Mostafijur Rahman Nasim

Mostafijur Rahman Nasim A window to show the positive sides of Bangladesh

01/01/2026

খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা

22/12/2025

ব্যালট পেপার প্রস্তুত

Guess the location!
14/07/2025

Guess the location!

১৩ তারিখ ইজরায়েল ইরান আক্রমণ করে। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল সরকার পরিবর্তন - এমন সরকার যারা মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর মতো প...
24/06/2025

১৩ তারিখ ইজরায়েল ইরান আক্রমণ করে। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল সরকার পরিবর্তন - এমন সরকার যারা মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর মতো পশ্চিমের তাঁবেদারি করবে, সামরিক শক্তি বাড়ানো অপ্রয়োজনীয় মনে করবে, তলে তলে বা প্রকাশ্যে ইজরায়েলের সাথে বন্ধুত্ব করবে, প্যালেস্টানিদের ঘৃণা করবে, নাইট ক্লাব হবে, মেয়েরা নাচবে, মদ জুয়া চলবে, আর ইজরায়েলকে বলবে বুকে আসো তোমরা আমাদের ইব্রাহামিক ভাই। এই লক্ষ্য পূরণে তারা কয়েকটা কৌশলের আশ্রয় নিয়েছিলো।

১। ইরান যখন আক্রমণ আশা করছে না তখন আক্রমণ করা, মানে আমরা যাকে surprise attack করা বলি। মনে রাখতে হবে এই সময় ইরান আর আমেরিকার মধ্যে আলোচনা চলছিল, আলোচনায় ইরান অনেক নমনীয় হয়েছিল, একটা চুক্তি হয়ে যাবে এমন ধারণা করা হচ্ছিল, পরবর্তী বৈঠকের তারিখ ছিল দুদিন পর। ১৫ তারিখের আগে ইজরায়েল আক্রমণ করবে ইরান ভাবেনি, তাই তাদের সতর্কতা কম ছিল।
২। প্রথম রাতেই ইরানের টপ জেনারেলদের এবং টপ পরমাণু বিজ্ঞানীদের হত্যা করা।
৩। প্রথম রাতেই ইরানের এয়ার ডিফেন্স ধ্বংস করে দেয়া যাতে করে আরও কয়েকদিন ধরে বিনা বাধায় বিমান দিয়ে আক্রমণ চালানো যায়।
৪। পরবর্তী কয়েকদিন গাড়ি-বোমা, হত্যা এবং অন্যান্য নাশকতা চালানো।

এভাবে ভয় ও অরাজকতার পরিবেশ সৃষ্টি করে সরকারকে অকেজো করে দেয়া এবং দেশের ভেতরে বা বাইরে আগে থেকে ঠিক করে রাখা কাউকে ক্ষমতায় বসানো।

ইজরায়েল কৌশলগত সফলতা লাভ করলেও মূল উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হয়। ইরানের সরকার টিকে যায়, এয়ার ডিফেন্সের একটা বড় অংশ ইরান আবার চালু করতে সক্ষম হয় এবং মোসাদের ভাড়া করা অধিকাংশ মানুষকে পাকড়াও করা হয়। এই সময় ইরানের সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে বিভক্ত ইরান ইজরায়েল ও আমেরিকার বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হয়।

ইরান প্রতি-আক্রমণ শুরু করে। ইরান যেহেতু যুদ্ধ শুরু করেনি তাই তাদের লক্ষ্য ছিল ভিন্ন।

১। আত্মরক্ষা – দেশ ও সরকার রক্ষা। এটাই ছিল প্রধান লক্ষ্য।
২। শক্তি প্রদর্শন।
৩। ইজরায়েলের এমন ক্ষতি করা যে তারা আবার আক্রমণ করতে ভয় পায় ( to establish deterrence)।

প্রতি-আক্রমণের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই ইরান সবগুলো লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়। এরপর ইরানের আর যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না।

অন্যদিকে প্রথম ৪৮ ঘণ্টার পর ইজরায়েলের দিক থেকে যুদ্ধ থামানোর ইঙ্গিত আসতে থাকে। আমেরিকার সংবাদপত্রে এমন হিসাব দেয়া হয় যে ইজরায়েল আর ১০/১২ দিন মিসাইল আক্রমণ মোটামুটি ঠেকাতে পারবে।

তবে কি ইজরায়েল ইরানের শক্তিকে ছোট করে দেখেছিল? আমার মনে হয় এই প্রশ্নের উত্তর দুটো। ক) ইজরায়েল ভেবেছিল সরকার পতন হবে, ইরানের মিসাইলের সম্মুখীন তাদের হতে হবে না। খ) মিসাইল আসলেও তারা তা রুখতে পারবে।

ইরান যুদ্ধ আরও কিছুদিন না চালিয়ে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হল কেন? আমার মনে হয় উত্তর দুটো। ক) আরও কয়েকদিন যুদ্ধ চালিয়ে তাদের আর পাওয়ার কিছু ছিল না, তারা ইজরায়েলের প্রচুর ক্ষতি করেছে যা নজিরবিহীন। খ) যুদ্ধে নিজেদেরও ক্ষতি হচ্ছিল। তেমন কোন লাভ না পেয়ে ক্ষতি মেনে নেয়া দীর্ঘস্থায়ী কোন লক্ষ্য পূরণ করবে না।

সব মিলিয়ে এই কথা বলা ভুল হবে না যে ইরান তার লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে ইজরায়েল কৌশলগত কিছু বিজয় অর্জন করলেও লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। যুদ্ধে তাই ইরানকেই বিজয়ী বলতে হবে।

এরপর কী হবে?

দুই পক্ষই নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবে। ইরানের জন্য এই কাজ তেমন কঠিন নয়। তারা তদের আসল ইউরেনিয়াম সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছে, তাই বোমা বানানোর সরঞ্জাম তাদের হাতে এখনো আছে। ইরানকে অবশ্য এয়ার ডিফেন্স উন্নত করতে হবে।

ইজরায়েলের কিছু ক্ষতি অবশ্য অপূরণীয়। যেমন তাদের একটা বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার এবং জীবাণু গবেষণাগার পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। তাদের আরও অনেক ক্ষতি হয়েছে যা এখনো জানা যায়নি। এছাড়াও তাদের সবচেয়ে বড় ক্ষতি মনস্তাত্ত্বিক – তারা অপরাজেয় এই ইমেজ ধ্বংস হয়ে গেছে, শিশু এবং মেয়েদের সাথে যুদ্ধে বিজয় অর্জন করলেও আসল যুদ্ধে তারা ভয় পায় এই ইমেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইজরায়েল অবশ্য চেষ্টা করে যাবে ইরানের ভেতরে হত্যাকাণ্ড এবং অন্যান্য নাশকতা চালিয়ে যাওয়ার।

এখন দেখার বিষয়, যুদ্ধবিরতি কয়দিন টেকে।

নেট থেকে নেয়া ছবি।

❖ যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ বোমারু বিমানের আঘাত করা ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় কোনো দূষণের প্রমাণ মেলেনি ❖ইরানের পারমাণবি...
23/06/2025

❖ যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ বোমারু বিমানের আঘাত করা ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় কোনো দূষণের প্রমাণ মেলেনি ❖
ইরানের পারমাণবিক সংস্থা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় তিনটি পারমাণবিক স্থাপনার আশপাশে কোনো ধরনের দূষণের লক্ষণ পাওয়া যায়নি। রেডিয়েশন পর্যবেক্ষণ ও মাঠপর্যায়ের মূল্যায়নে এসব স্থানে আশপাশের বাসিন্দাদের জন্য কোনো ঝুঁকির বিষয়ও চিহ্নিত হয়নি। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, "ফোর্দো, নাতানজ ও ইস্পাহান পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে কোনো দূষণের ঘটনা ঘটেনি, এবং এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে।"
এছাড়া, ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা তাদের পরবর্তী পারমাণবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে। সংস্থাটি জানায়, "শত্রুদের ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও, আমাদের বিপ্লবী বিজ্ঞানীদের প্রচেষ্টায় এই শিল্প থামবে না, আমরা মহান ইরানি জাতিকে আশ্বস্ত করছি।"
জাতিসংঘের পরমাণু তদারকি সংস্থা আইএইএ (IAEA) বলেছে, হামলার ফলে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর আশপাশে রেডিয়েশনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়নি।

09/06/2025

Somewhere in Dhaka, Bangladesh

01/06/2025

গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় ঘোড়ার দৌড় খেলা...

22/05/2025

রাশিয়ান মৃত্যুকূপ

01/05/2025

তেঁতুলিয়ার খাঁটি মধুর স্বাদ নেয়ার চেষ্টা

18/04/2025

যেভাবে উদ্‌যাপন করা হয়েছিলো এ বছরের বাংলা নববর্ষ ১৪৩২

Address

Dhaka
1216

Telephone

+8801715137913

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mostafijur Rahman Nasim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mostafijur Rahman Nasim:

Share