SnEh0

SnEh0 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SnEh0, Dhaka.

"ফেলে আসা দিনগুলি কখনও পিছু ছাড়বে না”

"DM for paid promotions!"
কোন গল্প খুঁজে না পেলে পিন পোস্ট দেখুন, কোন পোস্ট বা গল্প/ছবি নিয়ে যদি সমস্যা থাকে আমাদের জানান, আমরা সেটা ডিলিট করে দিবো, ধন্যবাদ।

This page is owned by facebook.com/Sneh0Group

রাত্রি আর আসিফ দুজন এক যৌ*ন খেলায় লিপ্ত,তাদের যেন দিন দুনিয়ার কোন হু*শ নেই।অন্যদিকে।দরজায় নক করতে করতে এক পর্যায়ে প্রায় ...
03/12/2025

রাত্রি আর আসিফ দুজন এক যৌ*ন খেলায় লিপ্ত,তাদের যেন দিন দুনিয়ার কোন হু*শ নেই।
অন্যদিকে।

দরজায় নক করতে করতে এক পর্যায়ে প্রায় হয় রান হয়ে যায় শুভ খুব জোরে একটা ধাক্কা দিতেই খুলে যায় দরজা।

শুভ ত*ড়ি ঘ*ড়ি করে রুমের দিকে পা বাড়ায় এটা দেখতে যে রাত্রি ঠিক আছে কিনা কেন না রাত্রি তো কোন সময় এত দেরি করে না দরজা খুলতে।

এক পা দু পা করে
সিড়ি দিয়ে উপরে উঠছে শুভ হঠাৎ বেডরুম থেকে অ*শ্লী*ল আওয়াজ আসতে থাকে সেটা শুনেই শুভ রুমের দিকে উ*কি মা*রে তারপর যা দেখে তা দেখে শুভর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় শুভ'র মনে হলো তাঁর পুরো দুনিয়াটা অন্ধকার

শুভ এখন দেখছে তার স্ত্রী তথা রাত্রি আশফাক চৌধুরীর (রাত্রির বাবা) অফিসের ম্যানেজার আসিফ এর সাথে শা*রী*রি*ক মিলনে ব্যাস্ত।

এতটাই ব্যা'স্ত যে, শুভ যে তাঁদের দরজার সামনে দাড়িয়ে আছে সেটা খেয়ালই নেই তাদের। হঠাৎ রাত্রি শুভকে দেখতে পায় আর সাথে সাথে আসিফকে ধাক্কা মে'রে ফেলে দেয়।

আসিফ কি হলো বেবি আমাকে ফেলে দিলে কেনো?তুমি কি সুখ উপভোগ করছো না নাকি? আমার আদর তোমার ভালো লাগছেনা?

রাত্রি তো এক চোখে শুভর দিকে তাকিয়ে আছে কোন রকমে শরীরে কাপড় মু'ড়ি'য়ে

এভাবে দরজার দিকে রাত্রিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে আসিফ পিছনে তাকিয়ে দেখে তার পিছনে শুভ দাড়িয়ে।
শুভর চোখে জল আর রাগ দুটোই প্রকাশ পাচ্ছে।

নিরবতা ভে*ঙে শুভ গিয়ে আসিফকে উ*ল*ঙ্গ অবস্থায় টেনে ধরে ক*ষি*য়ে থা*প্প*র আর ঘু*ষি মা*র'*তে*ই থাকে।

রাত্রি কোনরকমে কাপড় ঠিক করে....

রাত্রিঃ এই তুই ওকে একদম মা*র*বি না ছাড় বলছি!

রাত্রির মুখে তুই শুনে শুভ অবাক হয়ে যায়।

শুভঃ ছি! তোমার মধ্যে কি সামান্য তম অ*প*রা*ধ*বো*ধ নেই আমার স্ত্রী হয়ে তুমি অন্যজনের সাথে বিছানায় মে*তে ছিলে আবার আমাকেই রাগ দেখাচ্ছো।

এই গল্পের মতোই কিছু ভালোবাসা গেঁথে রেখেছি এখানে facebook.com/SNHOFAC

রাত্রিঃ হাহাহা (ভয়ংকর হাসি দিয়ে) কে তোর স্ত্রী? তোকে এখন আর আমার ভালো লাগে না কি আছে তোর মধ্যে? না আছে টাকা না আছে স্ট্যাটাস অথচ দেখ আসিফের মধ্যে সব আছে,তাই আমি এখন আসিফকে ভালোবাসি।

রাগান্বিত হয়ে শুভ রাত্রির গালে থা*প্প*ড় দিয়ে।

শুভঃ ছি!তুই এত বড় চরিত্র'হী'ন তোকে আজ পর্যন্ত ভালোবেসেছি ভেবে আমার লজ্জা লাগছে।
(এরই মাঝে আসিফ কাপড় চোপড় পরে ফ্রেশ হয়ে আসে যেনো কিছুই হয়নি)

রাত্রিঃ তুই আমাকে থা*প্প*ড় মা*র*লি,থাকিস আমার বাবার ঘরে আবার আমার গায়ে হাত তুললি কোন সাহসে?(রেগে গিয়ে চিৎকার দিয়ে)

শুভ অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে কি বলবে মুখের ভাষা হারিয়ে ফেলেছে।

রাত্রি আবার বলতে শুরু করল...

আমার বাসায় আমি যাকে খুশি তাকে নিয়ে মা*স্তি করবো তাঁতে তোর কি? ওওও তোর স্ত্রী হই তাই এই অধিকার দেখাচ্ছিস যা তোকে ডিভোর্স দিয়ে দিবো।আমি আসিফকে বিয়ে করবো,এখন বের হ তোর জিনিস পত্র নিয়ে ফ*কি*ন্নি*র বাচ্চা ওও তুই কি নিবি সবকিছুই তো আমার বাবার টাকায় কেনা বলে (অট্টহাসি দিল রাত্রি আর আসিফ)

কথাটা শুনে শুভর পায়ের নিচ থেকে যেন মাটি সরে গেল।

শুভঃ আচ্ছা ভালো থাকো তাহলে তুমি তোমার এই অট্টালিকাতে। আসব না কখনো অধিকার খা'টা'তে বাসবো না কখনো ভালো তোমাকে তবে বলে রাখি একদিন কাঁদবে তুমি খুব তখন আর পাবে না আমায় সেদিন বুঝবে আমি কি ছিলাম তোমার জীবনে(অভিমানী কান্না সুরে)

শুভ ওয়ার্ড ড্রো*প থেকে কিছু পুরনো জামা বের করে ওয়াশরুমে চলে যায় এটা দেখে...

আসিফঃ কি রে ও কি আবার ওয়াশরুমে গিয়ে আ*ত্ম হ*ত্যা করবে নাকি যেভাবে গেলো তাতে তো তাই মনে হয় (হাঁসি দিয়ে)

রাত্রিঃ ম*র*লে ম*রু*ক দেখো না জান ও তোমায় আ*ঘা*ত করে কি হাল করেছে জা*নো*য়া*র কোথাকার আর আমাদের সুখের ও বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে।
এই বলে দুজনে দুজনের চার ঠোট এক করে ফেলে আবার।

এদিকে ওয়াশরুমে রাত্রির বাবার টাকায় কেনা কাপড় খুলে নিজের পুরনো কাপড় পড়তে পড়তে ওদের কথা শোনে আর চোখ দিয়ে অঝোরে বৃষ্টি পড়তে থাকে শুভ'র তবে এটা ভালোবাসার না ঘৃ'ণা'র বৃষ্টি।

শুভ মনে মনে বলতে থাকে...
তাহলে কি,আমার আর রাত্রির ভালোবাসা গুলো মিথ্যে ছিল,আমাদের ৮ বছরের ভালোবাসা না না আমাকে জানতে হবে।

আসিফ আর রাত্রি এখনো চার ঠোঁট এক করে আছে।

শুভ ওয়াশরুম থেকে বাহিরে বের হয়ে এসে ওদের খা'রা'প দৃশ্য দেখে চোখ ফিরিয়ে নেয়।
রাত্রি তা খেয়াল করে....

রাত্রিঃ উহু দাড়াও জান, দেখো না আপদ টা এখনো যায় নি ও গেলেই আমাকে আবার ভালোবাসা দিও।(হাঁসি দিয়ে)

শুভঃ রাত্রি তোমাকে শেষ একটা প্রশ্ন করবো প্লিজ উত্তর দিও।

রাত্রি মুখ ভে'ঙ'চি'য়ে কি তাড়াতাড়ি বল আমার আবার জানকে আদর করতে হবে।

শুভঃ আচ্ছা! তাহলে আমাদের ভালোবাসা কি মিথ্যে ছিল? ৮ বছরের সম্পর্ক?

রাত্রিঃ ওটা শুধু আবেগ আর মো'হ ছিল আর কিছুই না।দেখলি না এখন আমার আবেগ আর মো'হ দুটোই কে'টে গেছে আর এখন আমি আসিফকে ভালোবেসে ফেলেছি।(তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে)

শুভ অভিমান ভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আর ভাবছে এই কি সেই রাত্রি যাকে সে অ'ন্ধে'র মতো ভালোবেসেছিলো? যার জন্য শতকিছু ত্যাগ করতে হয়েছিল না এ সে রাত্রি হতেই পারে না।

শুভঃ ওহহহ এটাই জানার ছিল আর হ্যা ডিভোর্স দেওয়া লাগবে নাৎআমি তো তোমাকে মন থেকে তা'লা'ক দিয়ে দিয়েছি আর তাছাড়া যে স্বামী কে ছেড়ে অন্যজনের সাথে বে'ডে মা'স্তি করতে পারে তাঁর আবার ডিভোর্স লাগে নাকি!( মুচকি হাসি দিয়ে)

রাত্রিঃ না আমার বিশ্বাস নেই তোর উপর তুই যদি আবার স্বামীর অধিকার চাইতে আসিস আবার সম্পত্তিও তো চাইতে পারিস তাঁর থেকে আমি ডিভোর্স পেপার দেই তুই স'ই করে দে। আমি আগে থেকেই রেডি করে রেখেছি।

রাত্রি আলমারী থেকে ডিভোর্স পেপার এনে শুভকে দিয়ে নে স'ই কর আর তাড়াতাড়ি যা এখান থেকে।

শুভ হাসিমুখে স'ই করে দিল কারণ তাঁর এখন প্রচুর ঘৃ'ণা রাত্রির উপর স'ই করে হাতে থাকা রাত্রির বাবার টাকার জামাকাপড় গুলো রাত্রির মুখে ছুড়ে মে'রে,চলে যেতে লাগলো আবার থেমে গিয়ে বললো...

ছবির ফ্রেমে আর ভিডিওর কল্পনায় গল্প বলি সেখানে, চলে এসো! facebook.com/Sneho1

শুভঃ রাত্রি(চিল্লিয়ে) প্লিজ তুই কখনো আমার জীবনে আর আসিস না আগে আমার চোখে যতটুকু ভালোবাসা দেখেছিস এখন থেকে তাঁর চেয়ে একশত গুণ ঘৃ"ণা দেখবি

এই বলে শুভ বাসা থেকে বের হয়ে গেল এক অজানার উদ্দেশ্যে।

এদিকে রাত্রি আর আসিফ শুভর কথা হেঁসে উড়িয়ে দিল।

রাত্রিঃ ফ'কি'ন্নি টা আসলেই পা'গ'ল। আসিফকে উদ্দেশ্য করে..জান আমি কি তোমাকে কখনো ছেড়ে যাবো বলো? আমি তো তোমাকে ভালোবাসি তুমি আমায় ছেড়ে যাবে নাতো?

আসিফঃ কি বলো এসব বেবি আমি তোমায় কখনো ছেড়ে যাবো না। আমি তো তোমায় অনেক ভালোবাসি।

আসিফ মনে মনে রাত্রির বাবা আশফাক চৌধুরী কে উদ্দেশ্য করে বলে-
( আমি আজ আমার অ'প'মা'নে'র বদলা নিয়েছি।দেখ কিভাবে তোর মেয়েকে তি'লে তি'লে মা'রি আর তোর সব সম্পত্তি আমার নামে করে নেই হা হা হা , খেলাতো এই মাত্র শুরু করলাম আশফাক চৌধুরী) হা হা হা

এদিকে
শুভ হাঁটতে হাঁটতে সেই চির চে'না লেকের পাড়ে পৌছায়। সম্পূর্ণ গল্পটি পেয়ে যাবেন Sneh0 St0ry hub পেইজে এই সেই জায়গা যেই জায়গায় শুভর মন খা'রা'প থাকলে আসে এই জায়গায় আসলে শুভর মন ভালো হয়ে যায়।

তবে আজকে অনেক আ'ঘা'ত পেয়েছে শুভ,এটা এতো সহজে ভালো হবে না।

শুভ লেকের পাড়ে বসে,ভাবতে থাকে রাত্রির কথা,আর কল্পনা করতে থাকে পুরনো অতিতকে

চলবে.........

ভালোবেসেও পর
পর্বঃ ১

খাটের নিচে লুকিয়ে আছে মিরা।।চোখের পানি সব একাকার হয়ে গেছে তার।।দরজা টা ধাক্কা দিয়ে ভেতরে ঢুকলো শুভ।।শুভ: বে*বি তুমি কী ভ...
02/12/2025

খাটের নিচে লুকিয়ে আছে মিরা।।চোখের পানি সব একাকার হয়ে গেছে তার।।

দরজা টা ধাক্কা দিয়ে ভেতরে ঢুকলো শুভ।।

শুভ: বে*বি তুমি কী ভয় পেয়েছো?(দরজা লাগিয়ে)কাছে এসো আমার।।কথা দিচ্ছি একদম কষ্ট দিবো না তোমায়।।কোথায় তুমি??

মিরা যেনো কথা গুলো সহ্য করতে পারছে না।।

(Flashback....)

৩ বছরের রিলেশন তাদের।।হঠাৎ করেই আজ শুভ মিরাকে তার বাসায় নিয়ে আসে।।গল্পই করছিলো তারা কিন্তু হঠাৎ শুভ মিরার কাছে গিয়ে মিরার ঠোঁটে ঠোঁট বসিয়ে দেয়।।মিরা বুঝতে পারে যে আজ শুভর এই ছোঁয়ায় ভালোবাসা নেই আছে নিজের চা*হিদা মেটানোর উত্তে*জনা।।মিরা শুভকে সরিয়ে দিয়ে চলে যেতে লাগলো ঠিক তখনি শুভ মিরাকে টেনে নিয়ে মিরাকে সোফায় বসিয়ে দেয়।।মিরার কাছে গিয়ে মিরার বু*কের আঁচল সরাতেই মিরা ঠাfস করে শুভর গালে চ*ড় বসিয়ে দেয়।।

শুভ: আজ পযন্ত কেউ আমার গায়ে হাত তোলেনি।।তোর এত বড় সাহস তুই আমাকে চ*ড় মা*রিস?(প্রচন্ড রেগে)

এই গল্পের মতোই কিছু ভালোবাসা গেঁথে রেখেছি এখানে facebook.com/SNHOFAC

মিরা: ঠিক করে কথা বলো।।তোমার মনে এই বাজে চিন্তা আসলো?ছিঃ!!

শুভ: গালফ্রেন্ড হয়েছিস কীসের জন্য?

মিরা: শুভ আমি তোমাকে ভালোবাসি।আমি তোমার সাথে আজীবন থাকতে চাই।।বিয়ের পর তো আমি তোমার।।তার আগে প্লিজ এসব এ যাইও ন
শুভ:আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি সো*না।।কিন্তু আজ থেকে তোমার সাথে আমার এই ভালোবাসা আরও গভীর হবে।।পূণতা পাবে।।আসো সো*না কাছে আসো।।আমাকে জোর করতে বাধ্য করিও না প্লিজ।।

মিরা: শুভ আমি বাসায় যাবো।।আমাকে প্লিজ যেতে দাও।।(কান্না জড়িত কন্ঠে)

শুভ: তা তো হয় না সোনা।।১ বা ২ ঘন্টা পর যেতে পারবে তুমি।।তার আগে নয়।।

মিরা ভয়ে চুপ করে আছে।।

শুভ মিরার কাছে এসে মিরার চোখের পানি মুছে দিয়ে মিরার ঠোঁটে ঠোঁট মেলাতে লাগলো।।মিরা চুপ করে সহ্য করছে।।শরীর কেমন যেনো অবশ অবশ লাগছে তার।।শুভ মিরার গালে ঘাড়ে পা*গলের মতো কি*স করেই যাচ্ছে।।মিরা চোখ বন্ধ করে দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করছে।।শুভ মিরার বু*কের আঁচল টান দিয়ে ছুঁড়ে ফেলে ধীরে ধীরে শুভ মিরার প্লাজু টান দিয়ে খু*লে ফেললো।।মিরার জামাটা তুলে আধোগোটা করে দিলো শুভ।।মিরা চোখ খুলে নিজেকে অ*ধন*গ্ন ভেবে চিৎকার করে কান্না করতে লাগলো।।শুভ নিজের শাট খুলে খালি গায়ে একটা শটস পরে মিরার কাছে এসে মিরা পে*টের কাছে কি*স করতে লাগলো।।মিরার সারা শরীর কেঁপে কেঁপে উঠলো।।মিরার প্রচন্ড রাগ উঠে গেলো।।শুভকে সরিয়ে দিতে গেলো কিন্তু পারলো না।।শুভ মিরার হাত চেপে ধরে আছে।।মিরার ঠোঁটে কি*স করতে লাগলো শুভ।।মিরা কোনোরকম ভাবে হাতটা ছাড়িয়ে নিয়ে পাশের একটা কঠের ফুলদানি দিয়ে শুভর মাথায় আঘাত করলো।।শুভ প্রচন্ড ব্যাথায় মিরাকে ছেড়ে দিয়ে মাথা চেপে ধরলো।।মিরা এই সুযোগে পালিয়ে উপরের এক রুমে এসে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়লো।।কিন্তু শুভ ঠিকই ধরতে পেয়েছে যে মিরা কোন রুমে গিয়েছে)

শুভ: মিরা কোথায় তুমি?এসো আমার কাছে।।এই দেখো তুমি আমাকে আঘাত করলে কতটা কে*টে গিয়েছে!!কিন্তু আমি তোমাকে কষ্ট দেবো না।।এসো মিরা।।(পায়চারি করতে করতে)

মিরা শক্ত করে মুখ চেপে ধরে রেখেছে।।কিছুক্ষন পর মিরা তার পিঠের মাঝে একটা গরম নিঃস্বাস পায়।।মিরা ভয়ে পেছনে তাকাতে পারছে না।।টপ টপ করে চোখ দিয়ে পানি পরছে তার।।

শুভ: এই টা লুকানোর যায়গা সো*না?(মিরাকে টেনে বের করতে করতে)

শুভ মিরাকে ধাক্কা দিয়ে বিছানায় ফেলে দিলো।।

মিরা: আ..আ..আ..আমাকে ছেড়ে দাও শুভ।।(চাদর দিয়ে নিজেকে ঢেকে নিয়ে)

শুভ: ছাড়তে তো ভালোবাসিনি সো*না।।আদর করবো বলেই তো ভালোবেসেছি।।ছেড়েই যদি দেই আদর করবো কীভাবে?

শুভ মিরার কাছে গিয়ে এক টানে চাদর ছুঁড়ে ফেলে দিলো।।মিরাকে কাছে টেনে এনে মিরার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে মিরার পে*টে হাত বোলাতে লাগলো শুভ।।বিছানায় মিরাকে ফেলে দিয়ে শুভ নিজের দৈহিক চাহিদা মেটাতে লাগলো নfরপ*শুর মতো।।চিৎকার করতে করতে মিরা একসময় দাঁত চেপে চেপে সহ্য করতে লাগলো শুভর এই ন*রপ*শুময় অত্যা*চার।।চারদেয়ালে বন্ধি হয়ে মিরাকে এমনি ভাবে একপ্রকার ধষ*নই করতে লাগলো শুভ।।

ছবির ফ্রেমে আর ভিডিওর কল্পনায় গল্প বলি সেখানে, চলে এসো! facebook.com/Sneho1...
প্রায় এক লম্বা সময় পর মিরাকে ছেড়ে দিলো শুভ।।

মিরা এখনো কেঁপে কেঁপে উঠছে।।ভাবতেই পারছে না তার আজকে এত্ত বড় সবনাশ হয়েছে।।

শুভ মিরাকে টেনে বুকে জড়িয়ে বলে,মিরা প্রথম তো তাই একটু কষ্ট লাগছে তোমার।।আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো।।

মিরা চুপ করে শুনে যাচ্ছে।একটু পর মিরা ফ্রেশ হয়ে শুভকে না জানিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলো।।শুভ ফ্রেশ হয়ে এসে দেখে মিরা চলে গেছে।।শুভ তাড়াহুড়া করে রেডি হয়ে বাইক নিয়ে বেরিয়ে গেলো।।....
ধুপ করে বিছানায় মাথা গুজে চিৎকার করে কাঁদতে লাগলো মিরা।।তার চিৎকার শুনে শিলা ও অনু(মিরা,শিলা ও অনু একসাথে থাকে একটা ফ্লাটে) দৌড়ে এসে মিরার পাশে বসে পড়ে।।

শিলা: এই কাঁদছিস কেনো?

অনু: মিরা কী হয়েছে বলবি তো?

শিলা মিরাকে টান দিয়ে বসিয়ে দিলো।।মিরা শিলাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলো।।

অনু: মিরা প্লিজ বল কী হয়েছে তোর??

শিলা: এই মিরা বল প্লিজ।।এভাকে কাঁদিস না।।

মিরা: আ..আ..আমি শেষ হয়ে গেছি।।(কাঁদতে কাঁদতে)

শিলা মিরাকে ঠিকমতো বসিয়ে মিরার চোখ মুছে দিয়ে বললো,সব খুলে বল তো।।

মিরা ধীরে ধীরে সব বলতে লাগলো।।সব শুনে শিলা আর অনু অবাক হয়ে গেলো।।

অনু: এসব কী বলছিস?

শিলা: আচ্ছা শুভ কী তোকে বলেছে যে ওর আর তোকে প্রয়োজন নেই?এই কথা কী বলেছে?

মিরা: বলতে কতক্ষন?

অনু: এমনটা ভাবছিস কেনো?

মিরা: আজ কাল এমনি তো হচ্ছে।।প্রয়োজন শেষ তো সব শেষ।।(কান্না জড়িত কন্ঠে)

অনু: শুভ মোটেও ঐ রকম না।।আমার বিশ্বাস।।

শিলা: বাদ দে তো।।আচ্ছা শুভ আর ফোন দেয় নি?

মিরা: ফোন অফ করে রাখছি।।

শিলা: নিশ্চই টেনশনে আছে।।ফোন দে ওকে।।আমি কথা বলবো।

মিরা:পারবো না।আমি ওর সাথে আর থাকবো না।

শিলা: কী বলছিস এই সব?

মিরা: যা বলছি ঠিক বলছি।।

অনু: কিন্তু...

হঠাৎ করে অনুর ফোন বেজে উঠলো।।ফোনটি করেছে অনুর বয়ফ্রেন্ড নিশান আর শুভর খুব কাছের বন্ধু।। সম্পূর্ণ গল্পটি পেয়ে যাবেন Sneh0 St0ry hub পেইজে অনু ফোনটা ধরলো।।
নিশান: হ্যাঁলো অনু।।শুভ ACCIDENT করেছে(কান্না করতে করতে)
অনু: কীহ! শুভ ACCIDENT করেছে?(চমকে উঠে)

চলবে,,,,,,,,,,,

সত্যি তোকে অনেক ভালোবাসি
Part : 1
ইসরাত জাহান প্রভা

আমি আপনাকে ভালোবাসি ভাইয়া। কথা শেষ না হতেই শব্দ করে চ*র লাগিয়ে দিলো ঝিলের গালে। তন্ময় আহসান তোহা ঝিলের বড় চাচার ছেলে।যাক...
01/12/2025

আমি আপনাকে ভালোবাসি ভাইয়া।
কথা শেষ না হতেই শব্দ করে চ*র লাগিয়ে দিলো ঝিলের গালে।

তন্ময় আহসান তোহা ঝিলের বড় চাচার ছেলে।যাকে মনে প্রানে ভালোবেসে আসছে সেই ছোট বেলা থেকে ঝিল।ভালোবাসি কথাটা কখনো ঝিল তন্ময়কে বলতে পারেনি।বলবে কিভাবে?তন্ময় যে খুব রাগী স্বভাবের ছেলে।যদি বলার পর তন্ময় আর ঝিলের সাথে কথা না বলে?যদি ঝিল এর ভালোবাসা না মেনে নেয়?তাহলে কিভাবে ঝিল তন্ময় এর সামনে আসবে?সেই সব কথা ভেবে ভেবেই ঝিলের কখনো বলা হয়নি, আমি আপনাকে ভিষন ভালোবাসি তন্ময়!

কিন্তু আজ যে ঝিল কে বলতেই হবে, তন্ময় এর জন্য মেয়ে দেখা হচ্ছে। বয়স তো কম হয়নি তন্ময়ের।সবার বড় ছেলে তার ওপর। বাসায় আরও ছেলে রয়েছে।একে একে সবারই বিয়ে করা হবে।আগামীকাল তন্ময়ের জন্য এক পাত্রী দেখতে যাবে সবাই মিলে।তাই তো সবাই মিলে একত্রিত হয়েছে।সবার ধারনা মেয়ে তন্ময় দেখলেই পছন্দ করে ফেলবে।বাকি সবারই পছন্দ হয়েছে। আর তন্ময় কাল দেখলেই সব ঠিক থাকলে কাল রিং পরিয়ে রাখা হবে।আর সামনের সপ্তাহেই বিয়ে!

তাইতো ঝিল সব ভুলে তার ভালোবাসার কথাটা তন্ময়কে বলতে এসেছিলো।কিন্তু বলা শেষ না করতেই ঝিলের গালে পর পর দুইটা থা*প্প*ড় লাগায় তন্ময়।

তন্ময়:লজ্জা লাগেনা? ভালোবাসার কথা বলতে এসেছিস?তুই কি আমার বউ হওয়ার যোগ্য? কোন মুখ নিয়ে আমায় বলতে এসেছিস?নিজেকে নিয়ে ভেবেছিস?কখনো?sneh0st0ryhub
আমি যে মেয়েকে দেখতে যাচ্ছি সেই মেয়ে কি করে জানিস?হাইস্কুলের টিচার অনেক শিক্ষিত।আর দেখতেও নাকি মাশাল্লাহ। আর তুই?সবে মাত্র কলেজে ভর্তি হয়েছিস?আমার বিজনেস সম্পর্কে ধারনা আছে তোর? তবে কোন সাহসে আমাকে ভালোবাসার কথা বলতে এসেছিস?
বোন বলে সব সময় তোকে আদরেই রেখেছি।বাকি সবার থেকে তোকে একটু বেশিই আদর করে ফেলেছি।কারন সবার মা থাকলেও তোর মা বেচেঁ নেই।তুই সব সময় একা একা থাকতি।ছোট কাকাও বিজনেস এর কারনে তোকে সময় দিতে পারতো না।তাই একটু বেশি ভালোবাসা দিয়েছি তোকে আর তুই??
ছিহ ঝিল!
এই মুহুর্তে তুই আমার সামনে থেকে চলে যা। আর কখনো আসবি না।

ঝিলের পা যেন থমকে আছে।কি বলছে এসব??তন্ময় না হয় বলবে সে চায়না ঝিলকে বউ হিসাবে।কিন্তু এত কিছু বলার কি দরকার ছিলো? আর কখনো কি ঝিল তন্ময় এর সামনে আসতে পারবে?
মনে মিনে ঝিল নিজেকেই বকে যাচ্ছে,(কি জন্য সে তন্ময়কে বলতে এসেছে?এত গুলি বছর তো ঝিল গোপনে ভালোবেসে এসেছে!কই তন্ময়কে তো বলতে হয়নি?নিরবেই ভালোবেসেছে!আজ যদি তন্ময় অন্য কাউকে বিয়ে করতে চায় তাহলে করুক না? তন্ময় তো তার মনের মাঝে সব সময় থাকবে।যখন ইচ্ছা ভালোবাসতে পারবে? কিন্তু আজ এত কিছু শুনার পর যে মনে মনে ভালোবাসতেও তন্ময়কে অপরাধ কাজ করবে ঝিলের। সে তো এখন জেনে গেলো, তন্ময় ঝিল কে সহ্য করতে পারেনা।তাহলে.......)

এই গল্পের মতোই কিছু ভালোবাসা গেঁথে রেখেছি এখানে facebook.com/SNHOFAC

আর কিছু না ভেবে ঝিল ছাদের থেকে চলে যাওয়ার জন্য ঘুরে দাঁড়িয়ে যায়।চোখ তখন নোনা জল ফেলতে ব্যাস্ত।তন্ময়ের মুখের দিকে তাকাতে আর সাহস পায়নি ঝিল। sneh0st0ryhub

------------------
নিপা: ভাইয়া কেন মা*রলি?ঝিল কে?কেন ফিরিয়ে দিলি?তুই কি নিজেও ঝিল কে ছাড়া থাকতে পারবি?

তন্ময় সামনে দাঁড়িয়ে থাকা নিজের ছোট বোনকে দেখে এবার ভেংগে পরে।দুচোখ বেয়ে পানি ফেলতে থাকে।নিপা এসে জড়িয়ে ধরে তন্ময়কে।তার ভাই যে ঝিল কে কতটা ভালোবাসে তা একমাত্র নিপা আর তার মা জানে।

------- সবাই মিলে বসে আছে বসার ঘড়ে।তন্ময়ের বাবা তোফায়েল আহসান চার ভাইয়ের মাঝে সবার থেকে বড় তিনি।ছেলে মেয়ে বলতে তার তন্ময় আর নিপা।তন্ময় বাবার বিজনেস এর পাশাপাশি নিজেও বিজনেস করছে।মুলত তার বিজনেস করতে ভালো লাগে। বিভিন্ন গাড়ির পার্স তৈরি থেকে গাড়ি বানানো সব রকমের বিজনেস রয়েছে।তোফায়েল এর স্ত্রী এর নাম আমেনা।

তোফায়েল এর ছোট তালেব আহসান ওনার তিনজন ছেলে মেয়ে দুই মেয়ে আর এক ছেলে। রুমা, রুমি আর রনিত। রনিত ও তন্ময়ের সাথেই বিজনেস করছে। আর তালেব ভাইদের সাথেই জব করছে কারন সবাই ফ্যামিলি বিজনেস এর সাথেই সং্যুক্ত রয়েছে বেশির ভাগ। তালেব এর স্ত্রী এর নাম রাহেলা।

তালেব এর ছোট রায়হান আহসান।রায়হান এর শুধু এক মেয়ে ওর নামই ঝিল আহসান।ঝিল এর যখন তিন বছর বয়স তখন ঝিলের মা মা*রা যায় ক্যান্সার এ আক্রমণ হয়ে।এর পর রায়হান আর বিয়ে করেন নাই।কারন তিনি তার স্ত্রী ঝিনুক কে নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসতেন।ঝিনুক কে ভুলে ঝিনুকের জায়গা তিনি অন্য কাউকে দিতে চান না।

আহসান পরিবারের সবার ছোট ছেলে আবির আহসান।তার চার জন ছেলে মেয়ে(,নেহা,রিয়া,রিক্ত,অর্নব) sneh0st0ryhub

★সবাই মিলে বসে কালকে কি হবে সেই নিয়ে আলোচনা করছিলো। শুধু ঝিল আর তন্ময় ছিলো না।সেই জন্য নিপা।ঝিলের রুমে গিয়েছিলো ঝিল কে ডাকার জন্য কিন্তু পায়নি তাই বাসার ছাদের দিকে যাচ্ছিলো কিন্তু গিয়ে যা দেখেছে তা দেকে ভাইয়ের সাথে সাথে নিজের চোখেও জল চলে এসেছে।এত দিন নিপা শুধু জেনেছে তন্ময় একাই পাগলের মতো ঝিল কে ভালোবাসে।কিন্তু আজ জানতে পেরেছে শুধু তন্ময় নয় ঝিল ও তার ভাইকে ভালোবাসে।কিন্তু ওদের এই ভালোবাসা কি কখনো মিলন হবে??বিষিয়ে তুলছে নিজের মনকে নিপা।নিপার ছোট ঝিল।ঝিল,রুমি, নেহা প্রায় সমবয়সী। তবে রুমি একটু গম্ভির হওয়াতে সব সময় একা থাকতে পছন্দ করে।নিপার সাথেই বেশি সময় কাটায় ঝিল আর নেহা।

ছবির ফ্রেমে আর ভিডিওর কল্পনায় গল্প বলি সেখানে, চলে এসো! facebook.com/Sneho1

কখনো তবুও বুঝতে পারেনি নিপা যে ঝিল তন্ময়কে পছন্দ করে।

পরের দিন,
বাসার সকলেই মিলে রেডি হয়েছে। সকলেই যাবে তন্ময়ের হবু বউ দেখতে সবাই ধরে নিয়েছে আজ একটা কিছু হবেই।কারন তন্ময় অনেক মেয়েকে নাকোচ করে দিয়েছে কিন্তু এই মেয়ের ছবি দেখার পর সরাসরি নাকোচ করে নি।কেন করেনি তা শুধু নিপা বুঝতে পারছে।নিপা জানে।আর যাই হোক এই বিয়েও তন্ময় করবে না। কিছুতেই না।শুধু মাত্র পরিস্থিতি সামাল দিতে এই যাওয়া। সবাই গাড়িতে বসে ছে তিনটি গাড়ি যাবে বাচ্চারা সবাই এক গাড়িতে বসেছে। ঝিল কে না দেখে সবার মাঝে রায়হান রুমা কে জিজ্ঞেস করে, আম্মু ঝিল আসেনি?

রুমা:কই দেখছিনাতো চাচ্চু।

রায়হান:আচ্ছা আমি গিয়ে নিয়ে আসছি।

নিপা:চাচ্চুও!

রায়হান:হ্যাঁ আম্মু.... sneh0st0ryhub

নিপা:আমি যাই? আমি নিয়ে আসি ঝিল্
কে?

রায়হান:আচ্ছা।


নিপা :ঝিল আর কত ঘুমাবি উঠে পর!সবাই নিচে তোর জন্য অপেক্ষা করছে!
যাবি না?

ঝিল: না আপি।আমার ভালো লাগছে না এখন।তোমরা আজকে যাও।আমি বিয়ের দিন যাবো..

নিপা:ভালোবাসার মানুষের বিয়ে মানতে পারবি?ঝিল!

নিপার কথা শুনে লুকিয়ে রাখা কান্না এখন আবার বের হয়ে আসছে।নিপার বুকে ঝাপিয়ে পরেছে ঝিল।

ঝিল :আমি কিভাবে মেনে নেব?আপু!....আমি... কিভাবে ভাইয়ার পাশে অন্য কাউকে মেনে নেব?আমি পারবো না আপু!আমি..........

নিপা:এভাবে কাদিস না ঝিল।তুই ফ্রেশ হয়ে আয় আমরা নিচে অপেক্ষা করছি। আমি দেখছি কি করা যায়!।

ঝিল:আমি যাব না।

নিপা:তুই যাবি চল।

ঝিল:আমায় একটু একা থাকতে দাও প্লিজ আপু।আমি যেতে পারবেোনা. আমি ভাই.... sneh0st0ryhub

রায়হান :কি হয়েছে আম্মু?দরজা খুলে দাও আমি দেখছি !

নিপা:খুলছি চাচ্চু।ঝিল তুই ফ্রেশ হয়ে আয়।

★ রায়হান নিপাকে নিয়ে ফিরে এসেছে।বাকি সবাই বেরিয়ে পরেছে।শুধু তন্ময় আর বাচ্চারাই আছে।

রায়হান:তন্ময়! আব্বু তুমি গাড়ি চালাবে?নাকি আমি?

তন্ময়:না চাচ্চু আমি নিয়ে যাই তোমরা উঠে বসো।

রুমা:ফিরে এলে যে? ঝিল কই?ও যবে না?

রায়হান: না ওর নাকি ভালো লাগছে না। সম্পূর্ণ গল্পটি পেয়ে যাবেন Sneh0 St0ry hub পেইজে বলছে তন্ময়ের বিয়ের দিন পাক্কা আগে আগে চলে আসবে।

তন্ময় নিপার দিকে তাকিয়ে ড্রাইভে মনযোগ দেয়।।সে জানে ঝিল কেন আসে নি?তবে কি ঝিল কে বলা একটু বেশিই হয়ে গেলো?

চলবে......

তোকে অনেক ভালোবাসি
মিশকাতুল
পর্ব : ১(সূচনা)

আমি আর তিথি জমজ বোন হলেও আমাদের মধ্যে পার্থক্য আকাশ পাতাল। আমি পূর্ব হলে তিথি পশ্চিম, আমি উদয় হলে সে অস্ত। আমরা না দেখতে...
30/11/2025

আমি আর তিথি জমজ বোন হলেও আমাদের মধ্যে পার্থক্য আকাশ পাতাল। আমি পূর্ব হলে তিথি পশ্চিম, আমি উদয় হলে সে অস্ত। আমরা না দেখতে একরকম, না স্বভাবে। আমি দেখতে বাবার মতো হয়েছি। সাধারণ চেহারা, শ্যামবর্ণ কান্তি, কালো চোখ, গড়পড়তা উচ্চতা, লম্বা রেশমী চুলের আমি খুব একটা চোখে পড়ার মতো নই। তিথি মায়ের মতো। তার চেহারা আকর্ষণীয়, ফরসা গায়ের রঙ, বাদামী চোখ, মেয়ে হিসেবে বেশ লম্বা, কোকড়া চুলে তাকে ভিড়ের মধ্যেও সবার আগে চোখে পড়ে। জীবনের খুব স্বাভাবিক নিয়মেই আমি ধীরস্থির, শান্ত; আর তিথি চটপটে, জেদী স্বভাবের। মজার ব্যাপার হলো তিথি বাবার বেশি আদরের, আমি মায়ের।

দু'বোন হলেও মনের দিক থেকে ভিন্ন হওয়ায় আমরা কখনো একে অপরের খুব কাছের ছিলাম না। বরং সারাজীবন একে অপরের সাথে লোকে এত তুলনা দিত যে আমরা দু'জন দু'জনের ওপর খানিকটা বিরক্ত ছিলাম৷ যেমন ও কোনোকিছু নিয়ে জেদ করলে আমার সাথে তুলনা দেয়া হতো, আমার উদাহরণ দেয়া হতো, আবার কেউ ওর সৌন্দর্যের প্রশংসা করলে আমায় নিয়ে হা হুতাশ করত।

সময়ের সাথে সাথে আমরা বড় হতে লাগলাম। আর যত বড় হলাম, দূরত্ব যেন ততই বেড়ে চলল। আমরা দু'জন পাশাপাশি ঘরে থেকেও থাকতাম দুই পৃথিবীতে। পড়াশুনায় দু'জনেই ছিলাম ভালো। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা সাবজেক্টে পড়তাম আমরা। তিথি ছিল ইউনিভার্সিটিতে ভীষণ পপুলার, আর আমায় ক্লাসমেটরা বাদে আর কেউ চিনতও না৷ আমি যে তিথির বোন এটাই জানত হাতে গোনা কয়েকজন। sneh0st0ryhub

আমাদের বিয়ের বয়স হয়ে এলে বাড়ি থেকে পাত্র দেখা শুরু হলো। বলাই বাহুল্য, পাত্র দেখা হতে লাগল শুধুই আমার জন্য। তিথির জন্য তো বাড়ি বয়ে সম্বন্ধ আসত ঝাঁকে ঝাঁকে। তিথি সেসব পাত্তা দিত না। ওর ইচ্ছে ছিল ওর মতোই সুদর্শন, যোগ্য কাউকে বিয়ে করার। সেরকম ছেলে সে পাচ্ছিল না৷ ক্যাম্পাসে দু'একজনের সাথে ওর প্রেমের গুঞ্জন শুনলেও সিরিয়াস কোনো সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম না। আর আমি ওকে কখনো জিজ্ঞাসাও করিনি।

তিথি বিয়ে নিয়ে গড়িমসি করলেও আমি রাজিই ছিলাম৷ ছেলেবন্ধু বা প্রেমিক আমার কখনোই ছিল না৷ তাই বিয়ে করে একজন সত্যিকারের সঙ্গীর স্বপ্ন দেখতাম। নিজের সংসারে থিতু হতে চাইতাম। কিন্তু আমার জন্য পাত্র দেখলেও দেখা যেত তারা পছন্দ করে ফেলছে তিথিকে৷ ওকেই বউ করে নিতে চাইছে। বাড়ির লোকের ধারণা হয়ে গেল ওকে বিয়ে না দিয়ে আমার বিয়ে দেয়া যাবে না। কিন্তু তিথি যে তার মনের মতো মানুষ পাচ্ছেই না।

আমরা যখন থার্ড ইয়ারে পড়ি তখন এক বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে একসাথে দুটো আকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটল, তবে ঘটল ভীষণ অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে।

আমরা গিয়েছি আমাদের ফুপাতো বোনের বিয়েতে। আমার ফুপুরা বেশ বড়লোক। বিয়েতে ধুমধাম করেছে খুব। আত্মীয়স্বজন যা ছিল সবাই দাওয়াত পেয়েছে। বাড়ি ভর্তি লোকজন। গায়ে হলুদের রাতে বরাবরের মতোই তিথি সবার নজর কেড়ে নিয়েছে, আমি চুপচপ বসে আছি একধারে। ছেলের বাড়ি, মেয়ের বাড়ির লোকজন মিলে একাকার।

বহুদিন পর কাজিনরা একত্র হওয়ায় সবাই একত্রে বসে আড্ডা শুরু হলো। আমিও যোগ দিয়েছি তাদের সাথে। কথায় কথায় খেলা শুরু হয়ে গেল। চেয়ার টেনে গোল হয়ে বসে শুরু হলো খেলা। ডেয়ার গেম। সবাইকে একটা করে ডেয়ার দেয়া হবে। যে ডেয়ার সম্পূর্ণ করতে পারবে সে বেঁচে যাবে, আর না করতে পারলে তার সম্পর্কে ছোটোবেলা কিংবা বড়বেলার কোনো লজ্জার ঘটনা সবার সামনে প্রকাশ করে দেবে যে জানে সে। খেলা জমে উঠলে আমারও মজা লাগতে শুরু করল। মজার মজার সব টাস্ক পেল একেকজন৷ বিশেষ করে যে যে জিনিসটায় কম দক্ষ তাকে সেটাই দেয়া হলো।

এই গল্পের মতোই কিছু ভালোবাসা গেঁথে রেখেছি এখানে facebook.com/SNHOFAC

একসময় ডেয়ারের কাটা ঘুরল আমার দিকে। আমি শুরু থেকেই ভাবছিলাম আমার সম্পর্কে বলার মতো কারো তেমন কিছু নেই৷ কিন্তু এটা মনে ছিল না যে সেখানে আমার বোনও বসেছিল। আমি যখন বললাম, "কোনো ডেয়ার ফেয়ার করতে পারব না৷ আমার ব্যাপারে যা জানিস বলতে পারিস৷" তখন তিথি দুষ্টু হেসে বলল, "সিঁথি, ক্লাস সেভেনের অঙ্ক স্যারের পরীক্ষার কাহিনী মনে আছে? বলব?"

আমি এবার ভয় পেয়ে গেলাম। ঘটনাটা ভয়াবহ। সবার সামনে বললে কোনোভাবেই আমার পক্ষে সেটা সহ্য করা সম্ভব নয়। কিন্তু তিথি তো বলে দেবেই! ক্লাস সেভেনে আমরা দু'জন একজন বয়ষ্ক স্যারের কাছে ম্যাথ পড়তাম। স্যার ভীষণ কড়া ছিলেন। পড়া না হলে চিকন বেতের বাড়ি খেতে হতো হাতের তালুতে। আমরা দু'জনেই তাকে প্রচুর ভয় পেতাম৷ একবার তিনি পরীক্ষা নিলেন৷ তিথি সেই পরীক্ষায় উতরে গেলেও আমি কেমন করে যেন সবগুলো অঙ্ক ভুল করে বসে রইলাম। স্যার গেলেন ভীষণ রেগে। তার চোখমুখ রাগে লাল হয়ে গেল। আর আমি এদিকে ভয়ে কাঁপছি। স্যার চেঁচিয়ে বলছেন, "হাত পাতো! এক্ষুনি হাত পাতো বলছি!" আমি ভয়ে ওখানে বসেই পায়জামা ভিজিয়ে ফেলেছিলাম। ঘটনাটা মনে পড়লে এখনো লজ্জায় মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছে করে। স্যারকে এরপর ছাড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। আর সেই ঘটনার ব্যাপারেও কোনেদিন আমাদের বড়িতে কোনো কথা হয়নি। আজ তিথির সেই কথা মনে করিয়ে দেয়া আর বাঁকা হাসি দেখে আমার চোখে পানি চলে এলো প্রায়৷ আমি কোনোরকমে নিজেকে সামলে বললাম, "দাও ডেয়ার। যা বলবে করব।"

আমাকে ডেয়ার কী দেয়া হবে সেটা নিয়ে আলোচনা চলল কিছুক্ষণ। আমি যেহেতু ছেলেদের সাথে তেমন কথা বলি না, তাই টাস্ক দেয়া হবে ছেলেদের সাথে কথা বলার৷ শুধু কথাই না, কোনো এক ছেলেকে একটা গোলাপ দিয়ে হেসে বলতে হবে, "এটা আপনার জন্য।"

আমার এত খারাপ লাগছিল বলবার মতো নয়। তবুও মুখ বুজে সহ্য করে নিলাম। জিজ্ঞেস করলাম, "কোন ছেলেকে?"sneh0st0ryhub

কেউ একজন বলল, "সোজা স্টেজের দিকে যেতে থাক, ছেলেপক্ষের অনেক ছেলে ওদিকে বসে আছে। যাকে আগে পাবি তার হাতে দিয়ে দিস।"

আমি গোলাপ হাতে উঠে যন্ত্রের মতো চলতে শুরু করলাম। চোখের সামনে অনেক ছেলে। সবাই যেন সামনে থেকেও নেই। চোখের ফোকাসের মাঝে কেউই আসছে না। সব ঘোলাটে দেখছি। আমার চোখে কি পানি জমা হচ্ছে?

হঠাৎ একজন ফোকাসের ভেতর পড়ে গেল। আমি তার সাথে কথা বলার আগেই সে আমাকে জিজ্ঞেস করে বসল, "আপনি ঠিক আছেন?"

গলাটা ভীষণ গভীর, আদুরে। আমি চোখ তুলে ভালো করে চাইলাম। গভীর দুচোখ। চোখে জিজ্ঞাসার সাথে সাথে আরো কী যেন ছিল। আমি তখনো ঠিক স্বাভাবিক নেই। ডেয়ার সম্পূর্ণ করতে হবে। আমি তার দিকে ফুলটা বাড়িয়ে দিয়ে বললাম, "আপনার জন্য।"

ছেলেটা অবাক হয়ে ফুল হাতে নিল। ততক্ষণে আমি উল্টোদিকে হাঁটতে শুরু করেছি। চোখের পানি এখন আর বাঁধ মানছে না। বন্যার জলের মতো হুড়মুড় করে বেরিয়ে আসতে চাইছে। আমি কাজিনদের দলের দিকে একবার চাইলাম। কে যেন থাম্বস আপ দেখাচ্ছে। ওরা দেখেছে। আমার কাজ শেষ। আমি ছুটে চলে গেলাম ওয়াশরুমে। কিছুক্ষণ মনমতো কাঁদলাম। একটু স্বাভাবিক হয়ে এলে চোখ মুছে চেহারা ঠিক করে বাইরে এলাম। তিথির ওপর রাগ কিংবা অভিমানের পাহাড় জমে রইল বুকে।

একটু পরে ফুল দেয়া ছেলেটার সাথে কথা হলো। সে নিজেই এলো। জিজ্ঞেস করল, হঠাৎ আমি তাকে কেন ফুল দিলাম। আমি বললাম, "ডেয়ার ছিল।" সে ফিক করে হেসে ফেলে বলল, "ধুর!"sneh0st0ryhub

তারপর পরিচিত হলাম আমরা। সে বরের ছেলেবেলার বন্ধু আবির। পড়াশুনা শেষে চাকরি করছে। সুযোগে এটাও বলে দিল, বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছে সে।

তার পরদিন বিয়েতে আবিরের মা বাবা এসে আমার মা বাবকে তার সাথে আমার বিয়ের প্রস্তাব দিল। সবাই যারপরনাই ভীষণ খুশি হলো। ওদের নাকি আমাকে খুব পছন্দ হয়েছে। আর সুদর্শন, উচ্চবংশের, উচ্চপদস্থ চাকরিজীবী ছেলেকে আমার জন্য পেয়ে আমার পরিবারের আপত্তি করার প্রশ্নই ওঠে না৷

কিন্তু আপত্তি উঠল আমার পরিবার থেকেই। তাও ঘোর আপত্তি। বিয়েবাড়িতে তিথি কিছুই বলেনি, কিন্তু বাড়ি ফিরে সে জানাল, আবিরকে তার প্রথমদিনই মনে ধরেছিল। সে যেরকম ছেলে খুঁজছে আবির ঠিক সেরকম ছেলে। সে এতদিন পর যাকে খুঁজে পেয়েছে তার সাথে আমার বিয়ে সে কিছুতেই হতে দেবে না৷ আবিরকে সে নিজে বিয়ে করবে। আর আবির নাকি তাকেই পছন্দ করে। ভুল করে আমার কথা বলেছে।

সত্যি বলতে, আমি নিজেও প্রথমে ভেবেছিলাম আবির আসলে তিথিকেই পছন্দ করে। তিথির সাথে ওকে আমি হেসে গল্প করতে দেখেছি। তিথি প্রথমদিন থেকেই ওর সাথে খাতির করে ফেলেছিল। আবির যখন আমার সাথে পরিচিত হতে এলো, আমি ধরে নিয়েছিলাম ও আমার মাধ্যমে তিথিকে প্রস্তাব পাঠাবে। কিন্তু হয়ে গেল উল্টো৷

আবিরের সাথে কথা বলে এটা নিশ্চত হওয়া গেল যে সে তিথিকে নয়, আমাকেই বিয়ে করতে চায়।

ছবির ফ্রেমে আর ভিডিওর কল্পনায় গল্প বলি সেখানে, চলে এসো! facebook.com/Sneho1

তিথি রেগে আগুন হয়ে গেল। বিয়েটা যাতে না হয় সেজন্য অনেক চেষ্টাও করল সে। কিন্তু সব বাঁধা পেরিয়ে কেমন করে যেন আবিরের সাথে আমার বিয়েটা হয়ে গেল।

বিয়ের পর আমরা সুখী দম্পতির মতোই জীবন কাটাতে লাগলাম। আবির আর তার পরিবার খুবই সাপোর্টিভ। আমি এত আদরযত্ন আমার বাড়িতেও কোনোদিন পাইনি। ওরকম পরিবার, ওরকম স্বামী পাওয়া যে কারো ভাগ্যের বিষয়। তিথির তখনো বিয়ে হয়নি। আর আমি বিয়ে করে সুখের সাগরে ভাসছি, এটা আমার কাছে মাঝেমধ্যে খারাপ লাগত, আবার অবিশ্বাস্যও মনে হতো।

তিথি দিন দিন বেশ বেপরোয়া হয়ে উঠছে। মা প্রায়ই বলেন ও কোনো কথা শোনে না৷ কত রাত বাড়ি ফেরে না, কোথায় যায় ঠিকঠাক জবাব দেয় না৷ আর শাসন করতে গেলেই শুধু ভয় দেখায়, ব্ল্যাক/মেইল করে। মা বাবা ওকে নিয়ে খুবই চিন্তিত।

এদিকে আমরা চমৎকার বোঝাপড়ার সাথে দুটো বছর কাটিয়ে ফেললাম৷ আবির আমায় ভালোবাসে। ওকে বিয়ে করার পর আমি জীবনের প্রথম ভালোবাসার মানে বুঝতে পারলাম। এ যে ভীষণ সুন্দর অনুভূতি তা আমার কল্পনাতেও কোনোদিন ছিল না। শুধু ভোরে ঘুম থেকে উঠে একটা মুখ দেখতে যে কী প্রশান্তি তা কোনোদিন কাউকে গভীরভাবে ভালো না বাসলে বোধহয় উপলব্ধি করা যায় না।

আমাদের দ্বিতীয় এনিভার্সারির সময় আবিরকে অফিস ট্যুরে যেতে হলো সুইজারল্যান্ড। সে আমাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল, কিন্তু ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় আমার আর যাওয়া হলো না। সে মন খারাপ করে একাই গেল।

আমাদের এনিভার্সারির দিন ঠিক রাত বারোটায় আমি মোবাইলেই সারপ্রাইজ পেলাম৷ এমন ভয়ানক রকমের সারপ্রাইজ যার আশা আমি কোনদিনই করিনি।

তিথির নাম্বার থেকে আমার কাছে কিছু ডকুমেন্টস এলো মেসেজে। সেখানে তিথি আর আবিরের ঘনিষ্ঠ কিছু ছবি, সম্পূর্ণ গল্পটি পেয়ে যাবেন Sneh0 St0ry hub পেইজে সুইজারল্যান্ডের হোটেলের রেজিস্ট্রারে ওদের একসাথে একই ঘরে থাকার সিগনেচার, আর সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা ছিল একটা মেডিকেল রিপোর্ট, যেটা বলছে তিথি প্রেগনেন্ট।

(চলবে)..........

বিভাবরী
পর্ব-১
সুমাইয়া আমান নিতু

:-আমাদের ডিভোর্স কি আজই হয়ে যাবে পরশ ?,:- মায়ের এটাই ইচ্ছে  ! ,:- ও , তোমার কোনও ইচ্ছে নেই ? আর একটু যদি তুমি ভেবে দেখ...
29/11/2025

:-আমাদের ডিভোর্স কি আজই হয়ে যাবে পরশ ?
,
:- মায়ের এটাই ইচ্ছে !
,
:- ও , তোমার কোনও ইচ্ছে নেই ? আর একটু যদি তুমি ভেবে দেখতে?
,
:- অবনী , আমি কতো বার বলবো মা আমার সন্তান দেখতে চান। আমাদের বিয়ে হয়েছে এই চার বছর । অনেক ডক্টর আমরা দেখিয়েছি। সবার এক কথা তুমি কোনও দিন মা হতে পারবে না। এখন তুমি বলো আমি কি করতে পারি ?
,
:- আমাদের দু বছরের ভালোবাসা আর চার বছরের সংসার তুমি এতো তাড়াতাড়ি শেষ করে দিতে চাও ?

,
:- আমি অপেক্ষা করেছি তোমার আমার ভালোবাসার কথা চিন্তা করে । কিন্তু মাকে আমি কথা দিয়েছি তাকে তাঁর শেষ ইচ্ছে পূরণ করতে দেবো।

,
এই বলেই পরশ গটগট করে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল । আমি ধপ করে বসে পড়লাম বিছানায় । দুচোখ বেয়ে অঝোরে জল গড়িয়ে পড়ছে । বাঁধ মানছে না কিছুতেই ।
আমার আর পরশের প্রথম দেখা একটা শপিং মলে। আমি একটা দোকানে বসে কসমেটিক্স দেখছিলাম হঠাত্ করে পিছন থেকে কেউ একজন বলে উঠলো ,

,
:- এক্সকিউজমি , একটু শুনবেন ?
এভাবে ডাক শুনে চমকে উঠলাম । আবার সে বললো ,
,
:- এই যে ম্যাম , আপনাকেই বলছি ?

,
আমি একটু অবাক হয়ে কাছে গিয়ে বললাম ,
,
:- আপনি আমাকে বলছেন ?
,
:- জী আপনাকে । আসলে বন্ধুর বউয়ের জন্য একটা শাড়ি কিনতে আসছি। কিন্তু চয়েজ করতে পারছি না । প্লিজ যদি একটু হেল্প করতেন । sneh0st0ryhub

,
:- ঠিক আছে আপনি কতো টাকার ভিতরে কিনতে চান বলুন আমি পছন্দ করে দিচ্ছি।
,
:- টাকা নিয়ে টেনশন নেই। যতো দাম হোক আপনি একটা শাড়ি পছন্দ করুন ।

সেদিন খুব সুন্দর একটা শাড়ি পছন্দ করে দিলাম । লোকটা খুশি হয়ে ফোন নম্বর দিয়ে বললো ,

এই গল্পের মতোই কিছু ভালোবাসা গেঁথে রেখেছি এখানে facebook.com/SNHOFAC
,
:- আমি পরশ একটা বিদেশি কম্পানিতে জব করি। আপনি কি করেন জানতে পারি ?

,
:- আপাতত একটা স্কুলে জব করছি। আচ্ছা আসি ভাল থাকবেন ।
,
:- কিছু মনে না করলে আপনার নম্বর টা যদি দিতেন । কখনও এমন সিচুয়শনে পড়লে ফোন করে ডেকে নিব।

সেদিন ওর কথা শুনে হেসে দিলাম । তারপর থেকেই শুরু । ভালোলাগা ভালোবাসা । দু বছর এভাবে কেটে গেল । একদিন বাসা থেকে চাপ দিলো বিয়ে করতে হবে । পরশ কে বলতেই ও বললো , " আজই মায়ের সাথে কথা বলবো।

পরশ ছিল বিরাট কোটিপতির ছেলে । আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সামান্য একটা স্কুল মাস্টারের মেয়ে । তাই পরশের মা সব কিছু শুনে বললো ,
,
:-ওই ঘরের মেয়ে আমার বাড়ির বউ হবার যোগ্য নয়।
পরশ তুমি ওকে ভুলে যাও।sneh0st0ryhub

কিন্তু না পরশ আমাকে ভুলিনি। বিয়ে করে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিল । পরশের মা আমাকে তিন বছর পর মেনে নিল ।
তারপর ও আমি ভিষন খুশি ছিলাম পরশের মতো এতো দায়িত্ববান স্বামী পেয়ে ।

,
কিন্তু আজ পরশ মায়ের কথা রাখতে আমাকে ডিভোর্স দিতে প্রস্তুত । আমি কোনও দিন মা হতে পারবো না এটাই আমার অপরাধ । তাই পরশ ঠিক করেছে আগের বারের ভুল টা শুধরে মায়ের বাধ্য সন্তান হতে ।

,
আমাদের ডিভোর্স টা হয়েই গেল । আমি শেষ পর্যন্ত স্থির ছিলাম । একটু ও কাঁদিনি। চোখ দুটি বড্ড শান্ত ছিল । পরশের মুখে ছিল বিজয়ের হাসি। হয়তো বাবা হবার স্বপ্ন ওকে নতুন করে ' বাঁচতে শেখাচ্ছিল।
,
কেটে গেল পাঁচ বছর । লোক মুখে শুনেছিলাম পরশ নিজের কাজিনকে বিয়ে করে বেশ সুখেই আছে । ও সুখে থাকুক সেইটাই চেয়েছিলাম সব সময় ।

ছবির ফ্রেমে আর ভিডিওর কল্পনায় গল্প বলি সেখানে, চলে এসো! facebook.com/Sneho1
,
:- অবনী আমার শার্ট কোথায়? যলদি দাও অফিসে জরুরি মিটিং আছে ।
,
:- এই নাও ,তোমার চোখের সামনেই ছিল । আচ্ছা ফারহান তুমি সব সময় কাছাকাছি সব কিছু থাকতে ও আমাকে ডাকো কেন ? তুমি যানো না তোমার মেয়ে কে সামলাতে গিয়ে আমি হিমসিম খাই।
,
:- ডাকি কারণ আমার লক্ষি বউটাকে না দেখে বাইরে যেতে ইচ্ছে করে না।
,
:- হয়েছে হয়েছে আর আহ্লাদ করতে হবে না। মেয়ে দেখছে সব কিছু ।

,
:- দেখুন তাতে আমার কি। ও জানুক ওর বাবা ওর মাকে কতোটা ভালোবাসে।
,
:- আচ্ছা শোন, পরশু পরীর জন্মদিন তুমি অফিসের সবাই কে বলবে কিন্তু । আমি চাই ওর প্রথম জন্ম দিনে সবাই উপস্থিত থাকুক ।sneh0st0ryhub

,
:- ভাল কথা মনে করিয়ে দিলে । আজই বলবো সবাই কে । আমার অফিসের বস কে ও বলবো। জানো অবনী স্যার বিয়ে করেছেন পাঁচ বছর কিন্তু কোনও বাচ্চা নেই।

,
:- ওহহহহ ! আচ্ছা ঠিক আছে তুমি তাকে ও আসতে বলো।

,
বিকেল থেকে অতিথি সব আসতে লাগলো। অনুষ্ঠান শুরু হতে বেশি বাকি নেই। হঠাত্ করে একটা পরিচিত মুখের দিকে দৃষ্টি আটকে গেল । পরশ ! দীর্ঘ পাঁচ বছর পর দেখা । সম্পূর্ণ গল্পটি পেয়ে যাবেন Sneh0 St0ry hub পেইজে পরশ ও আমাকে দেখে চমকে গেল । কারো বুঝতে বাকি নেই কে কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে ।

,
পরশ আমাকে দেখে ঘামতে শুরু করেছে। হিসেব মিলাতে ব্যস্ত পরী কে ? আমার তো কোনও দিন মা হবার কথা ছিল না তাহলে এই সন্তান ?

চলবে,,,,,

ত্যাগ
পর্ব এক
অধরা জেরিন

:-আজ রাইতে যদি তুই চিৎকার করছ, তাইলে তোরে আমি তালাক দিমু ! ওই ,তুই আমার বিয়া করা বউ তোর শরিলে আমার হাত দেওয়া জায়েজ আছে ...
28/11/2025

:-আজ রাইতে যদি তুই চিৎকার করছ, তাইলে তোরে আমি তালাক দিমু ! ওই ,তুই আমার বিয়া করা বউ তোর শরিলে আমার হাত দেওয়া জায়েজ আছে ।
,
:- দ্যাহেন , আপনারে আমার ভয় লাগে । আল্লার দোহাই লাগে আমারে ছুইয়েন না।

,
:- কি কইলি , আমারে ভয় লাগে । আমার আগে কয়জনরে মধু খাওয়াইছোস ?
,
:- ছি ছি , আপনে মানুষ না একটা অমানুষ । আমারে ছাইড়া দেন আমি মায়ের কাছে যামু।

,

এই বলেই রুপ কাঁদতে লাগলো। রুপের বয়স মাত্র তেরো বছর । বিয়ে হয়েছে একটা পয়তিশ বছরের লোকের সাথে । রুপের বাবা দিনমজুর করে । অভাবের সংসার । রুপের মা বাসায় বাসায় কাজ করে । রুপ কে অনেক কষ্ট করে ক্লাস ফোর পর্যন্ত পড়িয়েছে। রুপের বাবাকে তাঁর বন্ধু একদিন ডেকে বললো ,

,
:- কি খবর রামিজ মিয়া ?মাইয়ারে আর কতো পড়াইবা? মাইয়াগো এতো পড়োনের কাম কি ! তাঁরে বিয়া দিয়া দাও সংসার করুক তোমার টাকা পয়সা ও বাচবো আর মাইয়া সুখে ও থাকবো ।

,
:- তুমি ঠিকই কইছো। কিন্তু ভাল পোলা কই পামু ? আমার অবস্থা তো জানো, নুন আনতে পান্তা ফোরায়। কেডা বিয়ে করবে । আর আমার যৌতুক দেওনের ও ক্ষমতা নেই।

এই গল্পের মতোই কিছু ভালোবাসা গেঁথে রেখেছি এখানে facebook.com/SNHOFAC
,
:-আমার কাছে একটা ভাল পোলা আছে ।বিরাট বড়োলোক। তোমার মাইয়া সুখে থাকবো। কিন্তু কথা হইলো ?

,
:- কিন্তু কি কও ?

,
:- হেই পোলার বউ আছে । তিনডা মাইয়া আছে সাথে । কিন্তু তাগো পোলা লাগবো বংশের বাতি জ্বালানোর জন্য । তোমার মাইয়ারে হের লগে বিয়া দাও দেইখো রাজরানির মতো রাখবে ।

,
:- কওকি , ! আমার মাইয়া করবো সতিনের সংসার ?
না না এইডা সম্ভব না।

,
:- রামিজ মিয়া ! তুমি কি পাগল হইছো কতো বড়ো খানদানি বংশের বউ হবো তোমার মাইয়া । ছেলে দেখতে শুনতে ও ভাল । এহন তুমি ভাইবা দ্যাহ। তুমি আমার ছোট কালের বন্ধু তাই তোমারে কথাডা কইলাম।

এই বলেই সে চলে গেল । রামিজ চিন্তিত মনে বাড়িতে আসলো। আসতেই ফুলবানু বললো ,sneh0st0ryhub

,
:- কি গো রুপের বাপ ! খালি হাতে বাড়িতে আইলেন ?
রুপের স্কুল ব্যাগ কই ? মাইয়াডা দুইদিন ধরে খায় না কিছু। হ্যার স্কুল ব্যাগ লাগবো।

,
:- রুপ রে আর পড়ামু না। হ্যারে বিয়া দিমু।

,
:- কি কন এই সব। আপনের কি মাথা খারাপ হইছে । ওইটুকু মাইয়ারে বিয়া দেবেন ?

,
: - তোমার লগে আমার যহন বিয়া হয় তুমিও ওইটুকু ছিলা। খানদানি ঘরের পোলা । আমাগো রুপ সুখী হইবো। আইজ আমার লগে বশিরের কথা হইছে হেই বলছে পোলার কথা । যাও মাইয়ারে বাইরে বেশি যাইতে দিও না।

,
:- কিন্তু আমার ওইটুকু মাইয়া আরো দুইএক বছর লেহাপড়া করাইলে ভাল হইতো না।

,

:- বেশি বুঝবা না। হেই পোলার বউ আর তিনডা মাইয়া আছে । তাগো খানদানে পোলা দরকার আমাগো রুপের একটা পোলা হইলে ওরা মাথায় তুলে রাখবো।
,
:- হায় হায় কন কি ! আমার মাইয়া সতিনের সংসার করবো আপনি বাপ হইয়া মাইয়ারে সতিনের ঘরে দেবেন ।

ছবির ফ্রেমে আর ভিডিওর কল্পনায় গল্প বলি সেখানে, চলে এসো! facebook.com/Sneho1
,
:- বেশি বুঝবি না। তিন তালাক দিয়ে বাপের বাড়িতে পাঠায় দিমু। যা রুপ রে ঘরে নিয়ে আয়। খেলাধুলা অনেক হইছে ।

এই বলেই হনহন করে বন্ধুর সাথে কথা বলতে চলে গেল ।
রসুলপুর গ্রাম ,

এই গ্রামের সব থেকে ধনী রাশেদ চৌধুরি। উনার সাত বোন। সবাই শ্বশুর বাড়িতে । বংশের একমাত্র ছেলে রাশেদ একাই। বাবা মায়ের পছন্দ করা মেয়ে কে বিয়ে করেছিল পনেরো বছর আগেই । পরপর তিনটি মেয়ে হয়ে তাঁর আশঙ্কা হতে লাগলো হয়তো তাদের বংশ ধরে রাখার কেউ রইলো না। অনেক ভেবে চিন্তা করে ঠিক করলো আবার বিয়ে করবে । তাইতো চারিদিকে লোক পাঠিয়ে দিল। রাশেদ দেখতে শুনতে ভাল । ঠাণ্ডা মেজাজের ও বটে । কিন্তু রেগে গেলে খুব কঠিন রুপ ধারণ করে । মুখে যা আসে তাই বলে ।

রামিজ রসুলপুর গ্রামে আসলো বন্ধুর সাথে । সব কথা বার্তা ঠিক করতে । রাশেদের বাড়ি ঘর দেখে পছন্দ হলো। রাশেদ ও রুপের ছবি দেখে পছন্দ করলো। যদিও মেয়েটার বয়স কম। কিন্তু এটা আজকাল কোনও ব্যাপার না। দিন তারিখ ঠিক করে রামিজ ফিরে এলো।

দেখতে দেখতে বিয়ের দিন চলে এলো। রাশেদ আগের থেকেই রামিজের কাছে এক লক্ষ টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে। বিয়ের খরচের জন্য । গহনা শাড়ি কাপড় কোনও কিছূর কমতি নেই।

আজ বিয়ে ,

সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখে রুপ ঘরে নিয়ে । খুবই সাদামাঠা বিয়ে হবে এটা রাশেদের ইচ্ছে । তাই লোকজন তেমন যানেনা।রুপের মা মেয়ে কে খেলার মাঠে পেলেন । সম্পূর্ণ গল্পটি পেয়ে যাবেন Sneh0 St0ry hub পেইজে সেখান থেকে মেয়ে কে ধরে এনে ভাল করে গোসল করিয়ে সাজাতে বসলেন

,,
রুপ হা করে সব কিছু দেখে ফিক করে হেসে দিয়ে বললো ,

:- মা ! আইজ আমারে এতো সাজাও কেন ? আমরা বেড়াইতে যামু বুঝি ?

রুপের মা কেঁদে দিয়ে বললো ,

:- মারে , আজ তোর বিয়া ।

রুপ আরো অবাক হয়ে মাকে বললো.......

চলবে,,,,

অবেলায় ঝরে যাওয়া
পর্ব এক
অধরা জেরিন

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SnEh0 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share