Md Yakub Ali

Md Yakub Ali "Through my lens, I capture life’s beauty. 📸
Chasing light, framing moments, telling stories. Photography is my passion, my art, my world.

Let’s create magic together. ✨"

খাঁচার ভেতরে মা, খাঁচার ওপরে সন্তান। এক ফ্রেমে স্বাধীনতা ও সীমাবদ্ধতা। ❤️📷 Captured with Honor X5 Plus | Aperture Mode
01/08/2025

খাঁচার ভেতরে মা, খাঁচার ওপরে সন্তান। এক ফ্রেমে স্বাধীনতা ও সীমাবদ্ধতা। ❤️
📷 Captured with Honor X5 Plus | Aperture Mode

গল্প     : ছায়ার অন্তর্ধানজনরা : সাসপেন্স (Suspense),থ্রিলার (Thriller),মনস্তাত্ত্বিক রহস্য (Psychological Mystery)গভীর ...
09/02/2025

গল্প : ছায়ার অন্তর্ধান
জনরা : সাসপেন্স (Suspense),থ্রিলার (Thriller),মনস্তাত্ত্বিক রহস্য (Psychological Mystery)

গভীর রাত। রাস্তায় আলো ঝিমিয়ে পড়েছে। শুধু কয়েকটা স্ট্রিটল্যাম্পের হলুদ আভা ছড়িয়ে আছে অন্ধকারে। নীলা একা হেঁটে চলেছে। তার পায়ের শব্দ ছাড়া চারপাশে কোনো আওয়াজ নেই। আজ অফিসে লেট হয়ে গিয়েছিল। ট্রেন ধরতে দৌড়াতে হয়েছিল। এখন বাসায় ফিরতে রাত প্রায় এগারোটা বাজে।

নীলার মনে হচ্ছিল, আজ রাস্তাটা একটু বেশিই নির্জন। হয়তো শীতের কারণে লোকজন বাড়ি চলে গেছে। সে নিজের কোটটা টেনে গায়ে জড়িয়ে নিল। হঠাৎ পেছনে কারো পায়ের শব্দ শুনতে পেল। সে থমকে দাঁড়াল। পেছনে ফিরে তাকাতেই দেখল, কেউ একজন দ্রুত এগিয়ে আসছে। নীলা দ্রুত পা চালাল। কিন্তু পেছনের পায়ের শব্দও যেন তাল মিলিয়ে বাড়ছে।

সে হাঁটার গতি আরও বাড়িয়ে দিল। বুকটা ধড়ফড় করছে। রাস্তার শেষ মোড়ে পৌঁছে সে দৌড়াতে শুরু করল। পেছনের লোকটাও দৌড়াচ্ছে। নীলার মনে হচ্ছিল, সে যেন কোনোভাবেই পেছনের মানুষটাকে ছাড়াতে পারছে না। হঠাৎ সে দেখল, সামনে একটা গলি। নীলা গলিতে ঢুকে পড়ল। গলিটা অন্ধকারে ভরা। সে দৌড়ে গিয়ে একটা বাড়ির গেটের পেছনে লুকাল।

পেছনের লোকটা গলিতে ঢুকল। নীলা দেখল, লোকটা একটা কালো হুডি পরা। মুখ দেখা যাচ্ছে না। লোকটা গলির মধ্যে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছে। নীলার শ্বাস আটকে আসছিল। সে চোখ বন্ধ করে প্রার্থনা করতে লাগল, যেন লোকটা তাকে না দেখে।

হঠাৎ লোকটা থমকে দাঁড়াল। তারপর আস্তে আস্তে গলি থেকে বেরিয়ে গেল। নীলা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল। যখন নিশ্চিত হল যে লোকটা চলে গেছে, তখন সে গেটের পেছন থেকে বেরিয়ে এল।

সে দ্রুত বাড়ির দিকে হাঁটতে লাগল। বাড়ির সামনে পৌঁছেই সে দেখল, দরজা খোলা। নীলার মনে পড়ল, সে তো দরজা বন্ধ করেই বেরিয়েছিল। তারপরও দরজা খোলা কেন? সে ভেতরে ঢুকতেই দেখল, লাইট জ্বলছে। লিভিং রুমে কেউ বসে আছে।

নীলা ধীরে ধীরে লিভিং রুমের দিকে এগিয়ে গেল। দেখল, সোফায় বসে আছে তার ছোট ভাই, রাহুল। রাহুলের মুখে একটা অদ্ভুত হাসি। নীলা অবাক হয়ে বলল, "রাহুল? তুই এখানে কী করছিস? তোর তো আজ হোস্টেলে থাকার কথা!"

রাহুল হাসতে হাসতে বলল, "আপু, তুমি তো সব সময় বলো, আমি বড় হইনি। আজ আমি প্রমাণ করব, আমি বড় হয়ে গেছি।"

নীলার গা শিউরে উঠল। রাহুলের হাতে একটা ছুরি। সে ধীরে ধীরে নীলার দিকে এগিয়ে আসতে লাগল। নীলা পিছিয়ে গেল। রাহুল বলল, "আপু, তুমি তো সব সময় আমাকে অবহেলা করো। আজ আমি তোমাকে শেখাব, আমাকে কেউ অবহেলা করতে পারবে না।"

নীলা চিৎকার করে বলল, "রাহুল! থাম! কী করছিস তুই?"

রাহুলের চোখে পাগলামির চিহ্ন। সে বলল, "আপু, তুমি তো সব সময় আমাকে ছোট ভাবো। আজ আমি তোমাকে দেখাব, আমি কত বড় হতে পারি।"

নীলা দ্রুত পিছিয়ে গিয়ে দরজার দিকে দৌড়াল। কিন্তু রাহুল তাকে ধরে ফেলল। নীলা চিৎকার করতে লাগল, কিন্তু কেউ তাকে শুনতে পাচ্ছে না। রাহুলের হাতের ছুরি নীলার দিকে এগিয়ে এল।

হঠাৎ দরজায় কড়া শব্দ হল। কেউ জোরে দরজায় কড়া নাড়ছে। রাহুল থমকে গেল। নীলা দ্রুত দরজা খুলে দিল। বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল পুলিশ। একজন অফিসার বলল, "নীলা? তুমি ঠিক আছো তো? আমরা তোমার ফোন কল পেয়েছি। তুমি সাহায্য চেয়েছিলে।"

নীলা অবাক হয়ে বলল, "আমি তো কোনো কল করিনি!"

অফিসার বলল, "না, তোমার ভাই রাহুলের কাছ থেকে কল পেয়েছি। সে বলেছে, তুমি বিপদে আছো।"

নীলা পেছনে ফিরে তাকাল। রাহুল সোফায় বসে আছে। তার হাত থেকে ছুরি মেঝেতে পড়ে গেছে। রাহুলের চোখে জল। সে বলল, "আপু, আমি তোমাকে ভয় পাইয়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি পারলাম না। আমি তোমাকে ভালোবাসি।"

নীলা রাহুলের দিকে এগিয়ে গেল। সে তাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "রাহুল, তুই কি পাগল হয়েছিস? আমি তোকে কখনো অবহেলা করিনি। তুই আমার ছোট ভাই, আমি তোকে সব সময় ভালোবাসি।"

পুলিশ অফিসাররা কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে চলে গেল। নীলা রাহুলকে নিয়ে বসে রইল। সে বুঝতে পারল, রাহুলের মনে কত বড় একটা শূন্যতা ছিল। আজ সে তা পূরণ করতে চেয়েছিল। কিন্তু ভুল পথে।

রাত গভীর হতে লাগল। নীলা রাহুলের হাত ধরে বলল, "চল, আজ তুই আমার ঘরেই থাক। কাল আমরা সব কথা ঠিক করে ফেলব।"

রাহুল মাথা নেড়ে সম্মতি দিল। দুজনে একসাথে বসে রইল। বাইরে আবারও নিস্তব্ধতা নেমে এল। কিন্তু এবারের নিস্তব্ধতা যেন একটু বেশি আরামদায়ক।

লেখা: Md Yakub Ali

গ্রামীণ মেঠোপথ।
07/02/2025

গ্রামীণ মেঠোপথ।

"অস্তাচলের আলো"লেখা: মোঃ ইয়াকুব আলী বৃষ্টির স্নিগ্ধ ধারায় ভিজে যাচ্ছিল শহর। রাতের নিস্তব্ধতায় শুধু বৃষ্টির শব্দ আর দূর...
06/02/2025

"অস্তাচলের আলো"
লেখা: মোঃ ইয়াকুব আলী

বৃষ্টির স্নিগ্ধ ধারায় ভিজে যাচ্ছিল শহর। রাতের নিস্তব্ধতায় শুধু বৃষ্টির শব্দ আর দূরের মেঘের গর্জন। অরণ্য সেই বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে ছুটে চলেছিল এক অজানা গন্তব্যে। তার হৃদয়ের গভীরে জমে থাকা বেদনা যেন বৃষ্টির ফোঁটার সাথে মিশে গিয়েছিল। সে জানত, আজ রাতেই সব শেষ হবে। তার ভালোবাসা, তার স্বপ্ন, তার জীবন—সবকিছু।

অরণ্যের ভালোবাসার নাম ছিল মেঘলা। মেঘলা, যে তার জীবনের আলো, তার অন্ধকারে জ্বলন্ত প্রদীপ। কিন্তু সেই আলো আজ নিভে গেছে। মেঘলা চলে গেছে। চিরতরে।

তাদের ভালোবাসার গল্পটা শুরু হয়েছিল এক শরৎকালে। অরণ্য তখন কলেজের ছাত্র। একদিন লাইব্রেরিতে বসে বই পড়ার সময় হঠাৎ চোখে পড়ল এক মেয়ের। তার লম্বা চুল, গভীর চোখ, আর হাসি—যেন শরতের মেঘলা আকাশের মতো। তার নাম মেঘলা। অরণ্য প্রথম দেখাতেই হারিয়ে গেল তার প্রেমে। মেঘলাও অরণ্যের নিঃশব্দ ভালোবাসায় সাড়া দিল। তাদের ভালোবাসা হয়ে উঠল শরতের মেঘের মতো নরম, বৃষ্টির মতো স্নিগ্ধ।

কিন্তু ভালোবাসা কি কখনো সহজ হয়? মেঘলার পরিবার তাদের সম্পর্ক মানতে রাজি ছিল না। মেঘলার বাবা ছিলেন একজন ধনী ব্যবসায়ী, আর অরণ্য ছিল মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। মেঘলার বাবা চেয়েছিলেন মেঘলা বিয়ে করবে তার ব্যবসায়িক অংশীদারের ছেলেকে। মেঘলা প্রতিবাদ করেছিল, কিন্তু পরিবারের চাপে তার আর কিছু করার ছিল না।

একদিন মেঘলা অরণ্যকে বলল, "আমি পারব না, অরণ্য। আমার পরিবার, তাদের ইচ্ছা—আমি সব মানতে বাধ্য।" অরণ্য চুপ করে রইল। তার চোখে জল, কিন্তু সে কিছু বলল না। সে জানত, মেঘলাকে ধরে রাখা তার পক্ষে সম্ভব নয়।

তারপর একদিন মেঘলা চলে গেল। অরণ্যের জীবন থেকে। অরণ্য বুঝতে পারল, মেঘলা ছাড়া তার জীবন অর্থহীন। সে প্রতিদিন মেঘলার কথা ভাবত, তার স্মৃতিতে ডুবে থাকত। কিন্তু সময় কাটে না। তার হৃদয়ের বেদনা দিনে দিনে বাড়তে থাকে।

আজ রাতে অরণ্য ঠিক করল, সব শেষ করবে। সে মেঘলার জন্য লিখে রেখেছিল অসংখ্য চিঠি, অসংখ্য কবিতা। কিন্তু সেই চিঠিগুলো কখনো মেঘলার হাতে পৌঁছায়নি। অরণ্য সেই চিঠিগুলো নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে চলল মেঘলার বাড়ির দিকে। সে জানত, মেঘলা সেখানে নেই। কিন্তু তবুও সে যেতে চাইল। শেষবারের মতো।

বৃষ্টি থামল না। অরণ্য মেঘলার বাড়ির সামনে দাঁড়াল। তার হাতে চিঠিগুলো। সে চিঠিগুলো মেঘলার বাড়ির দরজার সামনে রেখে দিল। তারপর সে ফিরে এল না। সে চলে গেল। চিরতরে।

পরের দিন সকালে মেঘলা চিঠিগুলো পেল। সে পড়তে শুরু করল। প্রতিটি চিঠিতে অরণ্যের ভালোবাসা, তার বেদনা, তার আকাঙ্ক্ষা। মেঘলার চোখ দিয়ে জল পড়ল। সে বুঝতে পারল, অরণ্য তাকে কতটা ভালোবাসত। কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। অরণ্য চলে গেছে। চিরতরে।

মেঘলা বুঝতে পারল, তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সে করেছিল। সে অরণ্যকে ছেড়ে চলে এসেছিল। কিন্তু এখন আর ফিরে যাওয়ার উপায় নেই। অরণ্য চলে গেছে। তার ভালোবাসা, তার জীবন—সব শেষ।

মেঘলা সেই চিঠিগুলো বুকে চেপে ধরে কেঁদে উঠল। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছিল। কিন্তু এবারের বৃষ্টি যেন মেঘলার চোখের জলের সাথে মিশে গিয়েছিল।

অরণ্য আর মেঘলার ভালোবাসার গল্পটা শেষ হয়েছিল এক ট্রাজেডিতে। কিন্তু তাদের ভালোবাসা আজও বেঁচে আছে। বৃষ্টির ফোঁটায়, শরতের মেঘে, আর অরণ্যের সেই চিঠিগুলোয়।

06/02/2025

কি দারুণ লাগছিল।
স্লুইসগেইট,বীরগঞ্জ, দিনাজপুর।

06/02/2025

Emni....

Address

Rangpur
&882@).

Telephone

+8801773169133

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Yakub Ali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md Yakub Ali:

Share

Category