11/02/2026
যাকে খুশি তাকে ভোট দিয়েন, কিন্তু গণভোটে "হ্যাঁ" ভোট দিবেন।
যাতে আগামীতে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসবেন সেটা এমপি হোক , মন্ত্রী হোক বা প্রধানমন্ত্রী হোক তারা যেন কিছুটা হলেও জবাবদিহিতার আওতায় থাকে।
শুধুমাত্র একটা জিনিস বিবেচনা করে দেখেন - দুদকের চেয়ারম্যানকে যদি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেয় তাহলে সেই লোক কখনো প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতির তদন্ত করতে পারবে?
সেটা কি সম্ভব?
অতীতে কেউ পেরেছে?
সুতরাং দুদকের চেয়ারম্যান নিয়োগ হওয়া উচিৎ একটা স্বাধীন কমিটি বা কমিশনের মাধ্যমে যেখানে সব দলের প্রতিনিধিরা থাকবে।
এরকম কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাব পাশ করার জন্য এই গনভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
সংক্ষেপে বলা যায় - গনভোটে "হা" জিতলে প্রধানমন্ত্রীর পাওয়ার হাসিনার মতো আনলিমিটেড হবে না , প্রধানমন্ত্রী বা সরকারি দল যা খুশি তাই করতে পারবে না , তারা কিছুটা হলেও জবাবদিহিতার আওতায় থাকবে।
সুতরাং যদি দেশের ভালো চান তাহলে "হ্যাঁ" ভোট দিয়েন আর যদি শুধুমাত্র নিজের রাজনৈতিক দলের ভালো চান তাহলে "না" ভোট দিয়েন।
বিবেচনা আপনার। :)