Nipun Chandra - নিপুণ চন্দ্র

  • Home
  • Nipun Chandra - নিপুণ চন্দ্র

Nipun Chandra - নিপুণ চন্দ্র Superstitious people should avoid this page. Maybe the discussions here aren't for you. I keep these for myself.

If your beliefs and feelings are too touchy, send thise-mail to the recipient Avoid. Where knowledge is limited, logic is tight,release is impossible ... Nipun Chandra

29/08/2026

মস্কোর রহস্যময় রাত: সিআইএ প্রধানের গোপন সফর

28/08/2026

চীনা নাগরিকদের অপরাধ নেটওয়ার্কে অভিযান

28/08/2026

জে-১০সি কিনতে চীনের সঙ্গে আলোচনা

26/08/2026
বর্বরতার মুখোমুখি এক জাতি: কন্যাসন্তান, জারজ কলঙ্ক আর পরিত্যক্ত নবজাতকের কাহিনিপৃথিবীর আলো দেখার পরপরই এক নবজাতককে প্লাস...
26/08/2026

বর্বরতার মুখোমুখি এক জাতি:
কন্যাসন্তান, জারজ কলঙ্ক আর পরিত্যক্ত নবজাতকের কাহিনি

পৃথিবীর আলো দেখার পরপরই এক নবজাতককে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নির্জন স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে। নাড়ি কাটা হয়নি। শরীরজুড়ে অসংখ্য পিঁপড়া। কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয়রা তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছেন। সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বরগুনার বামনা উপজেলার সোনাখালী গ্রামের ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের সামনে ফজলুর দোকানের পেছনে নারিকেলগাছের পাশ থেকে এই শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। দোকানদার বাবুল কান্নার শব্দ শুনে তারিফ হাওলাদারকে জানান। তারিফ ফায়ার সার্ভিসের কামরুজ্জামানকে খবর দেন। ব্যাগ খুলে শিশুটিকে কোলে তুলে নেওয়া হয়। চিকিৎসক নাড়ি কেটে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। শিশুটি মোটামুটি সুস্থ। এখন তারিফ হাওলাদারের হেফাজতে। তিনি বলেছেন, “বোনের মতো স্নেহ-মমতায় মানুষ করতে চান।” এই একটি বাক্যই যেন পুরো সমাজের নিষ্ঠুরতার মুখোশ উন্মোচন করে। কারণ যে শিশু পৃথিবীতে এসে মায়ের বুকের উষ্ণতা পাওয়ার কথা, তাকে ব্যাগে ভরে ফেলে রাখা হয়েছে।

এই ঘটনা একা নয়। এর সঙ্গে জুড়ে যায় আরেকটি আরও ভয়াবহ বাস্তবতা। এগারো বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রীর সন্তান জন্ম হয়। যে হুজুরের সঙ্গে সম্পর্কের ফলে এটি ঘটে, তিনি অস্বীকার করেন। ডিএনএ পরীক্ষায় দোষী সাব্যস্ত হন। তবু একটি ধর্মভিত্তিক দলের সমর্থনে তিনি সমাজ ও আইনকে নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করতে থাকেন। একদিকে এগারো বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের শিকার করে সন্তান জন্মদানে বাধ্য করা, অন্যদিকে সেই সন্তানকে বা তার মাকে সামাজিক কলঙ্কের বোঝা বানিয়ে ফেলে দেওয়া—এই দুই ঘটনা একই সুতোয় গাঁথা। সুতোটার নাম লোকলজ্জা, ধর্মের অপব্যবহার এবং কন্যাসন্তানকে বোঝা মনে করার পুরনো কুসংস্কার।

সমাজ যখন কন্যাসন্তানকে অভিশাপ বলে, তখন তার জন্মকেই অপরাধ বানিয়ে ফেলে। যখন বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জন্ম নেওয়া সন্তানকে “জারজ” বলে কলঙ্কিত করে, তখন সেই সন্তানের কোনো অপরাধ নেই—অপরাধ বাবা-মায়ের এবং সমাজের। এগারো বছরের মেয়েটি নিজেই শিশু। তার শরীর ও মন এখনো পরিণত হয়নি। তাকে যৌন সম্পর্কে টেনে নেওয়া মানে শিশু যৌন নিপীড়ন। ডিএনএ প্রমাণের পরও ধর্মের নামে সমর্থন জোগানো মানে অপরাধীকে রক্ষা করা। এটি ধর্মের শিক্ষা নয়; এটি ক্ষমতা ও লজ্জা ঢাকার কৌশল। একইভাবে বরগুনায় নবজাতককে ব্যাগে ভরে ফেলে রাখা মানে সমাজের সেই লজ্জা, যে লজ্জা কন্যাসন্তান বা অবৈধ সন্তানকে বহন করতে চায় না। শরীরে পিঁপড়া জড়ানো সেই শিশু যেন সমাজের বিবেকের ওপর চিৎকার করে বলছে—তোমরা কতটা বর্বর!

এই বর্বরতা শুধু ব্যক্তিগত নয়। এটি কাঠামোগত। পরিবার যখন কন্যাসন্তানকে যৌতুকের বোঝা মনে করে, তখন তার জন্মকেই অবাঞ্ছিত করে তোলে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যখন অপরাধীকে রক্ষা করে, তখন ন্যায়বিচারকে দুর্বল করে। আইন যখন দেরি করে বা প্রভাবিত হয়, তখন শিকার আরও একা হয়ে পড়ে। এগারো বছরের মেয়েটির ক্ষেত্রে ডিএনএ প্রমাণ এসেছে। কিন্তু তার মানসিক আঘাত, শারীরিক ক্ষতি এবং সামাজিক কলঙ্ক মুছে যায়নি। নবজাতকটি বেঁচে গেছে স্থানীয়দের মানবিকতায়। কিন্তু কত নবজাতক বেঁচে যায় না? কত মাকে বাধ্য করা হয় সন্তান ফেলে দিতে? এই প্রশ্নগুলো সমাজ এড়িয়ে যেতে পারে না।

মানবিক প্রতিবেদনের দাবি হলো সত্যকে মুখোমুখি দাঁড়ানো। সন্তান কোনো অপরাধ করে জন্মায় না। লিঙ্গ কোনো অভিশাপ নয়। বিবাহের বাইরে জন্ম নেওয়া সন্তানও মানুষ। তার অধিকার আছে বেঁচে থাকার, পরিচর্যা পাওয়ার, পরিচয় পাওয়ার। বাংলাদেশের আইনে শিশু অধিকার স্বীকৃত। জন্ম নিবন্ধন, নাগরিকত্ব এবং মৌলিক সুরক্ষা বিবাহের অবস্থা নির্বিশেষে প্রযোজ্য। তবু বাস্তবে সামাজিক চাপ আইনকে পরাজিত করে। ধর্মের দোহাই দিয়ে অপরাধ ঢাকা হয়। “কন্যা বোঝা” বলে পরিত্যাগ করা হয়। লোকলজ্জার ভয়ে পরিবার নিজেই নিষ্ঠুর হয়ে ওঠে।

তারিফ হাওলাদারের মতো মানুষ আছেন যারা শিশুকে বোনের মতো মানুষ করতে চান। এটি আশার আলো। কিন্তু ব্যক্তিগত মানবিকতা দিয়ে কাঠামোগত সমস্যার সমাধান হয় না। প্রয়োজন দ্রুত তদন্ত। নবজাতকের মা-বাবার সন্ধান। এগারো বছরের শিকারের জন্য ন্যায়বিচার এবং পুনর্বাসন। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক দলকে জবাবদিহি করতে বাধ্য করা। শিক্ষা ব্যবস্থায় লিঙ্গসমতা ও শিশু সুরক্ষার পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা। আইনের দ্রুত ও নিরপেক্ষ প্রয়োগ।

সমাজ যদি কন্যাসন্তানকে অভিশাপ বলে চালিয়ে যায়, যদি জারজ কলঙ্ক দিয়ে শিশুকে শাস্তি দেয়, যদি ধর্মের নামে অপরাধীকে রক্ষা করে, তাহলে এটি বর্বর জাতিই থেকে যাবে। পরিবর্তন সম্ভব। শিক্ষা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং আইনের শাসন যখন বাড়ে, তখন এই কুসংস্কার দুর্বল হয়। ইতিমধ্যে শহুরে ও শিক্ষিত পরিবারে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। কিন্তু গ্রামীণ ও ধর্মীয় প্রভাবিত এলাকায় এখনও অন্ধকার ঘন। বরগুনার সেই নবজাতক এবং এগারো বছরের সেই মেয়েটি যেন আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করছে—আর কতকাল? আর কত শিশুকে ব্যাগে ভরে ফেলতে হবে? আর কত হুজুরকে ধর্মের ছদ্মবেশে রক্ষা করতে হবে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সমাজকেই দিতে হবে। মানবিকতা মানে শুধু উদ্ধার নয়; মানে প্রতিরোধ, জবাবদিহি এবং পরিবর্তন। শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের প্রতি নিষ্ঠুরতা মানে নিজেদের ভবিষ্যৎকে হত্যা করা। ধর্ম যদি মানবতাকে রক্ষা না করে, তাহলে সেই ধর্মের অপব্যবহার। সমাজ যদি লজ্জাকে শিশুর জীবনের ওপর চাপিয়ে দেয়, তাহলে সেই সমাজ বর্বর। এখন সময় এসেছে এই বর্বরতাকে থামানোর। নবজাতকের কান্না এবং এগারো বছরের মেয়েটির নীরবতা যেন বৃথা না যায়। তাদের জন্য ন্যায়বিচার, সুরক্ষা এবং সম্মান নিশ্চিত করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।

(প্রতিবেদনটি প্রদত্ত ঘটনাবলি ও পূর্ববর্তী আলোচনার প্রেক্ষাপটে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রচিত। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপ্রমাণিত অভিযোগ নয়; বরং সামাজিক কাঠামোর সমালোচনা। শিশু সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারের পক্ষে।)

বরগুনা, বামনা উপজেলা, সোনাখালী (২৪ আগস্ট ২০২৬): প্লাস্টিক/বাজারের ব্যাগে নবজাতক (নাড়ি না কাটা, শরীরে পিঁপড়া)। স্থানীয়রা উদ্ধার, হাসপাতালে চিকিৎসা।

নারায়ণগঞ্জ, সোনারগাঁ উপজেলা, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা (৩০ জানুয়ারি ২০২৫/২০২৬ আশেপাশে): পরিত্যক্ত স্থান থেকে জীবিত নবজাতক (মেয়ে)। মুদি ব্যবসায়ী উদ্ধার।

চট্টগ্রাম, কোতোয়ালী, ব্রিজঘাট/এস আলম বাস কাউন্টার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬): ফুটপাতে গামছা-তোয়ালে জড়ানো একদিন বয়সী ছেলে নবজাতক। পুলিশ উদ্ধার, চিকিৎসা শেষে দত্তক।

চট্টগ্রাম, পটিয়া উপজেলা (ফেব্রুয়ারি ২০২৬): ছাইয়ের স্তূপ থেকে নবজাতক উদ্ধার (পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু)।

খাগড়াছড়ি, পূর্ব শান্তিনগর, রাজু বোর্ডিংয়ের পেছন : নালা থেকে জীবিত নবজাতক (কাপড়ে পেঁচানো)। স্থানীয়রা উদ্ধার।

চট্টগ্রাম, বাঁশখালী উপজেলা, কোনাখালী (শেখেরখিল ইউনিয়ন) (১৫ জুলাই ২০২৬): পলিথিনে মোড়ানো নবজাতক। স্থানীয় পরিবার উদ্ধার, পরে আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের কাছে হস্তান্তর।

ঠাকুরগাঁও, সদর উপজেলা, জামালপুর ইউনিয়ন, মহেশালী/পূর্ব মহেশালী (মার্চ ২০২৫): ভুট্টা ক্ষেত থেকে জীবিত নবজাতক (কন্যা)।

চাঁদপুর, শহর, ষোলঘর এলাকা : গোয়ালঘরের পাশে বাজারের ব্যাগ থেকে জীবিত নবজাতক।

চট্টগ্রাম, বায়েজিদ বোস্তামী : ডাস্টবিন থেকে জীবিত নবজাতক (মেয়ে)।

সিরাজগঞ্জ, কামারখন্দ উপজেলা, আলোকদিয়ার : রেললাইনের পাশে ব্যাগ থেকে জীবিত ছেলে নবজাতক।

মাদারীপুর : ক্লিনিকের বাথরুম থেকে রক্তাক্ত নবজাতক উদ্ধার।

মুন্সিগঞ্জ, গজারিয়া উপজেলা : উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবর্জনার স্তূপ থেকে জীবিত নবজাতক।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সরাইল উপজেলা, কুট্রাপাড়া (মার্চ ২০২৫): ঝোপ থেকে জীবিত কন্যা নবজাতক।

সিরাজগঞ্জ, উল্লাপাড়া পৌর এলাকা : ফুটপাত থেকে নবজাতক কন্যা উদ্ধার, সমাজসেবার তত্ত্বাবধানে।

ফরিদপুর, সদর, ধুলদি রেলগেট/সহিরউদ্দিন হাফিজিয়া মাদরাসা এলাকা (সেপ্টেম্বর ২০২৫): মহাসড়কের পাশে জঙ্গল থেকে নবজাতক, পরে দত্তক।

যশোর, শার্শা/বেনাপোল, হাকড় নদীর পাড় : নদীর পাড় থেকে নবজাতক উদ্ধার, প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে।

ময়মনসিংহ, নান্দাইল উপজেলা, মুশল্লি ইউনিয়ন, তারেরঘাট রসুলপুর (মার্চ ২০২৪): জঙ্গল/কবরস্থান এলাকা থেকে জীবিত নবজাতক কন্যা।

দিনাজপুর : হাসপাতালে ব্যাগে ফেলে যাওয়া নবজাতক, পরে নিঃসন্তান দম্পতির কাছে হস্তান্তর।

নারায়ণগঞ্জ (বিভিন্ন): ডাস্টবিন/রাস্তা থেকে উদ্ধারের একাধিক কেস (যেমন সোনারগাঁ)।

ঢাকা, উত্তরা (পুরোনো কেস, ২০২৩): পলিথিন ব্যাগে রাস্তার পাশে নবজাতক (সিসিটিভি ফুটেজ)।

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য/পরিসংখ্যানভিত্তিক: ঢাকা মেডিকেল/শাহবাগ, সবুজবাগ, মোহাম্মদপুর ইত্যাদি এলাকায় ডাস্টবিন/রাস্তা থেকে বহু ঘটনা (অধিকাংশ মৃত)।

চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট বিভাগেও নিয়মিত রিপোর্ট।

মানবাধিকার সংগঠনের হিসাবে ২০২৪-এ প্রায় ৯৪টি; পাঁচ বছরে শত শত। অনেক জীবিত শিশু পরে শিশুমণি নিবাস বা দত্তক পরিবারে যায়।

নোট: এগুলো নিউজ মিডিয়া থেকে। তারিখ ও বিবরণ সামান্য ভিন্ন হতে পারে। সম্পূর্ণ সরকারি তালিকার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তর, পুলিশ বা শিশু অধিকার ফোরামের সাথে যোগাযোগ করুন। এই ঘটনাগুলো সামাজিক সমস্যা (কলঙ্ক, অর্থনৈতিক চাপ, অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ) নির্দেশ করে। শিশু সুরক্ষা আইন ও দ্রুত তদন্ত জরুরি।

19/08/2026

মাদ্রাসায় বিজ্ঞান শিক্ষার নামে বোমা বানানো শেখানো হচ্ছে, এর ফলে দেশ সামরিক খাতে শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

ধানসাগরের ডি এন একতা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়—নামে একতা, কাজে যেন আরও এক ধাপ এগিয়ে!১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ের দে...
14/08/2026

ধানসাগরের ডি এন একতা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়—নামে একতা, কাজে যেন আরও এক ধাপ এগিয়ে!

১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ের দেয়াল, ক্লাসরুমের পার্টিশন আর সিলিং ফ্যানের পাখায় ভালোবাসার যে নিদর্শন পাওয়া গেছে, তা দেখে মনে হতে পারে—এখানে পড়াশোনার পাশাপাশি বন্ধুত্ব ও ভালোবাসারও ছিল জমজমাট পাঠদান!

কোথাও লেখা—“মাই বেস্ট লাইফ”, “আই মিস ইউ এমএস”। আবার সিলিং ফ্যানের পাখায় একসঙ্গে লেখা—“মারিয়া-মরিয়ম-মারজান-কুলছুম-ফারিয়া-সুমাইয়া-মাহিয়া লাভ”। অন্য পাখায়—“মাই বেস্ট লাইফ আই লাভ ইউ জান”। কোথাও আবার—“আমাদের কয় কান্ধবীর জীবন”। আরেক পাখায় বন্ধুত্বের গণিত—“এম + এম + এম + কে + এফ + এস + এম”!

টিনের বেড়াজুড়েও রয়েছে অসংখ্য লাভ সিম্বল। অর্থাৎ ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের উপস্থিতি এতটাই প্রবল যে মনে হয়, বইয়ের পাতার চেয়েও সিলিং ফ্যানের পাখাগুলোই ছিল বেশি প্রিয়!

এরই মধ্যে ২০২৬ সালের এসএসসি ফল প্রকাশের পর বিদ্যালয়টি উঠে এসেছে শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের তালিকায়। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

এখন বিষয়টি নিয়ে একটু রসিকতা করতেই হয়—হয়তো বান্ধবীদের মধ্যে এমনই গভীর একতা ছিল যে, একজন পাস করে আর বাকিরা ফেল করবে—এমন বৈষম্য তারা মেনে নিতে পারেনি! তাই কেউ একা ভালো ফল করে বন্ধুত্বে ফাটল ধরাবে না; বরং সবাই মিলে একই ফলাফল করে বন্ধুত্বের ইতিহাসে অনন্য নজির স্থাপন!

একজন যদি ফেল করে আর অন্যজন পাস করে, তাহলে তো বন্ধুত্বে প্রশ্ন উঠতে পারে—“তুই আমাকে ছেড়ে এগিয়ে গেলি কেন?” তাই হয়তো সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে—“পড়াশোনায়ও আমরা একসঙ্গে, ফলাফলেও একসঙ্গে!”

অবশ্যই এটি নিছক ব্যঙ্গ ও রসিকতা। একজন শিক্ষার্থীর ফলাফল দিয়ে তার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয় না। বরং এই ফলাফল শিক্ষা দেয়—ক্লাসরুমের দেয়ালে ভালোবাসার নাম যতই লেখা থাকুক, পরীক্ষার খাতায় উত্তরও লিখতে হয়। সিলিং ফ্যানে নাম লেখার পাশাপাশি বইয়ের পাতাতেও একটু সময় দিতে হয়।

ডি এন একতার নামের সঙ্গে ‘একতা’ শব্দটি আছে—এবার সেই একতা যদি আগামী দিনে পড়াশোনায় দেখা যায়, তাহলে হয়তো পরের ফলাফলে আর ‘শতভাগ ফেল’ নয়, লেখা হবে—‘শতভাগ সাফল্য’।

ভালোবাসা থাকুক, বন্ধুত্ব থাকুক—তবে পরীক্ষার খাতার সঙ্গেও একটু বন্ধুত্ব হোক!

একজন মানুষের পরিচয় কি তার বাবার পরিচয়ে নির্ধারিত হবে, নাকি তার নিজের কর্ম ও অবস্থানে?ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এই ছবিটি দেখলে এক...
10/08/2026

একজন মানুষের পরিচয় কি তার বাবার পরিচয়ে নির্ধারিত হবে, নাকি তার নিজের কর্ম ও অবস্থানে?

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এই ছবিটি দেখলে একটি অস্বস্তিকর রাজনৈতিক বাস্তবতা সামনে আসে। একজন মুক্তিযোদ্ধাকে তাঁর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ের কারণে কাকে ভোট দেওয়া উচিত—এমন এক ধরনের সামাজিক চাপ বা বিদ্রূপের মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে। অন্যদিকে, কোনো রাজনৈতিক নেতার পারিবারিক অতীতকে সামনে এনে তাঁর নিজের রাজনৈতিক অবস্থানকে বিচার করার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

কিন্তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হোক কিংবা জাতীয় রাজনীতি—বিচারের মাপকাঠি কি বংশপরিচয় হওয়া উচিত?

কারও বাবা কী ছিলেন, তিনি কোন পরিবারের সন্তান—এটি ইতিহাসের অংশ হতে পারে। কিন্তু একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, দেশ পরিচালনার সক্ষমতা, নৈতিক অবস্থান, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং রাষ্ট্রের প্রশ্নে তাঁর ভূমিকার দায় শেষ পর্যন্ত তাঁর নিজের।

একজনের বাবা যদি অপরাধীও হয়ে থাকেন, সন্তানকে সেই অপরাধের দায়ে দোষী করা যায় না। আবার কেউ মুক্তিযোদ্ধা হলেই তাঁর পরবর্তী সব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঠিক হয়ে যায় না। মুক্তিযুদ্ধের গৌরব ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের জন্য আজীবন অব্যাহতির সনদও নয়।

সুতরাং প্রশ্ন হওয়া উচিত—কে কার সন্তান, তা নয়; বরং কে দেশের জন্য কী করেছেন, কী বলছেন এবং ক্ষমতা পেলে কী করবেন।

মুক্তিযুদ্ধ আমাদের শিখিয়েছে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে। সেই স্বাধীন চিন্তাকেই যদি আমরা দলীয় আনুগত্য, পারিবারিক পরিচয় কিংবা অতীতের তকমার কাছে বিসর্জন দিই, তাহলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেই আমরা ছোট করি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। তাঁদের সিদ্ধান্তেরও মাপকাঠি হওয়া উচিত ব্যক্তির যোগ্যতা, সততা, রাষ্ট্রচিন্তা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা—বাবা বা পরিবারের পরিচয় নয়।

বংশ নয়, কর্মই হোক রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রধান মাপকাঠি।

09/08/2026

দেবিদ্বারে বাড়ির মালিক খুন, ৯ প্যাকেটে খণ্ডিত লাশ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক নারীকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ডিত করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পলিথিনে মোড়ানো খণ্ডিত মরদেহের নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করেছে। তবে নিহতের মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় লাইলী আক্তার নামে এক ভাড়াটিয়াকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটক লাইলী আক্তার ওই এলাকার চাঁপানাঘর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদা ইয়াসমিন প্রায় ৩০ বছর ধরে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে ছোট আলমপুর এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। তাঁর স্বামী মফিজুল ইসলাম জাহাজে চাকরি করেন। দুই মেয়ে রাবেয়া বসরী ও মরিয়ম আক্তারের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় ফরিদা ইয়াসমিন বাড়িতে একাই থাকতেন। বাড়ির একটি ঘর লাইলী আক্তারের কাছে ভাড়া দেওয়া ছিল।
শনিবার সকালে ফরিদার ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে এসে মাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে সন্ধ্যার দিকে ফরিদার বোনের ছেলে মামুন বাড়ির পেছনে পলিথিনে মোড়ানো কয়েকটি প্যাকেট দেখতে পান। প্যাকেটগুলোতে খণ্ডিত মরদেহ রয়েছে বুঝতে পেরে তিনি পুলিশকে খবর দেন।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ভাড়াটিয়া লাইলী আক্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী আক্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং রবিউল, সোহেল, ইমন ও তাঁর স্বামী আবুল কালাম আজাদের নাম উল্লেখ করেছেন।

পরে রাত সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনে মোড়ানো খণ্ডিত মরদেহের নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করে এবং লাইলী আক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পলিথিনে মোড়ানো ফরিদা ইয়াসমিনের খণ্ডিত মরদেহের নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আটক লাইলীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরও চারজনের নাম পাওয়া গেছে। তাঁদের আটকের চেষ্টা চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান ওসি।

দেবিদ্বারে বাড়ির মালিক খুন, ৯ প্যাকেটে খণ্ডিত লাশকুমিল্লার দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক নারীকে হত্যার পর মরদেহ ...
09/08/2026

দেবিদ্বারে বাড়ির মালিক খুন, ৯ প্যাকেটে খণ্ডিত লাশ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক নারীকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ডিত করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পলিথিনে মোড়ানো খণ্ডিত মরদেহের নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করেছে। তবে নিহতের মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় লাইলী আক্তার নামে এক ভাড়াটিয়াকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটক লাইলী আক্তার ওই এলাকার চাঁপানাঘর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদা ইয়াসমিন প্রায় ৩০ বছর ধরে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে ছোট আলমপুর এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। তাঁর স্বামী মফিজুল ইসলাম জাহাজে চাকরি করেন। দুই মেয়ে রাবেয়া বসরী ও মরিয়ম আক্তারের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় ফরিদা ইয়াসমিন বাড়িতে একাই থাকতেন। বাড়ির একটি ঘর লাইলী আক্তারের কাছে ভাড়া দেওয়া ছিল।

শনিবার সকালে ফরিদার ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে এসে মাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে সন্ধ্যার দিকে ফরিদার বোনের ছেলে মামুন বাড়ির পেছনে পলিথিনে মোড়ানো কয়েকটি প্যাকেট দেখতে পান। প্যাকেটগুলোতে খণ্ডিত মরদেহ রয়েছে বুঝতে পেরে তিনি পুলিশকে খবর দেন।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ভাড়াটিয়া লাইলী আক্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী আক্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং রবিউল, সোহেল, ইমন ও তাঁর স্বামী আবুল কালাম আজাদের নাম উল্লেখ করেছেন।

পরে রাত সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনে মোড়ানো খণ্ডিত মরদেহের নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করে এবং লাইলী আক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পলিথিনে মোড়ানো ফরিদা ইয়াসমিনের খণ্ডিত মরদেহের নয়টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আটক লাইলীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরও চারজনের নাম পাওয়া গেছে। তাঁদের আটকের চেষ্টা চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান ওসি।

Address

Bauphal

8620

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nipun Chandra - নিপুণ চন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nipun Chandra - নিপুণ চন্দ্র:

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Photography Service?

Share