26/11/2021
ভূমিকম্প যে সময়টাতে হলো, প্রায় সারাদেশেই ফজরের জামা'আতের কমন একটা সময় ছিলো।
কেউ আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়েছিল। কেউ জামা'আতে ছিল, কেউ সালাতের তিলাওয়াতে ছিল, কেউ রুকুতে ছিল, কেউ রব্বে কারীমের কদমে সিজদায় নত ছিল।
আবার কেউ রব্বের হুকুমকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে কম্বলের উষ্ণতাকে গ্রহণ করেছিল,
কেউ গোসল ফরজ নিয়ে গভীর ঘুমে মগ্ন ছিলো, কেউবা তখনো প্রেমিকার সাথে প্রেমালাপে মত্ত।আবার কেউ সজাগ ছিলো জীবন জীবিকার তাগিতে; আজান শুনেছিল কিন্তু সালাত আদায় করার এতটুকু প্রয়োজনবোধ করেনি।
এই জনপদের অধিকাংশই তখন আল্লাহর অবাধ্যতায় ছিলো।
কেননা নামাজের ফরজিয়াত এসে যাওয়ার পর সেটা আদায় না করার চেয়ে অবাধ্যতা আর নেই।
আয়াতের ইঙ্গিতটা কি ঠিক এখানেই?
أَفَأَمِنَ أَهْلُ ٱلْقُرَىٰٓ أَن يَأْتِيَهُم بَأْسُنَا بَيَٰتًا وَهُمْ نَآئِمُونَ
-এখনও কি এই জনপদের অধিবাসীরা এ ব্যাপারে নিশ্চিন্ত যে, আমার আযাব তাদের উপর রাতের বেলায় এসে পড়বে অথচ তখন তারা থাকবে ঘুমে অচেতন।[আ'রাফ:৯৭]
এই হালকা আঁধার আর কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরেই যদি চুরমার হতো সাজানো এই শহর?
কেউ চলে যেতো নাফসুল মুত্বমাইন্নাহ্ হয়ে,
কারোর সমাপ্তি হতো অবাধ্যতায়।
যদি চুরমার হতো? তাহলে এতক্ষণে আপনার কি অবস্থা হতো?
আত্মা গুলো আনন্দে থাকতো নাকি চিৎকার-হাহাকারে?
ধরে নিতে পারেন,
রব্বের দিকে ফিরে আসার আরো
একটা চরম সুযোগ পেলেন।
#সংগ্রহীত