21/06/2025
১১ বছরের আরেকটি মেয়ে......
সাদিয়াকে দেখলে মনে হবে ৮ বছরের ছোট্ট শিশু। পঞ্চম শ্রেণী শেষ করে মাত্র ষষ্ঠ শ্রেণীতে উঠেছে। বয়স মাত্র ১১।
স্কুলে বান্ধবীদের সাথে যায় আসে। বাসায় আরবী পড়ে এক মেডামের কাছে।
স্কুলে যাতায়াতের সময় প্রতিদিন চোখে চোখ পড়ে দোকানে কাজ করা ১৬বছরের এক কর্মচারী ছেলের উপর। চোখে চোখে কথা চলে মাসখানেক । এক সময় সেটা রূপ নেয় গভীর প্রেমে। রাতের বেলা গোপনে দাদির মোবাইল দিয়ে চুটিয়ে কথা বলে প্রেমিকের সাথে।
এভাবে চলে যায় ৪ মাস। হঠাত একদিন স্কুল থেকে আর বাড়ি ফিরে না সাদিয়া। পরিবারের সবাই পেরেশান। কান্নাকাটি আর খোঁজাখুঁজি করে সকলে হয়রান।
দুইদিন পর কল আসে দাদির মোবাইলে। ওপাশ থেকে ভেসে আসে সাদিয়ার কণ্ঠ। দাদি আনন্দেএক চিৎকার দিয়ে ওঠে নাতনির সন্ধান পাওয়া গেলো বলে।
সাদিয়া বললো, দাদি! আমি আরমানের সাথে চলে আসছি। ওকে নিয়ে খুব ভালো আছি। হানিমুনে আসছি। ২মাস আগে ওর বন্ধুরা মিলে আমাদের বিয়ে পড়িয়ে দিয়েছিলো।
দাদি বললো, যা করছত তা তো করেই ফেলছত না বুঝে। এখন ফিরে আস। তোর বাবা মা সব পাগল হয়েগেছে। সাদিয়া সহজ উত্তর দিলো যে, এক শর্তে বাড়ি ফিরতে পারি যদি তোমরা সবাই আমাদের দুজনের বিয়েকে মেনে নাও!
কোনো বুঝোই শুনলো না সাদিয়া। এক সপ্তাহ পর পরিবারের সবাইরমেনে নিলো। আরমান আর সাদিয়া বাড়িতে আসলো। ওরা দুজন খুশি। বাকিদের মুখ ভার।
রাতের বেলা মেয়েকে আটকানো হলো। ছেলেকে মারধর করা হলো। বাসা থেকে বের করে দেয়া হলো। আরমান চলে গেলো। ঘন্টাখানেক সাদিয়া চিল্লাপাল্লা করে শান্ত হলো।
রাত সাড়ে এগারোটার দিকে সাদিয়া পেশাব করতে বের হলো মাকে বলে। বের হতে দেরি কিন্ত দৌড় দিতে দেরি নেই। ঘাষ খেতের দিকে দৌড়। খেতের মাঝে একটি কড়ই গাছ ছিলো। সোজা সেখানে চলে গেলো।
গিয়ে আরমানকে ডাক দিলো। আরমান ঘাষের উপর শোয়া থেকে উঠে বসলো। এরপর সাদিয়ার হাত ধরে উঠে দাঁড়িয়ে দুজনে দ্রুত নতুন গন্তব্যে হাটা শুরু করলো।
১৫ মিনিট হয়েগেলো। মেয়ে ঘরে ফিরছেনা দেখে মা ডাকতে লাগলো। কিন্ত কোনো সাড়াশব্দ পেলো না। বুঝতে বাকি থাকলো না যে, দ্বিতীয় বারের মতো তার মেয়ে চলে গেছে আরমানের কাছে।
চাচারা মোটরসাইকেল নিয়ে খুঁজতে বের হয়েগেলো। দুই বাজার পর তাদেরকে পেলো। সাদিয়া চিৎকার দিয়ে বললো সামনে বাড়লে লাশ পাবে। খবরদার!
জামার ভেতর থেকে দুজনে বিষের বোতল বের করলো। চাচারা দেখে হতবাক। ওয়াদা করলো যে, মেনে নিলাম।
দুজনকে নিয়ে বাড়িতে ফিরলো।
সাদিয়া বললো, তো