Iftekhar sakib

Iftekhar sakib এটা আমার গল্প....

19/08/2026

For the love of creation🎥

ভোরের সকালে মিষ্টি রোদের সোনালি আলোয়, ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে তোমার সঙ্গে আমার পরিচয়। বইপ্রেমী তুমি, আমার কাছে আবদার জা...
01/08/2026

ভোরের সকালে মিষ্টি রোদের সোনালি আলোয়, ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে তোমার সঙ্গে আমার পরিচয়। বইপ্রেমী তুমি, আমার কাছে আবদার জানালে নতুনত্বের স্বাদ নিতে। আমি অধম মানব,শুকনো পাতার মতো পড়ে থাকি বটবৃক্ষের নিচে।কুয়াশা ফেরে, রোদের কিরণ যেমন স্পর্শ করে তোমায়,বৃষ্টির ফোঁটা যেমন নিঃশব্দে মিশে যায় তোমার সঙ্গে।এরপর এরপর লিখতে পারছি না কিছু চিলতে রোদে স্মৃতি জমানোর কথা। অথচ কথা ছিল, লিখে দিতে পারবো পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা। সকালের কুয়াশায় শাপলার বিলে কাকের গলার গান শোনা কতটা স্বস্তির।সহজ নয় হয়তো এক বিকেলে ভাসিয়ে দেওয়া এক যুগের আক্ষেপ। ঠিক তেমনি কঠিন একরাশ কষ্ট ক্ষুধার্ত পেটে স্বস্তিতে গিলে ফেলা মাটির থালিকে সাজিয়ে দেওয়া হৃদপিণ্ড। মস্তিষ্কহীন মাথা নিষেধ করে ভালোবাসতে। একলা হৃদয় স্পর্শ খুঁজে একটা হাতের, যার আঙুল ধরে হাঁটা যায় স্বস্তির রাস্তায়।কোকিলের বাসায় ডিম দেওয়া কাককে স্বার্থপর হিসেবে চেনে সমাজ। এরপর আর লেখা যায় না, হাঁটা যায় না কাদামাখা পথে। চোখ দেখে না ভবিষ্যৎ। ঘড়ির কাঁটা আটকে থাকে অসময়ে। অন্ধকারে ভয়ে পেছন ফিরে তাকাতে পারিনি বলে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক শোনা হলো না, দেখা হলো না জোনাকি পোকার আলো।শেষ পর্যন্ত রয়ে গেলো শুকনো ফুলের তোড়া, মলাটের ভাঁজে লেগে থাকা কিছু চিঠি। রয়ে গেলো গায়ের গন্ধ, একসাথে চলা পথে পায়ের ছাপ সাক্ষী হয়ে থেকে গেলো বটবৃক্ষ তাদের খুশিতে গান গায়, ময়না পাখি পথ এগিয়ে দেয় ছায়া। আরও কিছুক্ষণ থেকে যেতে বাধ্য করে মায়া।চোখের কোনায় জমে থাকা পানিতে তৈরি হয় সাইক্লোন। বাতাসের সঙ্গে মিশে আক্ষেপ, হতাশা। ভিনদেশে কোনো মেঘ ভেসে তাদের ছায়া দেয়। দেয়ালজুড়ে গ্রাফিটি আঁকা হয়। দুহাত ভরে নিয়ে আসে সোডিয়ামের আলো।দূর থেকে কাক আজও তার বাচ্চাদের দেখে কোকিলের বাসায়। অভিমানের পাহাড় নিয়ে হয়তো সে আর চোখে চোখ রাখে না বাচ্চাদের সঙ্গে ।থেকে যাওয়ার গল্প বলতে বলতে উদাস হয়ে আকাশের দিকে তাকায় বৃক্ষমানব।
জীবন এখানে একা।

31/07/2026

আমার কান্ত বিকেল গন্ধে

রাতের আকাশের স্নিগ্ধতা চায়ের কাপে এক পাতলা স্তর হয়ে জমে থাকে ভাবনার ধারায়। বাড়ির বিড়ালছানা পথ দেখায় নীরবতার। আকাশে...
30/07/2026

রাতের আকাশের স্নিগ্ধতা চায়ের কাপে এক পাতলা স্তর হয়ে জমে থাকে ভাবনার ধারায়। বাড়ির বিড়ালছানা পথ দেখায় নীরবতার। আকাশে চাঁদ দেখা যাচ্ছে অস্পষ্টভাবে। মারাত্মক সুন্দর হতো, যদি লিখতে পারতাম তার বর্ণনা।বটবৃক্ষকে যদি কোনো আলিশান বিলায় বনসাই হয়ে থেকে যেতে বলা হতো, সে অবলীলায় না করে দিত। সবুজঘেরা মাঠে সে যেমন আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে বাঁচে, বনসাই হলে হয়তো সেই স্বপ্ন আর পূরণ হতো না। গাছেরা আকাশ ছুঁতে পারে, বাতাসের সঙ্গে কথা বলতে পারে, শেকড়ের সঙ্গে মিশে যেতে পারে। তাদের মতো হওয়ার স্বপ্ন নিয়েই বেঁচে থাকে বৃক্ষমানব। জ্যোৎস্নার রাতে বাতাসের সঙ্গে বয়ে আসা হিমশীতল হাওয়া ঠান্ডা করে হৃদয়কে।সবকিছু স্পষ্টভাবে বুঝে ফেলা মানুষের জীবন খুব কষ্টের হয়ে যায়। তারা জীবনকে উপভোগ করতে পারে না। মস্তিষ্ক শান্ত থাকে না, মন খুলে হাসতেও পারে না। এজন্য কখনো কখনো মনে হয়, অবুঝ থাকা জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
ধরো, এখন এই মুহূর্তে আর লেখা হলো না, আর কোনো লাইন। হুট করেই হারিয়ে গেলাম। অস্তিত্বের আর কোনো চিহ্ন রইল না। যে আয়ু গুনে গুনে স্বপ্ন লেখা হয়েছিল, তার কী হবে—কেউ জানল না। পাহাড়ের চূড়া ছিল তার ভীষণ প্রিয়। মন খারাপ থাকলে বৃষ্টির পানিতে ভিজত, আর জ্বর এলে নাপা খেতে চাইত না। স্বপ্নসমান কিছু লিখতে চেয়েও কলমের কালি সঙ্গ দিল না।ঠিক সন্ধ্যা নামার আগে স্মৃতিকাতর মস্তিষ্কে যে দমফাটা ব্যথা অনুভব হয়, শূন্য স্থানের মাঝে তখন দেয়াল তুলে দিতে মন চায়।শান্তির জন্য দূরত্ব বেছে নেওয়া মানুষেরা দূরে
থেকে ওভালোবাসতে জানে। এক বিকেলের স্মৃতি নিয়ে বিরহের কবিতায় উৎসর্গ করা যায় কাকডাকা দুপুরকে। যে হৃদয় উপলব্ধি করতে শিখেছে, তার কাছে অপূর্ণতা বলে কিছু নেই। বটবৃক্ষ ভালোবেসে ধরে রাখার কোনো দাবি করেনি, অপ্রাপ্তিকেও আপন করে নিয়েছে।

বৃক্ষমানবের জীবনে ভোরের আলো দেখার ইচ্ছে ছিল খুব। ঘড়ির অ্যালার্ম তা পূর্ণ করতে পারেনি। ভাতের হাঁড়িতে থাকা অন্ধকারে হারি...
27/07/2026

বৃক্ষমানবের জীবনে ভোরের আলো দেখার ইচ্ছে ছিল খুব। ঘড়ির অ্যালার্ম তা পূর্ণ করতে পারেনি। ভাতের হাঁড়িতে থাকা অন্ধকারে হারিয়ে গেছে শক্তি। চোখ খুলতে পারে না দুঃখ।তিন হাত তলে দাফন হয়ে পৃথিবী দেখতে চাওয়া যেমন অর্থহীন লাগে, তেমনি শূন্য হাতে এসে ভরা হাতে ফেরার অসম্ভবকেও মেনে নেয় কৈ মাছের জীবন। অহংকারের জায়গা হয় বাঁশতলায়।আগুনের সূত্রপাত হয় কোথায়? কয়লার শেষ ছিটেই তৈরি করে দাবানল। অর্থহীন সমাজে পুঁজিবাদীদের আমেজ; নরখাদকে পরিণত বস্তির দেয়াল। দু’মুঠো অক্সিজেনের অভাবে ভিক্ষা চাইতে দেখলে অবাক হবে না নিমতলা।স্বার্থপরতার ট্যাগলাইন নিয়ে ঘুরে বেড়ায় পৃথিবীর সভ্য জাতি। ইতিহাস লিখে বেড়ায় নিজের মতো। একটি পচে যাওয়া সিস্টেমের ফলে স্বাধীনতার পথ লিখতে হয় লেখককে। আক্ষেপ হয় খাঁচায় পোড়া ভালোবাসা দেখলে। মানুষ না হয়ে গর্ব হয় হায়নার।ঘড়ির কাঁটায় বিদায়বেলা দেখে ফেরাউন। হায়াতের যত দিন যায়, বৃক্ষমানব ততই পেঁচিয়ে যায় পৃথিবীর মাটিতে। থেকে যেতে চায় শেকড়ের টানে, সেই দিনের এই মাঠে।তার সঙ্গে অমলকান্তির বন্ধুত্বের কথা এখনো গোপন রেখেছে কাঠবিড়ালি। গাছের বুকে পেরেক ঠুকে লেখা হয় নাম।অমলকান্তি মরে যাবে এক সাধারণ দিনে— অনেকগুলো অসমাপ্ত কাজের মাঝে, অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি ভেঙে; রোদ্দুর না হয়ে।

24/07/2026

যা লিখতে যায় তুমি চলে আসো।

19/07/2026

history is ready to repeat🇦🇷

12/07/2026

তবে কি আমরা সার্থপর বাঙালি ?

10/07/2026

আমি দৌড়ে দৌড়ে দৌড়ে বেড়ায়

Address

Gazipur Sreepur
Dhaka
GAZIPURSREEPUR

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iftekhar sakib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share