24/06/2026
চৈতালি চক্রবর্তী তিনি একজন হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী। তিনি চেয়েছেন বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষ একত্রে থাকুক, সমান অধিকার থেকে বঞ্চিত না হোক। দেশটা তো আমাদের সবার। তাহলে তার চাওয়ার ভুলটা কোথায়?
প্রত্যেক মানুষের মত প্রকাশের অধিকার আছে, যতক্ষণ না তা সহিংসতা বা ঘৃণা উসকে দেয়। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সমান অধিকারের পক্ষে থাকা উচিত। কোনো ব্যক্তি যদি আইনগতভাবে বা মানবাধিকার বিষয়ক কাজ করেন, তাহলে তার কাজের তথ্য ও যুক্তি দেখে মূল্যায়ন করা উচিত। কারও ধর্ম, জাতি বা পরিচয়ের কারণে তাকে সমর্থন বা বিরোধিতা না করে, তার কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে মত গঠন করা উচিত। ভিন্নমতের মানুষের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও সম্মানজনক আলোচনাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
বাংলাদেশে সব নাগরিকের সমান ধর্মীয় স্বাধীনতা থাকা উচিত বলে আমি মনে করি। মুসলমানদের যেমন মসজিদ নির্মাণ ও উপাসনার অধিকার আছে, তেমনি হিন্দুদেরও মন্দির নির্মাণ ও উপাসনার অধিকার আছে। রাষ্ট্র ও আইন সবার ধর্মীয় অধিকার সমানভাবে রক্ষা করবে—এটাই ন্যায়বিচারের নীতি। কোনো ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ আইন মেনে, স্থানীয় বিধি অনুসরণ করে এবং শান্তিপূর্ণভাবে হওয়া উচিত। ভিন্ন ধর্মের মানুষের প্রতি সম্মান ও সহাবস্থান সমাজকে আরও স্থিতিশীল করে।