Prokash dash

Prokash dash আমি একজন সাধারণ মানুষ। আমি একজন শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের দীক্ষিত মানুষ তার পথেই চলতে চাই। এবং তারা আদর্শ মেনে চলতে চায়।

  .
21/04/2026

.

   #আদর্শ_বিধায়ক
20/04/2026

#আদর্শ_বিধায়ক

||“বর্ত্তমানকে উপেক্ষা ক'রে বিগতকে অনুসরণ করা মানে নিজেকেই অনুসরণ, আর তা'তে বর্ত্তমান ও বিগত উভয় হ'তেই বঞ্চিত হ'তে হয়।  ...
18/04/2026

||“বর্ত্তমানকে উপেক্ষা ক'রে বিগতকে অনুসরণ করা মানে নিজেকেই অনুসরণ, আর তা'তে বর্ত্তমান ও বিগত উভয় হ'তেই বঞ্চিত হ'তে হয়। ||
-------------------------------
যা'রা
বিগত প্রেরিত-পুরুষোত্তমদের
কা'রও প্রতি টেকনিবদ্ধ হ'য়ে
বর্ত্তমান বৈশিষ্ট্যপালী আপূরয়মাণ
প্রেরিত-পুরুষোত্তমকে
উপেক্ষা ক'রে চলে,
বর্ত্তমান যিনি তাঁ'র ভিতরে
তাঁ'দের অনুরণনকে অনুভব করতে পারে না,-
তা'রা বিগত যাঁ'রা, তাঁ'দের তো হারায়ই,
বর্ত্তমান বৈশিষ্ট্যপালী আপূরয়মাণ
প্রেরিত-পুরুষোত্তম হ'তেও বঞ্চিত হয়;
কারণ, বিগতের প্রতি অনুরাগ
মানুষের নিজ-ধারণাপ্রসূতই হ'য়ে থাকে,
তা'র মানে হ'চ্ছে-
তা'রা নিজের মনগড়া বিগতের অনুসরণে
নিজেকেই অনুসরণ ক'রে চলে,
আর, যা'রা-
বর্ত্তমান যিনি প্রবুদ্ধ হ'য়ে প্রকট প্রগতিতে
অবতীর্ণ হয়েছেন
তাঁ'র অনুধ্যায়ী অনুচর্য্যানিরত হ'য়ে চলে,
তা'রা তাঁ'র ভিতর-দিয়ে
বিগত যাঁ'রা
তাঁ'দিগেতে সার্থকতা লাভ ক'রে
আরোতরে উপনীত হ'য়ে ওঠে। ৭৪।

→শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
গ্রন্থ: আদর্শ-বিনায়ক

#বর্ত্তমান #আচার্য্যই #উপেক্ষা #পরীক্ষাবুদ্ধি #অনুসরণ #উৎসজ্জনার #অনুচর্য্যানিরত #বিশেষত্বই #আদর্শ_বিধায়ক #শ্রীশ্রীঠাকুর

Sri Sri Thakur anukulchandra space. .
16/04/2026

Sri Sri Thakur anukulchandra space. .

 #পুরুযোত্তম
16/04/2026

#পুরুযোত্তম

বন্দে পুরুষোত্তমম্  জয়গুরু  সুপ্রভাত 🙏🙏🙏    শ্রীশ্রীঠাকুর ভক্তদের একথা সেকথা বলতে বলতে হঠাৎ একটি মায়ের দিকে তাকিয়ে ইং...
16/04/2026

বন্দে পুরুষোত্তমম্ জয়গুরু সুপ্রভাত 🙏🙏🙏
শ্রীশ্রীঠাকুর ভক্তদের একথা সেকথা বলতে বলতে হঠাৎ একটি মায়ের দিকে তাকিয়ে ইংরাজীতে বললেন, Husband is the olter of God, Husband is the olter of God স্বামীই ঈশ্বরের বেদী। স্বামীই ঈশ্বরের বেদী।
নারীর স্বামীই সব। নারীর সুজাতকের জননী হতে গেলেই স্বামীর অর্থাৎ পরুষের মনোজ্ঞ হবার উদগ্রীব আকাঙ্খা সক্রিয়ভাবে পেয়ে বসা---- স্বামীর জন্য কিছু না করতে পারলেই তার নিজের মন বেদনায় অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। তার জন্য সেবা যত্ন ক'রা উচ্ছল আগ্রহ নিয়ে।
স্বামী ও স্বামীর পরিবারের হৃদ অনুচর্য্যা নিন্দনীয় কোন কিছুকে বা দোষ দৃষ্টিকে কোন রকম প্রশয় না দেওয়া বা না বলা। তাঁকে কথায়, আচার, ব্যবহারে, উভয়ের মধ্যে তৃপ্তি উপভোগ করা। এগুলি নারী যতই আয়ত্ত করতে পারবে তিনি ততই বরণ্যে-- অভিজাত স্বামী হতে বরেন্য সন্তানের জননী হয়ে উঠতে পারবে ততই।
শ্রীশ্রী জগজ্জননী বড়মার দিব্য জীবন ছিল নিষ্ঠা, ভক্তি, সেবা ও কর্মমুখরতায় ভরপুর। তাই তিনি পূজনীয় বড়দার মত অতবড় বলিষ্ঠ সন্তান উপহার দিতে পেরেছিলেন।
শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন-- "স্বামীর প্রতি টান যেমনি
ছেলেও জীবন পয় তেমনি
অভ্যাস ব্যবহার যেমনতর
সন্তান ও পাবি তেমনতর।"
তোমার স্বামীর প্রতি টান যেমন যেমন থাকবে, তোমার সন্তান ও ঠিক তেমন তেমনটি হবে।
পরমারাধ্য জগজ্জননী স্বামী প্রাণা ছিলেন। শ্রীশ্রীঠাকুরের প্রতি সব সময় প্রখর দৃষ্টি রাখতেন, শ্রীশ্রীঠাকুরের কখন কি সুবিধা অসুবিধা হয় কখন কি প্রয়োজন।
শ্রীশ্রীঠাকুর একদিন কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন যে, মেয়েরা কিছু না পেয়েও খুশি থাকে এমন বড় একটা দেখা যায় না। শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছিলেন যে, সব মেয়েরা দেবজন্ম, কেবল তারাই শুধু স্বামী নিয়ে খুশি থাকে। শ্রীশ্রীবড়মার প্রতি শ্রীশ্রীঠাকুরের মনোভাব প্রকাশ করেন।
"তুমি সাধ্বী সতী পরায়না, তোমাকে আর কি শিক্ষা দিব বরং আমিই তোমার নিকট তোমার স্বামী ভক্তি শিক্ষা করার উপযুক্ত। "
সুজাতক জননী হতে গেলে সদ্-গুরুর দীক্ষা গ্রহণ অবশ্যই প্রয়োজন। স্বামীকে ইষ্টের দিকে আগাইয়া দিতে হয়। তাঁর পিছন পিছন স্ত্রীকে ইষ্টমুখী হয়ে ছুটতে হয়, তবেই সু-সন্তান পাওয়া যায়।
শ্রীশ্রীঠাকুর জন্ম সংস্কারে খুব জোড় দিয়েছেন। এই দুই সংস্কার এর মধ্যে ভুল হলে সারাজীবন দুঃভোগ করতে হয়। আর এটা বিজ্ঞান ভিত্তিক।
শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁর দেবী সুক্ত গন্থে বলেছেন-----
এমনতর পরিচর্য্যা
পরিপালিত হয়ে উঠুক
তোমার সংসার
তুমি ধারণে, পালনে দুর্গা হয়ে ওঠো
সতী হয়ে ওঠো।
নারীর হাতেই সমাজ, দেশ তথা রাষ্ট্রের চাবিকাঠি। আমরা ছেলেমেয়েকে যেমন ভাবে তৈরী করব অর্থাৎ পরিমাপিত করব ছেলেমেয়েও তেমনি গড়ে উঠবে। বন্দে পুরুষোত্তমম্
প্রকৃত মা হতে গেলে
অঞ্জলী সরকার
ধৃতিদীপ্ত
শচীনাথ ঘোষ
হাওড়া।

.   আজ নববর্ষ, স্থানীয় ও বহিরাগত বহু লোকে শ্রীশ্রীঠাকুরকে প্রণাম করতে এসেছেন। তাঁর মন আজ খুব হাসি-খুশি। আনন্দে সবার সঙ্...
15/04/2026

. আজ নববর্ষ, স্থানীয় ও বহিরাগত বহু লোকে শ্রীশ্রীঠাকুরকে প্রণাম করতে এসেছেন। তাঁর মন আজ খুব হাসি-খুশি। আনন্দে সবার সঙ্গে ডেকে-ডেকে কথা বলছেন। নববর্ষের সুপ্রভাতে অনেকেই ফুলের মালা দিয়ে তাঁকে প্রণাম করছেন। তিনি সেই মালা গ্রহণ ক'রে আশীর্ব্বাদস্বরূপ তা' আবার তাদের গলায় পরিয়ে দিচ্ছেন। পরম মধুর পরিবেশ। স্বর্গের দৃশ্য যেন মর্ত্ত্যভূমিতে নেমে এসেছে। পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে প্রীতি-ডোরে বাঁধা। যেন একটি বিশ্বব্যাপ্ত বৃহৎ পরিবার। নববর্ষের অমৃতম্রক্ষিত বোধনলগ্নে উপস্থিত হ'তে পেরে সবার আনন্দ যেন উথলে উঠেছে। আবালবৃদ্ধবনিতা অনেকেই উপস্থিত আছেন।
সুরেনদা (বিশ্বাস) শ্রীশ্রীঠাকুরের নির্দ্দেশমত তার আইন-ব্যবসায়ের কাজকর্ম্ম ছেড়ে পূর্ণকালিক কর্ম্মী হবার জন্য আশ্রমে চলে এসেছেন। তিনি শ্রীশ্রীঠাকুরকে বলছিলেন কিভাবে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে সব কাজকর্ম্ম সব গুটিয়ে বাড়ি ছেড়ে চ'লে এসেছেন।
শ্রীশ্রীঠাকুর সেই কথা শুনতে-শুনতে উল্লসিত কন্ঠে উদার্থ ছন্দে ব'লে উঠলেন---
"হায় সে কি সুখ
এ গহন ত্যাজি হাতে লয়ে জয় তুরী
জনতার মাঝে ছুটিয়া পড়িতে
রাজ্য ও রাজা ভাঙ্গিতে গড়িতে
অত্যাচারের পক্ষে পড়িয়া হানিতে তীক্ষ্ণ ছুরি"
এরপর শ্রীশ্রীঠাকুর প্রফুল্লকে ডেকে বললেন--- 'কথা ও কাহিনী' বইটা আন তো।
বই ও চশমা এনে দেবার পর শ্রী শ্রী ঠাকুর অপূর্ব্ব ভঙ্গিতে "গুরুগোবিন্দ" কবিতাটি প'ড়ে শোনালেন। বই বন্ধ ক'রে মাথা দুলিয়ে-দুলিয়ে লীলায়িত ভঙ্গিতে আবার আবৃত্তি করলে---

"কবে প্রাণ খুলে বলিতে পারিব---
পেয়েছি আমার শেষ।
তোমরা সকলে এসো মোর পিছে,
গুরু তোমাদের সবারে ডাকিছে।
আমার জীবনে লভিয়া জীবন
জাগোরে সকল দেশ।।
নাহি আর ভয়, নাহি সংশয়।
নাহি আর আগু-পিছু
পেয়েছি সত্য, লোভিয়াছি পথ,
সরিয়া দাঁড়ায় সকল জগৎ,
নাহি তার কাছে জীবন-মরণ
নাই নাই আর কিছু।।
হৃদয়ের মাঝে পেতেছি শুনিতে
দৈব পানির মতো---
উঠিয়া দাঁড়াও আপন আলোতে,
ওই চেয়ে দেখো কত দূর হ'তে
তোমার কাছেতে ধরা দেবে ব'লে
আসে লোক কত-শত।।
ওই শোনো শোনো কল্লোল ধ্বনি
ছুটে হৃদয়ের ধারা।
স্থির থাকো তুমি, থাকো তুমি জাগি
প্রদীপের মত অলস তেয়াগি
এই নিশিথ মাঝে তুমি ঘুমাইলে
ফিরিয়া যাইবে তারা।"

শেষের চারটি লাইন শ্রীশ্রীঠাকুর সুগভীর আবেগের সঙ্গে পরপর দুইবার আবৃত্তি করলেন। তারপর বললেন --- আমিও তো তাই বলি -- তোমরা ঘুমিয়ে থাকলে কতজন হয়তো ফিরে যাবে। তোমরা আর ঘুমিও না। তোমরা অতন্দ্রভাবে জেগে থাকো। আর, সকলকে জাগরণের মন্ত্র শুনিয়ে উজ্জীবিত ও উদ্বোধিত ক'রে তোলো। তোমাদের উপর পরমপিতার অনেক আশা। তোমরা দেশের মানুষকে জাগিয়ে না তুললে আর কে জাগিয়ে তুলবে তাদের? তোমরা যে পরমপিতার দয়া পেয়েছ, তাঁর স্পর্শ পেয়েছ। তোমাদেরই তো দায়। কিন্তু তার এত দয়া পেয়েও তোমাদের মধ্যে eminent (বিশিষ্ট) অনেকে আজও ঘুমিয়ে আছে।জগজ্জ্যোতিকে আমি কত বলেছি তবু ঘুমোচ্ছে।
জগজ্জ্যোতিদা (সেন) সলজ্জভাবে মুখ নীচু ক'রে আছেন।
১লা বৈশাখ, বুধবার ১৩৫৫(ইং১৪/০৪/ ১৯৪৮)
সংগৃহীত

সবাইকে  #শুভ_নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা🙏🙏শ্রীশ্রীঠাকুর- আজ নববর্ষের প্রথম দিন, এই শুভমুহূর্তে আমার অন্তরের আবেগোচ্ছল উদ্...
15/04/2026

সবাইকে #শুভ_নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা🙏🙏

শ্রীশ্রীঠাকুর- আজ নববর্ষের প্রথম দিন, এই শুভমুহূর্তে আমার অন্তরের আবেগোচ্ছল উদ্দীপ্ত প্রার্থনা তাঁর চরণে-তোমরা সবাই তোমাদের প্রত্যেকটি সন্তান-সন্ততি পরিবার-পরিবেশ-সহ সুখে সুদীর্ঘজীবি হয়ে বেঁচে থাক; কোন আপদ, কোন বিপদ, কোন বাধা, কোন বিপত্তিই যেন তোমাদিগকে এতটুকু টলাতে না পারে,
তাই আবার বলি-তোমরা প্রতিপ্রত্যেকে পরিবার, সন্তান-সন্ততি ও পরিবেশ সব তাঁরই চরণে সুনিষ্ট অনুরাগ-সন্দীপনা নিয়ে স্মিত সৌকয্য-সম্বোধনায় আত্মপ্রসাদী সুনিষ্পন্নতায় অভিসিক্ত হয়ে সুখে থাক, স্বস্তিতে থাক, সুদীর্ঘজীবি হয়ে বেঁচে থাক, মৃত্যু পার হয়ে অমরতাকে উপভোগ কর,-তাঁর চরণে-অনিবার্য্য ঐকান্তিক আগ্রহ-উন্মাদনায় এই-ই আমার একান্ত প্রার্থনা।

শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র🌸
[শুভ নববর্ষ-উপলক্ষে আশীর্ব্বাণী ২২নং]
#পথের_দিশা_পেইজ(ইষ্ট পথের দিশারী)

শুভ নববর্ষ সবাইকে। জয়গুরু
14/04/2026

শুভ নববর্ষ সবাইকে। জয়গুরু

নববর্ষ চ'লে এল----    নবীনের নব আগমন ----উদ্যত যা' কর্ম্মফলপ্রচেষ্টাপাণনে,----সমুদ্যত-বিসৃজনী সার্থক সম্ভবে ----রূপ হ'তে...
14/04/2026

নববর্ষ চ'লে এল----
নবীনের নব আগমন ----
উদ্যত যা' কর্ম্মফলপ্রচেষ্টাপাণনে,----
সমুদ্যত-বিসৃজনী সার্থক সম্ভবে ----
রূপ হ'তে রূপে, গুন হ'তে গুনে,
প্রাণ হ'তে প্রাণে ----
মরণের জীবনকে মথিত ক'রে
জীবনে উদ্ভিন্ন হ'তে হ'তে ছুটেছে ----
সেই আবেগ-উপকন্ঠকে আশ্রয় ক'রেই
নবীনের স্বাগত সম্ভাষ !
বিধ্বস্তির বিপদ-সংগ্রাম,
বৃত্তিস্বার্থী কুট চক্ষু
লেলিহান লোল-উদ্দীপনায়-
স্বার্থসেবী পরার্থপীড়নের ভীম-উন্মাদনায়----
ব্যবচ্ছেদী ঘোরঘূর্ণি সৃষ্টি ক'রে ----
যে মরণাবর্ত্ত রচনা করেছে ----
তারই কেন্দ্র হ'তে
অমৃতনিষ্যন্দী জীবনের উচ্ছল-লালিমা
অমৃতচ্ছটায়
প্রাণনসৌধকে সম্মুখে রেখে
ঐ দেখ জীবনকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে----
বলে আয়, আয়, আয় ----
নাই ওরে বিধ্বস্তি-বিপাক,
ছুটে আয় ----
সম্মুখেতে সীমাহারা অনন্তজীবন,-
যেখানে আছে ইষ্টীপ্রাণন,
যেখানে আছে ইষ্টীচলন,
যেখানে আছে ইষ্টীপূত সংহতি-
মৃত্যু সেখানে চির মরণশীল,
প্রাণ সেখানে চিরপ্রাণন--উচ্ছলতায়
অমোঘ !

[শুভ নববর্ষ উপলক্ষে পরম প্রেমময় শ্রীশ্রী ঠাকুরের আশীর্ব্বাণী] 🙏🙏🙏🙏🙏🙏

||“মত, বাদ, পদ্ধতি যতই থাকুক, পুরুযোত্তম এককালে একজনই থাকেন। || -------------------------------মত, বাদ, পদ্ধতি যতই থাকুক...
12/04/2026

||“মত, বাদ, পদ্ধতি যতই থাকুক, পুরুযোত্তম এককালে একজনই থাকেন। ||
-------------------------------
মত, বাদ, পদ্ধতি যতই থাকুক না কেন,
ঈশ্বর-অনুপ্রেরিত বৈশিষ্ট্যপালী আপূরয়মাণ
জীবন্ত আদর্শ বা ইষ্ট
যে-কোন সময়ে একজনই থাকেন;
তাঁ'কে
উৎসারণী অনুবেদনায়
তোমাদের প্রাণনকেন্দ্র ক'রে নিয়ে
সব্যষ্টি সমষ্টি সুসংহত হ'য়ে
বিবর্ত্তন-তপা হ'য়ে চ'লোই,-
শক্তিহারা হবে না,
পরাক্রমহারা হবে না,
ছিন্নতায় শীর্ণ হ'য়ে উঠবে না,
জীবন-চলনায় চলতে থাকবে পুরুষানুক্রমে-
বিবর্ত্তনের ভাতিদীপনা নিয়ে,
অন্তর্নিহিত যোগাবেগের
পর্যায়ী কুলস্রোতা
অভিনিবেশী সুকেন্দ্রিক সাত্ত্বিক তীর্থ হ'য়ে;
মনে রেখো-
ঈশ্বরই প্রেরিত-পুরুষোত্তমে
সাকার নর-নারায়ণ। ৬৮।

→শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
গ্রন্থ: আদর্শ-বিনায়ক

#পুরুযোত্তম #অনুপ্রেরিত #পুরুযোত্তম #পরীক্ষাবুদ্ধি #বৈশিষ্ট্যপালী #জীবন্ত #আত্মোৎসজ্জনী #পরাক্রমহারা #আদর্শ_বিধায়ক #শ্রীশ্রীঠাকুর

Address

Manikganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prokash dash posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share