08/06/2026
বিএনপি নেতা সাবেক সাংসদ নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীর আধ্যাত্মিক গুরু ছিলেন গহরপুরী হুজুর (রহ.)। ইলিয়াস আলী নিয়মিত হুজুরের দরবারে যেতেন, তাঁর সান্নিধ্যে সময় কাটাতেন এবং দোয়া গ্রহণ করতেন। এমনকি হুজুরের ইন্তেকালের দিন তাঁর জানাজা ও দাফন কার্যক্রমেও লাশ কবরে রাখতে ৩ জনের একজন ছিলেন এবং তিনি সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন।
গহরপুরী হুজুর (রহ.) শুধু একটি নির্দিষ্ট দলের বা গোষ্ঠীর ব্যক্তিত্ব ছিলেন না; তিনি ছিলেন সিলেটের ধর্মপ্রাণ মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আস্থার প্রতীক।
দল-মত, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে অসংখ্য মানুষ তাঁর প্রতি মহব্বত পোষণ করেন এবং তাঁকে একজন বুজুর্গ আলেম হিসেবে সম্মান করেন।
দুঃখজনক হলেও সত্য, রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের উদ্দেশ্যে কখনো ইঙ্গিতে, কখনো অপপ্রচারের মাধ্যমে একজন মরহুম আলেমের নামকে বিতর্কে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
কেউ কৌশলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, আবার কেউ ইতিহাস ও বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে অযাচিত তকমা লাগানোর অপচেষ্টা করছেন।
মনে রাখা প্রয়োজন, একজন মরহুম বুজুর্গ আলেমকে কেন্দ্র করে বিভাজন সৃষ্টি করা কিংবা তাঁর সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা কেবল একটি ব্যক্তিকে নয়, বরং তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল লাখো ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিকে আঘাত করে।
মতভেদ থাকতে পারে, রাজনৈতিক অবস্থান ভিন্ন হতে পারে; কিন্তু যারা আল্লাহর পথে মানুষকে আহ্বান করেছেন এবং দ্বীনের খেদমতে জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের বিষয়ে সংযম, সতর্কতা ও ন্যায্যতা বজায় রাখা আমাদের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব।
আসুন, বিভ্রান্তি নয়—সত্যকে ধারণ করি; বিদ্বেষ নয়—শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের সংস্কৃতি গড়ে তুলি।©