SelfOpinion

SelfOpinion Free yourself but Don't break general law.

18/10/2024

বৃদ্ধ লোকটি বারান্দার চেয়ারে বসে আছেন। গায়ে সাদা পাঞ্জাবি, চুলগুলোও প্রায় পুরো সাদা। দুচোখে চশমা, যেটা নাকে বারবার পিছলে পড়ছে। একসময় ছিলেন তিনি গ্রামের সেরা মানুষ। সবাই সম্মান করত, ডাকত ‘বাহাদুর মিয়া’ বলে। শক্তি, সাহস, কথা বলার ধরণ—সবকিছুতেই ছিলেন একজন প্রভাবশালী। কিন্তু আজ সময় বদলেছে, বয়সের ভারে সবকিছু যেন ভেঙে পড়েছে।

সেদিনও সন্ধ্যায় হাঁটতে বের হয়েছিলেন, কিন্তু পা টেনে টেনে চলতে হচ্ছিল। আগে যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মাঠে দাপিয়ে বেড়াতেন, সেখানে এখন দশ পা হাঁটতেই ক্লান্ত হয়ে যান। হাঁটার সময় ছেলেরা হাসি মুখে বলল, "কিরে মিয়া, এখন তো আর আগের মতো বাহাদুরী নেই!" তিনি মৃদু হাসলেন, কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা বেদনা অনুভব করলেন।

রাতের খাবারে আজও তেমন খেতে পারেননি। পেটের সমস্যা যেন প্রতিদিনের সঙ্গী। আগে তিনি গ্রামের যেকোনো উৎসবে যতই খাওয়া হোক, কিছুই হতো না। এখন সামান্য বেশি খেলেই হজমের কষ্ট। স্ত্রী তাকে বলল, "তুমি আগের মতো খেতে পারবে না। বয়স হয়েছে তো।" তিনি মাথা নেড়ে বললেন, "হ্যাঁ, ঠিক বলেছো।"

তাঁর ঘরে একটা পুরোনো আয়না রয়েছে। আজ রাতে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মুখটা দেখলেন। দাঁতগুলো নড়ে গেছে, মুখে বলিরেখা পড়েছে, চোখের আলো ম্লান হয়ে এসেছে। মনে পড়ে গেল, আগে কত মানুষ তার সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়াতো। এখন সবাই তাকে ‘মুরব্বি’ বলে ডাকে, কিন্তু সেই পুরোনো সম্মান আর নেই।

কিছুদিন আগে এক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেখানে সবাই হেসে-খেলে আনন্দ করছে, কিন্তু তাঁর আর মন চাইলো না। মনে হলো, এই সব কিছু তার জন্য নয়। আগে এসব রঙতামাশায় কত আনন্দ পেতেন, এখন সেগুলো তাকে ক্লান্ত করে দেয়। কথাও বলতে ভুল হয়ে যায়, মাঝে মাঝে থেমে যান—মনে হয়, সবকিছুতেই তিনি পিছিয়ে যাচ্ছেন।

ছেলে-মেয়েরা এখন নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করে, কিন্তু সেই আগের মতো পাশে থাকে না। রাতের বেলায় শুয়ে শুয়ে তিনি ভাবেন, এই জীবন কি সত্যিই ব্যর্থ হলো? এত কিছু করলেন, কিন্তু এখন যেন কিছুই করতে পারেন না। এই বয়সের ক্লান্তি, অবশ শরীর, ম্লান চোখ—সবকিছু মিলে তিনি এক অদ্ভুত শূন্যতা অনুভব করেন।

বারান্দার ঠাণ্ডা হাওয়া এসে মুখে লাগে। তিনি ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ করেন। পুরোনো দিনের স্মৃতিগুলো একে একে চোখের সামনে ভেসে ওঠে। একসময় যে মানুষটা ছিলেন সবার কাছে ‘বাহাদুর মিয়া’, আজ তিনিই যেন সময়ের সামনে হার মানছেন। তবু ভেতরে ভেতরে একটা শান্তি অনুভব করেন—জীবনের এই ধীরগতিরও একটা আলাদা মাধুর্য আছে, একটা আলাদা শিক্ষা।

তিনি ধীরে ধীরে শুয়ে পড়েন। মন থেকে সব অস্থিরতা দূর হয়। সময় বদলেছে, জীবনও বদলেছে, কিন্তু স্মৃতিগুলো রয়ে গেছে। সেগুলোর সাথে তিনি শেষের দিনগুলো কাটিয়ে দেবেন, এই ভাবনাতেই তিনি শান্তিতে চোখ বন্ধ করেন।

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর কয়েকটি দেশইতালিকে বলা হয় শিল্প, ইতিহাস ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি। ইতালির ভেনিস, প্র...
18/09/2024

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর কয়েকটি দেশ

ইতালিকে বলা হয় শিল্প, ইতিহাস ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি। ইতালির ভেনিস, প্রাচীন রোম, আমালফি উপকূল, কোমো ও গার্দার চমৎকার লেক ইতালির সৌন্দর্যকে আরও মোহনীয় করে তুলেছে। পুরো ইতালিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে চার্চ, ক্রস রোড, গ্রাম, পেইন্টিং, স্ট্যাচু, কোর্টইয়ার্ড, মিউজিয়াম। চমৎকার এই দেশ খাবারেও ভীষণ সমৃদ্ধ। বিখ্যাত ইতালিয়ান ডিশ পিৎজার উদ্ভাবন হয়েছিল ইতালির ন্যাপলে। এই দেশের আরও একটি জনপ্রিয় খাবার পাস্তা।

নিউজিল্যান্ড
শ্বাসরুদ্ধকর সৌন্দর্য দিয়ে ঘেরা যেন পুরো নিউজিল্যান্ড। চমৎকার প্রাকৃতিক দৃশ্য দিয়ে ছবির মতো সাজানো এই দেশ। উপসাগরীয় দ্বীপ, মিলফোর্ড সাউন্ড, অকল্যান্ড সেতু, ওয়েইহেকে দ্বীপ, ক্রাইস্টচার্চ, কুইন্সটাউন দ্বীপ, ফ্রাঞ্জ জোসেফ গ্লাসিয়ের নামের বরফ দ্বীপ, ঐতিহাসিক প্রাণকেন্দ্র ওয়েলিংটনসহ নানা অপরূপ সৌন্দর্য দিয়ে দেশটি ঘেরা। মাউরি সংস্কৃতি দেশটিকে আরও দিয়েছে সাংস্কৃতিক ভিন্নতা। বিখ্যাত ‘লর্ড অব দ্য রিংস’ সিনেমা ট্রিলজির মাত্র একটি দৃশ্য ছাড়া আর সব দৃশ্য ধারণ করা হয়েছিল নিউজিল্যান্ডে। তাই একে হোম অব লর্ড অব দ্য রিংসও বলা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেল সেনাবাহিনী।রাজধানীসহ সারা দেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ...
17/09/2024

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেল সেনাবাহিনী।

রাজধানীসহ সারা দেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার। সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। আগামী দুই মাস (৬০ দিন) এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ঢাকাসহ সারা দেশে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাতে সারা দেশে সেনাবাহিনী মোতায়েন ও কারফিউ জারি করে সরকার।ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এখনো সারা দেশে সেনাবাহিনী মোতায়েন আছে।

বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যেই সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিল সরকার।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫ (২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অধীন অপরাধগুলো আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন সেনাবাহিনীর বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পাওয়া কর্মকর্তারা।

17/09/2024

Why did Sohel Taj leave the post of Minister of State for Home Affairs?দুর্নীতি-অনিয়মের প্রতিবাদেই মন্ত্রিত্ব ছেড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্....

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে’ প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল থেকে ১০০ কোটি টাকা অনুদান।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের...
17/09/2024

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে’ প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল থেকে ১০০ কোটি টাকা অনুদান।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের স্বজন ও আহতদের সহায়তার জন্য গঠিত ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে’ ১০০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে চেকটি গ্রহণ করেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মীর মাহবুবুর রহমান
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের স্বজন ও আহতদের সহায়তার জন্য গঠিত ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে’ ১০০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে চেকটি গ্রহণ করেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মীর মাহবুবুর রহমানছবি: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের সৌজন্যে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ ও শহীদ পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য গঠিত ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’–এ ১০০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এই টাকা দেওয়া হয়েছে। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার এবং আহতদের এককালীন ও মাসিক সহায়তা দেওয়া হবে। এ ছাড়া আলাদাভাবে ক্ষতি অনুযায়ী জরুরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফাউন্ডেশনের দপ্তর সম্পাদক ও অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। এ সময় ফাউন্ডেশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মীর মাহবুবুর রহমান ওরফে স্নিগ্ধ (ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহত মুগ্ধর বড় ভাই)।

মালয়েশিয়ায় টাকা ‘পাচারে’ আমিনুল ও রুহুল আমিন।
17/09/2024

মালয়েশিয়ায় টাকা ‘পাচারে’ আমিনুল ও রুহুল আমিন।

**অভ্যাস করুন, সুস্থ থাকুন!**আজকের দিনে সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম শর্ত হলো নিয়মিত শরীরচর্চা। ব্যস্ততার কারণে আমরা অনেক সম...
16/09/2024

**অভ্যাস করুন, সুস্থ থাকুন!**

আজকের দিনে সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম শর্ত হলো নিয়মিত শরীরচর্চা। ব্যস্ততার কারণে আমরা অনেক সময় শরীরের যত্ন নিতে ভুলে যাই, কিন্তু সামান্য কিছু সময় ব্যয় করলেই সুস্থ জীবন অর্জন করা সম্ভব। আসুন জেনে নিই কেন নিয়মিত শরীরচর্চা করা উচিত এবং এটি আমাদের জীবনে কীভাবে প্রভাব ফেলে।

**১. শরীরচর্চার প্রয়োজনীয়তা**
শরীরচর্চা মানেই শুধুমাত্র শারীরিক কসরত নয়, বরং এটি মানসিক শক্তি বাড়ানোরও একটি উপায়। নিয়মিত ব্যায়াম আমাদের মস্তিষ্ককে সচল রাখে এবং মনোযোগ বাড়ায়। শরীরচর্চা আমাদের রক্তচলাচল উন্নত করে, হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

**২. সুস্থ শরীরের জন্য সঠিক ব্যায়াম**
ব্যায়ামের ধরন একেকজনের জন্য একেক রকম হতে পারে। কেউ হয়তো হালকা যোগব্যায়াম করতে পছন্দ করেন, আবার কেউ ভারী ব্যায়াম বা জিমের প্রতি আকৃষ্ট। আপনি যেটাই বেছে নিন না কেন, সেটি নিয়মিতভাবে করতে হবে। শুরুর জন্য হালকা ব্যায়াম যেমন হাঁটা, জগিং বা সাইক্লিং হতে পারে, এবং সময়ের সাথে সাথে কঠিন ব্যায়াম যোগ করা উচিত।

**৩. ব্যায়ামের মানসিক উপকারিতা**
শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায়ও শরীরচর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত ব্যায়াম মানসিক চাপ কমায়, মনোভাব উন্নত করে এবং হতাশা প্রতিরোধ করে। যখন আমরা ব্যায়াম করি, তখন আমাদের শরীর থেকে "এন্ডোরফিন" নামে একধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়, যা আমাদের মস্তিষ্ককে আনন্দিত করে তোলে।

**৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে শরীরচর্চা**
যারা ওজন কমাতে চান বা বাড়াতে চান, তাদের জন্য ব্যায়াম অপরিহার্য। নিয়মিত ব্যায়াম করলে ক্যালোরি বার্ন হয়, যা ওজন কমাতে সহায়ক। একইভাবে, মাংসপেশী বৃদ্ধি এবং শক্তি বাড়াতে ভারোত্তোলনের মতো ব্যায়াম করা যেতে পারে। ব্যায়াম করলে শরীরের মেটাবলিজমও ভালো হয়, যা দীর্ঘমেয়াদী ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

**৫. শক্তি ও সহ্যশক্তি বৃদ্ধি**
ব্যায়াম শুধু শরীরের মাংসপেশী বৃদ্ধি করে না, বরং দৈনন্দিন জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি এবং সহ্যশক্তি বাড়ায়। আমরা যদি প্রতিদিন ৩০-৪০ মিনিট ব্যায়াম করি, তাহলে আমাদের শরীর দীর্ঘমেয়াদী কাজে সক্ষম হবে। যারা দৈনন্দিন জীবনে দুর্বল বোধ করেন, তারা নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

**৬. শরীরের গঠন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি**
শরীরচর্চা করলে আমাদের শরীরের গঠন এবং বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং ব্যক্তিগতভাবে আমাদেরকে আরও সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের ত্বক উজ্জ্বল হয় এবং কেবল বাহ্যিক দিক থেকেই নয়, অভ্যন্তরীণ দিক থেকেও শরীর সতেজ থাকে।

**৭. বৃদ্ধ বয়সেও সুস্থ থাকার উপায়**
অনেকেই মনে করেন যে বৃদ্ধ বয়সে শরীরচর্চা করা কঠিন। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। বরং বৃদ্ধ বয়সে শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য হালকা ব্যায়াম অত্যন্ত কার্যকর। এটি শরীরের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায় এবং হাড়ের জোর ধরে রাখে।

**৮. ব্যায়াম এবং পুষ্টি**
শরীরচর্চার পাশাপাশি সঠিক পুষ্টি গ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ও মিনারেলসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা উচিত, যাতে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি মেটানো যায়। ব্যায়ামের আগে ও পরে সঠিক খাবার খেলে শরীর দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে পারে এবং শক্তি বাড়ায়।

**৯. ব্যায়ামের জন্য কিছু টিপস**
১. ধীরে শুরু করুন এবং সময়ের সাথে সাথে ব্যায়ামের সময় বাড়ান।
২. নিয়মিত ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন, কমপক্ষে সপ্তাহে ৫ দিন।
৩. হাইড্রেটেড থাকুন, অর্থাৎ পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৪. সঠিক পোশাক ও জুতা পরিধান করুন, যা ব্যায়ামের সময় আরাম দেয়।
৫. যেকোনো ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভব করলে ব্যায়াম বন্ধ করুন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

**১০. শেষ কথা: আজই শুরু করুন!**
আপনার শরীর আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ। নিয়মিত শরীরচর্চা করার মাধ্যমে আপনি একটি সুস্থ, সুন্দর এবং সফল জীবন যাপন করতে পারেন। আজই শুরু করুন এবং আপনার জীবনে শরীরচর্চার প্রভাব দেখতে পাবেন। মনে রাখবেন, এটি শুধু শারীরিক নয়, মানসিকভাবে আপনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। সুস্থ থাকুন, শরীরচর্চা করুন!

অনলাইনে লিখে মাসে ২ লাখ টাকা আয় করেন কলেজশিক্ষক মোস্তাফিজুর।ফলো করুনশিক্ষকতার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিম করেন মো. মোস্তাফিজ...
16/09/2024

অনলাইনে লিখে মাসে ২ লাখ টাকা আয় করেন কলেজশিক্ষক মোস্তাফিজুর।

ফলো করুন
শিক্ষকতার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিম করেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান
শিক্ষকতার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিম করেন মো. মোস্তাফিজুর রহমানপ্রথম আলো
পাঁচ ভাই, এক বোনের মধ্যে দ্বিতীয় মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আয়ের শুরুটা হয়েছিল গৃহশিক্ষক হিসেবে, ছাত্রজীবনে। ২০০৪ সালে শিক্ষকতা পেশায় জড়িয়ে আজ তিনি থিতু সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে। এই কলেজে ইংরেজির প্রভাষক তিনি। চমকে দেওয়ার মতো তথ্য হলো মোস্তাফিজুর রহমানের মাসিক আয় প্রায় দুই লাখ টাকা। গ্রামের একটি ডিগ্রি কলেজে পড়িয়ে এটা কীভাবে সম্ভব?

মাসে গড়ে দুই লাখ টাকা আয় করা মো. মোস্তাফিজুর রহমান এটা সম্ভব করেছেন ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং কাজের মাধ্যমে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের নিয়মিত কর্মীর বাইরে মুক্তপেশাজীবী বা ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করিয়ে নেন। এটিই ‘ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং’ নামে পরিচিত। গ্রাহকের নির্দিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ে কাজ করে দেন ফ্রিল্যান্সাররা। মোস্তাফিজুর রহমান এমন কাজই করেন চারজনের একটি দল নিয়ে। ধর্মপাশায় বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা পণ্যের বর্ণনা লিখে দেয় মোস্তাফিজুর ও তাঁর দল। লিখতে হয় ইংরেজিতে। কারিগরি ভাষায় এই বিষয়টিকে বলে ‘কনটেন্ট রাইটিং’। সাত বছর আগে কন্টেন্ট রাইটিং দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।ফলো করুন
শিক্ষকতার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিম করেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান
শিক্ষকতার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিম করেন মো. মোস্তাফিজুর রহমানপ্রথম আলো
পাঁচ ভাই, এক বোনের মধ্যে দ্বিতীয় মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আয়ের শুরুটা হয়েছিল গৃহশিক্ষক হিসেবে, ছাত্রজীবনে। ২০০৪ সালে শিক্ষকতা পেশায় জড়িয়ে আজ তিনি থিতু সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে। এই কলেজে ইংরেজির প্রভাষক তিনি। চমকে দেওয়ার মতো তথ্য হলো মোস্তাফিজুর রহমানের মাসিক আয় প্রায় দুই লাখ টাকা। গ্রামের একটি ডিগ্রি কলেজে পড়িয়ে এটা কীভাবে সম্ভব?

মাসে গড়ে দুই লাখ টাকা আয় করা মো. মোস্তাফিজুর রহমান এটা সম্ভব করেছেন ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং কাজের মাধ্যমে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের নিয়মিত কর্মীর বাইরে মুক্তপেশাজীবী বা ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করিয়ে নেন। এটিই ‘ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং’ নামে পরিচিত। গ্রাহকের নির্দিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ে কাজ করে দেন ফ্রিল্যান্সাররা। মোস্তাফিজুর রহমান এমন কাজই করেন চারজনের একটি দল নিয়ে। ধর্মপাশায় বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা পণ্যের বর্ণনা লিখে দেয় মোস্তাফিজুর ও তাঁর দল। লিখতে হয় ইংরেজিতে। কারিগরি ভাষায় এই বিষয়টিকে বলে ‘কনটেন্ট রাইটিং’। সাত বছর আগে কন্টেন্ট রাইটিং দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।

শিক্ষকতার পাশাপাশি সৃজনশীল লেখালেখি
নিজেকে কখনোই শিক্ষক ছাড়া আর কিছু ভাবতেন না মোস্তাফিজুর রহমান। যত চাকরির আবেদন করেছেন, সবই শিক্ষকতার। তবে শিক্ষকতার পাশাপাশি সৃজনশীল লেখালেখির অভ্যাস ছিল তাঁর। ২০১৬ সালের ঘটনা। তখন তিনি নেত্রকোনা সরকারি কলেজে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির অতিথি প্রভাষক হিসেবে ক্লাস নেন। যেহেতু তাঁর পড়াশোনা ও লেখালেখির প্রতি একটা ঝোঁক আছে, তাই এক সহকর্মী হঠাৎই মোস্তাফিজুর রহমানকে পরামর্শ দেন মুক্ত পেশাজীবী বা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে লেখালেখি শুরু করার। কিছুদিন চিন্তাভাবনা করলেন। তারপর শুরু করলেন ফ্রিল্যান্সিং। এ ক্ষেত্রে তাঁকে সাহায্য করেছে ছোটবেলা থেকে প্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ। ২০০০ সালে, ছাত্রজীবনেই টিউশনির টাকা দিয়ে একটি কম্পিউটার কিনেছিলেন মোস্তাফিজুর।সর্বশেষ
রাজনীতি
বাংলাদেশ
অপরাধ
বিশ্ব
বাণিজ্য
মতামত
খেলা
বিনোদন
চাকরি
জীবনযাপন
Eng
By using this site, you agree to our Privacy Policy.
OK
ভিডিও
ছবি
ভিডিও

ফ্রিল্যান্সিং
অনলাইনে লিখে মাসে ২ লাখ টাকা আয় করেন কলেজশিক্ষক মোস্তাফিজুর
রাহিতুল ইসলামধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) থেকে ফিরে
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৬: ২৭
ফলো করুন
শিক্ষকতার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিম করেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান
শিক্ষকতার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিম করেন মো. মোস্তাফিজুর রহমানপ্রথম আলো
পাঁচ ভাই, এক বোনের মধ্যে দ্বিতীয় মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আয়ের শুরুটা হয়েছিল গৃহশিক্ষক হিসেবে, ছাত্রজীবনে। ২০০৪ সালে শিক্ষকতা পেশায় জড়িয়ে আজ তিনি থিতু সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে। এই কলেজে ইংরেজির প্রভাষক তিনি। চমকে দেওয়ার মতো তথ্য হলো মোস্তাফিজুর রহমানের মাসিক আয় প্রায় দুই লাখ টাকা। গ্রামের একটি ডিগ্রি কলেজে পড়িয়ে এটা কীভাবে সম্ভব?

মাসে গড়ে দুই লাখ টাকা আয় করা মো. মোস্তাফিজুর রহমান এটা সম্ভব করেছেন ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং কাজের মাধ্যমে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের নিয়মিত কর্মীর বাইরে মুক্তপেশাজীবী বা ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করিয়ে নেন। এটিই ‘ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং’ নামে পরিচিত। গ্রাহকের নির্দিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ে কাজ করে দেন ফ্রিল্যান্সাররা। মোস্তাফিজুর রহমান এমন কাজই করেন চারজনের একটি দল নিয়ে। ধর্মপাশায় বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা পণ্যের বর্ণনা লিখে দেয় মোস্তাফিজুর ও তাঁর দল। লিখতে হয় ইংরেজিতে। কারিগরি ভাষায় এই বিষয়টিকে বলে ‘কনটেন্ট রাইটিং’। সাত বছর আগে কন্টেন্ট রাইটিং দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।

শিক্ষকতার পাশাপাশি সৃজনশীল লেখালেখি
নিজেকে কখনোই শিক্ষক ছাড়া আর কিছু ভাবতেন না মোস্তাফিজুর রহমান। যত চাকরির আবেদন করেছেন, সবই শিক্ষকতার। তবে শিক্ষকতার পাশাপাশি সৃজনশীল লেখালেখির অভ্যাস ছিল তাঁর। ২০১৬ সালের ঘটনা। তখন তিনি নেত্রকোনা সরকারি কলেজে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির অতিথি প্রভাষক হিসেবে ক্লাস নেন। যেহেতু তাঁর পড়াশোনা ও লেখালেখির প্রতি একটা ঝোঁক আছে, তাই এক সহকর্মী হঠাৎই মোস্তাফিজুর রহমানকে পরামর্শ দেন মুক্ত পেশাজীবী বা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে লেখালেখি শুরু করার। কিছুদিন চিন্তাভাবনা করলেন। তারপর শুরু করলেন ফ্রিল্যান্সিং। এ ক্ষেত্রে তাঁকে সাহায্য করেছে ছোটবেলা থেকে প্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ। ২০০০ সালে, ছাত্রজীবনেই টিউশনির টাকা দিয়ে একটি কম্পিউটার কিনেছিলেন মোস্তাফিজুর।

আরও পড়ুন
ছিলেন রাজমিস্ত্রির সহযোগী, ফ্রিল্যান্সিং করে কোটালীপাড়ার সমুয়েল গড়েছেন দোতলা বাড়ি
২৩ এপ্রিল ২০২৪
ছিলেন রাজমিস্ত্রির সহযোগী, ফ্রিল্যান্সিং করে কোটালীপাড়ার সমুয়েল গড়েছেন দোতলা বাড়ি

ভুল থেকে শেখা
২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ দেওয়া–নেওয়ার ওয়েবসাইট (অনলাইন মার্কেটপ্লেস) আপওয়ার্কে নিজের একটি অ্যাকাউন্ট খুলে প্রোফাইল বানালেন মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁর ইচ্ছা ছিল এভাবে নিজের লেখালেখির হাতটাও ঝালাই করে নেবেন। আপওয়ার্কে প্রোফাইল খোলার পর সহজেই কিছু কাজ পেয়েছিলেন মোস্তাফিজুর। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘১০-১৫ দিনে তিন হাজার টাকা আয় করেছিলাম, এটা মনে আছে। সহজে কাজ পাওয়ার উত্তেজনায় আরও বেশি কাজের জন্য আবেদন করতে থাকি। কিন্তু আপওয়ার্কের নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন ও কাজের সাড়া পাওয়ার নির্দিষ্ট অনুপাত থাকতে হয়। সেটা না হলেই রিপোর্ট করে দেবে।’ সেটাই হলো মোস্তাফিজুর রহমানের ক্ষেত্রে। সঠিক অনুপাতে সাড়া না পাওয়ায় নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়ে মোস্তাফিজুর রহমানের প্রোফাইল। পুনর্বিবেচনার জন্য আপিল করেছিলেন তিনি। প্রোফাইল ফিরে পেতে লেগে গেল তিন মাস।

মোস্তাফিজুর রহমান যখন এই লেখালেখি শুরু করেন তখন বাংলাদেশের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার বা ব্লগাররা ভালো অবস্থানে ছিলেন। তাঁদের অনেক লেখকের প্রয়োজন ছিল। লেখকদের ভালো একটি সম্মানীও দিচ্ছিলেন তাঁরা। এ কারণে মোস্তাফিজুর রহমান আর আপওয়ার্কে ফিরে যাওয়ার আগ্রহ পাননি।
নিজের লেখালেখির দক্ষতা মোস্তাফিজুর রহমান ফ্রিল্যান্সিংয়ে কাজে লাগালেন। কম হলেও প্রথম দিন থেকে টাকা আয় করছিলেন তিনি। তবে অর্থের চেয়ে কাজের নেশা পেয়ে বসেছিল তাঁকে। সরাসরি নিজের জন্য কিছু করার তাগিদ থেকে শুরু করলেন নিজের নামে ব্লগ লেখা। অর্থাৎ নিজের নামে ওয়েবসাইট খুলে সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে লিখতেন।ধর্মপাশা থেকে ফ্রিল্যান্সিং
চাকরি সূত্রে নেত্রকোনায় ছিলেন এক বছরের মতো। ২০১৯ সালে বিয়ে করলেন। স্ত্রী মাহাবুবা ইসলামের কর্মস্থল সিলেটে। ওদিকে মোস্তাফিজুর রহমান তখন ধর্মপাশার কলেজে যোগ দিয়েছেন। তাঁকে সিলেট ও সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় যাতায়াত করতে হতো। ব্লগ লেখা ও প্রকাশের বেলায় বড় সমস্যা ছিল ইন্টারনেটের ধীরগতি। নিবন্ধ প্রকাশ বা আপলোড করতে ঝামেলাই হতো। ‘কনটেন্ট রাইটিং’ বিষয়ে নিবন্ধ মানে তো শুধু লেখা নয়। ইনফোগ্রাফ, ছবি–ভিডিও থাকত সেখানে। তাই উচ্চগতির ইন্টারনেটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিলেন তীব্রভাবে। এ সময় হাত বাড়াল ‘স্বাধীন ওয়াই–ফাই’ নামের ইন্টারনেট সংযোগ প্রতিষ্ঠান। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ দেয় তারা। স্বাধীনের সংযোগ নেওয়ার পর পুরোদমে ব্লগ লেখার কাজ করতে থাকেন মোস্তাফিজুর রহমান।

লিখে আয় ভালো হলেও একটা অতৃপ্তি রয়েছে মোস্তাফিজুর রহমানের। কারণ, ৯০ শতাংশ লেখাতেই লেখক হিসেবে তাঁর নাম থাকে না। তবে ইদানীং পরিচিতি বাড়ছে তাঁর, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাঁর নাম যুক্ত হচ্ছে।

দুবাইভিত্তিক একটি অটোমোবাইল প্রকল্পে এখন যুক্ত হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। মূল গ্রাহক অবশ্য একজন বাংলাদেশি। এই প্রকল্পের ৮–১০ জন লেখকের একটি দলের মান নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করছেন মোস্তাফিজুর রহমান। সহজ ভাষায় তিনি সম্পাদনার কাজ করেন। পাশাপাশি তাঁকে লেখার বিষয়, ডিজিটাল বিপণন, ব্যবসা উন্নয়ন, এসইও ইত্যাদি প্রযুক্তিগত দিকগুলোও দেখতে হয়।

শিক্ষকতার পাশাপাশি লেখালেখি
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সফলতা পেলেও শিক্ষকতাকে এখনো মূল পেশা হিসেবে রেখেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। দুটি কাজেই স্বাচ্ছন্দ্য তিনি। ২০১০ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে জ্যেষ্ঠ প্রভাষক হিসেবে কর্মরত মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘শিক্ষকতায় থাকব। পাশাপাশি লেখালেখির কাজ চালিয়ে যাব। আমার ছাত্রছাত্রীদের লেখালেখির ব্যাপারে উৎসাহ দিচ্ছি। কীভাবে তাঁরা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে লেখালেখি করতে পারে, সে বিষয়ে তাদের সহযোগিতা করে যাচ্ছি।’

বাফুফে সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন না কাজী সালাহউদ্দিন।বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন না কাজ...
14/09/2024

বাফুফে সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন না কাজী সালাহউদ্দিন।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন না কাজী সালাহউদ্দিন। আজ বাফুফে ভবনে এসে এই ঘোষণা দেন ২০০৮ থেকে বাফুফের সভাপতি পদে থাকা সাবেক এই ফুটবলার। আগামী ২৬ অক্টোবর বাফুফের পরবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা।

আজ বাফুফে ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমি চার মেয়াদে দায়িত্বে ছিলাম। সেজন্য নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি, যে এমন সুযোগ আমার জীবনে এসেছে।এখন বাফুফের যে নির্বাচন আসছে, ২৬ অক্টেবরে; আমি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব না। এটা আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এটা জানানোর জন্য এসেছি।’

বাফুফে নির্বাচন ২৬ অক্টোবর না করে পেছানোরও একটা দাবি ছিল। সালাহউদ্দিন জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বাফুফে ফিফাকে চিঠি লিখেছিল। তবে ফিফা নির্বাচন পেছানোর আবেদনে নাকচ করে দিয়েছে। বাফুফের চিঠির উত্তরে ফিফা জানিয়েছে, নির্বাচন একদিনও পেছানো যাবে না।
(বাফুফে) সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন না কাজী সালাহ ভবনে এসে এই ঘোষণা দেন ২০০৮ থেকে বাফুফের সভাপতি পদে থাকা সাবেক এই ফুটবলার। আগামী ২৬ অক্টোবর বাফুফের পরবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা।

আজ বাফুফে ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমি চার মেয়াদে দায়িত্বে ছিলাম। সেজন্য নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি, যে এমন সুযোগ আমার জীবনে এসেছে।এখন বাফুফের যে নির্বাচন আসছে, ২৬ অক্টেবরে; আমি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব না। এটা আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এটা জানানোর জন্য এসেছি।’

বাফুফে নির্বাচন ২৬ অক্টোবর না করে পেছানোরও একটা দাবি ছিল। সালাহউদ্দিন জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বাফুফে ফিফাকে চিঠি লিখেছিল। তবে ফিফা নির্বাচন পেছানোর আবেদনে নাকচ করে দিয়েছে। বাফুফের চিঠির উত্তরে ফিফা জানিয়েছে, নির্বাচন একদিনও পেছানো যাবে না।

২০০৮ সালে প্রথমবার বাফুফের সভাপতি নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিন
২০০৮ সালে প্রথমবার বাফুফের সভাপতি নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিনপ্রথম আলো
৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের ফুটবল–সমর্থকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ ফুটবল আলট্রাস’ সালাহউদ্দিনের পদত্যাগের দাবি তোলে। সংগঠনটি দুই দফায় বাফুফের সামনে গিয়ে বিক্ষোভও করেছে। এরপর সংগঠনটি সালাহউদ্দিনকে পদত্যাগের আলটিমেটামও দেয়।

তবে সেই আলটিমেটামকে গুরুত্ব না দিয়ে গত ১৩ আগস্ট সালাউদ্দিন জানিয়েছিলেন, তিনি পদত্যাগ তো করবেনই না, বরং আবার বাফুফের সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন। সেই ঘোষণার এক মাস পর নিজের অবস্থান বদলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানালেন সালাহউদ্দিন।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন না কাজী সালাহউদ্দিন। আজ বাফুফে ভবনে এসে এই ঘোষণা দেন ২০০৮ থেকে বাফুফের সভাপতি পদে থাকা সাবেক এই ফুটবলার। আগামী ২৬ অক্টোবর বাফুফের পরবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা।

আজ বাফুফে ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমি চার মেয়াদে দায়িত্বে ছিলাম। সেজন্য নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি, যে এমন সুযোগ আমার জীবনে এসেছে।এখন বাফুফের যে নির্বাচন আসছে, ২৬ অক্টেবরে; আমি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব না। এটা আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এটা জানানোর জন্য এসেছি।’

বাফুফে নির্বাচন ২৬ অক্টোবর না করে পেছানোরও একটা দাবি ছিল। সালাহউদ্দিন জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বাফুফে ফিফাকে চিঠি লিখেছিল। তবে ফিফা নির্বাচন পেছানোর আবেদনে নাকচ করে দিয়েছে। বাফুফের চিঠির উত্তরে ফিফা জানিয়েছে, নির্বাচন একদিনও পেছানো যাবে না।

২০০৮ সালে প্রথমবার বাফুফের সভাপতি নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিন
২০০৮ সালে প্রথমবার বাফুফের সভাপতি নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিনপ্রথম আলো
৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের ফুটবল–সমর্থকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ ফুটবল আলট্রাস’ সালাহউদ্দিনের পদত্যাগের দাবি তোলে। সংগঠনটি দুই দফায় বাফুফের সামনে গিয়ে বিক্ষোভও করেছে। এরপর সংগঠনটি সালাহউদ্দিনকে পদত্যাগের আলটিমেটামও দেয়।

তবে সেই আলটিমেটামকে গুরুত্ব না দিয়ে গত ১৩ আগস্ট সালাউদ্দিন জানিয়েছিলেন, তিনি পদত্যাগ তো করবেনই না, বরং আবার বাফুফের সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন। সেই ঘোষণার এক মাস পর নিজের অবস্থান বদলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানালেন সালাহউদ্দিন।

২০০৮ সালে সাবেক সেনা কর্মকর্তা আমিন আহমেদ চৌধুরীকে হারিয়ে প্রথমবার বাফুফে সভাপতি হন সালাহউদ্দিন। এর পর ২০১২ সালে আবার সালাহউদ্দিন সভাপতি নির্বাচিত হন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। ২০১৬ সালের নির্বাচনে তিনি প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়েন, তবে শেষ পর্যন্ত কামরুল আশরাফ খানকে (৫০ ভোট) হারিয়ে বাফুফেতে নিজের সিংহাসন ধরে রাখেন সালাহউদ্দিন (৮৩ ভোট)। ২০২০ সালের নির্বাচনে সভাপতি পদে কাজী সালাউদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাফুফের প্রাক্তন সহসভাপতি ও সাবেক ফুটবলার বাদল রায় এবং সাবেক ফুটবলার ও কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক। সেই নির্বাচনে ৯৪ ভোট পেয়ে আবার জয়ী হন সালাহউদ্দিন। অসুস্থতার কথা বলে প্রথমে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিয়ে বাদল রায় পান ৪০ ভোট, মানিক পান ১ ভোট।বাফুফে থেকে সালাহউদ্দিনের সরে যাওয়ার দাবি গত কয়েক বছরে প্রবল হয়ে উঠে। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে গত বছর এপ্রিলে বাফুফের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় ফিফা। বাফুফের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম দুই বছর নিষিদ্ধ হন। বাফুফের অর্থ কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগে সিনিয়র সহসভাপতি সালাম মুর্শেদীকে ফিফা ১৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সালাম অবশ্য রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই বাফুফের সহসভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এর আগেই প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয়ে অস্বচ্ছতার নানা প্রশ্ন তুলে নির্বাহী কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আরিফ হোসেন মুন। সভাপতি হিসেবে সালাহউদ্দিন এসব অনিয়মের দায় এড়াতে পারেন কি না, সেই প্রশ্ন জোরালো হয়ে উঠে।

প্রতিদিন মাত্র ৪টি কাঠবাদাম খেলে কী হবে জানেন?প্রাচীনকাল থেকেই মিশরীয় ও ভারতীয়দের খাদ্যতালিকায় কাঠবাদাম থাকত। এই বাদামে ...
13/09/2024

প্রতিদিন মাত্র ৪টি কাঠবাদাম খেলে কী হবে জানেন?

প্রাচীনকাল থেকেই মিশরীয় ও ভারতীয়দের খাদ্যতালিকায় কাঠবাদাম থাকত। এই বাদামে রয়েছে প্রচুর খনিজ উপাদান ও ভিটামিন। ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি, আমিষ ও অ্যামাইনো অ্যাসিডেও সমৃদ্ধ কাঠবাদাম। এই বাদাম খেলে কয়েক প্রকার ক্যানসারও প্রতিরোধ করা যায়। কাঠবাদাম খেলে শরীরে যে আটটি উপকারী ঘটনা ঘটে, তা নিয়ে আজকের আয়োজনে।

সুস্থতা
প্রতিদিন মাত্র ৪টি কাঠবাদাম খেলে কী হবে জানেন
প্রাচীনকাল থেকেই মিশরীয় ও ভারতীয়দের খাদ্যতালিকায় কাঠবাদাম থাকত। এই বাদামে রয়েছে প্রচুর খনিজ উপাদান ও ভিটামিন।

১. ওজন কমায়

উচ্চ ক্যালরি থাকা সত্ত্বেও ওজন কমাতে বেশ উপকারি কাঠবাদাম। এই বাদাম আঁশ, আমিষ ও কিছু স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে ভরপুর। গবেষণা বলছে, কাঠবাদাম ক্ষুধা কমায়, দিনশেষে বাড়তি খাওয়ার ইচ্ছা দূর করে। তাই শরীর থেকে অতিরিক্ত ক্যালরি দূর করতেও এটি সাহায্য করে। তবে উচ্চ ক্যালরিযুক্ত হওয়ায় এটি বেশি খাওয়া যাবে না।

২. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়

মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে এমন অনেক পুষ্টি উপাদান কাঠবাদামে রয়েছে। এতে থাকা অ্যামাইনো এসিড, উপকারি ফ্যাট আমাদের মস্তিষ্ককে যেকোনো কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা বাড়াতেও কাঠবাদামের ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া কাঠবাদাম অনিদ্রা ও মানসিক চাপ কমায়।

৩. ত্বক ভালো রাখে

কাঠবাদামে রয়েছে ভিটামিন ই। এই গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টটি ত্বককে দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। দিনে অন্তত চারটি করে কাঠবাদাম খেলে শরীরে কোলাজেনের উৎপাদন প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ত্বককে নরম ও স্থিতিস্থাপক করে তোলে। সর্বশেষ
রাজনীতি
বাংলাদেশ
অপরাধ
বিশ্ব
বাণিজ্য
মতামত
খেলা
বিনোদন
চাকরি
জীবনযাপন
Eng
By using this site, you agree to our Privacy Policy.
OK
ছবি
ভিডিও
সাক্ষাৎকার

সুস্থতা
প্রতিদিন মাত্র ৪টি কাঠবাদাম খেলে কী হবে জানেন
প্রাচীনকাল থেকেই মিশরীয় ও ভারতীয়দের খাদ্যতালিকায় কাঠবাদাম থাকত। এই বাদামে রয়েছে প্রচুর খনিজ উপাদান ও ভিটামিন। ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি, আমিষ ও অ্যামাইনো অ্যাসিডেও সমৃদ্ধ কাঠবাদাম। এই বাদাম খেলে কয়েক প্রকার ক্যানসারও প্রতিরোধ করা যায়। কাঠবাদাম খেলে শরীরে যে আটটি উপকারী ঘটনা ঘটে, তা নিয়ে আজকের আয়োজন।

আবু দারদা মাহফুজ
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৪: ৪৫
ফলো করুন
শরীর থেকে অতিরিক্ত ক্যালরি দূর করতে সাহায্য করে কাঠবাদাম
শরীর থেকে অতিরিক্ত ক্যালরি দূর করতে সাহায্য করে কাঠবাদামছবি: পেক্সেলস
১. ওজন কমায়

উচ্চ ক্যালরি থাকা সত্ত্বেও ওজন কমাতে বেশ উপকারি কাঠবাদাম। এই বাদাম আঁশ, আমিষ ও কিছু স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে ভরপুর। গবেষণা বলছে, কাঠবাদাম ক্ষুধা কমায়, দিনশেষে বাড়তি খাওয়ার ইচ্ছা দূর করে। তাই শরীর থেকে অতিরিক্ত ক্যালরি দূর করতেও এটি সাহায্য করে। তবে উচ্চ ক্যালরিযুক্ত হওয়ায় এটি বেশি খাওয়া যাবে না।

২. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়

মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে এমন অনেক পুষ্টি উপাদান কাঠবাদামে রয়েছে। এতে থাকা অ্যামাইনো এসিড, উপকারি ফ্যাট আমাদের মস্তিষ্ককে যেকোনো কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা বাড়াতেও কাঠবাদামের ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া কাঠবাদাম অনিদ্রা ও মানসিক চাপ কমায়।

৩. ত্বক ভালো রাখে

কাঠবাদামে রয়েছে ভিটামিন ই। এই গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টটি ত্বককে দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। দিনে অন্তত চারটি করে কাঠবাদাম খেলে শরীরে কোলাজেনের উৎপাদন প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ত্বককে নরম ও স্থিতিস্থাপক করে তোলে।

৪. হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়

গবেষণা বলছে, যাঁরা সপ্তাহে অন্তত পাঁচ বার কাঠবাদাম খান, তাঁদের হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। আগেই বলেছি, কাঠবাদামে রয়েছে ভিটামিন ই, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ধমনীর ক্ষতির জন্য দায়ী সি-রিয়্যাক্টিভ প্রোটিন কমাতে ভূমিকা রাখে কাঠবাদাম। কাঠবাদামে ভালো পরিমাণে মনোআনস্যাচুরেটেড ও কিছু পরিমাণে পলিআনস্যাচুরেটেড চর্বি থাকে—যা আমাদের শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়।

৫. হাড় শক্তিশালী করে

কাঠবাদাম ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। ক্যালসিয়াম অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে। সেই সঙ্গে হাড়, দাঁত এবং মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে। এ ছাড়াও কাঠবাদামে থাকে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম, যা হাড়ের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে। প্রতিদিন কাঠবাদাম খেলে হাড়ের খনিজ ঘনত্ব বৃদ্ধি করে। এতে আমাদের কঙ্কালতন্ত্র শক্তিশালী হয়।

৬. দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে

কাঠবাদামে রয়েছে ফসফরাস। এটি আমাদের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে। আর সার্বিকভাবে চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
৭. গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্য ভালো রাখে

গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন অল্পকিছু পরিমাণে হলেও কাঠবাদাম খাওয়া উচিত। এতে থাকে ভিটামিন ই যা অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য খুবই দরকারি। কাঠবাদাম খেলে গর্ভের অনাগত সন্তানের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। বিশেষ করে, গর্ভের ফিটাস যদি স্বাভাবিকের চেয়ে ধীরে বৃদ্ধি পায় তাহলে কাঠবাদাম খাওয়া হতে পারে ভালো সমাধান।

৮. ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

মার্কিন জৈব রসায়নবিদ এডউইন ক্রেবস মনে করেন, নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন বি–এর অভাবে কয়েক ধরনের ক্যানসার সেল তৈরি হতে পারে। কাঠবাদামে প্রচুর ভিটামিন বি ও ফ্ল্যাভনয়েড থাকে, যা নারীদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। এতে বোরন থাকায় প্রস্টেট ক্যানসারও প্রতিরোধ করতেও সহায়তা করে কাঠবাদাম।

কীভাবে খাবেন?

প্রতিদিন ১৪টা পর্যন্ত কাঠবাদাম খাওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিদিন মাত্র চারটি কাঠবাদাম খেলেই আপনি ওপরের সমস্ত উপকার পাবেন। রাতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালিপেটে খেতে পারেন কাঠবাদাম। সালাদ, পায়েস, আইসক্রিম, কেক, পোলাও, ফ্রায়েড রাইস—সবখানেই চলে কাঠবাদাম। দুই খাবারের মধ্যেও খেতে পারেন। স্মুদি, বিভিন্ন মিশ্র ফল, মিল্কশেকের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন কাঠবাদাম। মাংসসহ বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন কাঠবাদামের পেস্ট। অফিসে একটা ছোট কৌটায় রেখে দিতে পারেন কাঠবাদাম। কাজের ফাঁকে পেট খিদের জানান দিলে চিবিয়ে খেয়ে নিলেন!

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SelfOpinion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share