03/12/2025
রাত্রি আর আসিফ দুজন এক যৌ*ন খেলায় লিপ্ত,তাদের যেন দিন দুনিয়ার কোন হু*শ নেই।
অন্যদিকে।
দরজায় নক করতে করতে এক পর্যায়ে প্রায় হয় রান হয়ে যায় শুভ খুব জোরে একটা ধাক্কা দিতেই খুলে যায় দরজা।
শুভ ত*ড়ি ঘ*ড়ি করে রুমের দিকে পা বাড়ায় এটা দেখতে যে রাত্রি ঠিক আছে কিনা কেন না রাত্রি তো কোন সময় এত দেরি করে না দরজা খুলতে।
এক পা দু পা করে
সিড়ি দিয়ে উপরে উঠছে শুভ হঠাৎ বেডরুম থেকে অ*শ্লী*ল আওয়াজ আসতে থাকে সেটা শুনেই শুভ রুমের দিকে উ*কি মা*রে তারপর যা দেখে তা দেখে শুভর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় শুভ'র মনে হলো তাঁর পুরো দুনিয়াটা অন্ধকার
শুভ এখন দেখছে তার স্ত্রী তথা রাত্রি আশফাক চৌধুরীর (রাত্রির বাবা) অফিসের ম্যানেজার আসিফ এর সাথে শা*রী*রি*ক মিলনে ব্যাস্ত।
এতটাই ব্যা'স্ত যে, শুভ যে তাঁদের দরজার সামনে দাড়িয়ে আছে সেটা খেয়ালই নেই তাদের। হঠাৎ রাত্রি শুভকে দেখতে পায় আর সাথে সাথে আসিফকে ধাক্কা মে'রে ফেলে দেয়।
আসিফ কি হলো বেবি আমাকে ফেলে দিলে কেনো?তুমি কি সুখ উপভোগ করছো না নাকি? আমার আদর তোমার ভালো লাগছেনা?
রাত্রি তো এক চোখে শুভর দিকে তাকিয়ে আছে কোন রকমে শরীরে কাপড় মু'ড়ি'য়ে
এভাবে দরজার দিকে রাত্রিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে আসিফ পিছনে তাকিয়ে দেখে তার পিছনে শুভ দাড়িয়ে।
শুভর চোখে জল আর রাগ দুটোই প্রকাশ পাচ্ছে।
নিরবতা ভে*ঙে শুভ গিয়ে আসিফকে উ*ল*ঙ্গ অবস্থায় টেনে ধরে ক*ষি*য়ে থা*প্প*র আর ঘু*ষি মা*র'*তে*ই থাকে।
রাত্রি কোনরকমে কাপড় ঠিক করে....
রাত্রিঃ এই তুই ওকে একদম মা*র*বি না ছাড় বলছি!
রাত্রির মুখে তুই শুনে শুভ অবাক হয়ে যায়।
শুভঃ ছি! তোমার মধ্যে কি সামান্য তম অ*প*রা*ধ*বো*ধ নেই আমার স্ত্রী হয়ে তুমি অন্যজনের সাথে বিছানায় মে*তে ছিলে আবার আমাকেই রাগ দেখাচ্ছো।
এই গল্পের মতোই কিছু ভালোবাসা গেঁথে রেখেছি এখানে facebook.com/SNHOFAC
রাত্রিঃ হাহাহা (ভয়ংকর হাসি দিয়ে) কে তোর স্ত্রী? তোকে এখন আর আমার ভালো লাগে না কি আছে তোর মধ্যে? না আছে টাকা না আছে স্ট্যাটাস অথচ দেখ আসিফের মধ্যে সব আছে,তাই আমি এখন আসিফকে ভালোবাসি।
রাগান্বিত হয়ে শুভ রাত্রির গালে থা*প্প*ড় দিয়ে।
শুভঃ ছি!তুই এত বড় চরিত্র'হী'ন তোকে আজ পর্যন্ত ভালোবেসেছি ভেবে আমার লজ্জা লাগছে।
(এরই মাঝে আসিফ কাপড় চোপড় পরে ফ্রেশ হয়ে আসে যেনো কিছুই হয়নি)
রাত্রিঃ তুই আমাকে থা*প্প*ড় মা*র*লি,থাকিস আমার বাবার ঘরে আবার আমার গায়ে হাত তুললি কোন সাহসে?(রেগে গিয়ে চিৎকার দিয়ে)
শুভ অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে কি বলবে মুখের ভাষা হারিয়ে ফেলেছে।
রাত্রি আবার বলতে শুরু করল...
আমার বাসায় আমি যাকে খুশি তাকে নিয়ে মা*স্তি করবো তাঁতে তোর কি? ওওও তোর স্ত্রী হই তাই এই অধিকার দেখাচ্ছিস যা তোকে ডিভোর্স দিয়ে দিবো।আমি আসিফকে বিয়ে করবো,এখন বের হ তোর জিনিস পত্র নিয়ে ফ*কি*ন্নি*র বাচ্চা ওও তুই কি নিবি সবকিছুই তো আমার বাবার টাকায় কেনা বলে (অট্টহাসি দিল রাত্রি আর আসিফ)
কথাটা শুনে শুভর পায়ের নিচ থেকে যেন মাটি সরে গেল।
শুভঃ আচ্ছা ভালো থাকো তাহলে তুমি তোমার এই অট্টালিকাতে। আসব না কখনো অধিকার খা'টা'তে বাসবো না কখনো ভালো তোমাকে তবে বলে রাখি একদিন কাঁদবে তুমি খুব তখন আর পাবে না আমায় সেদিন বুঝবে আমি কি ছিলাম তোমার জীবনে(অভিমানী কান্না সুরে)
শুভ ওয়ার্ড ড্রো*প থেকে কিছু পুরনো জামা বের করে ওয়াশরুমে চলে যায় এটা দেখে...
আসিফঃ কি রে ও কি আবার ওয়াশরুমে গিয়ে আ*ত্ম হ*ত্যা করবে নাকি যেভাবে গেলো তাতে তো তাই মনে হয় (হাঁসি দিয়ে)
রাত্রিঃ ম*র*লে ম*রু*ক দেখো না জান ও তোমায় আ*ঘা*ত করে কি হাল করেছে জা*নো*য়া*র কোথাকার আর আমাদের সুখের ও বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে।
এই বলে দুজনে দুজনের চার ঠোট এক করে ফেলে আবার।
এদিকে ওয়াশরুমে রাত্রির বাবার টাকায় কেনা কাপড় খুলে নিজের পুরনো কাপড় পড়তে পড়তে ওদের কথা শোনে আর চোখ দিয়ে অঝোরে বৃষ্টি পড়তে থাকে শুভ'র তবে এটা ভালোবাসার না ঘৃ'ণা'র বৃষ্টি।
শুভ মনে মনে বলতে থাকে...
তাহলে কি,আমার আর রাত্রির ভালোবাসা গুলো মিথ্যে ছিল,আমাদের ৮ বছরের ভালোবাসা না না আমাকে জানতে হবে।
আসিফ আর রাত্রি এখনো চার ঠোঁট এক করে আছে।
শুভ ওয়াশরুম থেকে বাহিরে বের হয়ে এসে ওদের খা'রা'প দৃশ্য দেখে চোখ ফিরিয়ে নেয়।
রাত্রি তা খেয়াল করে....
রাত্রিঃ উহু দাড়াও জান, দেখো না আপদ টা এখনো যায় নি ও গেলেই আমাকে আবার ভালোবাসা দিও।(হাঁসি দিয়ে)
শুভঃ রাত্রি তোমাকে শেষ একটা প্রশ্ন করবো প্লিজ উত্তর দিও।
রাত্রি মুখ ভে'ঙ'চি'য়ে কি তাড়াতাড়ি বল আমার আবার জানকে আদর করতে হবে।
শুভঃ আচ্ছা! তাহলে আমাদের ভালোবাসা কি মিথ্যে ছিল? ৮ বছরের সম্পর্ক?
রাত্রিঃ ওটা শুধু আবেগ আর মো'হ ছিল আর কিছুই না।দেখলি না এখন আমার আবেগ আর মো'হ দুটোই কে'টে গেছে আর এখন আমি আসিফকে ভালোবেসে ফেলেছি।(তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে)
শুভ অভিমান ভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আর ভাবছে এই কি সেই রাত্রি যাকে সে অ'ন্ধে'র মতো ভালোবেসেছিলো? যার জন্য শতকিছু ত্যাগ করতে হয়েছিল না এ সে রাত্রি হতেই পারে না।
শুভঃ ওহহহ এটাই জানার ছিল আর হ্যা ডিভোর্স দেওয়া লাগবে নাৎআমি তো তোমাকে মন থেকে তা'লা'ক দিয়ে দিয়েছি আর তাছাড়া যে স্বামী কে ছেড়ে অন্যজনের সাথে বে'ডে মা'স্তি করতে পারে তাঁর আবার ডিভোর্স লাগে নাকি!( মুচকি হাসি দিয়ে)
রাত্রিঃ না আমার বিশ্বাস নেই তোর উপর তুই যদি আবার স্বামীর অধিকার চাইতে আসিস আবার সম্পত্তিও তো চাইতে পারিস তাঁর থেকে আমি ডিভোর্স পেপার দেই তুই স'ই করে দে। আমি আগে থেকেই রেডি করে রেখেছি।
রাত্রি আলমারী থেকে ডিভোর্স পেপার এনে শুভকে দিয়ে নে স'ই কর আর তাড়াতাড়ি যা এখান থেকে।
শুভ হাসিমুখে স'ই করে দিল কারণ তাঁর এখন প্রচুর ঘৃ'ণা রাত্রির উপর স'ই করে হাতে থাকা রাত্রির বাবার টাকার জামাকাপড় গুলো রাত্রির মুখে ছুড়ে মে'রে,চলে যেতে লাগলো আবার থেমে গিয়ে বললো...
ছবির ফ্রেমে আর ভিডিওর কল্পনায় গল্প বলি সেখানে, চলে এসো! facebook.com/Sneho1
শুভঃ রাত্রি(চিল্লিয়ে) প্লিজ তুই কখনো আমার জীবনে আর আসিস না আগে আমার চোখে যতটুকু ভালোবাসা দেখেছিস এখন থেকে তাঁর চেয়ে একশত গুণ ঘৃ"ণা দেখবি
এই বলে শুভ বাসা থেকে বের হয়ে গেল এক অজানার উদ্দেশ্যে।
এদিকে রাত্রি আর আসিফ শুভর কথা হেঁসে উড়িয়ে দিল।
রাত্রিঃ ফ'কি'ন্নি টা আসলেই পা'গ'ল। আসিফকে উদ্দেশ্য করে..জান আমি কি তোমাকে কখনো ছেড়ে যাবো বলো? আমি তো তোমাকে ভালোবাসি তুমি আমায় ছেড়ে যাবে নাতো?
আসিফঃ কি বলো এসব বেবি আমি তোমায় কখনো ছেড়ে যাবো না। আমি তো তোমায় অনেক ভালোবাসি।
আসিফ মনে মনে রাত্রির বাবা আশফাক চৌধুরী কে উদ্দেশ্য করে বলে-
( আমি আজ আমার অ'প'মা'নে'র বদলা নিয়েছি।দেখ কিভাবে তোর মেয়েকে তি'লে তি'লে মা'রি আর তোর সব সম্পত্তি আমার নামে করে নেই হা হা হা , খেলাতো এই মাত্র শুরু করলাম আশফাক চৌধুরী) হা হা হা
এদিকে
শুভ হাঁটতে হাঁটতে সেই চির চে'না লেকের পাড়ে পৌছায়। সম্পূর্ণ গল্পটি পেয়ে যাবেন Sneh0 St0ry hub পেইজে এই সেই জায়গা যেই জায়গায় শুভর মন খা'রা'প থাকলে আসে এই জায়গায় আসলে শুভর মন ভালো হয়ে যায়।
তবে আজকে অনেক আ'ঘা'ত পেয়েছে শুভ,এটা এতো সহজে ভালো হবে না।
শুভ লেকের পাড়ে বসে,ভাবতে থাকে রাত্রির কথা,আর কল্পনা করতে থাকে পুরনো অতিতকে
চলবে.........
ভালোবেসেও পর
পর্বঃ ১