Islamic Media

Islamic Media . This is Islamic Media Official Page
(4)

25/08/2026

Quran Tilawat

24/08/2026

মধুর কন্ঠে কোরআন তেলাওয়া

24/08/2026

কোরআন তেলাওয়াত সবাই শুনে যাবেন #শুনে #যাবেন

একটুখানি_লজ্জায়_সব_নামাজ_রোজা_ বাতিলঃ!আপনি সারাজীবন খুব ভালো ভাবে ইবাদত করে কাটালেন। মৃত্যুর পরে বিচার দিবসে যখন আপনার আ...
24/08/2026

একটুখানি_লজ্জায়_সব_নামাজ_রোজা_ বাতিলঃ!

আপনি সারাজীবন খুব ভালো ভাবে ইবাদত করে কাটালেন। মৃত্যুর পরে বিচার দিবসে যখন আপনার আমলনামা আপনার হাতে দিবে, তখন দেখলেন আপনার আমলনামায় কোন আমল জমা হয়নি। তখন আপনার চাইতে কপাল পোড়া আর কেউ কি থাকবে????

হ্যাঁ এমনটাই হতে পারে, যদি নিয়ম না জেনে ফরজ গোসল করেন। কারণ ফরজ গোসল সঠিক পদ্ধতিতে না করলে সারাজীবনই নাপাক অবস্থায় কাটাবেন।

বিশেষ করে আমার সমবয়সী বন্ধু সকল তোমরা লজ্জায় কোনো আলেম বা যারা জানেন তাদের কাছে কোনদিনই জানতে যাওনি। না জেনে যদি এভাবেই তোমার জীবনঘড়ি থেমে যায় কেমন হবে সেই সময়টা একটু চিন্তা করে দেখেছো কি.?

একটু লজ্জায় সারাজীবনের ইবাদত বরবাদ!!!

যে সব কারণে গোসল ফরজ হয়ঃ

১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বী-র্য-পাত হলে।
২. সহ–বাসে (সহ–বাসে বী-র্য-পাত হোক আর নাই হোক)।
৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে।
৪. ইসলাম গ্রহন করলে (নব-মুসলিম হলে)।

গোসলের ফরজ ৩ টিঃ

১. গড়গড়া সহ কুলি করা, যাতে পানি গলার হাড় পর্যন্ত পৌছে।

২. হাতে পানি নিয়ে নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌছানো।

৩. সমস্ত শরীর উত্তম রুপে ধৌত করা।

ফরজ গোসলের সঠিক নিয়মঃ

১গোসলের নিয়ত করা, 'বিসমিল্লাহ' বলে গোসল শুরু করা। দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধোওয়া (বুখারী ২৪৮)

২ পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা (বুখারী ২৫৭)

৩ বাম হাতটি ভালভাবে ঘষে ধুয়ে নেওয়া (বুখারী ২৬৬)

৪ নামাজের ওজুর মতো ভালভাবে পূর্ণরূপে ওজু করা। এক্ষেত্রে শুধু পা দুটো বাকি রাখলেও চলবে, যা গোসলের শেষে ধুয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী ২৫৭, ২৫৯, ২৬৫)।

৫ মাথায় পানি ঢেলে চুলের গোড়া ভালভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভিজানো। (বুখারী ২৫৮)।

৬ পুরো শরীরে পানি ঢালা; প্রথমে ডানে ৩বার, পরে বামে ৩বার, শেষে মাথার উপর ৩ বার (বুখারী ১৬৮)।

৭ (যেন শরীরের কোন অংশ বা কোন লোমও শুকনো না থাকে। পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল এবং মহিলাদের চুল ভালোভাবে ভিজতে হবে।

নাভি, বগল ও অন্যান্য কুঁচকানো জায়গায় অবশ্যই পানি ঢালতে হবে)।

গোসলের জায়গা থেকে একটু সরে গিয়ে দুই পা ধোওয়া। (বুখারী ২৫৭)।

এটাই হচ্ছে গোসলের পরিপূর্ণ পদ্ধতি। উল্লেখ্য, এইভাবে গোসল করলে এর পরে নামায পড়তে চাইলে আলাদা করে ওযু করতে হবেনা, যদিনা গোসল করার সময় ওযু ভংগের কোনো কারণ ঘটে থাকে।

গোসলের পরে কাপড় চেঞ্জ করলে বা হাঁটুর উপরে কাপড় উঠে গেলে ওযু ভাংবেনা, এটা ওষু ভংগের কারণ না।

আল্লাহ আমাদের সঠিকভাবে আমল করার ও এ জ্ঞান সকলের কাছে পৌছে দেয়ার তওফিক দান করুন।

আমিন।
#রোজা #ফরজগোসল #ইবাদত

24/08/2026

Qura Tilawat.

এই ১০টি পরিবর্তন আপনার জীবনে এলে বুঝবেন—আল্লাহর রহমতের পথে আপনি এগিয়ে যাচ্ছেন 🌿জীবনে বিপদ, দুঃখ ও পরীক্ষা আসা মানেই আল্ল...
23/08/2026

এই ১০টি পরিবর্তন আপনার জীবনে এলে বুঝবেন—আল্লাহর রহমতের পথে আপনি এগিয়ে যাচ্ছেন 🌿

জীবনে বিপদ, দুঃখ ও পরীক্ষা আসা মানেই আল্লাহ আপনাকে ছেড়ে দিয়েছেন—এমন নয়। বরং অনেক সময় পরীক্ষা মানুষকে আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে আসে। একজন মুমিনের কাজ হলো বিপদে ধৈর্য ধরা, গুনাহ থেকে ফিরে আসা এবং আল্লাহর রহমতের ব্যাপারে আশাবাদী থাকা।

তবে মনে রাখতে হবে—নিচের বিষয়গুলোকে সফলতা আসার নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী হিসেবে নয়; বরং একজন মুমিনের জীবনে ঈমানি পরিবর্তনের আশাব্যঞ্জক লক্ষণ হিসেবে দেখা উচিত।

১. বিপদ আপনাকে আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে আসছে

যে বিপদ আপনাকে গুনাহ থেকে ফিরিয়ে এনে আল্লাহর কাছে দোয়া, তওবা ও সিজদায় নিয়ে যায়—সেটি আপনার জন্য কল্যাণের কারণ হতে পারে। আল্লাহ বলেন,
“নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গে স্বস্তি রয়েছে।”
—সূরা আশ-শারহ: ৫

২. তওবা করার পর নেক পথে চলার আগ্রহ বাড়ছে

আপনি যখন আন্তরিকভাবে তওবা করে আল্লাহর পথে চলতে চান, তখন নিজের নফস, শয়তান কিংবা মানুষের নানা প্রলোভনের মুখোমুখি হতে পারেন। তাই বাধা এলেই হতাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন।

৩. হারাম ছেড়ে হালালের পথে থাকার চেষ্টা করছেন

হারাম কোনো কিছু ছেড়ে দিলেই সঙ্গে সঙ্গে দুনিয়াবি সফলতা আসবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং কখনো কখনো বান্দাকে অপেক্ষা ও পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হারাম ছেড়ে দেওয়া নিজেই বড় সফলতা।

আল্লাহ বলেন,
“যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ করে দেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিযিক দেন, যা সে কল্পনাও করে না।”
—সূরা আত-তালাক: ২–৩

৪. দীর্ঘ পরীক্ষার মধ্যেও আপনি ধৈর্য ধরে আছেন

কখনো কোনো দুঃখ দীর্ঘ হয়ে যেতে পারে। তখন মনে হতে পারে—আর কত? কিন্তু মুমিন জানে, আল্লাহর সাহায্য কখন আসবে তা সে জানে না; আল্লাহই সর্বোত্তম সময় নির্ধারণ করেন।

হযরত ইউসুফ (আ.)-এর জীবনে দীর্ঘ পরীক্ষা এসেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তাঁকে সম্মান ও মর্যাদা দান করেছিলেন। তাই দেরি মানেই প্রত্যাখ্যান নয়।

৫. নামাজ ও কুরআনের প্রতি আপনার ভালোবাসা বাড়ছে

যখন নামাজকে বোঝা মনে না হয়ে শান্তির জায়গা মনে হয়, যখন কুরআন তিলাওয়াতের প্রতি হৃদয়ে আকর্ষণ তৈরি হয়—তখন এটি নিঃসন্দেহে একটি সুন্দর ঈমানি পরিবর্তন।

তবে এটিকে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট কোনো দুনিয়াবি সফলতা আসার নিশ্চয়তা হিসেবে নয়, বরং আল্লাহর নৈকট্য লাভের নিয়ামত হিসেবে দেখুন।

৬. ইস্তিগফার ও দোয়ার প্রতি আপনার মন আরও গভীর হচ্ছে

ইস্তিগফার মুমিনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমল। আল্লাহর কাছে বারবার ক্ষমা চাওয়া, নিজের দুর্বলতা স্বীকার করা এবং তাঁর ওপর নির্ভর করা—এগুলো হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে।

তবে স্বপ্ন, কোনো বিশেষ ঘটনা বা কারও কথাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে নিশ্চিত ভবিষ্যৎ-সংকেত মনে করার ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত।

৭. আগের গুনাহের প্রতি আপনার অনীহা তৈরি হচ্ছে

আপনি আগে যে গুনাহে অভ্যস্ত ছিলেন, এখন সেটি করতে গিয়ে অন্তরে ভয়, অনুশোচনা বা অনীহা অনুভব করছেন—এটি তওবার একটি সুন্দর ফল হতে পারে।

আল্লাহর জন্য কোনো গুনাহ ছেড়ে দেওয়া ছোট বিষয় নয়। বরং এটি আপনার ঈমান ও তাকওয়া বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

৮. ছোট ছোট বিষয়ে আল্লাহর সাহায্য অনুভব করছেন

হয়তো আপনার বড় সমস্যাটি এখনো সমাধান হয়নি। কিন্তু এর মধ্যেই আল্লাহ আপনার জীবনে ছোট ছোট স্বস্তি, সহজতা ও নিয়ামত দিচ্ছেন—এগুলো লক্ষ্য করুন।

একজন মুমিনের উচিত ছোট নিয়ামতের জন্যও আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা। কারণ কৃতজ্ঞতা নিয়ামতের মূল্য উপলব্ধি করতে শেখায়।

৯. আপনি বুঝতে পারছেন—সফলতা শুধু নিজের যোগ্যতার কারণে নয়

মেধা, পরিশ্রম ও চেষ্টা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু সবকিছুর ওপর আল্লাহর তাওফিক রয়েছে।

আপনি যত বেশি বুঝবেন যে আপনার সামর্থ্য, সুযোগ, রিযিক ও সফলতার প্রকৃত মালিক আল্লাহ—তত বেশি বিনয়ী হবেন এবং অহংকার থেকে বাঁচতে পারবেন।

১০. মানুষের পরিবর্তে আল্লাহর ওপর নির্ভরতা বাড়ছে

কখনো জীবনের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মানুষের প্রকৃত স্বভাব আমাদের সামনে প্রকাশ পেতে পারে। তখন কারও প্রতি অকারণ বিদ্বেষ না রেখে শিক্ষা নেওয়া উচিত।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো—মানুষের প্রশংসা বা সাহায্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না করে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করা।

🌸 শেষ কথা

মনে রাখবেন, সফলতা কখন আসবে—তার নির্দিষ্ট সময় আমরা জানি না। এক বছর, পাঁচ বছর কিংবা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। আবার আল্লাহ কোনো দোয়ার বিনিময়ে আমাদের জন্য এমন কিছু নির্ধারণ করতে পারেন, যা আমরা কল্পনাও করিনি।

তাই শুধু “আমার সফলতা কবে আসবে?”—এটি না ভেবে নিজেকে প্রশ্ন করুন—

আমি কি আল্লাহর আরও কাছে যাচ্ছি?
আমি কি গুনাহ ছেড়ে দিচ্ছি?
আমি কি নামাজ ও কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক শক্ত করছি?
আমি কি বিপদে ধৈর্য ধরছি?
আমি কি আল্লাহর সিদ্ধান্তের ওপর সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করছি?

কারণ একজন মুমিনের প্রকৃত সফলতা শুধু দুনিয়ার অর্জন নয়; আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই সবচেয়ে বড় সফলতা।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে বিপদে ধৈর্য, নিয়ামতে শুকরিয়া, গুনাহ থেকে তওবা এবং তাঁর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করার তাওফিক দান করুন। আমিন। 🤲

সালাতুল হাজত—আল্লাহর কাছে নিজের প্রয়োজন তুলে ধরার একটি সুন্দর আমলبِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِমানুষের জীবনে দুশ্...
23/08/2026

সালাতুল হাজত—আল্লাহর কাছে নিজের প্রয়োজন তুলে ধরার একটি সুন্দর আমল

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ

মানুষের জীবনে দুশ্চিন্তা, বিপদ, অভাব ও নানা ধরনের প্রয়োজন আসতেই পারে। একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় আশ্রয় হলেন মহান আল্লাহ। বান্দা যখন নিজের অসহায়ত্ব উপলব্ধি করে একমাত্র আল্লাহর কাছে সাহায্য চায়, তখন সে তার রবের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করে।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

«“তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো।”
—সূরা আল-বাকারা: ৪৫»

সালাতুল হাজত কী?

সালাতুল হাজত বলতে সাধারণভাবে এমন নফল নামাজকে বোঝানো হয়, যা কোনো প্রয়োজন বা সমস্যার সময় আল্লাহর কাছে সাহায্য ও কল্যাণ প্রার্থনার উদ্দেশ্যে আদায় করা হয়।

এ বিষয়ে হাদিসে দুই রাকাত নামাজ ও একটি বিশেষ দোয়ার বর্ণনা পাওয়া যায়। তবে এই হাদিসের সনদ নিয়ে মুহাদ্দিসদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইমাম তিরমিজি বর্ণনাটি উল্লেখ করে এর সনদে দুর্বলতা থাকার কথা বলেছেন; অন্যদিকে কিছু হানাফি আলেম এটিকে আমলযোগ্য মনে করেছেন। তাই এটিকে নিশ্চিতভাবে সহিহ সুন্নত হিসেবে দাবি না করে, আলেমদের মতভেদের বিষয়টি মনে রাখা উত্তম।

কীভাবে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন?

আপনি ভালোভাবে অজু করে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করতে পারেন। সাধারণ নফল নামাজের মতোই নামাজ পড়বেন। নির্দিষ্ট কোনো সূরা পড়া আবশ্যক নয়।

নামাজ শেষে আল্লাহর প্রশংসা করবেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ওপর দরুদ পাঠ করবেন এবং নিজের প্রয়োজন, দুশ্চিন্তা ও নেক আশা আল্লাহর কাছে তুলে ধরবেন।

নিজের ভাষাতেও আন্তরিকভাবে দোয়া করা যায়। কারণ আল্লাহ বান্দার মনের কথা জানেন এবং তিনি বান্দার দোয়া শুনেন।

বর্ণিত দোয়াটি

সালাতুল হাজতের বর্ণিত হাদিসে যে দোয়াটি এসেছে, তার শুরু হলো—

“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালিমুল কারিম। সুবহানাল্লাহি রব্বিল আরশিল আজিম। আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন...”

এই দোয়ায় আল্লাহর প্রশংসা, তাঁর রহমত ও ক্ষমা প্রার্থনা এবং দুশ্চিন্তা ও প্রয়োজন দূর করার আবেদন রয়েছে। তবে যেহেতু এই বর্ণনার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে, তাই এটিকে সহিহ ও নিশ্চিতভাবে রাসূল ﷺ-এর শেখানো দোয়া বলে প্রচার না করাই সতর্কতার দাবি।

দোয়ার সময় কী চাইবেন?

আল্লাহর কাছে নিজের প্রয়োজন খুলে বলুন। যেমন—

“হে আল্লাহ! আমার যে প্রয়োজন আপনার সন্তুষ্টির মধ্যে রয়েছে, তা পূরণ করে দিন। আমার দুশ্চিন্তা দূর করুন, আমার গুনাহ ক্ষমা করুন, আমাকে হালাল ও উত্তম রিজিক দান করুন এবং আমার জন্য যা কল্যাণকর, তা সহজ করে দিন।”

তবে মনে রাখতে হবে—দোয়া মানেই নিজের চাওয়া জিনিসটি অবশ্যই সেই মুহূর্তে পাওয়া নয়। আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য যা কল্যাণকর, সেটিই নির্ধারণ করেন। কখনো তিনি চাওয়া জিনিসটি দেন, কখনো তার চেয়েও উত্তম কিছু দান করেন, আবার কখনো কোনো বিপদ দূরে সরিয়ে দেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

শুধু একটি নফল নামাজ বা একটি নির্দিষ্ট দোয়ার ওপর নির্ভর না করে একজন মুমিনের উচিত—

- ফরজ নামাজ যথাযথভাবে আদায় করা।
- গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করা।
- হালাল উপার্জন ও হালাল জীবনযাপন করা।
- আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা।
- দোয়ার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া না করা।
- নিজের প্রয়োজনের পাশাপাশি দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ চাওয়া।

মনে রাখবেন, মানুষের দরজা বন্ধ হয়ে গেলেও আল্লাহর রহমতের দরজা বন্ধ হয় না।

তাই আপনার কোনো প্রয়োজন থাকলে আল্লাহর কাছে ফিরে আসুন। নামাজ পড়ুন, দোয়া করুন, তাওবা করুন এবং ধৈর্য ধরুন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সব নেক আশা ও প্রয়োজন পূরণ করুন, আমাদের দুশ্চিন্তা দূর করুন, গুনাহ ক্ষমা করুন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দান করুন।

آمِيْن يَا رَبَّ الْعَالَمِيْن।

23/08/2026

সবাই শুনুন

23/08/2026

কোরআন তেলাওয়াত নিয়ে লাইভ

23/08/2026

শিক্ষা নিয়ে ভিডিও #শিক্ষা #পড়ুন

Address

Dhaka
3700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share