Md. Reyad hossain

Md. Reyad hossain Allah is Almighty.

মঙ্গলবার থেকে ফ্রিতে ভেরিফিকেশন ব্যাজ দিচ্ছে ফেসবুক! ✅ফেইক অ্যাকাউন্ট, AI-তৈরি ছবি (AI Image), Deepfake এবং অন্যের ছবি ব...
25/07/2026

মঙ্গলবার থেকে ফ্রিতে ভেরিফিকেশন ব্যাজ দিচ্ছে ফেসবুক! ✅

ফেইক অ্যাকাউন্ট, AI-তৈরি ছবি (AI Image), Deepfake এবং অন্যের ছবি ব্যবহার করে তৈরি হওয়া অ্যাকাউন্ট শনাক্ত ও কমানোর লক্ষ্যে Meta নতুন একটি Face Verification সিস্টেম চালু করছে। সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো, এই ভেরিফিকেশনের জন্য কোনো টাকা লাগবে না।

Face Verification সফলভাবে সম্পন্ন হলে অ্যাকাউন্টের পাশে একটি সাধারণ Verification Tick দেখা যাবে, যা বোঝাবে এটি একজন বাস্তব ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট, কোনো ফেইক অ্যাকাউন্ট নয়। তবে এটি Meta Verified-এর নীল (Blue) ব্যাজ নয়।

Meta-এর তথ্য অনুযায়ী, শুরুতে এই ভেরিফিকেশন ব্যাজ দেখা যাবে—
• Facebook Profile
• Marketplace
• Facebook Dating
• Facebook Groups

ফিচারটি ২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) থেকে ধাপে ধাপে চালু করা হবে। তাই সবার অ্যাকাউন্টে একই দিনে এটি নাও আসতে পারে।

ধর্ম লাগে খালি পয়দার সময় আজান দিতে, আর মরার পরে জানাজার সালাতে ।
14/07/2026

ধর্ম লাগে খালি পয়দার সময় আজান দিতে, আর মরার পরে জানাজার সালাতে ।

শুরুতেই একটা কথা বলি ভাই - এই পোস্টটা স্ক্রল কইরা চইলা গেলে নিজের পা নিজেই কাটবেন। ১ মিনিট দাঁড়ান, কারণ এইবার কাহিনীটা আ...
14/07/2026

শুরুতেই একটা কথা বলি ভাই - এই পোস্টটা স্ক্রল কইরা চইলা গেলে নিজের পা নিজেই কাটবেন। ১ মিনিট দাঁড়ান, কারণ এইবার কাহিনীটা আপনার ঘরের ভিতরের।

গত পরশু রাত ২টায় আমার কলেজের বেস্ট ফ্রেন্ডটা কল দিলো। ফোন ধইরাই হাউমাউ কইরা কান্না। "দোস্ত, আম্মু কথা বলতেছে না রে... খালি একদিকে তাকায় আছে। ডাক্তার বলতেছে বড় কিছু হইছে।"

অথচ মাত্র ৭ দিন আগে আন্টি আমার বাসায় আইসা পিঠা বানায় দিয়া গেলো। হাসতে হাসতে বলতেছিলো, "বাবা, একটু মাথা ঘোরায় আজকাল। বয়স হইতেছে তো।" আমরা হাসছিলাম। ভাবছি প্রেশার লো।

আজকের টপিক: ব্রেইন স্ট্রোক - যেটা আসার আগে কলিংবেল বাজায়, কিন্তু আমরা দরজা খুলি না।

২টা ঘটনা শোনেন।

১. আমার অফিসের সিনিয়র কলিগ, শোভন ভাই। বয়স ৩২। সারাদিন কম্পিউটার, রাতে গেমিং। স্মোক করে না, ড্রিংকসও না। সুস্থ-সবল মানুষ। লাস্ট ৩ মাস ধইরা হঠাৎ হঠাৎ ডান হাতটা ঝিনঝিন করতো। ২-৩ মিনিটের জন্য কথা জড়ায় যাইতো। আমরা মজা কইরা বলতাম "বেশি গেম খেললে এমন হয়"। ভাবছে ভিটামিনের অভাব।

গত মাসে মিটিং-এর মধ্যে হঠাৎ চেয়ার থিকা পইড়া গেলো। হাসপাতাল নেওয়ার পর CT Scan-এ ধরা পড়লো - মেজর ব্রেইন স্ট্রোক। এখনো বাম সাইড প্যারালাইজড। ডাক্তার বললো, "ওই যে ২-৩ মিনিটের ঝিনঝিন, ওইটাই ছিলো Mini Stroke। শরীর ওয়ার্নিং দিছিলো। আপনারা বুঝেন নাই।"

২. আমার ফুপি, বয়স ৪৮। ডায়াবেটিস আছে, কিন্তু কন্ট্রোলেই থাকে। সমস্যা একটাই - প্রচণ্ড জেদি। মাথা ব্যথা করলে বলতো "এইটা আমার মাইগ্রেন, ছোটবেলা থিকা আছে"। লাস্ট শুক্রবারে জুম্মার নামাজ পড়তে গিয়া হঠাৎ কইরা মুখটা একদিকে বাঁকা হয়া গেলো। কথা অস্পষ্ট। সবাই ভাবছে জ্বিনে ধরছে। কবিরাজ ডাকতে ডাকতে ৪ ঘণ্টা শেষ।

হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তার শুধু একটা কথাই বললো, "আর ২ ঘণ্টা আগে আনলে মানুষটা হাঁইটা বাড়ি যাইতো। এখন ব্রেইনের ৪০% ড্যামেজ।" ৪ ঘণ্টায় একটা জীবন শেষ।

ভাই, স্ট্রোক কেন এত ডেঞ্জারাস? কারণ ব্রেইন হইলো আপনার শরীরের সিপিইউ।

হার্ট ১ মিনিট বন্ধ থাকলে CPR দিয়া ফেরানো যায়। কিন্তু ব্রেইনে ১ মিনিট রক্ত না গেলে ওই কোষগুলা চিরতরে মইরা যায়। নষ্ট হয়া যাওয়া মেমোরি কার্ডের মতো - যা গেছে, তা আর ফেরে না। এই জন্যেই স্ট্রোকের রোগী কথা বলতে পারে না, হাঁটতে পারে না, চিনতে পারে না।

তাইলে এই ঘরে বইসা থাকা ভিলেনরে ডাইকা আনি কারা?

১. "আমার তো প্রেশার নাই" - এই ভুল ধারণা: ভাই, হাই প্রেশারই স্ট্রোকের ১ নম্বর কারণ। কিন্তু মজার কথা হইলো, ৫০% মানুষ জানেই না তার প্রেশার হাই। কারণ হাই প্রেশারের কোনো সিম্পটম নাই। নীরবে ব্রেইনের রগগুলারে পাইপের মতো ফাটায় দেয়।

২. সারাদিন বইসা থাকা আর রাত জাগা: আপনি যখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন, রক্ত জমাট বাঁধার চান্স ২ গুণ বাড়ে। আর রাত ১২টার পর জাগলে শরীরে স্ট্রেস হরমোন বাইড়া রক্তনালী চিকন কইরা দেয়। রগে জ্যাম লাগার পারফেক্ট রেসিপি।

৩. সিগন্যালগুলারে "গ্যাস্ট্রিক" বইলা চালায় দেওয়া: এইটা সবচেয়ে বড় ক্রাইম। স্ট্রোক আসার আগে শরীর ৩টা কোড ওয়ার্ডে সিগন্যাল দেয় - **FAST**। কিন্তু আমরা পাত্তাই দেই না।

স্ট্রোকের শেষ ওয়ার্নিং - FAST সিগন্যাল। এইগুলা দেখলে দৌড় দিবেন হাসপাতালে:

√ F - Face: হাসতে বলেন। মুখের একপাশ বাঁকা হয়া যাবে।
√ A - Arms: দুই হাত সোজা উঁচা করতে বলেন। এক হাত নাইমা যাবে বা তুলতেই পারবে না।
√ S - Speech: একটা সহজ বাক্য বলতে বলেন, "আমার নাম রহিম"। কথা জড়ায় যাবে, অস্পষ্ট শোনাবে।
√ T - Time: এই ৩টার একটাও যদি মিলে, সময় নষ্ট করা যাবে না। সাথে সাথে হাসপাতালে। কারণ স্ট্রোকের চিকিৎসার গোল্ডেন টাইম মাত্র সাড়ে ৪ ঘণ্টা। এর মধ্যে ইনজেকশন দিলে ৮০% মানুষ সুস্থ হয়া যায়।

ভয়ের কিছু নাই ভাই, বাঁচার রাস্তা আপনার হাতেই। ৮০% স্ট্রোক ঠেকানো যায় শুধু এই ৩টা কাজে:

বয়স ৩০ পার হইলে ৩ মাসে একবার প্রেশার মাপেন। ফার্মেসিতে ২০ টাকা লাগে। এই ২০ টাকা আপনারে প্যারালাইসিস থিকা বাঁচাইতে পারে। প্রেশার 140/90 এর উপরে হইলেই ডাক্তার দেখান।

দিনে ৩০ মিনিট ঘাম ঝরান। জিম লাগবে না। বাসার সামনে হাঁটেন, সিঁড়ি বাইয়া উঠেন। এইটা রক্তরে পাতলা রাখে, জমাট বাঁধতে দেয় না। আপনার ব্রেইনের রাস্তার ঝাড়ুদার।

খাবারে কাঁচা লবণ আর টেস্টিং সল্ট বাদ দেন। আর পানি খান মিনিমাম ১০ গ্লাস। রক্ত ঘন হয়া গেলে স্ট্রোকের রিস্ক ডাবল।

ভাই, আমরা ১ লাখ টাকার ফোন হাত থিকা পইড়া গেলে কাইন্দা ফেলি। আর আল্লাহর দেওয়া এই ব্রেইনটা, যেটা একবার গেলে দুনিয়ার কোনো টাকা দিয়া ঠিক করা যায় না, সেটার খবর রাখি না।

পোস্টটা সেভ করেন। আর আপনার বাবা-মা, বা যেই বন্ধুটা সারারাত জাগে, প্রেশারের ওষুধ খায় না - তারে মেনশন দেন। আপনার একটা মেনশনে যদি একজন মানুষ FAST সিগন্যালটা চিনা ফেলে, বিশ্বাস করেন ভাই, আপনি একটা পুরা পরিবার বাঁচায় দিলেন।

সৃষ্টিকর্তা আমাদের মাথা ঠাণ্ডা রাখুক, সুস্থ রাখুক। বুকে হাত দিয়া বলেন তো, আজকেই বাসার প্রেশার মেশিনটা চেক করবেন?

সুস্থ থাকুন ভাল থাকুন। শুভকামনা। নিয়মিত হেলথ টিপস পেতে ফলো করে রাখুন।

#সুস্থমস্তিষ্ক_সুস্থজীবন

ঘটনাটা নরসিংদীর। বাচ্চাটার মা বেশ কিছুদিন ধরেই খেয়াল করছিলেন, উনি বাচ্চাকে রেখে একটু বাইরে গেলেই ফিরে এসে দেখেন বাচ্চাটা...
14/07/2026

ঘটনাটা নরসিংদীর। বাচ্চাটার মা বেশ কিছুদিন ধরেই খেয়াল করছিলেন, উনি বাচ্চাকে রেখে একটু বাইরে গেলেই ফিরে এসে দেখেন বাচ্চাটা একদম চিল্লাইয়া কান্নাকাটি করতেছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাল লাল দাগও দেখতেন।

মায়ের মন তো, খটকা লেগেছিলে। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া তো আর ঘরের মানুষকে সন্দেহ করা যায় না, উল্টো সবাই তাকেই পাগল বলবে। তাই উনি বুদ্ধি করে ঘরের এক কোণায় মোবাইলের ক্যামেরা অন করে রেখে ওয়াশরুমে যান।
আর তাতেই বেরিয়ে আসে সেই শিউরে ওঠার মতো সত্যি!

ভিডিওতে দেখা যায়, মা ঘর থেকে বের হতেই সেখানে ঢোকে বাচ্চাটার আপন বড় চাচি।
কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়া, একদম ঠান্ডা মাথায় বিছানায় শোয়া ওই ছোট্ট বাচ্চার পা-টা উল্টো দিকে মুচড়ে জোরে চাপ দেয়। বাচ্চার হা/ ড় ভে/ ঙে যাওয়ার সাথে সাথে সে য/ন্ত্রণা/য় চিৎকার করে ওঠে, আর ওই মহিলাও কাজ সেরে দৌড়ে পালায়।

ভাইরে ভাই, একটা মানুষ এতটা নিচে কীভাবে নামতে পারে? একটা মেয়ে মানুষ হয়ে আর একজন মা বা চাচি হয়ে কীভাবে একটা ২ মাসের নবজাতকের সাথে এই অমানুষিক কাজটা করতে পারলো?
ভিডিওটা না দেখলে আসলেই বিশ্বাস করা কঠিন হতো।

এই ঘটনা আমাদের চোখ আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো যে শত্রু শুধু বাইরের রাস্তায় থাকে না, অনেক সময় ঘরের ভেতরেই আত্মীয়তার মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায়।

এই মা যদি সেদিন ক্যামেরাটা অন না রাখতেন, তবে হয়তো কোনোদিন জানাই যেত না বাচ্চাটার এই অবস্থা কেন হচ্ছিলো। সবাই ভাবতো বাচ্চার কোনো রোগ হয়েছে বা খাট থেকে পড়ে ব্যথা পেয়েছে।

এই নরপিশাচ মহিলার এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে আর কোনো বাচ্চার ওপর এভাবে হাত তোলার সাহস কেউ কোনোদিন না পায়।

নিজের বাচ্চাদের চোখে চোখে রাখুন। আজকাল কাকে বিশ্বাস করবেন আর কাকে করবেন না সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।🙂
কপি

শুরুতেই একটা কথা বলে রাখি ভাই – এই পোস্টটা ইগনোর করলে আপনার পকেটের না, সরাসরি কিডনির বারোটা বাজতে পারে। ২ মিনিট সময় দেন,...
13/07/2026

শুরুতেই একটা কথা বলে রাখি ভাই – এই পোস্টটা ইগনোর করলে আপনার পকেটের না, সরাসরি কিডনির বারোটা বাজতে পারে। ২ মিনিট সময় দেন, এই গল্পটা আপনার নিজের বা ভাই-বোনের ডায়ালাইসিসের বিল বাঁচায় দিতে পারে।

গত শুক্রবার মাগরিবের পর আমার কলেজের বেস্ট ফ্রেন্ডটা কল দিল। ফোনের ওপাশে শুধু ফোঁপানির শব্দ। কান্না চাপতে চাপতে বললো, "দোস্ত, ছোট বোনটারে হাসপাতালে ভর্তি করাইছি। ডাক্তার বলতেছে দুইটা কিডনিই নাকি ৬০% ড্যামেজ। অথচ ওর বয়স মাত্র ২৬!"

২ মাস আগের কথা। ২৯ বছরের সুমি আপু। একটা মাল্টিন্যাশনালে জব করে। সারাদিন এসির মধ্যে ল্যাপটপে, টার্গেটের প্রেশার। বাসায় ফিরে টিকটক আর বিরিয়ানি। ওজন ঠিক আছে, দেখতেও ফিট। লাস্ট ১ বছর ধরে শুধু বলতো, "দোস্ত, চোখের নিচে কালি পড়ে গেছে, আর একটু পরপর ওয়াশরুমে যাওয়া লাগে"। আমরা সবাই বলতাম, "আরে পানি কম খাস, রাত জাগিস, তাই এমন হয়"। নিজে নিজে গুগল করে পানি খাওয়া বাড়ায় দিলো।

ঈদের ২ দিন পর। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে পা দুইটা ফুলে ঢোল হয়ে আছে। জুতা ঢুকতেছে না। সাথে বমি বমি ভাব। ফ্যামিলি ভাবছে ফুড পয়জনিং। হাসপাতালে নিয়ে ব্লাড টেস্ট করতে গিয়ে ডাক্তারের মাথায় হাত। Creatinine লেভেল 4.8! নরমাল থাকে 1 এর নিচে।
ডাক্তার জিজ্ঞেস করলো, "আপনি এতদিন টের পান নাই? আপনার কিডনি তো প্রায় অকেজো হওয়ার পথে।"

আরেকটা ঘটনা শোনেন। আমার মামা, বয়স ৪৫। হাই প্রেশারের রোগী, কিন্তু ওষুধ খায় আর ছাড়ে। বলে, "ধুর, ওষুধ খাইলে কিডনি নষ্ট হয়"। লাস্ট ২ বছর ধরে প্রেশার 160/100 এর নিচে নামেই না। আমরা বললে হাসে। লাস্ট মাসে হঠাৎ শরীর চুলকাইতে শুরু করলো, মুখ দিয়ে মাছের মতো গন্ধ। টেস্ট করে দেখে কিডনি ফেইলিউর। এখন সপ্তাহে ৩ দিন ডায়ালাইসিস। প্রতিবার ৩৫০০ টাকা।

দুইটা মানুষ, দুইটা কাহিনী, কিন্তু কালপ্রিট একটাই। শরীরের সবচেয়ে নিরীহ অর্গানটা ভিতরে ভিতরে শেষ হয়ে যাইতেছে, কিন্তু সে একটা টুঁ শব্দও করে নাই। এইটার নামই – সাইলেন্ট কিলার। আজকের টপিক: কিডনি ফেইলিউর।

ভাই, ব্যথা ছাড়া কিডনি কীভাবে নষ্ট হয়? এইখানেই আমরা ধরা খাই।
আমাদের কিডনি হইলো আপনার বাসার পানির ফিল্টারের মতো। প্রতিদিন ১৮০ লিটার রক্ত ছাঁকে, ময়লা বের করে দেয়। কিন্তু মজার ব্যাপার হইলো, এই ফিল্টারের ৭০% নষ্ট হয়ে গেলেও বাকি ৩০% দিয়ে সে চুপচাপ কাজ চালায় যায়। আপনি টেরও পাবেন না। মুখে রুচি আছে, ঘুম হইতেছে, কাজও করতেছেন।

যেইদিন ৮৫% ফিল্টার বাদ হয়ে গেল, ওইদিন সকালে উঠে দেখবেন পা ফুলা, বমি, শ্বাসকষ্ট। তখন ডাক্তার বলবে "ডায়ালাইসিস লাগবে"। মানে গেম ওভার। এই জন্যেই কিডনি রোগীরা বলে, "ভাই, যখন ধরা পড়ছে তখন আর কিছু করার নাই"।

তাইলে এই বয়সে কিডনির ১২টা বাজানোর আসল ভিলেন কারা?

১. "প্রেশার আর ডায়াবেটিস তো সবারই আছে" এই অবহেলা: ভাই, বাংলাদেশে যত মানুষের কিডনি নষ্ট হয়, তার ৭০% এর কারণ শুধু এই দুইটা। হাই প্রেশার হইলো কিডনির রাস্তার ভিতরে হাই-স্পিডে ট্রাক চালানোর মতো। প্রতিদিন রাস্তার পাশ ভাঙতে থাকে। আর ডায়াবেটিস? এইটা হইলো চিনির সিরা। কিডনির ছাঁকনিগুলা জ্যাম করে দেয়।

২. মুড়ির মতো ব্যথার ওষুধ খাওয়া: মাথা ধরছে? Napa Extra। হাঁটুতে ব্যথা? একটা ব্যথার ওষুধ। ভাই, ফার্মেসি থেকে নিজে নিজে কেনা এই ব্যথার ওষুধগুলা কিডনির জন্য বিষ। মাসে ১০-১৫টা খাইলেই কিডনির টিস্যু পুড়ে যাইতে শুরু করে।

৩. পানি কম খাওয়া আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রস্রাব চেপে রাখা: আমরা কাজের চাপে পানি খাই না, ওয়াশরুমে যাই না। ভাবি "কাজটা শেষ করে নেই"। ভাই, এই জমে থাকা প্রস্রাব ব্যাকটেরিয়ার ফ্যাক্টরি। সোজা কিডনিতে গিয়ে ইনফেকশন করে। আর পানি কম খাইলে কিডনির ময়লা ছাঁকবো কী দিয়ে?

একদম শেষ স্টেজে যে সিগন্যালগুলা আসে, কিন্তু আমরা "গ্যাস্ট্রিক" বইলা চালায় দেই:

সকালে ঘুম থেকে উঠলে চোখ-মুখ ফোলা ফোলা লাগা।
দিনে ৮-১০ বার ওয়াশরুমে যাওয়া, বিশেষ করে রাতে ৩-৪ বার ঘুম ভেঙে যাওয়া।
সারাদিন দুর্বল লাগা, অল্পতেই হাঁপায় যাওয়া, মনোযোগ দিতে না পারা।
খাবারে রুচি নাই, মুখে সারাক্ষণ বিস্বাদ, ধাতব একটা গন্ধ।
শরীর অকারণে চুলকানো, চামড়া শুকনা হয়ে যাওয়া।

ভয়ের কিছু নাই ভাই, কিডনি ২০-৩০% নষ্ট হইলেও ১০০% রিকভার করা সম্ভব।
শুধু প্রেশার-ডায়াবেটিস কন্ট্রোল, খাওয়ায় একটু নুন কম, আর বছরে একবার ২০০ টাকার দুইটা টেস্ট। ব্যস, আপনি সারাজীবন দুইটা কিডনি নিয়েই দৌড়াবেন।

তাই আজকে থেকে ৩টা কাজ লক করেন:

বয়স ৩০ পার হইলে বা ফ্যামিলিতে প্রেশার-ডায়াবেটিস থাকলে বছরে একবার Serum Creatinine আর Urine RME টেস্টটা করান। খরচ? ৩০০-৪০০ টাকা। একটা পিৎজার দাম। কিন্তু এইটা আপনার কিডনির বাঁচা-মরার রিপোর্ট।

দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি খান। আর প্রস্রাব কখনো চেপে রাখবেন না ভাই। অফিসে হইলেও বসরে একটু বলে ওয়াশরুমে যান। চাকরি যাবে না, কিন্তু কিডনি গেলে জীবন যাবে।

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে ব্যথার ওষুধ, গ্যাসের ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বন্ধ করেন। আর তরকারিতে এক্সট্রা কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাসটা আজকেই ছাড়েন। এই সাদা জিনিসটাই কিডনির সবচেয়ে বড় শত্রু।

ভাই, আমরা ৫০ হাজার টাকার ফোন ২ বছর পর চেঞ্জ করি। আর আল্লাহর দেওয়া এই দুইটা ফিল্টার, যেটার একটার দাম ২০ লাখ টাকাও না, সেটার যত্ন নিই না। ডায়ালাইসিস যে কত কষ্টের, যে করে সে জানে।

পোস্টটা টাইমলাইনে শেয়ার দিয়ে রাখেন। আর যেই বন্ধুটা পানি কম খায়, সারাদিন বসে থাকে, বা যার আব্বু-আম্মুর হাই প্রেশার আছে – তারে মেনশন দেন।

আল্লাহ আমাদের সবার কিডনি সুস্থ রাখুক। বুকে হাত দিয়ে বলেন তো, এই সপ্তাহেই পানির বোতল আর টেস্টের সিরিয়ালটা দিবেন?

কপি

#নেফ্রোলজি #সুস্থ_কিডনি_সুস্থ_জীবন

এক বিঘা জমি: স্বাধীনতার পর ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বপ্রথম ৫০০ টাকার কাগুজে নোট প্রচলন করে। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় এ...
20/06/2026

এক বিঘা জমি:

স্বাধীনতার পর ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বপ্রথম ৫০০ টাকার কাগুজে নোট প্রচলন করে। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় এই নোটে নতুন নকশা, নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ও পরিবর্তন আনা হয়।
১৯৭৭ সালে এমন ৫০০ টাকার দুই নোটে'ই এক বিঘা জমি কেনা যেত।।

Address

Chittagong

Telephone

+8801616260335

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Reyad hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md. Reyad hossain:

Shortcuts

Share