S.T Tajul

S.T Tajul যে,কোনো ফটোশুট📸 এন্ড বিবাহর ফটোগ্রাফি 📸 করার জন্য ইনবক্স 📥 করুন, অথবা নাম্বারে যোগাযোগ করুন 01750579198

*🎉 ভর্তি চলছে, ভর্তি চলছে! 🎉*আপনি কি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চান? 💻✨তাহলে এই সুবর্ণ সুযোগ আপনি মিস করবেন না!🔹 *কোর্সে...
14/10/2025

*🎉 ভর্তি চলছে, ভর্তি চলছে! 🎉*

আপনি কি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চান? 💻✨
তাহলে এই সুবর্ণ সুযোগ আপনি মিস করবেন না!

🔹 *কোর্সের নামঃ প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটিং (৩ মাস আবাসিক প্রশিক্ষণ)* 🔹
ইএসডিও-পিকেএসএফ-সিসিপ প্রকল্পের আওতায় কোর্সটি পরিচালিত হচ্ছে। আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং দক্ষতা বাড়িয়ে, আপনার ক্যারিয়ারকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এই কোর্সটি আপনার জন্যে।
*🌟 কোর্সের বিশেষ সুবিধা 🌟**
✅ *০৩ মাস খাওয়া ও থাকা সম্পূর্ণ ফ্রি*
✅ *কোর্স শেষে সার্টিফিকেট প্রদান*
✅ *কোর্স শেষে কোন ভাতা প্রদান করা হয় না*
*📍 প্রশিক্ষণ স্থলঃ** ঠাকুরগাঁও ইএসডিও হেড অফিস
*🎯 শিক্ষাগত যোগ্যতা:** সর্বনিম্ন *HSC পাশ*
*📅 প্রশিক্ষণ শুরুর তারিখঃ** ১৭-১১-২০২৫
(আবাসিক সুবিধা – প্রশিক্ষণটি আবাসিকভাবে নিতে হবে। বাড়ি থেকে যাতায়াত করা যাবে না।)
*📝 কোর্সে ভর্তি হতে চাইলে, নিম্নে দেয়া তথ্যগুলি **What’s App** এ পাঠানঃ**
👉*নামঃ**
👉 *পিতার নামঃ*
👉 *ভোটার আইডি নাম্বারঃ*
👉 *জন্ম তারিখঃ*
👉 *মোবাইল নাম্বারঃ*
👉*উপজেলাঃ**
👉*জেলাঃ**
*📲 যোগাযোগের নম্বরঃ** 01763-232297
এখনই আবেদন করুন এবং ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ভবিষ্যত তৈরিতে অংশ নিন! 🚀

#ভর্তিচলছে #ডিজিটালমার্কেটিং #ফ্রিল্যান্সিং #করুন_আপনার_স্বপ্ন_পুরণ

01/08/2025

স্বপ্ন সিঁড়ি শিল্প-গোষ্ঠী সংগঠনের, পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ❤️
ফুলবাড়ী, কুড়িগ্রাম






গল্প তো সবাই লিখে ✍️কই জনি বা অনুভব করে 😅
18/07/2025

গল্প তো সবাই লিখে ✍️

কই জনি বা অনুভব করে 😅

চোখে চোখ রাখলে বোঝা যায়,ভালোবাসা কাকে বলে, কেমন হয়।চুপচাপ হৃদয়ে বাজে সুর,তুই ছাড়া সবকিছু আজ বেমানানপুর।S T Tajul
28/06/2025

চোখে চোখ রাখলে বোঝা যায়,
ভালোবাসা কাকে বলে, কেমন হয়।
চুপচাপ হৃদয়ে বাজে সুর,
তুই ছাড়া সবকিছু আজ বেমানানপুর।

S T Tajul

---🖤গল্পের নাম: "এক মুঠো ধান, এক সাগর স্বপ্ন"✍ লেখক: এস টি তাজুল ফটোগ্রাফারবরকত আলী একজন সাধারণ কৃষক। শৈশব কেটেছে কাঁদাম...
27/06/2025

---🖤

গল্পের নাম: "এক মুঠো ধান, এক সাগর স্বপ্ন"

✍ লেখক: এস টি তাজুল ফটোগ্রাফার

বরকত আলী একজন সাধারণ কৃষক। শৈশব কেটেছে কাঁদামাটির ধানখেতে, সূর্য ওঠার আগে যার দিন শুরু হতো আর শেষ হতো সন্ধ্যার আকাশে তারার নিচে। সারা জীবনের সঞ্চয় বলতে এক বিঘা জমি, একটা গরু আর মাটির তৈরি ছোট একটা ঘর।

বরকতের ছেলেটা, রবিউল, খুব ভালো পড়াশোনা করত। গ্রামের স্কুলে সব সময় প্রথম হতো। কিন্তু অভাবের সংসারে পড়াশোনা চালানোটা ছিল যুদ্ধের মতো। বরকত জমিতে কাজ করে, রাতে পাটি পেতে ছেলেকে পড়াতো—যা শিখেছে জীবন থেকে, তাই দিয়েই।

এক বছর বৃষ্টি এলো না। ধানখেত ফেটে চৌচির। বরকতের চোখেও পানির অভাব। কিন্তু তবুও হাল ছাড়েনি। শেষ কিস্তির ধান বিক্রি করে ছেলের কলেজ ভর্তি ফি দিল।

রবিউল আজ শহরের একজন সফল কৃষি অফিসার। সে ফিরে এসে বাবার কাঁধে হাত রেখে বলে,
"বাবা, তোমার এক মুঠো ধানই আমার এই স্বপ্নের শুরু। এবার তোমার জন্য আমি সেচ পাম্প নিয়ে এসেছি, যাতে আর কোনো বর্ষার অপেক্ষা না করতে হয়।"

বরকতের চোখ বেয়ে দু'ফোঁটা জল পড়ে। এই জল ক্ষুধার নয়, গর্বের।

---

শেষ কথা:
এই গল্পটা শুধু বরকতের না—এটা বাংলাদেশের প্রতিটি সংগ্রামী কৃষকের গল্প। যাদের স্বপ্ন ছোট হলেও মাটির মতোই শক্ত, আর ভালোবাসা নদীর মতো গভীর।

---©️ S T Tajul
S.T Tajul



#গল্প

চিঠির বাক্সে জমে থাকা ভালোবাসালেখকঃ S.T Tajul  সাবেক পুরনো কাঠের আলমারির নিচের দিকে একটা ছোট্ট লোহার বাক্স। সেটাই ছিল দা...
24/06/2025

চিঠির বাক্সে জমে থাকা ভালোবাসা
লেখকঃ S.T Tajul

সাবেক পুরনো কাঠের আলমারির নিচের দিকে একটা ছোট্ট লোহার বাক্স। সেটাই ছিল দাদুর ‘চিঠির বাক্স’। সবাই বলত, এই বাক্সে দাদু নাকি জীবনটা আটকে রেখেছেন।

আমি—নাদিয়া, আজ প্রথমবার সেই বাক্সটা খুললাম। দাদু আর নেই। তাঁর স্মৃতির টানে আমি আবার ছুটে এসেছি গ্রামে। ঘরটা ঝাঁপি খুললেই যেন গল্পের ভাণ্ডার। কিন্তু সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসটা আমি খুঁজছিলাম—"লিখা"।

বাক্সে ভরা শত শত হলুদ হয়ে যাওয়া চিঠি। হাতে লেখা। কালি কিছু কিছু জায়গায় মলিন। তবু, শব্দগুলো যেন আজও জীবন্ত।

প্রথম চিঠিটা হাতে নিয়ে পড়তে শুরু করলাম—

“প্রিয় রুবি,
আজ যখন স্কুল থেকে ফিরলাম, তখনও তোমার কথা মাথা থেকে যায়নি। তুমি যেভাবে হাসলে আজ দুপুরে, মনে হচ্ছে সেই হাসিতে আমি হারিয়ে গেলাম। জানি না, এই অনুভবকে কী বলা যায়। শুধু এটুকু জানি, তোমার জন্য আমার মনে একটা অদ্ভুত কম্পন জেগেছে...
– চিরন্তন তোমার, আমানুল্লাহ।”

আমার শ্বাস বন্ধ হয়ে এলো। দাদু... আর রুবি মানে তো...

আমার ঠাকুমা? না, ঠাকুমার নাম তো অন্য!

আমি পড়তে থাকলাম একের পর এক চিঠি। শত চিঠির মধ্যে ছিল প্রেম, অভিমান, অপেক্ষা, হারিয়ে যাওয়া সময়। সেই লেখা, সেই কালি—ভালবাসার সাক্ষ্যপত্র।

শেষ চিঠিটায় লেখা—

“রুবি,
তুমি বিয়ে করে চলে গেলে। আমি বলিনি কিছু। তোমার চাওয়াটাই তো ভালোবাসা, তাই না? আমি আমার ভালবাসাকে এই চিঠির বাক্সে বন্দি করে রাখলাম। যদি কোনোদিন কেউ জানতে চায়—কে ছিলাম আমি, আমি কাকে ভালোবেসেছিলাম, কেন এখনো একা—তাদের যেন এই লেখাগুলো বলে দেয় সব।”

চোখের কোণে জল চলে এল। আমার দাদু কখনো নিজের ভালোবাসার গল্প বলেননি। কিন্তু তাঁর লেখা, তাঁর চিঠিগুলো বলেছে সব।

সেদিন আমি চিঠিগুলো এক এক করে সাজিয়ে রাখলাম। আর বুঝে গেলাম—শুধু বলা নয়, লিখা অনেক সময় জীবনের সবচেয়ে সত্য কথা বলে।

Address

Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when S.T Tajul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to S.T Tajul:

Share

Category