Hridoy Dasa

Hridoy Dasa Welcome to my official page Hridoy Dasa

12/04/2026

Kirtan festival

কেউ যদি মনে করেন যে, ‘আমি কৃষ্ণের ভক্ত, আমার গুরুর দরকার নেই’, তবে আসলে সেটি অত্যন্ত অপরাধমূলক একটি চিন্তা।ঠিক যেমন নারা...
06/04/2026

কেউ যদি মনে করেন যে, ‘আমি কৃষ্ণের ভক্ত, আমার গুরুর দরকার নেই’, তবে আসলে সেটি অত্যন্ত অপরাধমূলক একটি চিন্তা।

ঠিক যেমন নারায়ণ যখন দেখলেন যে ধ্রুব বনের মধ্যে তাঁকে খুঁজছেন, তখন তিনি নারদকে সাহায্য করতে বললেন যে, আসল পথ কোনটি এবং কীভাবে আমার কাছে পৌঁছাতে হয়। এখন ধ্রুব মহারাজ যদি শেষ পর্যন্ত নারায়ণের সেই সাহায্য নিতে অস্বীকার করতেন যে— 'আমার কারো সাহায্যের প্রয়োজন নেই'— তবে তিনি কীভাবে নারায়ণের কাছে পৌঁছাতেন? তিনি হয়তো এখনো বনের মধ্যেই খুঁজে বেড়াতেন।

~ শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজ
৭ জুন, ১৯৯৭

06/04/2026

🔰 ছয়টি কারনে #ভগবদ্ভক্তি বিনষ্ট হয়....!

▪️১. প্রয়োজনের অতিরিক্ত আহার করা, প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ সঞ্চয় করা।

▪️২. জড় বিষয় লাভের জন্য অত্যাধিক চেষ্টা করা।

▪️৩. জড় বিষয় নিয়ে অনর্থক আলোচনা করা।

▪️৪. পারমার্থিক উন্নতি লাভের উদ্দেশ্য ব্যতীত শাস্ত্রের বিধি-নিষেধ গুলি অনুশীলন করা,অথবা শাস্ত্রের বিধি -নিষেধ গুলি পরিত্যাগ করে স্বতন্ত্র ভাবে খেয়াল খুশি মতো কার্য করা।

▪️৫. কৃষ্ণবিমুখ বিষয়াসক্ত মানুষদের সঙ্গ করা।

▪️৬. জড় বিষয়ের প্রতি লোভাতুর হওয়া।

বদ্ধজীবের পক্ষে সমস্ত ইন্দ্রিয়ের মধ্যে জিহ্বা হচ্ছে বড় শক্র জিহ্বার প্রবাহে জীব নানা রকমের পাপ কর্মে লিপ্ত হয়।

শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা দ্বিতীয় খণ্ড ১৯/১৫৭ শ্লোকের তাৎপর্যে বলা হয়েছে,এ ৬টি কারণে ভগবদ্ভক্তি বিনষ্ট হয়।

হরে কৃষ্ণ🙏

🙏হরে কৃষ্ণ ::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::💞💕লরেন এর্ডম্যানের পুত্র যখন গৃহত্যাগ করে হরেকৃষ্ণ আন্দোল...
03/04/2026

🙏হরে কৃষ্ণ
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::💞💕
লরেন এর্ডম্যানের পুত্র যখন গৃহত্যাগ করে হরেকৃষ্ণ আন্দোলনে যোগদান করলেন, তখন তাঁর জীবন যেন সম্পূর্ণরূপে আলোড়িত হয়ে উঠল। পথে তিনি যেসব অভিভাবকের সাথে পরিচিত হয়েছিলেন, তাঁদের ন্যায় তিনিও উপলব্ধি করতে পারছিলেন না— কিরূপে এমন এক মেধাবী সন্তান নিজ পরিবার, কর্মজীবন, এমনকি যে ধর্মবিশ্বাসে সে লালিত-পালিত হয়েছে, তা পরিত্যাগ করে এমন এক আধ্যাত্মিক পথে অগ্রসর হতে পারে, যার মধ্যে এত বিশাল পরিবর্তনের প্রয়োজন—মস্তক মুণ্ডন, গেরুয়া বস্ত্র ধারণ, দীর্ঘকাল প্রার্থনায় নিমগ্ন থাকা, এবং সম্পূর্ণ ভগবৎচেতনাময় জীবন যাপন । নানাবিধ প্রশ্ন ও উদ্বেগ তাঁর হৃদয় পরিপূর্ণ করে তুলেছিল। কেন কোনো ধর্ম এমন দাবি করে যে, সর্বস্ব পরিত্যাগ করতে হবে? এমন কোন শক্তি রয়েছে, যা এক তরুণকে এত সম্পূর্ণরূপে অপর এক জীবনের প্রতি আকৃষ্ট করতে সক্ষম? তিনি যেসব উত্তর লাভ করলেন, তা তাঁকে বিভ্রান্তি ও ভয়ের অবস্থা থেকে সম্মান, উপলব্ধি ও স্নেহের পথে পরিচালিত করল। “আমার পুত্র একজন হরে কৃষ্ণ গুরু” – এটি এক জননীর অন্তর্দ্বন্দ্ব, উত্তর অনুসন্ধানের সাহস, এবং এক অপ্রত্যাশিত যাত্রার গভীর ব্যক্তিগত কাহিনী; যার অন্তিমে তিনি উপলব্ধি করেন যে, বিশ্বাস কখনো কখনো দুই হৃদয়ের মধ্যকার সর্বাপেক্ষা বৃহৎ দূরত্বও দূর করতে সক্ষম।

🙏

‎একটু থামুন !  গুরু মহারাজের এই অলৌকিকতার ঘটনা আপনাদের চোখে জল এনে দেবে সত্যি 🥺🥲🙏‎‎মন্দিরে একটি পরিবারের স্বামী-স্ত্রীর ...
01/04/2026

‎একটু থামুন ! গুরু মহারাজের এই অলৌকিকতার ঘটনা আপনাদের চোখে জল এনে দেবে সত্যি 🥺🥲🙏

‎মন্দিরে একটি পরিবারের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একবার একটা গণ্ডগোল বাধঁলো ⚡, মাতাজী গোপনে একাদশী পালন করতেন এবং একটা বাচ্চা নিয়ে মন্দিরে আসতেন । এই আসা যাওয়ার জন্য তাঁর স্বামী তাকে অনেক সন্দেহ করতো 😔। মাতাজী গোপনে গোপনে যেদিন একাদশী পালন করতেন, সেদিন তার স্বামী মাছ, মাংস এনে তাকে রান্না করতে বলতো এবং রান্না হয়ে গেলে তাকে খেতে বলতো। মাতাজীকে তার স্বামী একরকম জোর জবরদস্তি করতো 💔 এবং যথেষ্ট শারীরিকভাবে নির্যাতনও করতো 😢।
‎এইভাবে অনেকদিন নির্যাতন করার পরে একদিন তার স্বামী তাকে বলছে যে, 🗣️ “তুমি ব্রহ্মচারীদের সাথে কেন দেখা করতে যাও..? তারা ব্রহ্মচারী মানুষ। আমাকে কি পছন্দ হচ্ছেনা?”

‎একদিন গুরুমহারাজ মায়াপুর থেকে ওই ওয়ারী মন্দিরে গিয়েছিলেন এবং সেই দিনটি ছিল একাদশী 🌿। সেই একাদশীর দিন ওই মাতাজী মন্দিরে এসে গুরুমহারাজের সামনে বসে চোখের জল ফেলছেন 😭। কিন্তু গুরু মহারাজকে তিনি কিছুই জানাননি 🤐।

‎এইদিকে মাতাজীর স্বামী গোপনে গোপনে উনাকে দেখার জন্য মন্দিরে আসলেন 👀। এসে গোয়ালের পিছনে থেকে তিনি সব লক্ষ্য করছেন তার স্ত্রী কার সাথে কি কথা বলছে? কার সাথে কি করছে? এই সমস্ত দর্শন করার খারাপ মনোভাব নিয়ে কিন্তু তিনি মন্দিরের আসেন।

‎আমাদের ওই মন্দিরের পাশে তখন একটু খোলা জায়গা ছিল 🌳। আর সেখানে একটা তেজপাতা গাছ ছিল 🌿। সেই গাছের নিচে বসে গুরু মহারাজ আমাদেরকে উপদেশ দিচ্ছিলেন । মাতাজীর স্বামী দূর থেকে সেটা লক্ষ্য করছিল । দূর থেকে তিনি প্রায় ৫ মিনিট পর্যন্ত সেখানে গুরু মহারাজকে দর্শন করলেন 🙇🙌।

‎বাজারে মাতাজীর স্বামীর দুটো কাপড়ের দোকান ছিল । দোকান বন্ধ করে তিনি বাজারে গেলেন 🛍️, বাজারে গিয়ে তার ছেলেকে খবর দিল 📞, “তুই তাড়াতাড়ি চলে আয়, আমি তোকে কিছু বাজার কিনে দিব।” ছেলেটা বাজারে গেলো । সেই দিনটি যেহেতু একাদশী ছিল 🌿, সেইদিন তিনি মাছ মাংস কিনবেন এটাই ছিল তার নিয়ম । কিন্তু সেইদিন তিনি নতুন ব্যাগ কিনে নতুন ভাবে তরি-তরকারি কিনলেন 🥦🥕। সেদিন আর কোন মাছ, মাংস কিনলেন না ।

‎তারপর তিনি তার ছেলেকে বললেন যে, 🗣️ “যা তোর মাকে গিয়ে রান্না করতে বল, আমি আর তোর মা আজ একসাথে খাবো” । মন্দির থেকে মাতাজী ফিরে আসলে উনার ছেলে উনাকে বললো, 🗣️ “মা, বাবা আজ সকাল থেকে কিছু খাননি , বললো যে তোমার সাথে খাবেন। আজকে একাদশী পালন করবেন 🌿। গুরু মহারাজকে দর্শন করে উনি বাজারে গিয়ে আমাকে বাজার করে দিলেন”।

‎তখন মাতাজীর স্বামী মাতাজীকে বললেন, “দেখো আমি তোমাকে নিয়ে একটা ভুল চিন্তা-ভাবনা করেছিলাম 😔। কিন্তু আজকে আমি যাকে দর্শন করলাম, এইরকম আমার জীবনে আমি কোনোদিন কাউকে দর্শন করিনি ✨🙏। সত্যি আমি অভিভূত হয়ে গেছি 😇 এবং আজকে থেকে আমি তোমার সাথে একাদশী পালন করবো 🌿। তুমি যা বলবে, আমি তাই করবো” ।

‎এভাবে মাত্র ৫ মিনিটে গুরুমহারাজের দর্শনে তার মধ্যে এতদিন ধরে যে খারাপ একটা মনোভাব ছিল সেটার পরিবর্তন হয়ে গেল 💫। আর সেইদিন থেকে তার সম্পূর্ণ জীবনে পরিবর্তন ঘটে । পরবর্তীতে তিনি গুরুমহারাজের কাছ থেকে হরিনাম দীক্ষা গ্রহণ করলেন 📿, ব্রাহ্মণ দীক্ষা নিলেন এবং একজন প্রচার-রকে পরিণত হলেন 🙇।
‎(পতিত পাবন জয়পতাকা স্বামী গুরু মহারাজ কি জয় ) 🙇‍♂️🙌

‎গুরু মহারাজের এই অলৌকিক লীলা যদি একটু হলেও ভালো লেগে থাকে তবে বলুন 👉 "জয় গুরু মহারাজ" লিখে যাবেন 😇🙏

‎শ্রীপাদ শুদ্ধ সত্য দাস 🙌🍂

🌸✨ “একটু থামুন ! নিজের স্বার্থ আর সেবার পার্থক্যটা আজ বুঝে নিন…” ✨🌸💫 “এই কয়েকটি লাইন আপনার ভক্তির ধারণা বদলে দেবে… পড়া...
26/03/2026

🌸✨ “একটু থামুন ! নিজের স্বার্থ আর সেবার পার্থক্যটা আজ বুঝে নিন…” ✨🌸
💫 “এই কয়েকটি লাইন আপনার ভক্তির ধারণা বদলে দেবে… পড়ার আগে হৃদয় প্রস্তুত রাখুন।”

🌼 পুরীধামে, গম্ভীরায়, একদিন শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভু গভীর ভাবাবেশে শয়ন করছিলেন।
💛 সারা দেহে কৃষ্ণবিরহের জ্বালা, অন্তরে রাধাভাবের মহাসমুদ্র। 🌊💔

🙏 তাঁর অন্তরঙ্গ সেবক শ্রী গোবিন্দ দাস প্রতিদিনের মতো সেবার জন্য উপস্থিত হলেন।
🌿 সেবাই ছিল তাঁর প্রাণ, সেবাই ছিল তাঁর শ্বাস।

😯 কিন্তু সে দিন এক অদ্ভুত দৃশ্য—
🚪 মহাপ্রভু দরজার ঠিক মাঝখানে শুয়ে আছেন।
⛔ দরজা পুরোপুরি বন্ধ… ভিতরে যাওয়ার কোনো পথ নেই।

😔 গোবিন্দ স্তব্ধ।
💭 মনে মনে ভাবলেন—
“হায়! প্রভুকে ডিঙিয়ে যাওয়া তো মহা অপরাধ! আমি কী করে এই দুঃসাহস করব?”

📜 নিয়ম বলে—প্রভুকে ডিঙিও না।
❤️ ভক্তি বলে—প্রভুর সেবা থামিও না।

🌟 কিন্তু সাথে সাথে আরেক ভাব উদয় হল—
“আমি নিজের আরামের জন্য যাচ্ছি না।
আমি যাচ্ছি প্রভুর চরণসেবা করতে।
যদি সেবার জন্য অপরাধও হয়, সেই অপরাধ আমার জীবনের শোভা।”

😢 অশ্রুভরা চোখে, কাঁপা কণ্ঠে, অন্তরে শত প্রণাম জানিয়ে
🚶‍♂️ তিনি ধীরে ধীরে মহাপ্রভুর শরীর ডিঙিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলেন।

🪔 ভিতরে গিয়ে তিনি নিবিড় ভক্তিভরে প্রভুর চরণ সেবা করতে লাগলেন।
💫 তার স্পর্শে যেন কৃষ্ণপ্রেমের স্রোত প্রবাহিত হচ্ছিল।
🤲 চরণে আলতো করে হাত বুলাতে বুলাতে তাঁর হৃদয় কাঁদছিল—
“এই চরণই তো সমগ্র জগতের আশ্রয়…” 🌍💛

⏳ অনেকক্ষণ সেবা চলল।
🌿 মহাপ্রভু তন্দ্রা থেকে জেগে উঠলেন।

❓ এবার প্রশ্ন—
গোবিন্দ বাইরে যাবে কীভাবে?

😌 মহাপ্রভু অর্ধনিদ্রা ভেঙে মৃদু স্বরে বললেন—
“গোবিন্দ… তুমি এখনো ভিতরে বসে আছ কেন? বাইরে গেলে না?”

🙏 গোবিন্দ দু’হাত জোড় করে, কাঁপা কণ্ঠে বললেন—
“প্রভু… ভিতরে এসেছিলাম শুধু আপনার সেবার জন্য।
আপনার চরণে সেবা না দিলে আমার প্রাণ স্থির থাকে না।” 💔✨

❓ মহাপ্রভু আবার জিজ্ঞাসা করলেন—
“তবে এখন বাইরে যাচ্ছ না কেন?”

😢 গোবিন্দের চোখ ভিজে উঠল। মাথা নিচু করে তিনি বললেন—

“প্রভু…
সেবার ব্যাকুলতায় আপনাকে ডিঙিয়েছি—সে অপরাধ আমার শিরে থাক।
🔥 আপনার সন্তুষ্টির জন্য আমি নরকেও যেতে প্রস্তুত।

কিন্তু নিজের ক্ষুধা, নিজের বিশ্রাম, নিজের সামান্য স্বার্থের জন্য
❌ আপনাকে অতিক্রম করব—
এই দুঃসাহস আমার নেই প্রভু…

🙇‍♂️ আপনি আমার প্রভু, আমি আপনার দাস।
দাস যদি নিজের প্রয়োজনে প্রভুকে ডিঙিয়ে যায়,
তবে সে দাসত্বের লজ্জা কোথায় লুকোবে?”

🌌 এই কথা শুনে গম্ভীরার বাতাসও যেন স্তব্ধ হয়ে গেল।
💖 মহাপ্রভুর চোখে করুণার সাগর উথলে উঠল।

✨ কারণ—
এ ছিল নিঃস্বার্থ সেবার শুদ্ধতম রূপ।
যেখানে নিজের কিছু নেই, সবই প্রভুর জন্য।

🌿 মহাপ্রভু ধীরে ধীরে উঠে বসলেন।
💞 করুণাভরা দৃষ্টিতে তাঁর প্রিয় সেবকের দিকে চেয়ে রইলেন।
সে দৃষ্টিতে ছিল কৃপা, ছিল সন্তোষ, ছিল অপরিসীম স্নেহ।

🕊️ প্রভু মৃদুস্বরে বললেন—
“গোবিন্দ, আজ তুমি সেবার প্রকৃত অর্থ জগৎকে শেখালে।”

🌸 আর সেই মুহূর্তে যেন অদৃশ্যভাবে আশীর্বাদের বর্ষা নেমে এল। 🌧️✨

💬 “যে ভক্ত নিজের স্বার্থকে প্রভুর চরণের নিচে রাখে,
প্রভু তার প্রেমকে নিজের হৃদয়ের সিংহাসনে স্থান দেন।” 👑💛

💬 অথবা—
“সেবার জন্য যে অপরাধ স্বীকার করে,
প্রভু তার সেই ‘অপরাধ’কেও প্রেমের অলঙ্কার বানিয়ে নেন।” 🌺✨

🌸 প্রভু ভক্তের বিনয় ও আত্মসমর্পণে বশীভূত হন। 🙏
🌸 ভক্তের দেহ-মন-প্রাণ সবই তখন প্রভুর সেবার উপকরণ হয়ে যায়। 💫
🌸 সত্যিকারের ভক্তি নিয়মের ঊর্ধ্বে — কিন্তু কখনো অহংকারের নয়। 🚫💢

✨ “ভক্তির অশ্রু যদি হৃদয়ে জেগে ওঠে,
কমেন্টে প্রেমভরে লিখুন — জয় মহাপ্রভু ✨🙏”

🌼 জয় গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু 🙏💛✨

প্রসবকালে বড় বেদনা পেয়েছেন শচীদেবী। দাই বুড়ি বলেছেন, এ ছানা বড় লম্বা৷ বড় ভাই বিশ্বরূপের চেয়েও বিঘতখানেক লম্বা৷ তাই মায়ের...
05/03/2026

প্রসবকালে বড় বেদনা পেয়েছেন শচীদেবী। দাই বুড়ি বলেছেন, এ ছানা বড় লম্বা৷ বড় ভাই বিশ্বরূপের চেয়েও বিঘতখানেক লম্বা৷ তাই মায়ের এত কষ্ট। এতক্ষণ সাহস পাননি শচীদেবী, দুর্বল শরীর থরথরিয়ে কাঁপছে। অতটুকু প্রাণ তুলে ধরবেন কীভাবে?
কিন্তু আর যে তর সয় না। ছানার মুখটাও ভালো করে দেখেননি। সলতে উস্কিয়ে ছানাকে কোলে তোলেন তিনি৷ জানালার গরাদ গলে চাঁদের আলো পড়ে ছানার মুখে। ভয়ে আঁতকে ওঠেন মা, চাঁদে যে গ্রহণ লেগেছে! অত বড় পূর্ণিমার চাঁদটার এক দিক কালা, এক দিক ধ্বলা... আর তার ছায়া এসে পড়েছে তাঁর সদ্যোজাত শিশুসন্তানের গায়ে —বামদিক শ্যামাঙ্গ, ডানদিক গৌরাঙ্গ... ষাট ষাট বলে মা তাড়াতাড়ি নামিয়ে নিতে যান ছানাকে। এতক্ষণ ঘুমোচ্ছিল ছানা, এইবার ফিক করে হেসে ওঠে। আর ঠিক তখনই গ্রহণ ছাড়ে। পূর্ণিমার চাঁদ পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়। আলোয় ভেসে যায় চরাচর।
তমোঘ্ন
দূরে বহু দূরে বৃদ্ধ অদ্বৈত কপালে রসকলি আঁকেন পরম যত্নে। তার প্রভু এসেছেন যে সাজাতে হবে।

🌸 শ্রী শ্রী গৌর পূর্ণিমা উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন 🌸​আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সঙ্গ (ইসকন) এর পক্ষ থেকে আয়োজিত হতে যাচ্ছে ৭ দি...
03/03/2026

🌸 শ্রী শ্রী গৌর পূর্ণিমা উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন 🌸

​আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সঙ্গ (ইসকন) এর পক্ষ থেকে আয়োজিত হতে যাচ্ছে ৭ দিনব্যাপী বিশেষ অনলাইন সেমিনার:

​✨ গৌর কথা রস সাধন ✨

​প্রবক্তা: শ্রীপাদ বিশ্বপাবন নিতাইচাঁদ দাস প্রভু
শ্রী শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী গুরু মহারাজের কৃপাধন্য শিষ্য।

​📅 অনুষ্ঠানের সময়সূচী:
​তারিখ: ৪ মার্চ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত।
​সময় (বাংলাদেশ): সন্ধ্যা ০৭:৩০ - রাত ০৯:০০
​সময় (ভারত): সন্ধ্যা ০৭:০০ - রাত ০৮:৩০

​💻 যুক্ত হওয়ার মাধ্যম (Zoom App):
​গৌর মহিমায় নিমগ্ন হতে সরাসরি নিচের লিঙ্কে বা আইডি ব্যবহার করে যুক্ত হোন:
​Meeting ID: 826 067 8495
​Password: 1008

​"কলিযুগের পরম পাবন অবতার শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর অমৃতময় লীলা কথা শ্রবণের এই সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।"

​সবাইকে এই পারমার্থিক উৎসবে যোগদানের জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

নিত্য নতুন কিছু জানতে আমাদের Hridoy Nayek পেজটি ফলো করে সাথেই থাকুন।
হরে কৃষ্ণ 🙏

⭐️ “The K**a Gayatri is the seventh mantra in the Gayatri mantra by Srila Prabhupada. Only 10% of my disciples have take...
23/02/2026

⭐️ “The K**a Gayatri is the seventh mantra in the Gayatri mantra by Srila Prabhupada. Only 10% of my disciples have taken the Gayatri mantra since I require that they have to have the Bhakti Sastri degree. But this Gayatri is so important.

It says the Gayatri mantra takes you out of the material world and brings you to the spiritual world, and the K**a Gayatri is said to be Krsna’s non-different self in mantra form. So we should chant the Gayatri with great attention because every word is important. People chant the Gayatri-boom, boom, boom, boom, they do not concentrate. But we see, as we read more, the Gayatri is so important.”

2026/02/14 Sri Caitanya-Siksamrta commentary by HH Jayapataka Swami Guru Maharaja, ISKCON Mayapur, India

Address

Sylhet
Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hridoy Dasa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hridoy Dasa:

Share

Category