04/07/2026
মৃত্যু হঠাৎ করেই আসে।
মৃত্যুর যন্ত্রণা যথাযথই আসবে। (হে মানুষ! এটা তা-ই) যা থেকে তুমি পলায়ন করতে চাইতে।
(রেফারেন্স: সূরা ক্বাফ, আয়াত: ১৯)
অবশেষে যখন তাদের কারও কাছে মৃত্যু আসে, তখন সে বলে, 'হে আমার রব! আমাকে আবার (দুনিয়ায়) ফেরত পাঠান, যেন আমি সৎকাজ করতে পারি যা আমি ছেড়ে দিয়েছিলাম।' কখনোই নয়!
(রেফারেন্স, সূরা আল-মুমিনুল, আয়াত: ৯৯-১০০)
মৃত্যু ছোট-বড় কাউকেই চেনে না। তাই তুমি তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অর্জন করো, কারণ তুমি জানো না যখন রাত ঘনিয়ে আসবে, তুমি ফজর পর্যন্ত বেঁচে থাকবে কিনা।
কত সুস্থ মানুষ কোনো অসুস্থতা ছাড়াই মৃত্যুবরণ করেছে, আর কত অসুস্থ মানুষ দীর্ঘকাল বেঁচে রয়েছে।
কত শিশু যাদের দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছিল, অথচ তাদের দেহকে অন্ধকার কবরে প্রবেশ করানো হয়েছে।
কত কনেকে তার স্বামীর জন্য সাজানো হয়েছিল, অথচ তাদের আত্মা নির্ধারিত সময়ে কবজ করা হয়েছে।
কত যুবক সকাল-সন্ধ্যা পার করে, হাসিখুশি অবস্থায়, অথচ তার অজান্তেই তার কাফনের কাপড় বোনা হয়ে গেছে।
কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন্ স্থানে সে মারা যাবে।
(রেফারেন্স: সূরা লুকমান, আয়াত: ৩৪)
শায়খ খালিদ বিন ইসমাইল (হাফি.)