15/08/2026
বাবাকে মে*রে*ছিল ১৫ জন মিলে, দুই সন্তান মিলে সেই ১৫ জনের লি*ডারকে মে**রেছেন!
খু*ন করার পর পুলিশের হাতে ধরা পড়ে নিজেরাই দিয়েছেন জবানবন্দি। বলেছেন, “আমার বাবাকে তারা ১৫ জন মিলে মে*রেছে, আর আমরা দুই ভাই মিলে তাদের একজনকে মে**রেছি।”
ঘটনাটি যেন সিনেমার গল্পকেও হা*র মানায়। বাংলা সিনেমা ‘শান্ত কেন মা*স্তান’-এর গল্পের মতো—যেখানে বাবার খু*নের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে শান্ত হয়ে ওঠে মাস্তা*ন। পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পরও শান্ত বলেছিল, তার মিশন শেষ হয়নি; ফিরে এসে সে আবারও প্রতি*শো*ধ নেবে।
অনেকটা তেমনই বক্তব্য দিয়েছেন খালেক। তাঁর ভাষ্য, “আমার মিশন এখনো শেষ হয়নি। আমি যদি জেল থেকে বেরিয়ে আসতে পারি, তাহলে বাকিদের ওপরও শনি আছে।”
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, এই হ*ত্যাকা*ণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের অনেক মানুষ খালেককে সমর্থন করছেন। অনেকেই বলছেন, তাঁর বাবাকে হ*ত্যার পর বাড়িঘরে আ*গুন দেওয়া ও লু*টপা*টের অ*ভিযোগ থাকলেও পরিবারটি ন্যায়বিচার পায়নি—আর সেই ক্ষো*ভ থেকেই খালেক ও তাঁর ভাই নিজেরাই প্র*তিশোধের পথ বেছে নিয়েছেন।
কিন্তু এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—বিচার না পাওয়ার ক্ষো*ভ যত গভীরই হোক, নিজের হাতে আইন তুলে নে*ওয়া কি কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে? একজন হ*ত্যার শিকার হলে তার প্রতি*শো*ধে আরেকজনকে হ*ত্যা করা হলে স*হিংসতা*র এই চক্র কোথায় গিয়ে থামবে? অ*পরাধীর বিচার ও শা*স্তি হওয়া উচিত দেশের প্রচলিত আইন ও আদালতের মাধ্যমে। ন্যায়বিচার পেতে বিলম্ব বা ব্যর্থতা থাকলে তারও জবাবদিহি দরকার, কিন্তু ব্যক্তিগত প্র*তিশো*ধ কখনো আইনি বিচারের বিকল্প হতে পারে না।
বাবা হ*ত্যার বিচার চাওয়া অধিকার, কিন্তু নিজের হাতে বি*চার তু*লে নেওয়া আইনসম্মত নয়। প্র*তিশো*ধ নয়—আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারই শেষ কথা হওয়া উচিত।