মাজালিসুল হিকমাহ - Majalisul Hikmah

মাজালিসুল হিকমাহ - Majalisul Hikmah কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে প্রজ্ঞাপূর্ণ জীবনের আসর। বিশুদ্ধ তথ্যের প্রচার ও জীবনমুখী ইসলামিক নির্দেশনাই আমাদের লক্ষ্য। ইনশাআল্লাহ, সত্যের পথে আমাদের এই পথচলা।

12/04/2026

মৃত্যুর আগে সুযোগ শেষ হয়ে যায়… আপনি কি প্রস্তুত? 🥺

আজ থেকেই বদলান









11/04/2026

নামাজই হবে প্রথম হিসাব… আপনি কি প্রস্তুত? 🕌

Follow করুন আরো ইসলামিক reminder এর জন্য








10/04/2026

আপনি কি রিজিকের সংকটে ভুগছেন? মনে রাখবেন, রিজিকের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালা। রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন এমন একটি আমল, যা আপনার বন্ধ রিজিকের দরজা খুলে দিতে পারে। 🤲
​আজকের ভিডিওতে আমরা জানবো রিজিক বৃদ্ধির সেই শক্তিশালী আমল সম্পর্কে যা নিয়মিত করলে ইনশাআল্লাহ আপনার অভাব দূর হবে।
​✅ ভিডিওটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন।
✅ আরও ইসলামিক আমল ও মোটিভেশন পেতে আমাদের পেজটি ফলো/সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

08/04/2026

আয়াতুল কুরসি পাঠের ফজিলত অপরিসীম। এটি শুধু আমাদের ঈমান মজবুত করে না, বরং আল্লাহর বিশেষ সুরক্ষায় আমাদের আগলে রাখে। ভিডিওটি শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন।

07/04/2026

নবী ইউনুস (আ.) যখন মাছের পেটে অন্ধকার অবস্থায় ছিলেন, তখন তিনি এই দোয়াটি পড়েছিলেন এবং মহান আল্লাহ তাকে সেই কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা করেছিলেন। আপনিও কি কোনো কঠিন সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন? তবে পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে এই দোয়াটি পড়ুন।

​ #বিপদ_মুক্তির_দোয়া #ইসলামিক_ভিডিও

রিজিক কম হতে পারে, কিন্তু তা যেন অবশ্যই 'হালাল' হয়। কারণ, হারাম উপায়ে অর্জিত পাহাড়সম সম্পদও আখেরাতে কোনো উপকারে আসবে না,...
06/04/2026

রিজিক কম হতে পারে, কিন্তু তা যেন অবশ্যই 'হালাল' হয়। কারণ, হারাম উপায়ে অর্জিত পাহাড়সম সম্পদও আখেরাতে কোনো উপকারে আসবে না, বরং তা হবে জাহান্নামের ইন্ধন। ইসলামে হালাল-হারামের বিধান কেবল কিছু নিয়ম নয়, এটি আমাদের ঈমানের পরীক্ষা।

​ হালাল জীবন যাপনের ৫টি বিশেষ গুরুত্ব:

​১. ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত: নবীজি (সা.) বলেছেন, একজন ব্যক্তি অনেক সফর করে ক্লান্ত হয়ে দুহাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া করে, কিন্তু তার খাদ্য, পানীয় এবং পোশাক যদি হারাম হয়—তবে তার দোয়া কীভাবে কবুল হবে? (সহীহ মুসলিম: ১০১৫)।

২. দোয়া কবুলের মাধ্যম: হালাল উপার্জন দোয়া কবুলের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.)-কে নবীজি (সা.) বলেছিলেন, "তোমার খাবারকে পবিত্র (হালাল) করো, তবেই তুমি মুস্তাজাবুদ দাওয়াহ (যার দোয়া কবুল হয়) হতে পারবে।" (তাবারানি)।

৩. জান্নাত লাভের পথ: হারাম রক্ত ও মাংসে গঠিত শরীর জান্নাতে প্রবেশ করবে না। হালাল উপার্জন মুমিনের জন্য জান্নাতের পথ সুগম করে।

৪. পারিবারিক বারাকাহ: হালাল উপার্জনে অল্প সম্পদেও যে বরকত থাকে, কোটি টাকার হারামে তা কখনও পাওয়া যায় না। এটি সন্তানদের নেককার হতে সাহায্য করে।

৫. পরকালীন মুক্তি: কিয়ামতের দিন প্রতিটি মানুষকে তার উপার্জনের উৎস এবং ব্যয়ের খাত সম্পর্কে হিসাব দিতে হবে। হালাল উপার্জনকারী সেদিন মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে।

​আসুন, আমরা কেবল বেশি আয়ের পেছনে না ছুটে বরং 'হালাল' আয়ের পেছনে ছুটি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হারামের পঙ্কিলতা থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন। 🤲

​— মাজালিসুল হিকমাহ

কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে প্রজ্ঞাপূর্ণ জীবনের আসর

​ #মাজালিসুল_হিকমাহ #হালাল_হারাম #রিজিক #বরকত #ঈমান #সততা #নতুন_পোস্ট

আমরা কি জানি, আমাদের করা ছোট একটি মন্তব্য বা সমালোচনা আমাদের নেক আমলগুলো ধ্বংস করে দিতে পারে? ইসলামে 'গীবত' বা পরনিন্দাক...
06/04/2026

আমরা কি জানি, আমাদের করা ছোট একটি মন্তব্য বা সমালোচনা আমাদের নেক আমলগুলো ধ্বংস করে দিতে পারে? ইসলামে 'গীবত' বা পরনিন্দাকে নিজের মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার মতো জঘন্য অপরাধ বলা হয়েছে। গীবত বর্জন করা কেবল একটি ভালো গুণ নয়, বরং এটি আখেরাতে মুক্তির অন্যতম উপায়।

​গীবত বর্জন করার ৫টি মহিমান্বিত পুরস্কার:

​১. নিজের নেক আমল সংরক্ষণ: গীবত করলে নিজের নেক আমল অন্যের আমলনামায় চলে যায়। গীবত না করলে আপনার কষ্টার্জিত আমল আপনার জন্যই সংরক্ষিত থাকে।

২. পর্দা রক্ষা করা: যে ব্যক্তি অন্যের দোষ গোপন রাখে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা তার দোষ গোপন রাখবেন। (সহীহ মুসলিম: ২৫৯০)।

৩. মান-সম্মান রক্ষা: নবীজি (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের মান-সম্মান রক্ষা করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার মুখমণ্ডলকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন।" (সুনানে তিরমিজি: ১৯৩১)।

৪. হিসাব সহজ হওয়া: অন্যের পেছনে সমালোচনা না করলে কিয়ামতের কঠিন ময়দানে নিজের আমলনামার হিসাব অনেক সহজ হয়ে যাবে।

৫. ব্যক্তিত্বের মর্যাদা বৃদ্ধি: পরনিন্দামুক্ত মানুষ দুনিয়াতেও সবার কাছে বিশ্বস্ত ও মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে পরিচিতি পায়।

​আসুন, আমরা আমাদের জিহ্বাকে অন্যের সমালোচনা থেকে হেফাযত করি এবং নিজেদের আমলনামাকে পবিত্র রাখি।

​— মাজালিসুল হিকমাহ

"কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে প্রজ্ঞাপূর্ণ জীবনের আসর"

​ #মাজালিসুল_হিকমাহ #পরনিন্দা #গীবত #হেফাযত #জান্নাত #রিজিক #বরকত #নতুন_পোস্ট

নামাজ কেবল একটি ইবাদত নয়, এটি আল্লাহর সাথে বান্দার সরাসরি কথোপকথন এবং হৃদয়ের প্রশান্তি। ব্যস্ত জীবনের ভিড়ে আমরা যেন ভুল...
05/04/2026

নামাজ কেবল একটি ইবাদত নয়, এটি আল্লাহর সাথে বান্দার সরাসরি কথোপকথন এবং হৃদয়ের প্রশান্তি। ব্যস্ত জীবনের ভিড়ে আমরা যেন ভুলে না যাই যে, নামাজের মাধ্যমেই দুনিয়া ও আখিরাতের আসল সফলতা নিহিত।

​ নিয়মিত নামাজ আদায়ের ৫টি বিশেষ পুরস্কার:

​১. গুনাহ মোচন: নবীজি (সা.) বলেছেন, ৫ ওয়াক্ত নামাজ ঠিক তেমন, যেমন কারো বাড়ির সামনে নদী থাকলে এবং সে তাতে দৈনিক ৫ বার গোসল করলে তার শরীরে কোনো ময়লা থাকে না। (সহীহ বুখারী: ৫২৮)।

২. হৃদয়ের প্রশান্তি: আল্লাহ বলেন, "জেনে রেখো, আল্লাহর জিকিরের মাধ্যমেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।" (সূরা রাদ: ২৮)। আর নামাজ হলো শ্রেষ্ঠ জিকির।

৩. চেহারার নূর: নিয়মিত সিজদাহ করার ফলে মুমিনের চেহারায় এক ধরণের অপার্থিব নূর বা আভা তৈরি হয়।

৪. রিজিকে বরকত: যে ব্যক্তি আল্লাহর হুকুম মান্য করে নামাজ পড়ে, আল্লাহ তার রিজিকে বরকত ও জীবনে সচ্ছলতা দান করেন।

৫. জান্নাতের চাবিকাঠি: নবীজি (সা.) পরিষ্কারভাবে বলেছেন, "নামাজ হলো জান্নাতের চাবিকাঠি।" (সুনানে তিরমিজি: ৪)।

​আসুন, আমরা সময়মতো নামাজ আদায়ের মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে আলোকিত করি। আল্লাহ আমাদের সন্তানদের এবং আমাদের সবাইকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতের সাথে পড়ার তাওফিক দিন। আমিন। 🤲

​— মাজালিসুল হিকমাহ

কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে প্রজ্ঞাপূর্ণ জীবনের আসর

​ #মাজালিসুল_হিকমাহ #নামাজ #সিজদাহ #প্রশান্তি #জান্নাত #রিজিক #বরকত #নতুন_পোস্ট

রিজিক কেবল টাকা-পয়সা নয়; সুস্থতা, নেক সন্তান এবং মানসিক শান্তিও রিজিকের অংশ। আমরা অনেক সময় কঠোর পরিশ্রম করেও রিজিকে বর...
05/04/2026

রিজিক কেবল টাকা-পয়সা নয়; সুস্থতা, নেক সন্তান এবং মানসিক শান্তিও রিজিকের অংশ। আমরা অনেক সময় কঠোর পরিশ্রম করেও রিজিকে বরকত পাই না। ইসলাম আমাদের এমন কিছু আমল শিখিয়েছে যা পালন করলে আল্লাহ তায়ালা অভাব দূর করে দেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করেন।

রিজিকে বরকত লাভের ৫টি সুন্নাহ আমল:

​১. বেশি বেশি ইস্তেগফার করা: "তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা প্রার্থনা করো... তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দেবেন।" (সূরা নূহ: ১০-১২)।

২. তাকওয়া বা আল্লাহভীতি: যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য বের হওয়ার পথ করে দেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দেন যা সে কল্পনাও করেনি। (সূরা তালাক: ২-৩)।

৩. আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা: "যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক প্রশস্ত হোক এবং আয়ু বৃদ্ধি পাক, সে যেন আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করে।" (সহীহ বুখারী: ৫৯৮৫)।

৪. সদকাহ বা দান করা: দান করলে সম্পদ কমে না, বরং বৃদ্ধি পায়। আল্লাহ দাতার রিজিক বাড়িয়ে দেন।

৫. শুকরিয়া আদায় করা: "যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের (নেয়ামত) বাড়িয়ে দেব।" (সূরা ইব্রাহিম: ৭)।

​আসুন, আমরা কেবল পরিশ্রম নয়, বরং আল্লাহর ওপর ভরসা এবং এই আমলগুলোর মাধ্যমে আমাদের জীবনে বরকত নিয়ে আসি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হালাল ও বরকতময় রিজিক দান করুন। আমিন। 🤲

​— মাজালিসুল হিকমাহ

কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে প্রজ্ঞাপূর্ণ জীবনের আসর

​ #মাজালিসুল_হিকমাহ #রিজিক #বরকত #আমল #ইসলামিক_উপদেশ #সদকাহ #ইস্তেগফার

বর্তমানে দেশে শিশুদের মধ্যে 'হাম' (Measles) সহ বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে। ইসলামে অসুস্থতা কেবল কষ...
04/04/2026

বর্তমানে দেশে শিশুদের মধ্যে 'হাম' (Measles) সহ বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে। ইসলামে অসুস্থতা কেবল কষ্ট নয়, বরং মুমিনের জন্য গুনাহ মাফ ও ধৈর্য পরীক্ষার মাধ্যম। এমন কঠিন সময়ে আতঙ্কিত না হয়ে সুন্নাহ অনুযায়ী সতর্কতা ও আমল করা আমাদের দায়িত্ব।

​📜 নবীজি (সা.)-এর কালজয়ী নির্দেশনা:

​মহামারি বা সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়লে নবীজি (সা.) আমাদের 'কোয়ারেন্টাইন' বা দূরত্বের শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন:

​"অসুস্থ (উটকে) যেন সুস্থ (উটের) সাথে মিশিয়ে রাখা না হয়।"

(সহীহ বুখারী: ৫৭১১, সহীহ মুসলিম: ২২২১)

অর্থাৎ, সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সুস্থদের থেকে আলাদা রাখা এবং সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা একটি সুন্নাহ।

​✅ ভাইরাস ও মহামারি থেকে সুরক্ষায় ৫টি বিশেষ আমল:

​১. তাওয়াক্কুল ও চিকিৎসা: "আল্লাহ এমন কোনো রোগ পাঠাননি যার ওষুধ তিনি সৃষ্টি করেননি।" (বুখারী: ৫৬৭৮)। তাই শিশুদের টিকা দেওয়া এবং দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ঈমানের অংশ।

২. পবিত্রতা (অজু): ভাইরাস থেকে বাঁচার প্রথম ধাপ পরিচ্ছন্নতা। নিয়মিত ওজু ও হাত ধোয়ার অভ্যাস জীবাণু ধ্বংস করে।

৩. সকাল-সন্ধ্যার সুরক্ষা: প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় ৩ বার 'বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু...' দোয়াটি পাঠ করুন। এটি সব ধরণের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষা দেয়। (আবু দাউদ: ৫০৮৮)।

৪. সদকাহ করা: নবীজি (সা.) বলেছেন, "তোমরা সদকার মাধ্যমে তোমাদের অসুস্থদের চিকিৎসা করো।" (সহীহুল জামি: ৩৩৫৩)। সামর্থ্য অনুযায়ী দান-খয়রাত করলে আল্লাহ বিপদ ও মুসিবত দূর করেন।

৫. ধৈর্য ও জিকির: অসুস্থ শিশুর শিয়রে বসে সূরা ফাতিহা পড়ে ফুঁ দেওয়া (রুকইয়াহ) এবং আল্লাহর জিকির করা অত্যন্ত কার্যকরী।

​🤲 বিশেষ সুরক্ষার দোয়া (যা বেশি বেশি পড়া উচিত):

​اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَالْجُنُونِ وَالْجُذَامِ وَمِنْ سَيِّئِ الأَسْقَامِ

"আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বারাছি ওয়াল জুনুনি ওয়াল জুযামি ওয়া মিন সাইয়্যিইল আসকাম।"

অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ধবল (কুষ্ঠ), উন্মাদনা, সংক্রামক ব্যাধি এবং সব ধরণের কঠিন রোগ থেকে আশ্রয় চাই।"

(আবু দাউদ: ১৫৫৪)

​আল্লাহ আমাদের সন্তানদের এবং দেশের মানুষকে সব ধরণের মহামারি ও ভাইরাস থেকে হেফাজত করুন। আমিন। 🤲✨

​— মাজালিসুল হিকমাহ

"কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে প্রজ্ঞাপূর্ণ জীবনের আসর"!

​ #মাজালিসুল_হিকমাহ #সুন্নাহ #হাম #ভাইরাস_সতর্কতা #অসুস্থতার_দোয়া #সদকাহ #ইসলামিক_চিকিৎসা

Address

Thakurgaon

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাজালিসুল হিকমাহ - Majalisul Hikmah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share