Tumi Amer

Tumi Amer আল্লাহ আমার রব�

03/08/2025

03/08/2025

19/05/2025

Presenting "Ap Jo Istra Se Tadpayenge | Romantic Crush Love Story | Latest Hindi Songs"

18/05/2025

রুমি আপুর বিয়ের দিন খুন হয় সেজ মামা।
রুমি আপুর বিয়ের জন্য যেখানে বড় বড় হাড়ি পাতিল দিয়ে রান্না করা হয়েছিল, সেখানে হাড়ির এক পাশে পড়ে ছিল সেজ মামার রক্তাক্ত লাশ।
রুমি আপু ছিল বড় মামার বড় মেয়ে, নানা বড় নাতনীর বিয়ের জন্য তিন টা গরুর মেজবান দিলো গ্রাম বাসীকে।
নানা বিশ বছর মেম্বার থাকার পর এখন মেম্বার বড় মামা। মেজ মামার কাঠের ব্যবসা।
সেজ মামা পাশের একটা স্কুলের বাংলা পড়াতো। একটু সহজ সরল। কিন্তু দারুণ ছিল মামার গানের গলা।
আমার মায়ের বিয়ে পাশের পাড়াতেই হয়েছে তাই আমার নিত্য আসা যাওয়া।
রুমি আপুর বিয়ে তখনিই পন্ডুল হয়ে গেল যখন এক বাবুর্চি মামার লাশখানা দেখে। আমরা সবাই অনেক গুলো নাচের প্রক্যটিস করে রেখেছিলাম। সেসব কিছুই হয় নি। ওসব নিয়ে মন খারাপটা ছিল নিন্তান্ত স্বার্থপরতা।
সেজ মামী তখনো রুমি আপুর সাথে স্টেজে বসে হেসে ছবি উঠছিল। তার বিয়ের বেনারশিটা সেদিন দ্বিতীয়বারের মতো পরেছিল সেজ মামী।
সেজ মামীর বিয়ে হয়েছিল মাত্র সাত মাস আগে।
মামার গান শুনে পাগল হয়ে এমন দুধে আলতা নীল কোমল বউ সেজ মামার কপালে জুটেছিল বলেই সবার ধারণা।
একদিকে শোকের ছায়া একদিকে বিয়ে, কে খাবে আর কে কাঁদবে কেউ যেন বুঝতেই পারছিল না।
সেজ মামী মূহুর্তেই মূর্ছা গেল।
অনেক কষ্টে তার জ্ঞান ফেরানো হলো। তার সাজ সব এলোমেলো হয়ে গেল। কিন্তু চোখে দেওয়া কালো কাজল তাকে যেন এই এলোমেলো সাজে জীবন্ত এক পুতুল মনে হচ্ছিল।
সেজ মামার লাশে পাশে বসে থাকা সেজ মামী রূপের দিকে এইভাবে মুগ্ধ চোখে তাকানোর জন্য নিজেকেই ধিক্কা দিলাম আমি।
কিন্তু সতের আটারো বছরের আমি নিজেকে আর কীভাবে বা সামলাই?
ততক্ষনে মামাকে খাটে আনা হয়েছে। অনেক গুলো কোপ মারা হয়েছে। তাই রক্ত সাদা থানের উপর ভেসে উঠেছে।
সেজ মামার তো কোন শক্র থাকার কথা না। কোন হাস মুরগিও সেজ মামার শক্র না। কারো বুঝতে বাকি রইলো না যে বড় মামাকে মারতে এসে বড় মামাকে না পেরে সেজ মামাকে খুন করেছে কেউ এই বিয়েতে বিঘ্ন ঘটাতে।
রুমি আপুর সাথে যার বিয়ে হচ্ছে তিনিও এই অঞ্চলের নব্য নেতা। তার অনেক ছেলেপুলে ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে গিয়েছে খুনীকে ধরতে।
তার শক্র ও হতে পারে বলে অনেকের ধারণা। বড় অদ্ভুত ব্যাপার এই ছিল যে, সেজ মামা মারা গেল তারচেয়ে স্বস্তির বিষয় যেন ছিল বড় মামা মারা যায় নি।
ব্যাপার টা আমি কিছুতেই নিতে পারছিলাম না।
আমি চলে যাচ্ছিলাম, বড় মামা ডাক দিল,
- কাজল, তোর সেজ মামীকে ঘরে ঢোকা, নানা লোকজন আসছে এখন। পার্টির ছেলেপুলে আসছে সাংবাদিক নিয়ে৷
আমি মামীকে ডাকলাম। মামী উঠে না। মামার হাত ধরে মুখের দিকে তাকিয়ে রইলো। মুখ জুড়ে ভীষণ ব্যাথা সেজ মামার। কীসের এই ব্যাথা?
বড় মামা ধমক দিলো, ধরে তুলে নিয়ে যা।
আমি সেজ মামীর হাত ধরলাম। বাহুর দিকে ধরে তুললাম। মামী যেন সমস্ত শক্তি দিয়ে মামার হাত ধরে আছে।
আমি আস্তে করে বললাম, মামী এতে মামার কষ্ট আরো বাড়বে।
মামী আমার দিকে তাকালো, সদ্য স্বামী হারানো নারীর চোখ কেমন হয় আমার জানা নেই, মনে হয় আমি কোন আগ্নেয়গিরির উত্তাপ অনুভব করলাম যার এক স্ফুল্কিক আমার গায়ে পড়লে আমি ভস্ম হয়ে যাবো।
মামী আস্তে আস্তে ঘরে চলে গেল। আমি দেখলাম মামীর হাতে যেন কিছু একটা আছে, যা মামী শক্ত করে ধরে রেখেছে।
এর পরের দুই সাপ্তাহ গ্রাম ভীষণ উত্তাল হয়ে রইলো। মামার লাশ নিয়ে অনেক মিটিং মিছিল হলো। বড় মামার বিরোধী দলকে অনেক কৈফিয়ত দিতে হলো। অনেক মিটিং হলো স্কুলে, মাঠে, প্রেসে। পত্রিকায় সবার ছবি আসলো সবার অভিমত নেওয়া হলো।
খুনীকে ধরা হলো। সে এই এলাকারেই সবচেয়ে কুখ্যাত সন্ত্রাসী। খুব বিচ্ছিরি তার গায়ের গঠন।
কালো । তবে পেটানো শরীর। নারী আর খুন নিয়ে তার অনেক কেচ্ছা আছে।
তাকে ধরা হলো।
অদ্ভুত বিষয় হলো মামা মেম্বার হয়েও তাকে বেশি আটকে রাখা গেল না। বিশ দিন পর সে মাঠে ঘাটে ঘুরে বেড়াতে লাগল।
কারো সামনে এলো না শুধু সেজ মামী।
রুমে কেউ কিছু দিয়ে আসলে খায়। নইলে ওভাবেই পড়ে থাকে। মামীর মা বাবা এসেছিল নিয়ে যাওয়ার জন্য।
মামারা আর নানা জানালো বউ থাকলে চাইলে আমাদের সৌভাগ্য, যেতে চাইলে বাধা নেই। তবে মামী গেল না। কেউ মামী ঘাটল না।
আমি মাঝেমধ্যে যাই মামীর কাছে। মামা আগে আমাকে কিছু বইয়ের লিস্ট দিতো আমি শহরের দিকে গেলে যেন মামীর জন্য নিয়ে আসি।
আমিও আনতাম।
তেমন কিছু বই নিয়ে গেলাম। বেশিক্ষন বসলাম না।
বের হয়ে যাচ্ছিলাম মামী বলল, আর একটু বসো।
আমি ইস্তহস্ত করে বের হতে হতে বললাম, রুমি আপু এসেছে আজ শুনলাম। একটু দেখা করে আসি।
সেজ মামী অবাক হয়ে বলল, রুমি এসেছে? কবে? কেউ তো বলল না।
আমি হেসে বললাম, আজ এলো। আগামী সাপ্তাহে ওর স্বামী এসে নিয়ে যাবে শুনলাম। আপনি তো বের হন না মামী। এইখানেই যখন থাকবেন ঠিক করেছেন যত দিন থাকবেন একটু বাইরে বের হয়ে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করুন। আমি যতোদূর জানি মামা আপনাকে এইভাবে দেখতে একদমেই ভালোবাসতেন না।
আমি চলে গেলাম।
মা জানালো। পরের দিন থেকে মামী নাকি বাইরে বের হলো। রান্না বান্না করল। রুমি আপুর সাথে সময় কাটালো। বাপেরবাড়িও নাকি ঘুরে আসলো।
শুনে দীর্ঘশ্বাস বের হলো। যাক সব কিছু স্বাভাবিক হচ্ছে।
আজ নানা বাড়ি আবার আয়োজন হয়েছে। রুমি আপুর স্বামীর আসার খুশির জামাই আদর। সেদিন ভালো করে কিছুই হয় নি। আমাদের সবাইকে যেতে হবে। উনিও অনেক ছেলে পুলে নিয়ে এসেছেন।
আমি সব দিকে দেখে শুনে একটা কোকের বোতল হাতে নিয়ে চেয়ার টেনে বসে রইলাম।
হঠাৎ আমার চোখ পড়ল সেজ মামীর দিকে। প্রথম দেখাই আমি চমকে দাঁড়িয়ে গেলাম। মনে হলো যেন কোন পরী আসমান থেকে নেমে এসেছে।
একটা মেরুন রঙের শাড়ি পরেছে। মোটা করে কাজল। একটু গোলাপি লিপস্টিক। তেমন কোন সাজসজ্জা নেই। কিন্তু এত অপূর্ব লাগছে কেন যেন কোন মন্ত্রধারী ডাকাতিনী সে। এখনি কোন মন্ত্র পড়ে বশ করে ঘুম পাড়াবে সবাইকে।
সেজ মামী নিজের তালে টুকটাক খাবার দাবার আনা নেওয়া করল। এরপর দশটা বাজতে নিজের রুমে চলে গেল।
এরপর গান বাজনা শুরু হলে যে যার নিজের তালে।
একটু পর সেজ মামীর জোরে চিৎকার ভেসে আসলো। সবাই দ্রুত ছুটল সেদিকে। পুকুর ঘাটের পাশেই পূর্ণিমার আলো নেমেছে। সেখানে সব যেন দিনের আলোর মতো।
খালি গায়ে লুঙ্গির গোচর দেওয়া কেউ এক নাগারে কুপিয়ে যাচ্ছে কাউকে। দূরে দাঁড়িয়ে চিৎকার করছে সেজ মামী।
সবাই ছুটে আসলেও কেউ সাহস করছে না সামনে যেতে। লোকটার মুখে টর্চ ফেলছে বিচ্ছিরি পান খাওয়া লালচে দাঁত বের করে বলল,
- আলতাফ ভাই এইবারেও আপনারে মারতে আসি আপনার মাইয়ার জামাই মারি ফেললাম ভুলে।
বলেই সে, জিব বের করে জিব কাটল যেন মজার কোন জোক্স ছিল। তার সারা মুখে রক্তের ছিটা।
তাকে বিভৎস কোন নরপিশাচের মতো লাগছিল।
কথাটা সাজানো কোন চরিত্রের সংলাপ মনে হলেও এই যেন এক গল্পের শেষ থেকে শুরু বলে গেল এই লাইনে।
বড় মামা তখন দ্রুত সেজ মামীর দিকে তাকালো, এই তাকানোটা আমার সব রহস্য জট পাকিয়ে দিলো এক টানে যেন কোন মাকরসা এক টানে জাল বুনে দিলো এক টানে।
চাঁদের আলোতে সেজ মামীর মুচকি হাসি আমার সত্যিই তাকে মন্ত্রধারী ডাকাতিনী মনে হলেও তার হাসি আমার সব রহস্য সমাধান করে দিলো। কোন কালো কুয়োতে যেন টর্চ ফেলল। জ্বলজ্বল করে এক সত্য। সেজ মামার খুনের রহস্যের সত্য।
সেদিন রুমি আপার বিয়ের দিন সেজ মামীকে রুমে আটকে রাখতে চেয়েছিলো আর খুব বাজে ব্যবহার করে রুমি আপার স্বামী জামিল আর তার বন্ধুরা। তার সেজ মামা দেখে আর সেজ মামীকে বের করে আনে। আর বড় মামাকে বলতে যায়।
সেজ মামা বলে এই ছেলের সাথে বিয়ে হলে রুমির জীবন শেষ হয়ে যাবে আর ও আমার স্ত্রীকেও অপমান করেছে ওরা এই বিয়ে আমি কিছুতে হতে দিব না।
এইসব নিয়ে যখন কথা কাটাকাটি হচ্ছিল তখন জামিল সেখানে চলে আসে। আর সে সেজ মামাকে অনেক মারধর করে। বড় মামা সব দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখে। এক পর্যায়ে সেজ মামা বলে সে নানা কে বলে এই বিয়ে বন্ধ করে দিবে। নিজেই বলে দেবে সব সবার সামনে।
এত করে বড় মামা আর জামিল দুজনেরেই মান সম্মান যাবে। তাই তার দুজন মিলেই সেজ মামাকে খুন করে।
জামিলের পাঞ্জাবির বোতামেই সেদিন সেজ মামীর হাতে। সেজ মামী সেদিনেই সব বুঝতে পারে তাই সুযোগের অপেক্ষায় ছিল।
মামীর হাতে তখনো বোতাম টা শক্ত করে ধরা। সেদিনের সেই জলন্ত আগ্নেয়গিরিটা এখনো জ্বলছে আরো একজন এখনো যে বাকি।
খুনী লোকটা যাওয়ার সময় মামী পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলে গেল বিশ দিন পর আবার বের হয়ে যাব, আবার দেখা হবে জানু।
রবি ঠাকুর কি, সাধেই বলে গিয়েছে, পুরুষদের বোকা বানানোর সব রশদ বিধাতা নারীদের মাঝে ভরে ভরে দিয়ে।
এতো রূপবতী একটা মেয়ের জন্য তো এইসব কোন ব্যাপার না।
বড় মামা এখনো ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে আছে সেজ মামীর দিকে, আমি মনে মনে এই ডাকিতিনীর শিষ্য হয়ে গেলাম।
আমার বড় মামার দিকে তাকিয়ে মনে হলো, নরপিশাচের চেহারা বিভৎস হতে হয় না কিছু মুখোশে রূপান্তর নিয়ে বেশ সুশ্রীও থাকে।
আর পূর্ণিমার আলোতে এখনো উড়ছে সেজ মামীর আচঁল টা উড়ছে, চোখ গুলো জ্বলছে।
নারী তার প্রিয় পুরুষের মৃত্যুর জন্য কাউকে ক্ষমা কোন দিন করতে পারে না। তার বুকে তপ্ত আগ্নেয়গিরি বুকে নিয়ে পরম মমতায় আগলে রাখতে পারে প্রিয় স্মৃতি, প্রিয় অনূভুতি।
আমি অপেক্ষায় রইলাম বড় মামার শেষ পরিনতির জন্য।
মন্ত্রধারী_মায়াবিনী
দোলনা_বড়ুয়া_তৃষা

18/05/2025

Beautiful rajshahi city. বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ও পরিষ্কার শহর❤

17/05/2025

Valobashi priyo🥰🥰🥰🥰

Address

Rajshahi
Rajshahi
098765

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tumi Amer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share