Gazah.

Gazah. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Gazah., Photography Videography, Tongi, Gazipur.

গাজা শহরের দুঃখ কল্পনার চেয়েও বেশি বাস্তব। এখানে প্রতিদিনের জীবনে যুদ্ধের আঘাত, নিপীড়ন, এবং অব্যাহত মানবিক সঙ্কট। গাজায় বসবাসরত মানুষদের জন্য শান্তি এবং নিরাপত্তা যেন একটি দুঃস্বপ্ন। অবকাঠামোগত ধ্বংস, চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, খাবারের কষ্ট..

একটু লক্ষ্য করুন শত্রুর সাথে যুদ্ধ করার এত সুযোগ থাকার পর ও যদি মনে করেন আল্লাহ আবাবিল পাঠিয়ে সাহায্য করবেন তাহলে বুঝবেন...
07/04/2025

একটু লক্ষ্য করুন শত্রুর সাথে যুদ্ধ করার এত সুযোগ থাকার পর ও যদি মনে করেন আল্লাহ আবাবিল পাঠিয়ে সাহায্য করবেন তাহলে বুঝবেন আপনার মগজে শয়তানে পেশাব করে দিছে।আল্লাহ তখন সাহায্য পাঠাবেন যখন আমরা সৎভাবে চেষ্টা করেও পরাস্ত হব। চেষ্টা না করে ঘরে বসে আবাবিলের অপেক্ষা করলে সাহায্য আসবে না যতক্ষণ মুসলমান ধ্বংস না হচ্ছে।

06/04/2025

গল্প: ছোট্ট মোমেনের স্বপ্ন
(গাজার এক শিশুর কণ্ঠে)

আমার নাম মোমেন। আমার বয়স ৯। আমি গাজার এক ছোট্ট গ্রামে থাকতাম মা, বাবা, ছোট বোন লায়লার সাথে। আগে আমাদের একটা ছোট বাড়ি ছিল, সামনে একটা লেবুর গাছ, আর পেছনে মা’র লাগানো গোলাপ ফুলের বাগান।

আমরা খেলতাম, হাসতাম, পড়তাম… আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চেয়েছিলাম। কারণ আমি চাই না আমার মতো কোনো বাচ্চা আর রক্তে ভেসে থাকুক, আমি চাই না আর কোনো মা তার ছেলেকে হারাক।

কিন্তু একদিন, সব বদলে গেল। আকাশে বিমান, বোমার শব্দ, ধুলো আর কান্না—সবকিছু যেন আগুনে পুড়ে গেল। আমাদের বাড়িটা আর রইলো না। মা আর লায়লা এখন আকাশের তারা। বাবা এখন কিছু বলেন না, শুধু একপাশে চুপ করে বসে থাকেন।

আমি বাঁচে আছি, কিন্তু আমার ঘুমে আগুনের গন্ধ থাকে, চোখে ধুলো, আর বুকে লায়লার হাসি।

তবুও, আমি এখনো স্বপ্ন দেখি। গাজা একদিন শান্ত হবে। আমি একদিন স্কুলে ফিরবো, বন্ধুদের সাথে হাসবো, মাকে বলবো—"দেখো মা, আমি ডাক্তার হয়েছি!"

আমি আল্লাহর কাছে শুধু একটাই চাওয়া করি—
“হে আল্লাহ, আমার ছোট্ট পৃথিবীটা ফিরিয়ে দাও। আমি শুধু বাঁচতে চাই, ভালোবাসতে চাই।”

06/04/2025

কার সIধ্য আছে এই দৃশ্য দেখার হে মুসলমান তোমাদের কি গায়ে রক্ত নেই তোমরা কি লোভ লালসা থেকে বেরিয়ে জিহাদের পথে আসবে না।দেখ তোমার রব এখনো তোমায় সুযোগ দিয়েছে আজ তাদের এমন হল কাল তোমার পালা ওরা তোমাকে বিভোর রেখেছে দুনিয়ার লোভে নারীর লোভে ছি: তুমি কেন এখনো বিবেকবান হচ্ছ না।

06/04/2025

🌙 আল্লাহর অকৃজ্ঞ বান্দা থেকে দূরে থাকুন
❤️ চলুন মিলিত হই আল্লাহর রহমতের ছায়ায়
🕋 জীবন হোক শান্তির পথে…
https://youtu.be/Y3tyzeuu0F8?si=Zn6WMjzNJFPLJPhM

গাজা সম্পর্কে ইসলামের হাদিসে স্পষ্ট কোনো নির্দিষ্ট বর্ণনা নেই, তবে গাজার গুরুত্ব ও এর মুসলিম জনগণের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি ই...
06/04/2025

গাজা সম্পর্কে ইসলামের হাদিসে স্পষ্ট কোনো নির্দিষ্ট বর্ণনা নেই, তবে গাজার গুরুত্ব ও এর মুসলিম জনগণের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি ইসলামের অনেক দিক থেকেই প্রমাণিত। মুসলিম ঐতিহ্যে গাজা শহরের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে এবং তা অনেক হাদিস ও ইসলামী ইতিহাসে উল্লেখিত হয়েছে।

একটি প্রসিদ্ধ হাদিসে বলা হয়েছে:

**“গাজা এবং এর বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ দোয়া রয়েছে। যারা গাজার জন্য যুদ্ধ করে, তাদেরকে আল্লাহ বিপুল পুরস্কার দেবেন।”** (তিরমিজি)

এছাড়াও, ইসলামী ঐতিহাসিকদের মতে, গাজা শহর ইসলামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:

**“গাজা শহরের লোকেরা আল্লাহর নিকট বিশেষভাবে প্রশংসিত।”** (আহমদ)

আরেকটি হাদিসে বলা হয়েছে:

**“যখন তোমরা গাজা বিজয় করবে, তখন তোমরা সেখানে এক নতুন শক্তির সন্ধান পাবে।”** (ইবনে মাজাহ)

এছাড়াও, গাজা ও তার মানুষদের জন্য ইসলামিক ইতিহাসে অনেক অমূল্য শিক্ষার বার্তা রয়েছে, বিশেষত তাদের ধৈর্য, সংগ্রাম এবং ইসলামী আদর্শের প্রতি আনুগত্য নিয়ে।

এহেন হাদিসগুলো গাজার জনগণের জন্য শান্তি, সহানুভূতি এবং আল্লাহর সাহায্যের আহ্বান জানায়। গাজার মানুষদের জন্য বিশেষ দোয়া ও তাদের সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা মুসলিম উম্মাহর একটি বড় দায়িত্ব।

গাজা শহরের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল এবং উদ্বেগজনক। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ গাজায় 'মোরাগ করিডোর' নামে একটি নতু...
06/04/2025

গাজা শহরের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল এবং উদ্বেগজনক। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ গাজায় 'মোরাগ করিডোর' নামে একটি নতুন নিরাপত্তা করিডোর স্থাপন করেছে, যা রাফাহ শহরকে গাজার অন্যান্য অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে তুলেছে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই পদক্ষেপকে গাজা-ইউরোপ সীমান্তবর্তী ফিলাডেলফি করিডোরের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

এই পদক্ষেপের ফলে গাজায় মানবিক সংকট আরও তীব্রতর হয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে যে, গাজায় প্রায় ৯০% মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, এবং সেখানে খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন। আইওএম-এর প্রধান অ্যামি পোপ বলেন, "গাজায় মানুষের কষ্ট আর সহ্য করা যায় না; মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়া উচিত।"

এদিকে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ কায়রোতে গাজা যুদ্ধ নিয়ে একটি শীর্ষ সম্মেলন আহ্বান করেছেন, যেখানে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি এবং জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয় অংশগ্রহণ করবেন। এই সম্মেলনের লক্ষ্য গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথ সুগম করা।

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর প্রচেষ্টা চলমান থাকলেও, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং অবকাঠামোগত ধ্বংসাবশেষের কারণে তা কঠিন হয়ে উঠেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে যে, গাজায় প্রায় ৪৬,৬০০ মানুষ নিহত হয়েছে এবং ১১,০০০ এরও বেশি আহত হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে হাসপাতালগুলি আংশিকভাবে বা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে, গাজায় হামাস সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বৃদ্ধি পেয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় শত শত নাগরিক হামাসের পদত্যাগ দাবি করে রাস্তায় নেমেছেন, যুদ্ধ বন্ধ এবং মানবিক সংকট সমাধানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তবে, হামাস বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে হুমকি, আটক এবং এমনকি হত্যার ঘটনাও রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় গাজায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। তবে, রাজনৈতিক জটিলতা এবং নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের কারণে সমাধান খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।

ফিলিস্তিন কবে আবার মুসলিমদের কাছে ফিরে আসবে?
06/04/2025

ফিলিস্তিন কবে আবার মুসলিমদের কাছে ফিরে আসবে?

06/04/2025

ফিলিস্তিনের ইতিহাস একটি দীর্ঘ, জটিল এবং বিপদজনক সংগ্রামের ইতিহাস। ফিলিস্তিন একটি প্রাচীন অঞ্চল, যা বর্তমানে ইসরায়েল, পশ্চিম তীর এবং গাজা উপত্যকা নিয়ে গঠিত। এই অঞ্চলের ইতিহাস খ্রিস্টপূর্ব ৩ হাজার বছর আগ থেকে শুরু হয় এবং বহু ঐতিহাসিক ঘটনায় পূর্ণ।

# # # প্রাচীন ইতিহাস:
ফিলিস্তিন অঞ্চল প্রাচীন কাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই অঞ্চলটি প্রাচীন ইজিপ্ট, হিত্তিত, মিশরীয়, এবং অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতার সাথে সম্পর্কিত ছিল। প্রাচীন ইস্রায়েলites (ইহুদি জনগণ) ফিলিস্তিনে বসবাস করত এবং এখানে বিভিন্ন সময়ে ইহুদি রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম দিকে এটি "কানান" নামে পরিচিত ছিল।

# # # রোমান ও বাইজেন্টাইন শাসন:
খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতাব্দীতে রোমান সাম্রাজ্যের অধীনে আসে ফিলিস্তিন, এবং পরবর্তীতে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের অংশ হয়ে দাঁড়ায়। এই সময়ে ফিলিস্তিনে খ্রিষ্টান ধর্মের প্রভাব বিস্তার লাভ করে।

# # # ইসলামী শাসন:
৭ম শতাব্দীতে ইসলামিক সেনারা ফিলিস্তিন আক্রমণ করে এবং অঞ্চলটি মুসলিম শাসনাধীনে চলে আসে। এর পরবর্তী কয়েক শতক ধরে ফিলিস্তিনের অধিকাংশ অঞ্চল ইসলামী Caliphates দ্বারা শাসিত হয়।

# # # অটোমান শাসন:
১৫শ শতক থেকে ১৯১৭ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিন অঞ্চলটি অটোমান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। অটোমানরা ফিলিস্তিনে শান্তিপূর্ণ শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল, তবে ১৯শ শতকের শেষদিকে সেখানে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এবং ইউরোপীয় শক্তির প্রভাব বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

# # # ব্রিটিশ শাসন (১৯১৭-১৯৪৮):
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর, ব্রিটেন ১৯১৭ সালে বালফোর ঘোষণা (Balfour Declaration) দ্বারা ফিলিস্তিনে একটি ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সমর্থন দেয়। এর পর, ব্রিটিশরা ফিলিস্তিনকে ম্যান্ডেট অঞ্চলের অধীনে শাসন করতে শুরু করে। এই সময়ে, ইহুদিরা এবং আরবদের মধ্যে tensions (বিশ্বাসের পার্থক্য) বাড়তে থাকে, যা পরবর্তীতে উত্তেজনা এবং সংঘর্ষের জন্ম দেয়।

# # # ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনের সংগ্রাম:
১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে, ফিলিস্তিনের আরব জনগণকে বিতাড়িত করা হয়। এই সময়ে ফিলিস্তিনিদের "নাকবা" (Nabka) বা "বিপর্যয়" নামক বিপুল শরণার্থী সমস্যা তৈরি হয়। ফিলিস্তিনিরা তাদের ভূমি হারিয়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়। এর পর থেকে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে।

# # # আধুনিক সময়:
১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা এবং পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়। এই অঞ্চলগুলো এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যদিও ফিলিস্তিনিরা তাদের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের জন্য সংগ্রাম করছে।

ফিলিস্তিনের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের শাসন ও দখলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রামে লিপ্ত রয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সত্ত্বেও, এখনো পর্যন্ত ফিলিস্তিনের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি। ১৯৯০-এর দশকে আসলো ওসলো চুক্তি, যেখানে কিছু স্বীকৃতির মাধ্যমে ফিলিস্তিনে নিজস্ব শাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল, তবে শান্তি প্রক্রিয়া সফল হয়নি।

বর্তমানে, ফিলিস্তিন দুটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত—পশ্চিম তীর এবং গাজা, এবং এই দুটি অঞ্চলের রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল এবং সংঘাতপূর্ণ।

ফিলিস্তিনের ইতিহাস একটি জাতিগত, ধর্মীয়, এবং রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস, এবং এই অঞ্চলের মানুষের জন্য শান্তি ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা আজও অমীমাংসিত।

🌸 **স্বাগতম গাজা** 🌸আমাদের পৃষ্ঠায় আপনাকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত। গাজা শহরের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানুষের সংগ্...
06/04/2025

🌸 **স্বাগতম গাজা** 🌸

আমাদের পৃষ্ঠায় আপনাকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত। গাজা শহরের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানুষের সংগ্রামের গল্প এখানে শেয়ার করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা চাই, এই স্থানটি একটি আশার আলো হয়ে উঠুক, যেখানে সবাই একে অপরকে সহানুভূতির সঙ্গে বুঝবে এবং সমর্থন করবে।

আশা করি, এই জায়গায় আপনারা শান্তি, ভালোবাসা এবং সদর্থক বার্তা খুঁজে পাবেন। চলুন, একে অপরের জন্য একটু বেশি ভালোবাসা, সহানুভূতি ও সহযোগিতা নিয়ে আগিয়ে যাই।

ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য। ❤️

---

এই পোস্টটি গাজা শহরের প্রতি ভালোবাসা এবং সহানুভূতির বার্তা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে..

Address

Tongi
Gazipur
1712

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gazah. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share