
Or is what truly needed the inner realization where the Creator genuinely resides?
Perhaps the more people become absorbed in outward grandeur and appearances, the farther they drift from the truth within themselves. Yet surely, the path to finding the Creator begins from the deepest corners of one’s own soul.

16/05/2026

অন্তর দর্শন ও সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়ার প্রচেষ্টা
( উপল্পব্ধি- অধ্যায় ১)

বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, উপাসনালয় কিংবা সমাজভিত্তিক আয়োজনের দিকে তাকালে একটি বিষয় খুব স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে— দান, চাঁদা কিংবা নানা ধর্মীয় উপলক্ষকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ। বিশেষ করে বহু প্রবাসী ভাই নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে অংশ নিতে চান, অথবা সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের আশায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
কিন্তু প্রশ্ন হলো— সেই উদ্দেশ্য কি সত্যিই পূরণ হয়?
ধর্মীয় অনুষ্ঠান, পূজা, সমাজভিত্তিক প্রোগ্রাম কিংবা উৎসব— এসব কি শুধুই অর্থ সংগ্রহ করে সমাজের তথাকথিত সম্মানিত মানুষদের ভোজের আয়োজন করার জন্য?
যাদের ঘরে আগে থেকেই তিন বেলা খাবার মজুদ আছে, তাদের আরও আপ্যায়ন করা, সমাজের তরুণদের নামে আড়ম্বরপূর্ণ পার্টি করা— এগুলোই কি সত্যিকারের সৃষ্টিকর্তার সেবা?
বড় বড় অট্টালিকা নির্মাণ, বিশাল প্রতিমা, ঝাড়বাতি, এসি আর আলোকসজ্জা— এসব কি ঈশ্বরপ্রাপ্তির মাপকাঠি?
যেখানে অনেক গরিব মানুষের সেই স্থানে প্রবেশের সাহস বা অধিকারই থাকে না, সেখানে সেই আড়ম্বর কতটা মানবিক?
যাদের কোনো অভাব নেই, তাদের “তেল দেওয়া”, তাদের মহাভোজ করানো— এসবের মাধ্যমে কি সত্যিই ঈশ্বরকে পাওয়া যায়?
নাকি এর মাধ্যমে কেবল সমাজে প্রতিষ্ঠানের নাম, খ্যাতি আর প্রতিযোগিতা বাড়ে— কার মন্দির বড়, কার মসজিদে বেশি সুবিধা-সিস্টেম, কার আলোসজ্জা বেশি আকর্ষণীয়?
অথচ প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি এলাকায় এমন মানুষ আছেন—
যাদের ঘর ভাঙা,
যাদের মেয়ের বিয়ে দিতে হাত পাততে হয়,
যাদের সন্তান ভালো খাবার কবে খেয়েছে, সেটাই অনিশ্চিত।
তাদের পাশে দাঁড়ানো কি ঈশ্বরের সেবার মধ্যে পড়ে না?
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি উৎসব বা পূজা শেষে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ উদ্বৃত্ত থেকে যায়, যা বছরের পর বছর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা থাকে।
সেই অর্থ কি শুধুই পরের বছর আরও বড় অনুষ্ঠান করার জন্য?
ঈশ্বর কি সত্যিই দেখেন কার উপাসনালয় কত বড়?
প্রতিটি মন্দির, মসজিদ বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কি শিশুদের মৌলিক শিক্ষার উদ্যোগ নিতে পারে না?
মেধাবী কিন্তু অসহায় শিক্ষার্থীদের জন্য ছোট ছোট বৃত্তি, নৈতিক শিক্ষা কিংবা বইয়ের ব্যবস্থা করা— কি সৃষ্টিকর্তার আরও কাছাকাছি যাওয়ার পথ নয়?
অবলা প্রাণীদের খাবার দেওয়া, ক্ষুধার্ত মানুষকে সাহায্য করা, একজন বেকার মানুষকে কর্মসংস্থানের পথ দেখিয়ে দেওয়া— এসব কি ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করে না?
যেখানে সৃষ্টিকর্তা বলেছেন— “সমস্ত সৃষ্টির মাঝেই তাঁর অবস্থান”, সেখানে মানুষের সেবাই কি সবচেয়ে বড় উপাসনা নয়?
আমাদের কি এখন ভাবা উচিত নয়—
কীভাবে সমাজকে সবার জন্য সুন্দর করা যায়,
কীভাবে আগামী প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষা দেওয়া যায়,
কীভাবে মানুষকে মানুষ হিসেবে মূল্য দেওয়া যায়?
নাকি আমরা শুধু পরের উৎসব আরও বড় করে করার পরিকল্পনাতেই ব্যস্ত থাকব?
মিটিং শেষে চায়ে চুমুক দিয়ে বলব—
“আজকালকার প্রজন্ম নষ্ট হয়ে গেছে”,
তারপর আবার নিজেদের ঘরে ফিরে যাব?
সমাজ বদলায় বড় বড় কথায় নয়।
সমাজ বদলায়, যখন মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়ায়।
আর হয়তো সেখানেই লুকিয়ে আছে প্রকৃত ধর্ম, প্রকৃত মানবতা, আর সৃষ্টিকর্তার সত্যিকারের পথ।

Inner Realization and the Pursuit of the Creator
(Realization — Chapter 1)
When we look at various religious institutions, places of worship, or community-based arrangements, one thing becomes very clear — the collection of money from ordinary people in the name of donations, contributions, or religious occasions. Especially many expatriate brothers willingly contribute their hard-earned money to take part in a noble cause or to express gratitude toward the Creator.
But the question is — does that purpose truly get fulfilled?
Religious ceremonies, worship programs, community events, or festivals — are these merely arrangements to collect money and organize feasts for the so-called respected people of society?
Those who already have plenty of food in their homes are offered even more hospitality, and extravagant parties are arranged in the name of the youth of society — is this truly service to the Creator?
Huge buildings, giant idols, chandeliers, air conditioning, and dazzling decorations — are these really the measures of attaining God?
Where many poor people do not even have the courage or right to enter those places, how humane is such extravagance?
By flattering those who already lack nothing and arranging grand feasts for them, can one truly reach God?
Or does it simply increase the fame, competition, and prestige of institutions in society — whose temple is bigger, whose mosque has better facilities, whose decorations are more attractive?
Yet in every village, in every area, there are people — whose houses are broken, who must beg for help to marry off their daughters, whose children cannot even be sure when they last had a good meal.
Does standing beside them not count as serving God?
From personal experience, it is often seen that after almost every festival or religious celebration, a significant amount of money remains unused and stays deposited in bank accounts for years.
Is that money only meant to organize an even bigger event next year?
Does God truly judge based on how large a place of worship is?
Can every temple, mosque, or religious institution not take initiatives for children’s basic education?
Providing small scholarships, moral education, or books for talented but helpless students — is that not a path closer to the Creator?
Feeding helpless animals, helping hungry people, or guiding an unemployed person toward a livelihood — do these not please God?
Where the Creator has said, “He resides within all creation,” then is serving humanity not the greatest form of worship?
Should we not now think about — how to make society beautiful for everyone, how to provide moral education for the next generation, how to value people simply as human beings?
Or will we remain busy only planning to make the next festival even grander?
Will we sit after meetings, sipping tea, saying, “Today’s generation has become corrupted,” and then simply return to our homes again?
Society does not change through grand speeches.
Society changes when people stand beside one another.
And perhaps within that lies true religion, true humanity, and the real path toward the Creator.

হকের পরিচয়।
02/05/2026

হকের পরিচয়।

20/04/2026

নারীদের মসজিদে যাওয়া — সহিহ হাদিস লিস্ট
📚 ১. বাধা না দেওয়ার মূল হাদিস

👉 Prophet Muhammad ﷺ বলেছেন:

“তোমাদের নারীরা যখন মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চায়, তাদের বাধা দিও না।”

📖

Sahih al-Bukhari (865)
Sahih Muslim (442)
📚 ২. আরেকটি বর্ণনা (একই বিষয় শক্তিশালী করা)

“আল্লাহর বান্দীদেরকে আল্লাহর মসজিদ থেকে বাধা দিও না।”

📖

Sahih Muslim (442)
📚 ৩. সাহাবিয়ারা ফজরে মসজিদে যেতেন

👉 Aisha bint Abu Bakr (রা.) বলেন:

“নারীরা ফজরের নামাজে নবী ﷺ–এর সাথে যেতেন...”

📖

Sahih al-Bukhari (372)
Sahih Muslim
📚 ৪. অন্ধকারে এসে নামাজ পড়া

“তারা অন্ধকারে আসত এবং অন্ধকারেই ফিরে যেত।”

📖

Sahih al-Bukhari
📚 ৫. ঈদের নামাজে নারীদের অংশগ্রহণ

👉 Umm Atiyya (রা.) বলেন:

“আমাদেরকে ঈদের নামাজে বের হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল... এমনকি পর্দানশীল নারীরাও।”

📖

Sahih al-Bukhari (324)
Sahih Muslim (890)
📚 ৬. হায়েজ অবস্থায়ও ঈদগাহে উপস্থিতি

“হায়েজ নারীরাও বের হবে, তবে তারা নামাজ পড়বে না—কিন্তু দোয়া ও খুতবায় অংশ নেবে।”

📖

Sahih Muslim (890)
📚 ৭. সুগন্ধি নিষিদ্ধ

👉 রাসূল ﷺ বলেছেন:

“সুগন্ধি লাগিয়ে যেন নারী মসজিদে না যায়।”

📖

Sunan Abi Dawud (4174)
Sahih Muslim
📚 ৮. রাতের বেলায় যাওয়ার অনুমতি

“তোমাদের নারীরা রাতে মসজিদে যেতে চাইলে বাধা দিও না।”

📖

Sahih al-Bukhari (900)
Sahih Muslim
📚 ৯. ঘরে নামাজ উত্তম

👉 রাসূল ﷺ বলেছেন:

“তাদের ঘরই তাদের জন্য উত্তম।”

📖

Sunan Abi Dawud (570)
📚 ১০. তবে বাধা দেওয়া যাবে না (ব্যালান্স)

“যদিও তাদের ঘর উত্তম, তবুও তাদের বাধা দিও না।”

📖

Musnad Ahmad ibn Hanbal
📚 ১১. নারীদের জন্য আলাদা কাতার

👉 রাসূল ﷺ ব্যবস্থা করেছেন:

পুরুষদের কাতার সামনে, নারীদের কাতার পেছনে।

📖

Sahih Muslim (440)
📚 ১২. নামাজ শেষে আগে নারীদের বের হওয়া

👉 Umm Salama (রা.) বলেন:

“নবী ﷺ সালাম ফিরানোর পর কিছুক্ষণ বসে থাকতেন যাতে নারীরা আগে বের হয়ে যেতে পারে।”

📖

Sahih al-Bukhari (837)
📚 ১৩. দরজা আলাদা রাখা

👉 রাসূল ﷺ বলেছেন:

“এই দরজাটি নারীদের জন্য রেখে দাও।”

📖

Sunan Abi Dawud (462)
⚖️ Final Summary (ডিবেটের জন্য)

✔️ নারীদের মসজিদে যাওয়া সহিহ হাদিসে প্রমাণিত ✔️
✔️ সাহাবিয়ারা বাস্তবে জামাতে অংশ নিয়েছেন ✔️
✔️ রাসূল ﷺ নিজে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন ✔️
✔️ তবে শর্ত: পর্দা, শালীনতা, সুগন্ধি না ✔️
✔️ ঘরে নামাজ বেশি উত্তম ✔️

🔥 Powerful Closing Line

👉 “রাসূল ﷺ নিষেধ করেননি—বরং অনুমতি দিয়েছেন;
মানুষ নিষেধ করছে—এটাই আসল প্রশ্ন।”

আজ আমরা বড় বড় সুন্দর মসজিদ দেখি…
কিন্তু একটা প্রশ্ন—
👉 এই মসজিদগুলো কি আমাদের অন্তর বদলাচ্ছে?

চলুন দেখি, Prophet Muhammad ﷺ আমাদের কী বলে গেছেন…

📚 ১. মসজিদ হবে সুন্দর—কিন্তু ভেতর ফাঁকা

👉 রাসূল ﷺ বলেছেন:

“মানুষ মসজিদ নিয়ে গর্ব করবে…”

📖

Sunan Abi Dawud (449)

🎯 মেসেজ:
আজ আমরা ডিজাইন দেখি…
কিন্তু তাকওয়া দেখি না…

📚 ২. মসজিদ ভরা থাকবে—হিদায়াত কম

👉 বলা হয়েছে:

“মানুষ মসজিদে থাকবে, কিন্তু হিদায়াত থাকবে না।”

📖

Al-Mu'jam al-Kabir

🎯 মেসেজ:
👉 জামাত আছে
👉 কিন্তু পরিবর্তন নেই

📚 ৩. মসজিদে দুনিয়ার কথা

👉 রাসূল ﷺ বলেছেন:

“যখন মসজিদে দুনিয়ার কথা হবে…”

📖

Jami` at-Tirmidhi

🎯 মেসেজ:
👉 ইবাদতের জায়গা → গল্পের জায়গা

📚 ৪. খুশু হারিয়ে যাবে

👉 রাসূল ﷺ বলেছেন:

“মানুষ নামাজ পড়বে, কিন্তু বুঝবে না…”

📖

Sahih al-Bukhari

🎯 মেসেজ:
👉 শরীর আছে
❌ মন নেই

⚠️ বাস্তবতা (আজকের অবস্থা)

❌ মসজিদ সুন্দর
❌ কাতার ভরা
❌ কিন্তু চরিত্র বদলায় না

🔥 Powerful Lines

👉 “দেওয়াল সাজানো হয়েছে, কিন্তু অন্তর ভেঙে গেছে…”

👉 “মসজিদ বড় হয়েছে—কিন্তু ঈমান ছোট হয়ে গেছে…”

👉 “নামাজ আছে—খুশু নেই…”

14/04/2026

কারা এই লেখাপড়ার সিস্টেম তৈরি করেছে, জানেন? কখনও ভেবে দেখেছেন—আমরা কি সত্যিই মুক্ত, নাকি এক অদৃশ্য ব্যবস্থার গোলাম?

“লেখাপড়া না করলে বড় হওয়া যায় না”—এই কথাগুলো আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি। কিন্তু বড় হওয়া বলতে কি শুধু টাকা ইনকাম করাকেই বোঝায়?

আজকের বাস্তবতা দেখুন—
যখন পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে না, তখন কি টাকা দিয়ে তেল কেনা সম্ভব হচ্ছে? টাকা থাকলেই কি সব সমস্যার সমাধান হয়?

এটা শুধু একটা ছোট উদাহরণ।

যদি এই তথাকথিত ক্ষমতাধরদের প্রভাব আরও বাড়ে, যদি যুদ্ধ শুরু হয়—তখন কী খাবেন? টাকা? নাকি দালানের ইট-পাথর?

শেষ পর্যন্ত আমাদের ফিরতে হবে সেই গ্রামের কৃষকের কাছেই, যার হাতে আছে প্রকৃত সম্পদ—খাদ্য।

তাই সময় থাকতে সচেতন হোন।
নিজেকে প্রস্তুত করুন—কারণ হয়তো হাতে সময় খুব বেশি নেই।

05/04/2026

আমরা জানি, আমাদের রাসূল (সা.) এবং তাঁর সাহাবাগণ প্রত্যেকটি হক্কের জায়গায় দাঁড়িয়েছেন। হক্কের জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং শাহাদাত বরণ করেছেন। পারস্য ও রোমের যুদ্ধের সময় খালিদ ইবনে আল-ওয়ালিদ ও অন্যান্য মুসলিমরা সত্যের পথে হক্ক আদায়ের জন্য অত্যাচারী কাফেরদের আটক করেছেন, হত্যা করেছেন—তখন হক্কের পথে তাদের লড়াই দেখে অনেক সাধারণ মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছে।

ঈমাম মানে নেতা। এমনকি খলিফাও ঈমামের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে বাধ্য, এবং তাঁদের সময় তাই হতো। কিন্তু আজকালকার ঈমামরা কি আসলে ঈমাম? যারা মসজিদে নামাজ পড়ান, তারা নানান সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কি কথা বলার ইখতিয়ার রাখেন না? হক্কের চেয়ে কি মসজিদ কমিটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

তাহলে ইয়াজিদ ইবনে মুআবিয়া ইমাম হোসাইন-কে প্রস্তাব দিয়েছিল যে, সে যা খুশি করবে—ইমাম হোসাইন যেন তার বিষয়ে হস্তক্ষেপ বা বিঘ্ন সৃষ্টি না করেন, এবং সেও তাদের বিষয়ে ভ্রুক্ষেপ করবে না। কিন্তু ইমাম হোসাইন তাঁর দায়িত্ব পালন করে উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য শাহাদাত বরণ করেছেন। তিনি অন্যায়কে প্রশ্রয় দেননি; ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করেছেন।

উনারাই ছিলেন সত্যিকারের ঈমাম। তাঁদের থেকেই আমরা জানতে পারি একজন ঈমামের মর্যাদা কী এবং তাঁর দায়িত্ব কী। যদি আমাদের মসজিদের ঈমামরা এই সকল কর্তব্য পালন করতে না পারেন, তবে স্বীকার করতেই হবে ইমাম আলী (রা.) ও তাঁর দুই পুত্র ইমাম হাসান এবং ইমাম হোসাইন তাঁদের ঈমাম নন। সুতরাং তারাও ঈমাম হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না।

আর এই জন্যই আমাদের সমাজের আজ এই করুণ অবস্থা। যার পরিণাম দিন দিন আরও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করবে।

Translation:
We know that our Prophet (SAW) and his companions stood firmly for every matter of truth (haqq). They fought for the truth and embraced martyrdom. During the wars of Persia and Rome, Khalid ibn al-Walid and other Muslims fought for the truth against oppressive disbelievers; they captured many and killed many. Seeing their struggle for the truth, many ordinary people accepted Islam.

An Imam means a leader. Even a Caliph was bound to seek advice from an Imam, and this was the practice in their time. But are today’s Imams truly Imams? Those who lead prayers in mosques—do they not have the authority to speak out against syndicates, extortion, and corruption? Is the mosque committee more important than the truth?

Then Yazid ibn Muawiya proposed to Imam Husayn that he could do whatever he wished, and that Imam Husayn should neither interfere nor create any obstacle, and that he, in turn, would not concern himself with their matters. But Imam Husayn fulfilled his responsibility and embraced martyrdom for the Ummah of Muhammad. He did not support injustice; rather, he stood and fought for justice.

They were the true Imams. From them, we learn the status and responsibilities of an Imam. If the Imams of our mosques cannot fulfill these duties, then it must be acknowledged that Imam Ali (RA) and his two sons, Imam Hasan and Imam Husayn, are not their Imams. Therefore, they are not worthy of being Imams.

And this is why our society is in such a miserable condition today. The consequences will become increasingly severe over time.

03/04/2026

*হক (حق)-এর সংজ্ঞা....?
=>হক (حق) অর্থ হলো সত্য, ন্যায় এবং প্রাপ্য অধিকার। এটি এমন কিছু বোঝায় যা সঠিক, ন্যায্য এবং সকলের প্রাপ্য।
অর্থাৎ: হক হলো এমন একটি অধিকার বা প্রাপ্য, যা অবশ্যই কাউকে প্রদান করা বা যথাযথভাবে আদায় করা উচিত।
*𝐃𝐞𝐟𝐢𝐧𝐢𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐨𝐟 𝐇𝐚𝐪 (حق)...........?
=>𝘏𝘢𝘲 (حق) 𝘮𝘦𝘢𝘯𝘴 𝘵𝘳𝘶𝘦, 𝘫𝘶𝘴𝘵, 𝘢𝘯𝘥 𝘥𝘦𝘴𝘦𝘳𝘷𝘦𝘥 𝘳𝘪𝘨𝘩𝘵. 𝘐𝘵 𝘳𝘦𝘧𝘦𝘳𝘴 𝘵𝘰 𝘴𝘰𝘮𝘦𝘵𝘩𝘪𝘯𝘨 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘪𝘴 𝘳𝘪𝘨𝘩𝘵, 𝘧𝘢𝘪𝘳, 𝘢𝘯𝘥 𝘥𝘦𝘴𝘦𝘳𝘷𝘦𝘥 𝘣𝘺 𝘦𝘷𝘦𝘳𝘺𝘰𝘯𝘦.
𝐓𝐡𝐚𝐭 𝐦𝐞𝐚𝐧𝐬: 𝘏𝘢𝘲 𝘪𝘴 𝘵𝘩𝘦 𝘳𝘪𝘨𝘩𝘵 𝘰𝘳 𝘦𝘯𝘵𝘪𝘵𝘭𝘦𝘮𝘦𝘯𝘵 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘮𝘶𝘴𝘵 𝘣𝘦 𝘨𝘪𝘷𝘦𝘯 𝘵𝘰 𝘢 𝘱𝘦𝘳𝘴𝘰𝘯 𝘰𝘳 𝘧𝘶𝘭𝘧𝘪𝘭𝘭𝘦𝘥 𝘱𝘳𝘰𝘱𝘦𝘳𝘭𝘺.

প্রফাইল লাল করে অথবা আবরার, সাইদ, মুগ্ধ ও হাদীর ছবি লাগিয়ে শোক পালন করা হয়, বিপ্লব না। এটা হাতের কাজের সময় চোখের জলের না...
24/12/2025

প্রফাইল লাল করে অথবা আবরার, সাইদ, মুগ্ধ ও হাদীর ছবি লাগিয়ে শোক পালন করা হয়, বিপ্লব না। এটা হাতের কাজের সময় চোখের জলের না। আগ্রাসনের এক মাত্র জবাব পাল্টা আঘাত।

প্রাকৃতিক সম্পদ পানি, এটাও যদি আমাদের গরীব শ্রমজীবী মানুষদেরকে টাকার বিনিময়ে কিনে খেতে হয় তাহলে আমরা দেশ হিসেবে  কিভাব...
21/04/2025

প্রাকৃতিক সম্পদ পানি, এটাও যদি আমাদের গরীব শ্রমজীবী মানুষদেরকে টাকার বিনিময়ে কিনে খেতে হয় তাহলে আমরা দেশ হিসেবে কিভাবে স্বচ্ছল হবো আর কিভাবেই বা আমরা জাতি হিসেবে নিজেদের মধ্যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবো?
আপনারাও আমাদের সাথে যোগদান করুন, সহযোগী হিসেবে নয় অংশীদার হিসেবে। কেননা, প্রাকৃতিক সম্পদের অধিকারী আমরা সবাই।

দেশ যেমন কারো বাবার সম্পত্তি না, তেমন কারো স্বামীর সম্পত্তি ও না , না করো ধর্মীয় সম্পত্তি। এ দেশ জনগণের বাংলার মানুষ এর...
06/08/2024

দেশ যেমন কারো বাবার সম্পত্তি না, তেমন কারো স্বামীর সম্পত্তি ও না , না করো ধর্মীয় সম্পত্তি। এ দেশ জনগণের বাংলার মানুষ এর। এত শত শিক্ষার্থীদের জীবনের বিনিময় আমরা আবার দেশ কি স্বৈরাচারী সরকার এর হাত থেকে স্বাধীন করতে সক্ষম হয়েছি। আরো এক স্বৈরাচারী সরকার এর হাতে তুলে দেওয়ার জন্য না । রাস্তায় বের হলেই দেখি নানা রাজনৈতিক সমর্থন কারী দের মিছিল । নানা রাজনৈতিক নেতাদের জোর পূর্বক কাউন্সিলর অফিস দখল করা । ধর্মীয় স্থান ভাঙচুর করা । 😡😡😡 থানায় থানায় গিয়ে আক্রমণ করা । এটা সত্যি যে পুলিশ কর্মকর্তারা সাধারণ জনগণ এর উপর আক্রমণ করেছে , তার জন্য পুলিশ প্রশাসন এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের যেমন ডিবি হারুন এবং হারুনের মতো সকল কর্মকর্তা দের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিৎ ঠিক তেমনি ভাবে যারা নিম্ন পদস্থ কর্মচারী তাদের উপর অত্যাচার করা বন্ধ করা উচিৎ কারণ তারা দেশের সুরক্ষক, এবং তারা বাধ্য ছিল উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আদেশ পালন করার জন্য, পুলিশ প্রশাসন ছাড়া দেশে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, প্রভাবশালীদের গরিবদের উপর অত্যাচার বৃদ্ধি পাবে, এই জন্য আমাদের আইন প্রশাসন এর দরকার, যেই প্রশাসন কোনো স্বৈরাচারের পক্ষপাতিত্ব করবে না, তারা কাজ করবে ন্যায় এর পক্ষে। যত সমস্যা সৃষ্টিকারী সব উচ্চপদস্থ কর্মী, তাদের শাস্তি বাধ্য করা হোক। যা হবে জনগণের সম্মতিতে হবে, এবং এখানে কোনো রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার কার্যকর হবে না। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা দেশে যে বিশৃংখলার সৃষ্টি করছেন
এ অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে ?? আপনারা নির্বাচিত হন নি এখনো এতেই আপনাদের যে রূপ আমরা দেখতে পাচ্ছি তার দ্বারাই প্রকাশ পাচ্ছে আপনারা ক্ষমতায় আসলে কি করবেন বা কি কি করতে পারেন । সঠিক ভোট এর মাধ্যমে জনগণের মতামত এর মাধ্যমে সুষ্ঠ নির্বাচন এর পর সরকার নির্ধারণ করা হবে । এভাবেই তৈরি হবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের। আর ইনশাআল্লাহ তাই হবে । আপনারা ভুলে যাবেন না স্বৈরাচারী সরকার কে যদি ছাত্র সমাজ ১৫ দিনে দেশ ছাড়া করতে সক্ষম হয় । আপনাদের মত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি কারীকে দেশ ছাড়া করতে ১৫ মিনিট লাগবে না । সাবধান হয়ে যান। দেশের জনগণের অধিকার সরকার নির্বাচন করার গণতান্ত্রিক ভাবে। তাদের কাজ তাদের করতে দেন । 😒😒😒😒 আপনাদের জন্য আওয়ামীলীগ এর, ছাত্রলীগ এর লুকাইতো কর্মীরা দেশে অনিষ্ঠা সৃষ্টি করার সুযোগ পাচ্ছে। আজ জানলাম অনেক আওয়ামীলীগ এর হিন্দু কর্মীরাই তাদের মন্দির ভাঙচুর করে মুসলিম দের নাম দিয়ে , আমাদের একতা ভাঙার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা ছাত্র সমাজ কোনো ধর্মের বিপক্ষে ছিলাম না আমাদের আন্দোলন ছিল স্বৈরাচার এর বিরুদ্ধে কোনো ধর্মের বিরুদ্ধে নয়। আমার সবার কাছে অনুরোধ কেও বিভ্রান্তিতে পরে ভুল কাজে লিপ্ত হবেন না , আর যারা এ জাতীয় অনিষ্ঠ করছে তাদের কঠোর শাস্তি প্রদান করা হোক। সকলের রুখে দাঁড়ানো উচিৎ নিজ নিজ এলাকায় নিজের পারা প্রতিবেশীদের বিপদে, এখন সে যেই ধর্মেরই হোক না কেনো, সকলের একে অপরের পাশে দাঁড়ানো উচিৎ।

Address

Dhaka

Telephone

+8801616004389

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Haqq-الم posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share