26/07/2025
#মোবাইলএডিকশন
এখনকার জেনারেশন টাই কেমন জানি অদ্ভুদ।আমরা যখন ছোট ছিলাম,তখন আমাদের রুটিন ই ছিল সারাদিন স্কুল করে এসে বিকালে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে বের হওয়া,দেরি করে বাড়ি ফিরা আর বাবার মুখে গালি শুনা।আর এখনকার ছেলেরা বাইরে না যাওয়ার জন্য গালি শুনে।সবাই মোবাইল এডিক্টেড।
এর জন্য দায়ী কারা জানেন?
বাবা মা
কেন?
আমি বলছি,
১.বাবা সারাদিন অফিস করে আসবে এসে মোবাইল নিয়ে ফেসবুক দেখবে।মা সারাদিন টিকটক আর ফেসবুকে রিলস দেখবে।তো সন্তান আল্টিমেটলি মোবাইল দেখতে চাইবে।
২.আরেকটা কারণ হচ্ছে,বাবা তুমি এই পরীক্ষায় এই রেজাল্ট করলে তুমাকে এই মোবাইল দিব।আরে ভাই আপনি নিজেই আপনার সন্তানের হাতে মোবাইল তুলে দিচ্ছেন।পরে যত দোষ নন্দাঘোষ।
আগে নিজেরা সচেতন হন।পরে সন্তানকে গালি দিন,কথা শুনান।আপনার সন্তানও হতে পারে বিশ্ব বিখ্যাত কিছু তবে তা হওয়ার পরিবেশ আপনাকেই তৈরি করতে হবে।আর সন্তানদের কখনও দোষারোপ করবেন না।কারণ আজকে আপনি আপনার সন্তানের সাথে যেমন করছেন ৫০ বছর পরে ঠিক তেমনই বেক পাবেন।পরে বলবেন “সন্তানকে এত কষ্ট করে মানুষ করলাম এখন আমার বৃদ্ধাশ্রম এ থাকা লাগে”কথাটা তিতা হলেও সত্য।আপনার একটু যত্ন আর স্নেহের কারণে সন্তানের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হতে পারে।দেখবেন একদিন ওই সন্তান কে নিয়েই আপনি গর্ববোধ করছেন।
আজকের স্লোগান: সন্তানের প্রতি কঠোরতা নয়,ভালবাসতেই হবে জয়,ইনশাআল্লাহ ।
সাবিদ আহমেদ
ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়