Mohammad Ali

Mohammad Ali FULL NAME : MOHAMMAD ALI.(LL.B “HON’S”)
SEX : MALE
NATURE : FRIENDLY, CREATIVE, FUNNY.

01/02/2023

আসামি বাবা জুতার ফিতা দিয়ে ছেলের গলা পেঁচানোর সময় ছেলে ঘুম থেকে জেগে ওঠে। অনেক হাউমাউ করে কাঁদে। ছেলেটি বলে, ‘বাবা, তুমি কি আমাকে মেরে ফেলবে?’

মাদক ও জুয়া জুয়ার ছোবলে একটি পরিবার কিভাবে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে তা এই রায় পড়লে বুঝতে পারবেন।

রায় পড়তে গিয়ে কাঁদলেন বিচারক:

এজলাস, ঢাকা মহানগর ৭ম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত।

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় দুই শিশু সন্তানসহ স্ত্রীকে লোমহর্ষকভাবে হত্যার অভিযোগে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন লিমিটেডের (বিটিসিএল) সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাকিব উদ্দিন আহম্মেদ লিটনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন আদালত।

ঢাকা মহানগর ৭ম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক তেহসিন ইফতেখার মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে পাঁচটায় রায় ঘোষণা শেষ করেন। রায় পড়ার সময় বিচারকের চোখও হয় অশ্রুসজল।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মামলার বাদি মুন্না রহমান উপস্থিত ছিলেন। আসামি রাকিব উদ্দিন কাঠগড়ায় ছিলেন। আদালতের বাম পাশে কাঠগড়ায় আসামি রাকিব উদ্দিন, সামনের বেঞ্চে আইনজীবী, সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পিনপতন নীরবতার মাধ্যমে বিচারক বিকেল ৪টা ২০মিনিটে রায় পড়া শুরু করেন। রায় শেষ করেন ৫টা ৫০মিনিটে। রায়ে সাক্ষীদের বিবরণও পড়ার পর আসামির দোষ স্বীকারোক্তি পড়েন বিচারক।

আসামির ছেলে ফারহান উদ্দিনকে জুতার ফিতা দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে হত্যার সময় ফারহান বলে ওঠে, ‘বাবা তুমি কী আমাকে মেরে ফেলবে’? এ বর্ণনা পড়ার সময় কেঁদে ফেলেন বিচারক। রায় পড়তে পড়তে বিচারকের চোখ দিয়েও পানি পড়তে থাকে। দীর্ঘ ৩০ মিনিট ধরে রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে ঘটনার বিবরণ শুনতে থাকা আইনজীবী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অনেককে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।

‘আদালতে এই হত্যার বিবরণ দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে আসামি রাকিব উদ্দিন। হত্যার বিবরণে বলা হয়, প্রথমে স্ত্রী মুন্নীর মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে এবং পরে গলা টিপে হত্যা করে। টিভি দেখার সময় রশি দিয়ে তিন বছরের মেয়ে লাইবার গলায় পেঁচিয়ে হত্যা করে। বারো বছরের ছেলে ফারহান উদ্দিন বিপ্লব অন্যরুমে ঘুমাচ্ছিল। রাকিব জুতার ফিতা দিয়ে ছেলের গলা পেঁচানোর সময় ছেলে ঘুম থেকে জেগে ওঠে। অনেক হাউমাউ করে কাঁদে। ছেলেটি বলে, ‘বাবা, তুমি কি আমাকে মেরে ফেলবে?’ তারপর জোর করে ছেলেটির গলায় রশি পেঁচিয়ে ধরে। ক্রমেই ছেলেটি নিস্তেজ হয়ে যায়।

মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার সাথে সাথে আসামি রাকিব উদ্দিন কাঠগড়ায় সিজদা আদায় করেন। পরে আদালত থেকে বের হয়ে বলেন, ‘আমি রায়ে খুশি। আমি আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার স্ত্রী সন্তান যেখানে আমি সেখানে চলে যেতে চাই। আমার কোনো অভিযোগ নেই। আমি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করব না। আমি চাই দ্রুত রায় কার্যকর হোক।’

রায় ঘোষণার সময় কাঠগড়ায় ছটফট করতে থাকে আসামি রাকিব উদ্দিন আহম্মেদ লিটন। রায়ের পর মামলার বাদি নিহত মুন্নির ভাই মুন্না রহমান বলেন, ‘আমার দুইবোনকে একই পরিবারে বিয়ে দিয়েছিলাম। ছোট বোন রাকিবকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল। সংসারে সুখের অভাব ছিল না। কিন্তু রাকিব এক সময় মাদক ও জুয়া খেলায় জড়িত হয়ে যায়। যার পরিণতি পুরো পরিবার তছনছ হয়ে গেছে। দুটি ফুটফুটে সন্তানকে কীভাবে সে হত্যা করেছিল। আমি চাই আর কোনো পরিবার এভাবে যেন ধ্বংস না হয়।’

রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এটি একটি হৃদয় বিদারক ঘটনা। জুয়ার ছোবলে একটি পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। রাষ্ট্রপক্ষ আসামির অপরাধ প্রমাণ করতে পারায় আদালত সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন। রায়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।’

সম্মানিত ভাই/ বোন , আসসালামু আলাইকুম, আপনারা যারা কোর্ট ম্যারেজ করতে চান অথবা কোর্টের মাধ্যমে তালাক দিতে চান। আপনাদের জন...
05/08/2022

সম্মানিত ভাই/ বোন , আসসালামু আলাইকুম,

আপনারা যারা কোর্ট ম্যারেজ করতে চান অথবা কোর্টের মাধ্যমে তালাক দিতে চান।

আপনাদের জন্য আমাদের সেবাসমূহ।
১. কোর্ট ম্যারেজ+ কাজীর দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা।
২ স্পেশাল ম্যারেজ(এক ধর্মের পাএ/পাএীর সাথে অন্য ধর্মের পাএ পাএীর বিবাহ)।
৩. হিন্দু বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করা হয়।
৪.তালাক দেওয়া ( স্বামী কতৃক স্ত্রীকে তালাক, স্ত্রী কতৃক স্বামীকে তালাক এবং খোলা তলাক)

মোবাইল নাম্বার
+৮৮ ০১৮ ১৫ ৫৪৩ ৬৫৭

12/01/2022
ডুবতে যাওয়া মানুষটিকে ঠান্ডা পানি থেকে টেনে তুলতে পারতো এই লোকটি!!!কিন্তু সে ঠান্ডা পানি গরম করার জন্য সামান্য গরম পানি ...
09/12/2021

ডুবতে যাওয়া মানুষটিকে ঠান্ডা পানি থেকে টেনে তুলতে পারতো এই লোকটি!!!
কিন্তু সে ঠান্ডা পানি গরম করার জন্য সামান্য গরম পানি মিশিয়ে সাহায্য করার ভান করছে!

কিছু মানুষ প্রয়োজনের সময় পাশে থাকার অভিনয় করে, কিন্তু বাস্তবে ডুবে যাওয়া দেখে মজা নেয়!

অন্যকে অতিরিক্ত বিশ্বাস করা থেকে বিরত থাকুন!

#কপিরাইট

অকশন গাড়ি গুলো আসলে স্ক্রাব হিসেবে বিক্রয় হয় যদি রাস্তায় চালাতে চান নিন্মে দেওয়া হলো:নিলামে ক্রয়কৃত গাড়ির রেজিষ্ট্রেশনের...
28/07/2021

অকশন গাড়ি গুলো আসলে স্ক্রাব হিসেবে বিক্রয় হয় যদি রাস্তায় চালাতে চান নিন্মে দেওয়া হলো:
নিলামে ক্রয়কৃত গাড়ির রেজিষ্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সমূহ।

নিলাম(অকশন) এ কেনা বাইক রেজিস্ট্রেশনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ

যে কোন অকশন(থানা, কাস্টমস)

১। পেপার কাটিং (Paper Cutting)

২। সি.এস. কপি/ তুলনামূলক বিবরণী (C.S. Copy)

৩। সর্বোচ্চ দরপত্র গ্রহণ।

৪। বিক্রয় আদেশ।

৫। বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক সিসি নির্ধারণ।

৬। টাকা জমার রশিদ সমূহ।

৭। কাস্টমস অফিসারের মন্তব্য।

৮। কাস্টমস অফিসারের ছাড়পত্র।

৯। কাস্টমস ডেলিভারী অর্ডার।

১০। কাস্টমস ডেলিভারী মেমো।

১১। কাস্টমস ডেলিভারী ইনভয়েস।

১২। নিলাম ক্রেতার অঙ্গিকারনামা।

১৩। বিক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট।

১৪। ক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট।

১৬। টি.ও , টি.টি.ও , বিক্রয় রশিদ।

১৭। ক্রেতার টি.আই.এন. সার্টিফিকেট।

১৮। মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক গাড়িটি সরেজমিনে পরিদর্শন।

১৯। এইচ ফরম পূরণ।

২০। পরিচালক(ইঞ্জিঃ) বিআরটিএ এর অনুমোদন।

২১। টাকা জমার রশিদ সমূহ।

এরপর রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়া সাধারণ বাইক রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার মতই।
ধন্যবাদ।
না জেনে অহেতুক আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গ বা আইনি প্রক্রিয়াগত ব্যাপারে বাধা প্রদান করিবেন না

দেওয়ানী কার্যবিধি-১৯০৮Code of Civil Procedure-1908প্রাথমিক আলোচনাঃ»দেওয়ানী কার্যবিধি ১৮৫৯ সালে প্রথম প্রণয়ন করা হয়।যা পা...
08/06/2021

দেওয়ানী কার্যবিধি-১৯০৮
Code of Civil Procedure-1908
প্রাথমিক আলোচনাঃ
»দেওয়ানী কার্যবিধি ১৮৫৯ সালে প্রথম প্রণয়ন করা হয়।
যা পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ। তবে এর কিছু ধারা ও
আদেশে প্রতিকারের বিধান রয়েছে বিধায় এটিকে
পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law) বলা হয়। ১৮৮২ সালে
দেওয়ানি কার্যবিধি নামে একটি আইন ছিল, যার কোন
আদেশ ছিল না। ধারা ছিল ৬৫৩টি এবং বাংলাদেশে
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে ২৬ মার্চ দেওয়ানী
কার্যবিধি কার্যকর করা হয়।
মনে রাখা প্রয়োজনঃ
»দেওয়ানী কার্যবিধি সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০১৭
সালে।
এক নজরেঃ
ইংরেজি নাম- Code of Civil Procedure
১৯০৮ সালের ৫নং আইন
কার্যকাল- ১লা জানুঃ ১৯০৯
মোট ধারা- ১৫৮টি
আদেশ- ৫১টি
তফসিল- ৫টি
অধ্যায়- ১১টি
পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)
আইনের প্রকৃতিঃ সাধারণত আইনের প্রকৃতি ২ ধরনের-
১। পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)
২। তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)
পদ্ধতিগত আইনঃ
»যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার
পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে
চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত যে নিয়ম বা পদ্ধতি
অনুসরণের উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে
পদ্ধতিগত আইন বলে।
[যেমন] ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি,
সাক্ষ্য আইন, তামাদি আইন।
তত্ত্বগত আইনঃ
»যে আইনে কোনো অধিকার বা শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত
করে সেই আইনকে তত্ত্বগত আইন বলে।
[যেমন] দন্ডবিধি, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন।
দেওয়ানী কার্যবিধিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়-
ধারা ও আদেশ।
মনে রাখা প্রয়োজনঃ
»ধারাতে বলা আছে ক্ষমতার কথা পক্ষান্তরে আদেশে
বলা আছে পদ্ধতির কথা।
»ধারা পরিবর্তন করতে পারে জাতীয় সংসদ পক্ষান্তরে
আদেশ পরিবর্তন করতে পারে মহামান্য হাইকোর্ট।

☁️আকাশ যেন এক মুগ্ধতার নাম,যার দিকে ঘন্টার পর ঘন্টা  তাকিয়ে থাকলেও যেন সেই মুগ্ধতা কখনোই ফুরোবার নয়।হ্যাঁ, আমি মুগ্ধ আ...
04/05/2021

☁️আকাশ যেন এক মুগ্ধতার নাম,
যার দিকে ঘন্টার পর ঘন্টা তাকিয়ে থাকলেও যেন সেই মুগ্ধতা কখনোই ফুরোবার নয়।
হ্যাঁ, আমি মুগ্ধ আকাশের পানে চেয়ে।।
আমি মুগ্ধ, আমি চমৎকৃত আকাশের রূপ দেখে
এই রূপ যেন কখনো বিলীন হবার নয়,
এই রূপ চিরস্থায়ী যা কখনো ক্ষয় হবার নয়।
আকাশ তো পাখিদের বাসস্থান,
যেখানে ডানা মেলে স্বাধীনভাবে উড়ার অনূভুতি হয়তো শুধু পাখিরাই অনুভব করতে পারে।
তবে বৃষ্টির দিনে খোলা আকাশের নিচে চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে থাকার অনুভূতিটাও অন্যরকম।
আকাশের বিশালতা আমাকে প্রতি মূহুর্তে মুগ্ধ করে।
যে বিশালতা কখনো কমবার নয় ,
যে বিশালতার নিচে অগণিত মানুষের বসবাস।
সেই অগণিত মানুষগুলোর মাঝে মাদার তেরেসার মতো হাতে গোনা কিছু মানুষও আছে যাদের মন আকাশের ন্যায় বিশাল।
মন তো হওয়া চাই আকাশের বিশালতা ন্যায়,
যার বিশালতা কখনো কমবার নয়।
জীবন তো হওয়া চাই আকাশের ন্যায়,
যেখানে থাকবে মুগ্ধতা আর বিশালতা।
হ্যাঁ, আমি মুগ্ধ আকাশের পানে চেয়ে।।
কারণ আকাশ তো এক মুগ্ধতার নাম।
☁️
☁️copy by Nuha☁️

অতিরিক্ত কাবিন/দেনমোহর ও করণীয়ঃআমাদের দেশে বর্তমানে যে কালচার তৈরি হয়েছে এবং নারীর প্রতি একতরফা আইন তাদেরকে যেভাবে সাপোর...
28/11/2020

অতিরিক্ত কাবিন/দেনমোহর ও করণীয়ঃ
আমাদের দেশে বর্তমানে যে কালচার তৈরি হয়েছে এবং নারীর প্রতি একতরফা আইন তাদেরকে যেভাবে সাপোর্ট দিচ্ছে তাআস্তে আস্তে দেশের পুরুষ সমাজকে খাঁচায় পুরে রাখার চূড়ান্ত ব্যবস্থা করে ফেলছে। বিয়ে করতে গেলেই প্রাথমিক আলোচনার পরে সব ঠিকঠাক থাকলে ছেলেপক্ষকে যে চ্যালেঞ্জে পড়তে হয়, তা হল দেনমোহর বা কাবিন কত হবে এবং স্বর্ণালংকার কি পরিমান দেওয়া হবে?
বিয়ে সাধারণত দু’ভাবে হয়ে থাকে, Arranged Marriage and Affair Marriage. মজার ব্যাপার হচ্ছে, ২-৩% বিবাহ ছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উল্লেখিত চ্যালেঞ্জ বরপক্ষকে ফেইস করতেই হয়। অনেক ক্ষেত্রে বিয়ে হয়ে গেলেও উভয় পরিবারের পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি হয়। কিছু ক্ষেত্রে মেয়েদের সংসার করা কঠিন হয়ে যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছেলেদের সংসার করা কঠিন হয়ে যায়। যার জন্যই কঠিন হোক না কেন, ultimate looser কিন্তু আমরা পুরুষরাই।
হয়তো মামলা, নয়তো কাবিন জরিমানা অথবা উভয় শাস্তিই মাথা পেতে মেনে নিতে হয় যদি স্ত্রীর কথামত উঠবস করতে না পারি। এটা কি কোন জীবন হলো??ভাড়মে যাও...করলাম না বিয়া এরকম মেয়েগুলাকে। কি আসে যায়? হতে পারে সে অনেক সুন্দরী, তাই বলে কি নিজেকে বিক্রি করে দিবো? নিজের সমস্ত সঞ্চয় যার পেছনে দিয়ে দিবেন সে কি আসলেই আপনার উপযুক্ত?
একটা ঘটনা share করি। কিছুদিন আগে একজন মেয়ের সাথে আমার কথা হয়, খুব সুন্দরী, লম্বা, ফিগার সচেতন, এককথায় অসাধারণ। যে কেউই তাকে দেখে প্রেমে পড়ে যাবে এমন। আলোচনায় জানা গেলো, তিনি divorced এবং তিনি একদিনও সংসার করেননি। কিন্তু, কাবিনের সাত লক্ষ টাকা তিনি পুরোটাই উসুল করেছেন, হয়তো স্বর্ণালংকার যেগুলো পেয়েছেন সেগুলোও ফেরত দেননি। Reason টা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন, মেয়ের বাবার দাবি ছিল কাবিন ১০ লক্ষ টাকা, ছেলেপক্ষ সেটাতে রাজি হননি এবং বাকবিতন্ডা করেন, পরিশেষে সাত লক্ষ টাকায় দফারফা করলেও মেয়ে ঐ পরিবারে থাকতে রাজি হয়নি। কি একটা অবস্থা, তাই না??
আমি এভাবে পর্যায়ক্রমে আরো কিছু ঘটনা আপনাদের সাথে আলোচনা করবো যাতে সবাই কিছু না কিছু শিখতে পারি। এবার মূল আলোচনায় আসি, প্রিয় ভাইয়েরা, আপনারা কি জানেন মেয়েরা কেন তাদের চেয়ে কম established/qualified ছেলে বিয়ে করে না? কারন, সে চায় তার রুপ-যৌবন বিক্রি করে সে আরো ভালো অবস্থানে থাকবে যেখানে তার বাবা তাকে কোনদিন রাখতে পারেনি। বর্তমানে মেয়েরা ভালো ছেলে মুখেই খুঁজে, একবার বলেন যে আপনি poor mid

মোটরযানের বিরুদ্ধে মামলা হলে করণীয়।_________________________________সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন নিয়মনীতি মেনে চলতে...
06/10/2020

মোটরযানের বিরুদ্ধে মামলা হলে করণীয়।
_________________________________
সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন নিয়মনীতি মেনে চলতে হয়। সে নিয়ম না মানলে চালক অথবা মোটরযানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয় ট্রাফিক বিভাগ। আইনগত ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রথমেই মামলা দেওয়া হয়। সে মামলায় নির্দিষ্ট অঙ্কের জরিমানা করা হয়। যদি জরিমানা পরিশোধ করা হয়, তাহলে আর ঝামেলা থাকে না। আবার যদি জরিমানা পরিশোধ করা না হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত পর্যন্ত বিষয়টি গড়ায়। এনটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য এ সংক্রান্ত আইন তুলে ধরা হলো।

কী কারণে মামলা হতে পারেঃ

বৈধ কাগজপত্র না থাকলে, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন, ইন্স্যুরেন্স, সাধারণ পরিবহনের জন্য রুট পারমিট, সর্বোপরি চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি না থাকলে মোটরযান আইনে মামলা হতে পারে।

এ ছাড়া ভুল করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রাফিক আইন না মানা-ট্রাফিক সিগন্যাল, লাইট না মেনে গাড়ি চালানো, বিপজ্জনকভাবে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো, যখন তখন লেন পরিবর্তন করা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো ইত্যাদি কারণে মামলা হতে পারে।

যানবাহনের ত্রুটিঃ

যানবাহনের বিভিন্ন ত্রুটি, যেমন, হেডলাইট না জ্বলা বা না থাকা, ইন্ডিকেটর লাইট না থাকা বা না জ্বলা, সাধারণ পরিবহন, গাড়ির বডিতে পার্টিকুলার বা বিবরণ না থাকা, মালিক বা মালিকের নাম ঠিকানা না থাকা, গাড়িতে অতিরিক্ত আসন সংযোজন অথবা গাড়িতে বিআরটিএ অনুমোদন ছাড়া কোনো সংযোজন বা পরিবর্তন করা, ইত্যাদি কারণে যানবাহন মামলা হতে পারে।

মামলা কে করবেনঃ

মামলা করা প্রয়োজন এবং যথাযথ মনে করলে কর্তব্যরত যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা এই মামলা করতে পারেন। রাস্তায় তাৎক্ষণিক মামলার ক্ষেত্রে মামলা প্রদানকারী কর্মকর্তা যানবাহনের একটি ডকুমেন্ট জব্দ করেন। তবে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে মোটরযান আইন ছাড়াও নিয়মিত মামলা হতে পারে।

মামলা হলে করণীয়ঃ

যেকোনো আইন ভাঙার জন্য মামলা হতে পারে। ডকুমন্টারি বা অন্য কোনো কারণে মোটরযান আইনে মামলা হলে সেটা বিশেষ উদ্বেগজনক কিছু নয়।

ঢাকা শহরে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের চারটি জোন বা এলাকা (পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ) আছে। একজন ডেপুটি কমিশনার (ডিসি, ট্রাফিক) প্রতিটি জোনের দায়িত্বে আছেন। কাজেই যেকোনো মামলার ক্ষেত্রে আগে বিবেচনা করতে হবে সেটি কোনো এলাকার আওতাভুক্ত। কোন ট্রাফিক বিভাগের অধীনে মামলা হয়েছে, সে

পেশার গুরুত্ব বোঝা ঃ  #এক জাহাজের ইঞ্জিন অন হচ্ছিল না।জাহাজের মালিক অনেক ইন্জিনিয়ারকে দেখিয়েছেন। কিন্তু কেউ তা ঠিক করতে ...
12/09/2020

পেশার গুরুত্ব বোঝা ঃ

#এক জাহাজের ইঞ্জিন অন হচ্ছিল না।
জাহাজের মালিক অনেক ইন্জিনিয়ারকে দেখিয়েছেন। কিন্তু কেউ তা ঠিক করতে পারেনি। তাই তিনি ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এনেছেন।

তিনি খুব সাবধানে ইন্জিন পরিদর্শন করেন, উপর থেকে নিচে। কিছুক্ষন দেখার পর লোকটি তার ব্যাগ থেকে একটি ছোট হাতুড়ি বের করলো। তিনি হাতুড়ি দিয়ে আলতো করে একটা আঘাত করলেন সাথে সাথে ইন্জিন চালু হয়ে গেল। ৭ দিন পর ইন্জিনিয়ার তার বিল হিসেবে চাইলেন ১০,০০০ ডলার !
জাহাজের মালিক বলল, আপনি তো এখানে তেমন কিছুই করেন নাই। এতো বিল অসলো কেমনে...?
তারপর ইন্জিনিয়ার বললেন হাতুড়ি দিয়ে বারি মারার বিল ২ ডলার কিন্তু কোন জায়গায় মারতে হবে, মানে জায়গা বরাবর মারার জন্য ৯৯৯৮ ডলার।

#শিক্ষাঃ আপনার অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কখনো তুচ্ছ মনে করে পাঁচ মিনিটের কাজ ভেবে পাঁচ টাকায় করবেন না। এতে আপনার ডিমান্ড আপনি নিজে কমাচ্ছেন। অভিজ্ঞতা অর্জন করতে আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে, সেই পরিশ্রমের মুল্য দিতে শিখুন।

Address

Dhaka
1263

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammad Ali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mohammad Ali:

Share