30/08/2025
কোনো স্বার্থপর মেয়ে দেখলে তাকে গালি দিও না। মেয়েদের একটু স্বার্থপর হতেই হবে। শুধু নিজের জন্য নয়, নিজের ভবিষ্যৎ সন্তানদের জন্য হলেও মেয়েদের স্বার্থপর হতে হবে! প্রতিটি মেয়ের উচিত বিয়ের আগে সময় নিয়ে ভালো করে বিচার-বিবেচনা করে জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়া। আবেগে, ভালোবেসে, ইমোশনাল হয়ে প্রেম করা যায়, কিন্তু সংসার করা যায় না। সংসার করতে লাগে বুদ্ধি, দায়িত্বশীলতা, যত্ন, ইচ্ছা, দূরদর্শিতা, সহনশীলতা!
আবেগে ইমোশনাল হয়ে প্রেম করে বিয়ে করলেন, তারপর দেখলেন জীবনসঙ্গী প্রেম করার যোগ্য ছিল, কিন্তু সংসার করার যোগ্যতা তার এখনো হয়নি—তাহলে সেই সংসার কি আদৌ টিকবে? প্রেমিক যদি ধৈর্যশীল না হয়, দায়িত্ববান না হয়, কর্মঠ না হয়, ভবিষ্যতের কোনো পরিকল্পনা না থাকে, পারিবারিক এবং সাংসারিক না হয়—তাহলে সেই পুরুষ শুধু আপনার ভবিষ্যৎ নয়, আপনার ভবিষ্যৎ সন্তানদের জীবনও ধ্বংস করে দেবে।
আপনি যখন প্রেম করেন, প্রেম তখন দুজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। প্রেম Toxic হলে সেটা শুধু দুজনেই ভোগে। কিন্তু বিয়ে এত সহজ না। বিয়ে যদি ভুল মানুষের সাথে হয় এবং সেটা Toxic হয়, তাহলে দুজনের সাথে সাথে দুই পরিবার, আপনার সন্তান, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ভুগবে!
তাই শুধু নিজের কথা না ভেবে, নিজের ভবিষ্যৎ সন্তানের ভালো ভবিষ্যতের জন্য একজন ভালো জীবনসঙ্গী বেছে নিন। স্বার্থপর হোন! সমাজ যাই বলুক, আপানাকে স্বার্থপর বলুক! দিনশেষে আপনাকেই একজন মা হতে হবে। মেয়েরা নিজের সাথে অন্যায় মানবে, সন্তানের সাথে নয়।
আর বিয়ের ক্ষেত্রে শুধু ভালো ছেলে নয়, ছেলের ভালো পরিবারও গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সন্তান সেই পরিবারের রক্তের ধারায় বড় হবে। ছেলের মা-বাবা ভালো হওয়াও অনেক জরুরি। আপনি বউ হয়ে সেই পরিবারে মানসিক শান্তিতে থাকলে আপনার সন্তানও শান্তিতে থাকবে, ভালো জিনিস শিখবে। মায়ের সাথে খারাপ আচরণ যে কোনো সন্তানের মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
একজন ভালো পুরুষ আপনার জীবনকে সুন্দর করে দিতে পারে, আবার আরেকজন ভুল পুরুষ সুন্দর জীবনকে সারা জীবনের জন্য বিকল করে দিতে পারে।
জীবনসঙ্গী বাছাইয়ে স্বার্থপর হতেই হবে!
゚