Sk Nayan 04

Sk Nayan 04 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sk Nayan 04, Photographer, Habiganj Sadar, Habiganj.

24/05/2025

Jahangir Alam

17/05/2025

"ইগো নয়, সম্পর্কটাই দামী"

যেখানে মানুষ থাকবে, সেখানে সম্পর্ক থাকবে। আর যেখানে সম্পর্ক থাকবে, সেখানে ভুল বোঝাবুঝিও আসবেই— এটিই বাস্তবতা। কারণ আমরা কেউই নিখুঁত নই। আমরা প্রত্যেকে নিজের মতো করে ভাবি, অনুভব করি, প্রতিক্রিয়া দিই। তাই কোনো না কোনো মুহূর্তে মনের ভেতর জমে থাকা না বলা কথাগুলো, অভিমান, প্রত্যাশা কিংবা কষ্ট— সব মিলে একটা দূরত্ব তৈরি করে দেয়। সেখান থেকেই জন্ম নেয় ভুল বোঝাবুঝি।

একটা সময় ছিল, যখন কথায় কথায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা হতো, একে অপরের ছোট ছোট বিষয়ও শেয়ার করা হতো। অথচ আজ শুধু নীরবতা। কেউ কারো খোঁজ নেয় না, কেমন আছো—এই ছোট্ট কথাটাও হারিয়ে যায় অহংকারের ভেতর। দুজনেই হয়তো অপেক্ষা করে— কে আগে বলবে? কিন্তু না, কেউই এগিয়ে আসে না। কারণ আমরা এখন সম্পর্কের চেয়ে নিজের ‘ইগো’টাকেই বেশি ভালোবাসি।

কিন্তু সত্যি কি তাই হওয়া উচিত?

একটা মুহূর্তের রাগ, একটু অভিমান কিংবা একটি ভুল শব্দের জন্য কি বছরের পর বছর তৈরি হওয়া সম্পর্কটা ভেঙে যেতে দেওয়া যায়? একটু ভেবে দেখুন, যাদের সঙ্গে আজ কথা বলা বন্ধ, তারা কি সত্যিই এমন অপরাধ করেছে যে ক্ষমা করা যায় না? নাকি আমরা নিজের আত্মমর্যাদার নামে হৃদয়ের দরজাটা আটকে রেখেছি?

সম্পর্ক মানে শুধু খুশির মুহূর্ত নয়— মানে একসাথে কষ্ট ভাগ করে নেওয়া, মানে একজন আরেকজনের পাশে দাঁড়ানো, মানে ভুল বুঝলেও বোঝার চেষ্টা করা। একবার, না দুবার নয়— বারবার চেষ্টা করা। কারণ যে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য কেউ লড়াই করে, সেটাই প্রকৃত সম্পর্ক।

ইগো বলে দেয়, “আমি কেন আগে বলবো?”
ভালবাসা বলে, “তুই কষ্টে আছিস, আমি থাকতে পারছি না।”
ইগো সম্পর্ক শেষ করে দেয়।
ভালবাসা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখে।

জীবনটা খুবই ছোট। সময়ের চাকা থেমে থাকে না। অনেক সময় আমরা যাদের দূরে ঠেলে দিই, পরে আর ফিরে পাই না। তখন শুধু আফসোস থাকে— “ইচ্ছে করলে একটু বললেই পারতাম, একটু কাছে গেলেই হয়তো আবার সব আগের মতো হয়ে যেত...”
কিন্তু ততক্ষণে হয়তো দেরি হয়ে যায়।

তাই ভুল বোঝাবুঝি হলে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া নয়— পাশে এসে বলা উচিত, “চলো, বসি। কথা বলি। আমরা তো একে অপরকে হারাতে চাই না।”

বিশ্বাস করুন, একটা সত্যিকারের সম্পর্ক হাজারটা যুক্তির চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান।
ইগো দিয়ে জয় পাওয়া যায়, কিন্তু সেই জয়ে হৃদয়ের কোনো শান্তি থাকে না।
আর সম্পর্ক দিয়ে পাওয়া যায় এমন এক ভরসা, যা সারা জীবনের জন্য হয়ে ওঠে আশ্রয়।

তাই, সম্পর্ক থাকলে ভুল বোঝাবুঝি হবে

একত্রিশ বছর বয়সে একজন নারীর চোখে যৌবনের রঙ একটু অন্যরকম হয়। সে এখন আর সেই তরুণীর মতো নয়, যার জীবন ছিল শুধুই আগ্রহ আর অনি...
16/05/2025

একত্রিশ বছর বয়সে একজন নারীর চোখে যৌবনের রঙ একটু অন্যরকম হয়। সে এখন আর সেই তরুণীর মতো নয়, যার জীবন ছিল শুধুই আগ্রহ আর অনিশ্চয়তায় ভরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার শরীর, মন, ভাবনা—সবই পরিপক্ক হয়েছে, এমনকি কামনা ও ভালোবাসাও পেয়েছে নতুন অর্থ। তার চোখে সেই আগের উজ্জ্বলতা আছে, কিন্তু তা এখন গভীর আর শান্ত। শরীরের প্রতিটি স্পর্শে লুকিয়ে থাকে এক ধরনের সংবেদনশীলতা, যা কেবল বাহ্যিক নয়, বরং অন্তরাত্মার কাছাকাছি যায়। সে জানে ভালোবাসা শুধু বাহ্যিক আকর্ষণ নয়; ভালোবাসা মানে দুইটি মানুষ একে অপরকে বুঝতে পারা, সম্মান করা, এবং তাদের মাঝে এমন এক বন্ধন গড়ে তোলা যা শুধু শরীর নয়, মনকেও জুড়ে দেয়। এই বয়সে তার কামনা আর আগ্রহ কেবল শরীরিক তৃপ্তির জন্য নয়, বরং সে চায় গভীর সংযোগ, এমন একটি সম্পর্ক যেখানে নিজের সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করতে পারবে, আর সেই সীমাবদ্ধতাকেও গ্রহণ করবে অপরজন।

একত্রিশ বছর বয়সে একাকীত্ব কখনো এক ধরনের শূন্যতা মনে হয় না—বরং সেটা নিজের সঙ্গে থাকার একটি শান্তিপূর্ণ অবস্থা। সে জানে একা থাকা মানেই একা থাকা নয়, বরং নিজেকে বুঝে নেওয়ার একটি সুযোগ। নিজের শরীরের প্রতিটি রেখা, অনুভূতি, তন্দ্রা-স্ফূর্তিকে সে ভালোবাসতে শিখেছে। রাতের নির্জনতায়, যখন সব শব্দ নীরব হয়ে যায়, তখন তার চোখে যৌবনের রঙ আরও প্রখর হয়ে ওঠে। সে তার অভিজ্ঞতা থেকে জানে, কামনা লজ্জার নয়, বরং জীবনের একটি পূর্ণাঙ্গ অংশ। সে আর কাঁধ ঝাঁকায় না তার চাওয়া নিয়ে, সে আর লুকায় না নিজের ইচ্ছাকে। তার চোখে সেই আগের মতো শিহরনের সুর নেই, বরং সেখানে একরাশ স্থিরতা, একরাশ অধৈর্য্য আর একরাশ অপেক্ষা।

তবে, এই বয়সে সে শুধু কামনা করে না, সে চায় সম্মান, চায় ভালোবাসা যার মধ্যে থাকা থাকবে আন্তরিক বিশ্বাস আর বোঝাপড়া। তার শরীর আর মন একসাথে মেলে এমন এক সম্পর্কের জন্য সে অপেক্ষা করে, যেখানে স্পর্শ শুধু শারীরিক হবে না, বরং আত্মার গহীনে প্রবেশ করবে। সে চায় তার প্রেমিক তার শরীরের প্রতিটি স্পন্দন বুঝুক, যেন তারা একসঙ্গে এক নতুন ভাষায় কথা বলতে পারে—যা শুধুমাত্র তাদের মধ্যেই বোঝা যায়। তার চাওয়া আর আগ্রহ আরেকজনের কাছে উপহার দিতে চায়, কিন্তু সেই উপহার যেন হয় বিনিময়ের মধ্য দিয়ে, যেখানে নিজের অধিকারও থাকে ঠিক যেমনটা তার ভালোবাসার অধিকার।

একত্রিশে এসে একজন নারী বুঝতে পারে যে যৌবন কোনো একমাত্র বয়সের বস্তু নয়। যৌবন মানে হলো জীবনের প্রতিটি অধ্যায়, যেখানে তার অন্তর্দৃষ্টি আর অভ

বিবাহিত জীবনের কিছু অপ্রিয় সত্য৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই নিচের কথাগুলো সত্যি প্রমাণিত হয়।১. বিবাহিত জীবন কখনও হয় খুব মধুর, আবার...
11/05/2025

বিবাহিত জীবনের কিছু অপ্রিয় সত্য
৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই নিচের কথাগুলো সত্যি প্রমাণিত হয়।

১. বিবাহিত জীবন কখনও হয় খুব মধুর, আবার কখনও হতাশাজনক। কখনও মনে হবে—“আহ্! কী চমৎকার একটা জীবন পেয়েছি!” আবার কখনও মনে হবে—“এই বুঝি ঘানি টানতে টানতে জীবন শেষ!” এই দুই ধরনের অনুভূতি বারবার ঘুরে ফিরে আসবে। তাই এমন সময় ভাববেন না যে, আপনি বিয়েটা ভুল করেছেন। বরং দাম্পত্য সম্পর্ককে উপভোগ করুন এবং কষ্টের সময়গুলো ঠান্ডা মাথায় সামাল দিন।

২. আপনি যদি আপনার পার্টনারকে প্যারা দেন, সেও আপনাকে প্যারা দেবে। অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে তখন মনে হবে আপনি ভুল মানুষকে বিয়ে করেছেন। অথচ আপনি নিজেই হয়তো তাকে আগে প্যারা দিয়েছেন, সেটা ভুলে গিয়ে শুধুই নিজের কষ্টটা নিয়ে অস্থির হবেন। কখনও কখনও ভুল করে মনে হতে পারে, সঙ্গীটি আপনাকে gaslighting করছে। তাই ভুলে যেতে ও ক্ষমা করতে শিখুন। সামনে এগিয়ে যান। জীবনে সুখের শেষ নেই!

৩. আমরা অনেকেই ভাবি, দাম্পত্য জীবনের ভালোবাসা হওয়া উচিত সমান সমান। সেটা ঠিক আছে, কিন্তু এটা ৫০/৫০ নয়—হওয়া উচিত ১০০/১০০। দুজনেরই যদি সমানভাবে শতভাগ দেওয়ার মানসিকতা না থাকে, তাহলে কেউ-ই জিতবে না। আপনি যদি একাই ১০০% দিয়ে বসে থাকেন, আপনি পরাজিত হবেন। ভালোবাসা অর্ধেক দিয়ে হয় না; হয় পুরোটা, নয়তো কিছুই না। সত্যি কথা হলো, দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা অনেক সময়ই অসমান হয়। তবুও সেই অসম ভালোবাসাতেই আমরা ঘর বাঁধি, কষ্টে থেকেও পাশে থাকি।

৪. ঝগড়ার পরে অধিকাংশ ক্ষেত্রে অন্তরঙ্গতা হারিয়ে যায়। কখনও কখনও দেখা যায়, এক ঝগড়ার পরে আরেক ঝগড়ার সূচনা হয়। এতে করে দুজনের মাঝে দূরত্ব বাড়ে, এবং অভিমানের দেয়াল প্রশস্ত হতে থাকে। তাই চেষ্টা করুন, ঝগড়া মিটিয়ে ঘনিষ্ঠতা ফিরিয়ে আনতে। দেখবেন, ভালোবাসার নতুন একটি অধ্যায় শুরু হয়েছে। আপনি হয়তো আবার নতুন করে আপনার সঙ্গীর প্রেমে পড়বেন।

৫. বিয়ের সময় ভাবতেও পারবেন না, যে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে আপনার ঝগড়া হবে, মনোমালিন্য হবে, স্বার্থের সংঘাত হবে। কিন্তু এসব হবেই। তাই ঝগড়ার সময় fair ও logical থাকুন, যেন পরবর্তীতে সম্পর্ক সহজেই মেরামত করা যায়।

৬. দীর্ঘদিন একসাথে থাকা অনেক আনন্দের হলেও, মাঝেমধ্যে মনে হতে পারে সংসারটা যেন একটা জেলখানা! এমন অনুভূতির জন্য নিজেকে দোষ দেবেন না। বরং কিছু সময়ের জন্য আলাদা থাকুন, কোথাও ঘুরে আসুন, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান। তারপর আবার ফিরে আসুন প্রিয় সঙ্গীর কাছে। দেখবেন, সংস

---ভালোবাসার ২ মাস পরে জানতে পারি আমার প্রেমিকা একটি ডিভোর্সি মেয়ে?---এইটা জানার পরে তাকে বলি। তোমার সঙ্গে আমার ব্রেক-আপ...
11/05/2025

---ভালোবাসার ২ মাস পরে জানতে পারি আমার প্রেমিকা একটি ডিভোর্সি মেয়ে?

---এইটা জানার পরে তাকে বলি। তোমার সঙ্গে আমার ব্রেক-আপ?

"তখন সে উত্তর দেয়!

---কি হলো জা'ন হঠাৎ করে এই সব বলতেছো বুঝলাম না কাহিনী কী?

---অনুরুপা তুমি আমার কাছে এতো বর মিথ্যা লুকাইতে পারলে?

---কি লুকাইলাম।

---তুমি যে একটা ডিভোর্সি মেয়ে সেই কথা আগে বলোনাই কেনো।

---এই কথাটি শুনার সঙ্গে সঙ্গে অনুরুপা নিশ্চুপ হয়ে যায়। কোন রকম কথা বলেনা।

---কি হলো অনুরুপা তুমি চুপ হয়ে গেলে যে। আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।

---আসলে হাসিব আমি তোমাকে এই কথাটি জানাইতে চাইনি যদি আমাকে ছেরে যাও এই জন্যে।

---তাই বলে মিথ্যা বলবে তুমি? (রাগান্বিত হয়ে)

অনুরুপা : প্লিজজজ আমাকে মাপ করে দাও। আর কখনো মিথ্যা বলবো না।

হাসিব : আমি আর তোমার সঙ্গে সম্পর্কে থাকতে চাইনা। আমাদের এখানেই ব্রেক আপ।

অনুরুপা : প্লিজ হাসিব এমন কথা বলিওনা। বিশ্বাস করো তোমাকে অনেক ভালোবাসি।

হাসিব : আগের স্বামী সঙ্গে ডিভোর্স হলো কেনো।

অনুরুপা : সে আমাকে প্রতিদিন মা'র ধর করতো। আমার কাছে টাকা চাইতো নে'শা করার জন্যে। এই সব অনেক সজ‍্য করার পরে আমার বাবা মা ডিভোর্স দিতে বলে। এই জন্যে ডিভোর্স দেয়া।

হাসিব : তোমার স্বামী কে ভালো করতে পারোনাই।

অনুরুপা : সর্বোচ্চ টা দিয়ে আমি চেষ্টা করছি। কিন্তু সম্ভব হয়নি।

হাসিব : ওহ?

অনুরুপা : হুমমমম!

হাসিব : আচ্ছা ভালো থেকো আমাদের মাঝে যা ছিলো এখানেই শেষ। আমার সঙ্গে আর কখনো যোগাযোগ করার চেষ্টা করবা না।

অনুরুপা : সত্যি আমাদের সব কিছু শেষ।

হাসিব : হুমমম একটি জিনিস ভেবে দেখো তুমি হলে ডিভোর্সি মেয়ে। আমার সঙ্গে কি যায়।

"এই কথাটি শুনে অনুরুপা নিস্তব্ধ হয়ে যায়"

হাসিব : আমি আসি এখন আল্লাহ্ হাফেজ?

"এই কথাটি বলেই হাসিব সেখানে থেকে একটু দুরে চলে আসে। আর দেখতে থাকে অনুরুপা এখন কি করে।

"এর পরে হাসিব দেখতে পায় সেখানে বসে অনুরুপা অঝরে কান্না করতেছে। যা দেখার সঙ্গে সঙ্গে আবার হাসিব সেখানে চলে যায়।

অনুরুপা : আবার আসলে যে।

হাসিব : ভালো লাগলো তাই আসলাম কোন সমস্যা।

অনুরুপা : ডিভোর্সি মেয়ের থেকে দুরে থাকাই ভালো।

হাসিব : বা- বা আমার অনুরুপা দেখি অনেক রাগ করেছে।

অনুরুপা : আমি করো অনুরুপা নই।

হাসিব : আরে পা'গলি আমি তোমাকে ভালোবাসি। আর ভালোবাসা মানুষ কে কখনো ছেরে যেতে নাই। তুমি এতোদিন এই কথাটি লুকাইছো তাই একটু নাটক করলাম।

অনুরুপা : কি বললে তু

ভালোবাসার শিল্প: এক নারীর আত্মা ও শরীর ছুঁয়ে যাওয়া এক পুরুষের কথা:প্রেমিক জন্মায় না—সে তৈরি হয়। সময়, অভিজ্ঞতা আর অন...
11/05/2025

ভালোবাসার শিল্প: এক নারীর আত্মা ও শরীর ছুঁয়ে যাওয়া এক পুরুষের কথা:

প্রেমিক জন্মায় না—সে তৈরি হয়। সময়, অভিজ্ঞতা আর অনুভবের গভীর জলাধারে নিজেকে ডুবিয়ে যখন একজন পুরুষ বোঝে, ভালোবাসা আসলে একটি শিল্প—তখন সে আর শুধুই প্রেমিক থাকে না, হয়ে ওঠে এক নারীর পৃথিবী বদলে দেওয়ার কারিগর।

ভালোবাসা একজন নারীর কাছে নিছক এক অনুভূতির নাম নয়—এটা তার আত্মার ভেতরে ঘটে যাওয়া এক বিপ্লব। যখন সে সত্যিকারের ভালোবাসায় নিজেকে উন্মুক্ত করে, তখন সে কেবল প্রেমিকা থাকে না—সে হয়ে ওঠে তার জীবনের সবচেয়ে প্রাণবন্ত, সাহসী ও কোমল রূপটি। সে জেগে ওঠে, তার শরীর আর মন এক সুরে বেজে ওঠে, যেন কোনো অদৃশ্য সুরলহরী তাকে ডেকে নেয় ঘন-আবেশী আবেগের গভীরে।

সে তখন তার শরীরকে লজ্জা নয়, গর্বের সাথে বহন করে। তার প্রতিটি স্পর্শ অনুভব করে, প্রতিটি চুম্বনে জাগ্রত হয়। ভালোবাসা তখন তার কাছে শুধু ‘চাই’ নয়, ‘দেওয়ার’ এক মাদকতাময় নৃত্য। একজন পুরুষ যখন তাকে ভালোবাসে শুধুমাত্র চোখে নয়—তার ত্বকে, তার নিঃশ্বাসে, তার কাঁপুনিতে, তখন সে নিজেকে একেবারে খুলে দেয়। শরীর তখন কেবল এক আকর্ষণের কেন্দ্র নয়—এটা হয়ে ওঠে আত্মার প্রকাশভঙ্গি।

এই ভালোবাসা তার কাছে নিরাপত্তা, কিন্তু তাতে বাঁধাধরা কিছু নেই—বরং উন্মুক্ত, আগুনে উষ্ণতা। একজন নারী যখন গভীরভাবে ভালোবাসা পায়, তখন সে তার কণ্ঠে অন্য রকম সুর পায়, শরীর হয়ে ওঠে আত্মপ্রকাশের মঞ্চ। সে কেবল আদর খোঁজে না—সে চায় তার শরীরের প্রতিটি কোষে ভালোবাসা ঢুকে যাক, যেন তার প্রতিটি নিঃশ্বাসেই থাকে তার প্রিয় পুরুষের উপস্থিতি।

সে তখন জানে—ভালোবাসা মানে শুধু "আমি তোমায় ভালোবাসি" বলাটা নয়। ভালোবাসা মানে রাতে ধরা পড়া নিঃশ্বাসের চাপে তার বুকের উত্তাপ অনুভব করা, মানে জাগরণে তার ঘাড়ে ঠোঁট রেখে স্বপ্ন বলা। মানে সেই গভীর চাহনি, যেখানে ভাষা থেমে যায়, কিন্তু চোখ বলে—"তুমি আমার, এবং আমি তোমায় অনুভব করতে চাই, সমস্তটা দিয়ে।"

ভালোবাসা যখন এমন হয়—শরীর আর আত্মার নিখুঁত মিশ্রণ—তখন তা হয় বিলাসিতা, এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা। এমন ভালোবাসা একজন নারী সারাজীবন মনে রাখে। সে কখনো তার চোখের দীপ্তি হারায় না, কারণ কেউ একদিন তাকে এমনভাবে ভালোবেসেছিল, যে তার শরীরকে নয়, তার অস্তিত্বকেই চুম্বন করেছিল।

আর প্রিয় পুরুষ, যদি তুমি চাও তার হৃদয়ে অমর হতে, তাহলে ভালোবাসার এই শিল্প আয়ত্ত করো। তাকে কেবল ছুঁয়ো না, তাকে অনুভব করো। তাক

11/05/2025

আমি সপ্তাহে অন্তত ২ দিন আমার স্বামীকে একটু স্পেশাল ফিল করাই...
এই যেমন....তার হাত,পা,মুখ,চুল সব কিছুর যত্ন নেই....

হাত পা ঘরে পেডিকিউর-মেনিকিউর করে দেই.....(কারণ যেই হাত-পা গুলো রোদ-ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে থেকে আমাদের সুখের জন্য নিজেদের সেরাটা দিয়ে যায়...তাদের ও একটু যত্নের প্রয়োজন)

তাই সে বাসায় আসলে খুব যত্ন করে ভালোবেসে হাত-পা পেডিকিউর-মেনিকিউর করে দেই ।

সারাদিন পরিশ্রমে তার মুখের অবস্থাও ১২টা বেজে থাকে..তখন মুখে ফেসিয়াল করে দেই,মুখের লোম তুলে দেই , ব্ল্যাকহেডস-হোয়াইটহেডস তুলে দেই..স্ক্রাব করি,সিরাম,শিট মাস্ক,মাড মাস্ক,ময়েশ্চারাইজার,ফেস প্যাক সব লাগিয়ে দেই...তার আগে ভালোমতো ক্লিন করে নেই..এরপর আমি ঘরে নিজে যে ক্রিম টা বানাই সেটা লাগিয়ে দেই..

ঠোটে স্ক্রাব করি,ঠোটের যে প্যাক আছে ওটা লাগিয়ে দেই..এরপর লিপ বাম বা ওয়েল দেই...
মাথায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম হেয়ার প্যাক লাগিয়ে দেই....বাসায় শ্যাম্পু বানিয়ে তার চুলে দেই..

তার পুরো শরীরে অলিভ ওয়েল গরম করে মালিশ করে দেই খুব ভালোভাবে....যাতে সে উৎফুল্ল অনুভব করে এবং সারাদিন এর কষ্ট ভুলে যায়...মাথা ম্যাসাজ করে দেই হট ওয়েল দিয়ে...(এই ২ টা কাজ প্রতিদিন করি)
সারাদিন আমাদের সুখের জন্য নিজেদের সেরাটা দিতে গিয়ে তারা তাদের নিজেদের যত্নটাই ভুলে যায়....

তাই আমাদের ও উচিত আমাদের সেরাটা দিয়ে তাদের যত্ন পরিপূর্ণ ভাবে নেওয়া..
ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল স্বামীরা..

অনেকে বলেন বাচ্চা আছে কি? বাচ্চা থাকলে এসব করা সম্ভব না...অনেকে বলেন আজাইরা অনেকে বলে এত সময় কই পান???..অনেকে বলেন তাদের হাজবেন্ড এর ধৈর্য নাই এত কিছু করার...ইত্যাদি

তখন তাদের কাছে প্রশ্ন ইসলামি লাইফ মেইনটেইন করেন তো????
৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন তো ?
যদি এই ইসলামি লাইফ মেইনটেইন করতেন তাহলে এই কথাটা কখনো বলতেন না যে এত সময় কই পান..আজাইরা ইত্যাদি...
তখন বুঝতেন এত সময় কোথা থেকে পাই!!!

আর আমার একটা মেয়ে বাচ্চা আছে বয়স ১১ মাস...মার্চ এর ১৫ তারিখ ১ বছর হবে.....আর আমার বিয়ের বয়স ২ বছর হবে মে মাসের ২৮ তারিখ...

আমার হাজবেন্ড কাজ শেষ করে রাত ১২/১/২ টা বাজেও আসে ঘরে..তখন আমি তাকে এসব ঘরে দেই...সে ঘুমায় আর আমি তার যত্ন নেই.... পুরো শরীরে হট অয়েল ম্যাসাজ করি...এতে শরীর ও মন অনেক রিল্যাক্সিং হয়।

মাথা ম্যাসাজ করি...বোল এ গরম পানি নিয়ে হাত পা ধুয়ে দেই..লোশন বা তেল মেখে দেই...মোট কথা তার পুরো যত্ন ও

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মিথ্যাচার আর লুকোচুরি করা হয় স্বামী–স্ত্রী সম্পর্কে! একজন আরেকজনের কাছে লুকিয়ে রাখা কিংবা সম্পর্ক ট...
29/04/2025

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মিথ্যাচার আর লুকোচুরি করা হয় স্বামী–স্ত্রী সম্পর্কে! একজন আরেকজনের কাছে লুকিয়ে রাখা কিংবা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার তাগিদে মিথ্যাচার করাটা দাম্পত্য জীবনে হরহামেশাই চলে!

কেউ কখনোই নিজের বুকে হাত রেখে বলতে পারবে না, সে তার সঙ্গীর কাছে কখনোই কিছু লুকায়নি কিংবা মিথ্যাচার করেনি। মূলত বিপত্তিটা ঘটে এখানেই!

এই লুকোচুরি আর মিথ্যাচারের যে ব্যাপারটা, এটা আসেই মূলত স্বামী–স্ত্রী পরস্পর একজন আরেকজনের খুব ভালো বন্ধু না হতে পারার কারণে। পরস্পর পরস্পরকে বোঝার বিন্দুমাত্র চেষ্টা না করার ফলে দু'জনের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়, এই দূরত্বই মিথ্যাচার আর লুকোচুরি করতে বাধ্য করে।

যেখানে পরস্পরের মধ্যে বোঝাপড়ার কোনো বালাই নেই, যেখানে একজন আরেকজনের কাছে মন খুলে কথা বলতে ভয় পায় কিংবা দ্বিধা-সংকোচে ভোগে, যেখানে সন্দেহের মাত্রা বেড়ে যায়, সেখানেই লুকোচুরি আর মিথ্যাচারে ভরপুর থাকে।

দাম্পত্য জীবনে ঠিক তখনই লুকোচুরি এবং মিথ্যাচার দূর হবে, যখন একজন আরেকজনের কাছে খুব ভালো একজন বন্ধু হতে পারবে। দু'জন দু'জনকে খুব ভালো বুঝতে পারবে এবং দু'জন দু'জনের মানসিক এবং শারীরিক দিকটা যত্ন সহকারে গুরুত্ব দিবে।

আপনি চাইলেই একজন ভালো সঙ্গী পেতে পারেন। তবে খুব কম মানুষই আছে, যারা নিজের সঙ্গীকে খুব ভালো বন্ধু হিসাবে পায়! এর জন্য ভাগ্য সেই সাথে খুব ভালো মন-মানসিকতা লাগে।

সঙ্গীর যন্ত্রণা, দুঃখ-কষ্টের কারণ যদি আপনিই না জানেন, তবে এটা আপনার চরম ব্যর্থতা। বুঝে নিতে হবে, সেখানে মিথ্যাচার আর লুকোচুরি থাকবেই।

একবার চেষ্টা করে সঙ্গীর খুব ভালো বন্ধু হয়েই দেখুন না, সম্পর্কে মিথ্যাচার এবং লুকোচুরির কিছুই থাকবে না। সঙ্গী যদি আপনাকে ভরসা করে মন খুলে দুটো কথা নাই বলতে পারে, তবে আপনার ব্যাক্তিত্বের নিদর্শন আর রইলো কই?

লেখায়:- মোঃ ফাহাদ মিয়া🌼

তুমি বরং আমার মানসিক শান্তি হও,আমার ভরসার হাত হও,বিশ্বস্ত একটা মানুষ হও।আমার পাশে থাকো যুগের পর যুগ।মান-অভিমান ভাঙ্গানোর...
29/04/2025

তুমি বরং আমার মানসিক শান্তি হও,
আমার ভরসার হাত হও,বিশ্বস্ত একটা মানুষ হও।

আমার পাশে থাকো যুগের পর যুগ।

মান-অভিমান ভাঙ্গানোর একটা মানুষ হও,ভুল বুঝার থেকে নিখুঁত ভাবে বুঝার একজন সঙ্গী হও।

প্রচন্ড মন খারাপের দিনে,পাশে থাকার একমাত্র মানুষ শুধু তুমিই হও....

আমার আদরের বায়না রাখার একটা নির্ভরযোগ্য মানুষ হও,সারাজীবন পাশে থাকার একটা উপলক্ষ্য হও।

ভালো ভাবে বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হও।

মানুষ বলে;
খুব কাছাকাছি এলে নাকি আগ্রহ কমে যায়!তাই আমি না হয় ঠিক ততটাই দূরত্বে থাকি,যতটা দূরত্বে থাকলে আগ্রহ কমে না বরং আরো দ্বিগুণ বাড়ে!

লেখায়ঃ Md. Fahad Mia🌼

📸:Instagram.

Address

Habiganj Sadar
Habiganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sk Nayan 04 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sk Nayan 04:

Share

Category