16/04/2026
বন্দে পুরুষোত্তমম্ জয়গুরু সুপ্রভাত 🙏🙏🙏
শ্রীশ্রীঠাকুর ভক্তদের একথা সেকথা বলতে বলতে হঠাৎ একটি মায়ের দিকে তাকিয়ে ইংরাজীতে বললেন, Husband is the olter of God, Husband is the olter of God স্বামীই ঈশ্বরের বেদী। স্বামীই ঈশ্বরের বেদী।
নারীর স্বামীই সব। নারীর সুজাতকের জননী হতে গেলেই স্বামীর অর্থাৎ পরুষের মনোজ্ঞ হবার উদগ্রীব আকাঙ্খা সক্রিয়ভাবে পেয়ে বসা---- স্বামীর জন্য কিছু না করতে পারলেই তার নিজের মন বেদনায় অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। তার জন্য সেবা যত্ন ক'রা উচ্ছল আগ্রহ নিয়ে।
স্বামী ও স্বামীর পরিবারের হৃদ অনুচর্য্যা নিন্দনীয় কোন কিছুকে বা দোষ দৃষ্টিকে কোন রকম প্রশয় না দেওয়া বা না বলা। তাঁকে কথায়, আচার, ব্যবহারে, উভয়ের মধ্যে তৃপ্তি উপভোগ করা। এগুলি নারী যতই আয়ত্ত করতে পারবে তিনি ততই বরণ্যে-- অভিজাত স্বামী হতে বরেন্য সন্তানের জননী হয়ে উঠতে পারবে ততই।
শ্রীশ্রী জগজ্জননী বড়মার দিব্য জীবন ছিল নিষ্ঠা, ভক্তি, সেবা ও কর্মমুখরতায় ভরপুর। তাই তিনি পূজনীয় বড়দার মত অতবড় বলিষ্ঠ সন্তান উপহার দিতে পেরেছিলেন।
শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন-- "স্বামীর প্রতি টান যেমনি
ছেলেও জীবন পয় তেমনি
অভ্যাস ব্যবহার যেমনতর
সন্তান ও পাবি তেমনতর।"
তোমার স্বামীর প্রতি টান যেমন যেমন থাকবে, তোমার সন্তান ও ঠিক তেমন তেমনটি হবে।
পরমারাধ্য জগজ্জননী স্বামী প্রাণা ছিলেন। শ্রীশ্রীঠাকুরের প্রতি সব সময় প্রখর দৃষ্টি রাখতেন, শ্রীশ্রীঠাকুরের কখন কি সুবিধা অসুবিধা হয় কখন কি প্রয়োজন।
শ্রীশ্রীঠাকুর একদিন কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন যে, মেয়েরা কিছু না পেয়েও খুশি থাকে এমন বড় একটা দেখা যায় না। শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছিলেন যে, সব মেয়েরা দেবজন্ম, কেবল তারাই শুধু স্বামী নিয়ে খুশি থাকে। শ্রীশ্রীবড়মার প্রতি শ্রীশ্রীঠাকুরের মনোভাব প্রকাশ করেন।
"তুমি সাধ্বী সতী পরায়না, তোমাকে আর কি শিক্ষা দিব বরং আমিই তোমার নিকট তোমার স্বামী ভক্তি শিক্ষা করার উপযুক্ত। "
সুজাতক জননী হতে গেলে সদ্-গুরুর দীক্ষা গ্রহণ অবশ্যই প্রয়োজন। স্বামীকে ইষ্টের দিকে আগাইয়া দিতে হয়। তাঁর পিছন পিছন স্ত্রীকে ইষ্টমুখী হয়ে ছুটতে হয়, তবেই সু-সন্তান পাওয়া যায়।
শ্রীশ্রীঠাকুর জন্ম সংস্কারে খুব জোড় দিয়েছেন। এই দুই সংস্কার এর মধ্যে ভুল হলে সারাজীবন দুঃভোগ করতে হয়। আর এটা বিজ্ঞান ভিত্তিক।
শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁর দেবী সুক্ত গন্থে বলেছেন-----
এমনতর পরিচর্য্যা
পরিপালিত হয়ে উঠুক
তোমার সংসার
তুমি ধারণে, পালনে দুর্গা হয়ে ওঠো
সতী হয়ে ওঠো।
নারীর হাতেই সমাজ, দেশ তথা রাষ্ট্রের চাবিকাঠি। আমরা ছেলেমেয়েকে যেমন ভাবে তৈরী করব অর্থাৎ পরিমাপিত করব ছেলেমেয়েও তেমনি গড়ে উঠবে। বন্দে পুরুষোত্তমম্
প্রকৃত মা হতে গেলে
অঞ্জলী সরকার
ধৃতিদীপ্ত
শচীনাথ ঘোষ
হাওড়া।