07/08/2026
মোকামিয়া মাদরাসা বাজারে কুঠি মাদবারের মালিকানাধীন জমিতে অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ করেছে।
এলাকার মানুষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এই জমি নিয়ে বিরোধ চলমান এবং শাহ আলম শিকদার ভুয়া ওয়াকফের কাগজপত্র ব্যবহার করে হয়রানির করে আসছে,
যে দল ক্ষমতায় আসুক তাদের টাকার বিনিময় তার সাথে নিয়ে এলকার জমি দখল করা তার কাজ , মুলত সে একজন ভুমিধস্যু নামে পরিচিত,( আলামা ওরেফে (শাহআলম শিকদার)
এর আগেও কুঠি মাদবারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতরভাবে কুপিয়ে ৪ জনকে জখম করা হয়েছিল।
যে মামলা এখনো চলোমান,
১. জালাল মাতুব্বর(কুঠি মাতুব্বরে ছেলে)
২.খালিল মাতুব্বর(কুঠি মাতুব্বরে ছেলে)
৩. মিলন মাতুব্বর(কুঠি মাতুব্বরে ছেলে)
৪ রেহেনা বেগম(কুঠি মাতুব্বরে পুত্রবধু)
সে সময় কিছুদিন দখল থাকার পর কোর্ট তাদের কে পূনরায় জমি বুঝিয়ে দেয়।
৫ আগস্ট পর থেকে শুরু আবার জমি দখলের চেষ্টা ।
জাতীয় নির্বাচনের পর এলাকার কিছু চাঁদাবাজ এরা বিএনপির নাম দিয়ে ভূমি দখল, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সালিশ বাণিজ্য ও মাদক-সংক্রান্ত সকল কর্মকাণ্ড।
শাহআলম আওয়ামীলীগ থেকে হয়ে যায় বিএনপি, লাগিয়ে নেয় বিএনটি ট্যাগ সহোযোগিতা করে কিছু চাদাবাজ ও ভুমিধস্যু, যেমন চাঁদাবাজ ও মাস্তান ১, শাহিন হাওলাদার ২, দেলোয়ার হোসেন খান ৩, বেলায়েত ও ৪, আসাদ খান
এরা বিএনপি দলের ট্যাগ লাগিয়ে এলাকার মানুষের থেকে চাদা আদায় করা,
নিরহ ব্যবসায়িদের থেকে চাদা নেয়া, নয়তো তাদের ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ার হুমকি, বালুর ড্রেজার নিয়ে যাওয়ার হুমকি নয়তো ৩০ লক্ষ টাকা দাবি শালিসী বানিজ্য তো নিত্য নৈমিত্তিক হরহামেশা চলছে।
, যারা একসময় পরিবার নিয়ে কষ্টে জীবনযাপন করতেন, তারা আজকে বিএনপি ট্যাগ লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক,
এলাকার কোনো জমিজমা সালিস বানিজ্য যে কোনো ও সমস্যা হলে এদের কাছে না গেলে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয়,
অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে, অন্যোর ছেলের বউকে উঠিয়ে নিয়ে ধর্ষণের হুমকিসহ নানান অভিযোগের শেষ নেই।
এদের নামে নারী কেলেঙ্কারি অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছেন।
এদের নামে বেতাগী থানায় ধর্ষনের মামলাসহ অনেক মামলা আছে।
এই শাহআলম শিকদার সহো শাহিন হাওলাদার, দোলোয়ার হোসেন খান, আসাদ খান ও বেলায়েতের অত্যাচারে এলাকার মানুষ ভীত ও নিরুপায়।
মোকামিয়া ইউনিয়নের মানুষ সহ্য করতে পারে না। তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে জামাত ট্যাগ দিয়ে তাদের রাজনীতি থেকে দুরে রাখে ও তাদের হত্যার হুমকি সহ অভিযোগের শেষ নেই।এলাকায় এখন বিএনপির রাজনীতি ভেঙে পড়েছে। অথচ তারা আওয়ামীলীগ আমলে ফ্যাসিবাদি সাথে মিলে ইউনিয়ন নির্বাচনে আওয়ামীলীক হয়ে নির্বাচন করেছে,, এখন তারা বিএনটির নেতা বলে চলে। আসলে তারা বিএনপি না..
এককথায় আলাম শিকদার বেলায়েত, শাহিন, দেলোয়ার আসাদ খান এলাকার মানুষ জিন্মি, তাদের বিরুদ্ধে গেলে বিভন্ন ভাবে মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করে, যাতে তাদের বিরুদ্ধে না দাড়ায় ।এদের সাথে ২০ লক্ষ টাকার বেশি পরিমানে চুক্তিতে এই কুঠি মাদবারের ঘর রাতের ভিতর দখল করে নেই আলাম শিকদার। এলাকার জমির দালাল হিসাবে পরিচিত সোহাগ মুন্সি, অর্থ দিয়ে সহোযোগিতা করে ছগির আকন,হারুন হাওলাদার আইনি বিভিন্ন মামলা নাটক সাজায় আওয়ামী নেতা জলিল হাওলাদার।
পূর্বে আলাম মাস্তান ভাড়া করে জমি দখল করলে কোর্ট কুঠি মাদবারের ঘড় বুজিয়ে দিতে বললে কুঠি আবার ঘর বুজে পায়।আলাম আবার নতুন করে এলাকার চাঁদাবাজ মাস্তান ভাড়া করে
যাদের জমি তাদের বিরুদ্ধে দর্ষন মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করে মাস্তান নিয়া জমি দখল করেছেন।
আজকের তাদের ছেলে মেয়ে সহো সকলকে মামলা দিয়ে বাড়ি ঘড় ছাড়া করেছেন এই আলাম ও তার দলবল।
আমরা চাই
এলকায় ভুমিধস্যু না থাকুক
এলাকার মানুষ কারো কাছে জিন্মি না থাকুক।এলাকার এসব চাঁদাবাজদের দল থেকে বহিষ্কার করা হোক ভবিষ্যতে এই লোকগুলো কোনও কমিটিতে রাখা না হয় এলাকার মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে উপজেলা ও জেলা বিএনপির কাছে অনুরোধ করা হলো।
এলাকার সাধারন গ্রামবাসির সকলের আবেদন
এই ভুমিধস্যু, সন্ত্রাসদের বিরুদ্ধে আইনআনুক ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য বিনীত আবেদন জানাই
পাশাপাশি ভুক্তভুগিদের জমি ফিরিয়ে দেয়ার। অনুরোধ রইলো
উপজেল নির্বাহি অফিসার
থানার ওসি সাহেব
ও মাননীয় চীফহুইপ
এমপি বরগুনা-02
জনাব নুরুল ইসলাম মনি
#মোকামিয়া
#মাদক_বাণিজ্যের_অভিযোগ
#মোকামিয়া_ইউনিয়ন
#ভাইরাল_অডিও
#ভূমিদখল
#ভূমিদস্যু
#সন্ত্রাসবিরো
#আইনেরশাসন
#দুর্নীতিবিরোধ
#ন্যায়বিচারচাই
#ভুক্তভোগীর_ন্যায়বিচার
#প্রশাসনের_দৃষ্টি_আকর্ষণ
#জনগণের_নিরাপত্তা
#উপজেলা_প্রশাসন
#বেতাগী_থানা
#বরগুনা_2
#চীপহুইপ
#নুরুলইসলামমনি