24/04/2022
❤️
2007, Rajiv Gandhi International Stadium
ইন্ডিয়া vs অস্ট্রেলিয়া র তৃতীয় ওডিআই , অস্ট্রেলিয়ার ২৯১ দেওয়ার রানের টার্গেট এ, ভারত এর ইনিংস শুরু হলে ২৪০ এর মধ্যেই গুটিয়ে যায় ভারত।
সেদিনের ম্যাচে যুবরাজ এর লড়াকু ১২১ বা সচিনের ৪৩ করা নয়। ম্যাচ টির শেষে যখন অস্ট্রেলিয়ার সদ্য ডেবিউ করা ব্র্যাড হগ এগিয়ে এসে সচিন এর কাছে অটোগ্রাফ নেওয়ার জন্য বলে, তখন সচিন বলের ওপর একটা লাইন লিখে দিয়েছিল,
"This will never happen again"
এরপর টানা ২১ টা ম্যাচ এ তারা মুখোমুখি হয়েছিলেন- কিন্তু সত্যিই ব্র্যাড হগ, সেই উইকেট এর স্বাদ পান নি।
ক্রিকেটীয় ঈশ্বর বলে যদি কেউ থেকে থাকে সেটা হলো মুম্বাই এর সেই ছেলেটা। যে ক্রিকেট কে পুজো করেছে, শ্রদ্ধা করেছে ।
সে কখনো কোনো সিরিজ এর জন্য ঘণ্টার পর ঘন্টা নেট এ কাটিয়েছে, আবার ২০০৩ এ সে একবারও নেট প্র্যাকটিস ও করেনি।
নিজেকে কতটা ভাঙলে ঠিক সচিন হওয়া যায় সেটা জানা নেই কিন্তু আঘাত পেলে সেটাকে পর পর দুটো বাউন্ডারি দিয়ে জবাব দেওয়ার নাম হয়ত সচিন।
ভারতীয় ক্রিকেট ফিক্সিং এ জর্জরিত থাকার সময় যে একবারও ফিক্সিং না জড়িয়ে পরেও বার বার এর বিরোধিতা করে গেছে ,
১৯৯৯ এর ভারত পাকিস্তান ম্যাচ এর সময় যে মানুষ টা ক্যাপ্টেনের ঘরে গিয়ে বলে, কাল আমরা ওপেন করবো, আর মাটি আকড়ে পরে থাকা টা হবেই আমাদের কাজ ।
যে মানুষ টিকে সবাই ক্রিকেটীয় ঈশ্বর মেনেছে , সেই মানুষ টা কোনোদিনও কারোর ক্যাপ্টেন্সি তে খেলতে দ্বিধাবোধ টুকু করেনি। তার একটাই কথা ছিল দল যা চাই আমি সেটাই করব।
আর শেষবারের মত সেই ফিরে যাওয়ার সময়, তার বুকের ভেতর কি একবারও চিন করে ওঠেনি? হয়তো উঠেছিলো, তাই ম্যাচ প্রেজেন্টেশনের সময় শেষবার ২২ গজ কে প্রণাম করার পর , কিছু বলার সময় তার কথা তেই স্পষ্ট।
যে মানুষ টা ভারতীয় ক্রিকেট কে অন্যমাত্রায় নিয়ে গেছে, সেই মানুষ টিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইলো।
শুভ জন্মদিন টেন্ডুলকার ।