Porijayi dana

Porijayi dana personal blog

পাহাড়ি উপত্যকায় ,ঘাসের চাদরেসাদা ঘোড়া দৌড়ে যায় ,মেঘেরা ছুঁতে আসে  সুনিবিড় রৌদ্র ছায়া ভেসে যায় মরুভূমির মতো রুক্ষ...
26/07/2026

পাহাড়ি উপত্যকায় ,ঘাসের চাদরে
সাদা ঘোড়া দৌড়ে যায় ,মেঘেরা ছুঁতে আসে
সুনিবিড় রৌদ্র ছায়া ভেসে যায়
মরুভূমির মতো রুক্ষ আকাশ চুম্বি পাহাড়ে
মেঘেরা বাসা বাঁধে
আত্মপ্রেমে মানুষ একা হয়
তবে এ সময় -
আর নিজের সাথে ওঠাপড়ার নিরন্তর লড়াইয়ে
ক্লান্ত হয় ,পালিয়ে যেতে চাই নিজের থেকে নিজের কাছে ,
একা হতে চাই
সবুজ অরণ্য বহতা খরস্রোতা ভেসে যাওয়া মেঘে
সবার মধ্যে থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়
যেন কোনো কিছু চাই না আর
ক্লান্ত মন শরীর কোনো কথা নেই আর
উদাসীনতায় পড়ে থাকে কিছু ঝরা কাঠগোলাপ

আমি যাকে খুঁজছি জীবন সংকটে সে কে এখনো‌ জানি‌ না তবে হয়তো একদিন দেখা হবে , বহুদিন বৃষ্টি না হওয়ার পরে যখন প্রবল‌ শীতল  ...
26/07/2026

আমি যাকে খুঁজছি জীবন সংকটে
সে কে এখনো‌ জানি‌ না
তবে হয়তো একদিন দেখা হবে , বহুদিন বৃষ্টি না হওয়ার পরে যখন প্রবল‌ শীতল বাতাস বয়ে চলে ,ঘন কালো কুচকুচে মেঘ আকাশ‌ ঘিরে ধরে বৃষ্টির সম্ভাবনা নিয়ে, সে ভেজায় ভিতরের বাইরের ক্লান্তি আর লড়াইকে , সেই সব মেঘ বৃষ্টি অফুরন্ত উচ্ছাস বয়ে নিয়ে আনে ,শক্তি চট্টোপাধ্যায় কবিতার মতো তুমি -
"আজানুকেশ ভিজিয়ে নেবে আকাশ ছেঁচা জলে "
ঘন কালো মেঘে
ছাদের কার্নিশে বাতাসে চুল উড়িয়ে
মুখে ভেসে আসা ফোঁটা ফোঁটা জলের বিন্দু নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকো
বিশাল আকাশ আকাশের পর আকাশ‌
মেঘ মেঘের পরে মেঘ চলে চলে যায়
কিছু বেপরোয়া পাখিদের ডানা
এক শূন্যতা থেকে আরেক শূণ্যতায় চোখ মেলে
বিছিয়ে দেয় সমস্ত অঝোর ধারা

যদি আসো শীরনামহীনের মতো -
"যদি শোঁকগাথা হাতে বহুদূর যাও, একদিন ঠিকই এনে দেবো হাসিমুখ
রোদ্দুর, একসাথে হেঁটে হেঁটে যেতে চাই বহুদূর!

বৃষ্টি ভেজা সুখ-দুঃখ
খোলা জানালায় হাসিমুখ
উড়ছে কিছু প্রজাপতি, মেঘ মনের জানালায়
জানালায় ছিল রোদ্দুর
মেঘ ভেসে গেল বহুদূরে

রোদ উঠে, গেছে চেনা এই নগরীতে নাগরিক জানালা
হাসিমুখে একাকার।
আনন্দ উৎসব চেনাচেনা সবখানে,
এরই মাঝে আমাদের ছুটে যাওয়া দরকার।
তুমি চেয়ে আছ তাই, আমি পথে হেটে যাই,
হেঁটে হেঁটে বহুদূর, বহুদূর যেতে চাই "

পৃথিবীর সমস্ত কোণায় সুন্দর দৃশ্যর খোঁজে
এসে দাঁড়াও বর্ষন সিক্ত হৃদয়ে গোপনতম স্থরে সুন্দর মুখ হয়ে
সে মূখ যেন কখনও ভুলে না যায় স্মৃতি সময়ের অন্তরালে
শূন্য বুকের মাঝে
একদিন ঝড়ের দিনে সমুদ্রের কাছে দাঁড়াবো
তোমার আসা যেনো নরম নদীর স্রোত ছুঁয়ে যায়

মনে করো প্রথম দেখা ভিক্টরিয়ার মাঠ জুড়ে তুমুল বৃষ্টি বাইপাসের নিয়নগুলোর  বৃষ্টির সন্ধ্যা,প্রথম আলিঙ্গনের ভালোলাগায়, ভ...
26/07/2026

মনে করো প্রথম দেখা
ভিক্টরিয়ার মাঠ জুড়ে তুমুল বৃষ্টি
বাইপাসের নিয়নগুলোর বৃষ্টির সন্ধ্যা,
প্রথম আলিঙ্গনের ভালোলাগায়, ভেজা মন
জানইত ,খুব ইচ্ছে করে ,তোমাকে নিয়ে
পুরুলিয়ার মাঠ জুড়ে ফাগুনের পলাশ দেখতে,
আর রাস্তার পাশ জুড়ে শিমূল, করবি।
শুনেছি বসন্তে ফালুট, ভার্সে,সান্দাকুফূতে রড়োডেনড্রনের হাট বসে,
বড়ো মায়াবী লাগে ,
খুব ইচ্ছে করে সবথেকে উঁচু পাহাড়টায় তোমার কোলে মাথা রেখে দেখতে।
জানোত, যখন মৌসুমী ভৌমিকের ঐই গানটা শুনি
"আমি শুনেছি সেদিন তুমি নোনাবালি তীর ধরে
বহুদূর বহুদূর হেটে এসেছো"
খুব ইচ্ছে করে মাঝি যখন মাঝ সমুদ্রে,
দূরে একটা টিমটিমে আলোয় মাছ ধরে
রাতের কালোয় তারারা কবির মনে গান লেখে,
ঢেউ গুলো যখন ধেয়ে আসে নোনাবালির তীরে ,
মনে হয় ,নির্জন সমুদ্রে , তোমার ঐই খোলা চুলে
নির্জনতার সাথে তোমাকে নিয়ে হাত ছুঁয়ে হেঁটে আসি।

জানত খুব ইচ্ছে করে, পাহাড়ের উঁচু থেকে নেমে আসা জলের শব্দে বিরামহীন একটা নদী, চাষের জমি বনভূমি ফেলে বহুদূরে বয়ে গেছে।
দূরের পাহাড়টায় সূর্যকে ছুঁয়ে পাখির দল ঘরে ফেরে, গোধূলির দিগন্তে রঙের মায়ার খেলা শেষে ধীরে ধীরে রাত নামবে
শীতের শিশিরে উষ্ণতায় কাঁপ লাগিয়ে দুজনে একটা
চায়ের চুমুকে
নদীর উঁচু বল্ডারটায় বসে ভালোবাসার স্পর্শ নিয়ে গান শোনাবে।

Not Today but one Day , ইচ্ছে আমার একার তাই একা একা যাবো একদিন , রূদ্র মহম্মদের একটা লাইন আছে " মানুষকে ভালোবাসাতে গেলে মানুষের হৃদয় ছাড়া আর কি লাগে " সেইটুকু এই সময়ে দাঁড়িয়ে পাওয়া অসম্ভব, আত্মপ্রেমে মানুষ একা হয়, এ আত্মপ্রেম নয় দিন‌শেষে মানুষ একা হয় নিজে নিজের কাছেই ফেরে life is a journey, enjoy every beat of pulse সে ভালোবাসা হোক আর নিঃসঙ্গতা

গোপনতম দুঃখের কাছে পৌঁছে দেবো সুড়ঙ্গ খুঁড়ে  নিয়ে যাবে অন্ধকারের নিজস্ব ছায়া থেকেযে নদী মোহনার কাছে এসেস্রোত নাড়িয়ে...
11/06/2026

গোপনতম দুঃখের কাছে পৌঁছে দেবো
সুড়ঙ্গ খুঁড়ে নিয়ে যাবে
অন্ধকারের নিজস্ব ছায়া থেকে
যে নদী মোহনার কাছে এসে
স্রোত নাড়িয়ে দেবে তোমার নিস্তব্ধ আবেগকে

এভাবে আকাশের নীচে পায়ের তলার বালি আর স্রোত
ছুঁয়ে ছুঁয়ে ধূয়ে যায়
ঝড় বৃষ্টি আসবে আসবে করে এসেই তছনছ করে চলে যায়
চাওয়া পাওয়ার আর কোথাও কিছু থাকে না
আঁকড়ে থাকা খুব গভীর শিকড় গাছের গুঁড়ি স্রোতে ভেসে যায়

ডানা ঝাপটানো ছাঁটের জল
অর্থহীন জীবন বেওয়ারিশ লাশের মতো
বোহেমিয়ান চলাফেরা

মাটির মতো চাঙ্গড় ধূয়ে যায় মানুষ
উত্তাল এপার ওপার পাড় ভাঙ্গে ধস নামে
শরীর মন হাল ছেড়ে দেয়
যারা বাঁচতে চেয়েছে সীমান্তের মধ্যবর্তীতে ছেড়ে দেওয়া শূন্য দাগে
এপারে ওপারে ফিরে যেতে পারে না
মানুষ বড় অসহায় পরিস্থিতির কাছে

আঁকড়ে ধরে উদ্ধার পেতে চাই ধড়পাকানো হৃদয়
তবুও কোনো এক বিশ্বাসে বাঁচতে চাই

প্রত্যেক মানুষের গায়ে এক নিজস্ব গন্ধ থাকে
খড় কুটো পেলে তারা আঁকড়ে ধরে নতুন নতুন করে বাঁচে
আকাশের সমস্ত রঙ মেঘে এঁকে দেয়
গভীরে রাতে থোকা থোকা কামিনী ফুল ফোঁটে

পৃথিবীর ঘন কালো মেঘে সুদিনের স্বপ্ন
তারা জনপদের দিকে হেঁটে যায়

যখন আর কাউকে কিছু বলার থাকে না
নবাগত শিশুর মতো চোখ মেলে ভাবনা

কত কত পরিচয়ে ভিড়ে বেড়ে যায়মুখ আর মুখ, বিভিন্ন রকম মুখোশ কতো মুখের ভিড়ে কত মুখ হারিয়ে যায় কত পরিচিত ভিড়ে মিশে যায...
11/06/2026

কত কত পরিচয়ে ভিড়ে বেড়ে যায়
মুখ আর মুখ, বিভিন্ন রকম মুখোশ
কতো মুখের ভিড়ে কত মুখ হারিয়ে যায়
কত পরিচিত ভিড়ে মিশে যায়
কখনো উৎসবে কখনো রাস্তাঘাটে
তাদের সাথে চোখে চোখ পড়ে
সবাই সবাইয়ের কাজে ব্যস্ত হয়ে যায়
তারপর আবার আমরা ভিড়ে হারিয়ে যায়

বহু মানুষের সাথে পরিচয় হয়
শুধু মনের কাছাকাছি হাতেগোনা কিছু মানুষ থাকে

জীবনকে উপলব্ধি করতে ভুলে যাচ্ছো
স্টেশন আসে বোঝা তোলা নামানো হয় বিদায়ের অবকাশ হয় না
কানে বাজে পছন্দের সুর গান
সহযাত্রীর স্টেশন আসে তারা যাবতীয় সবকিছু নিয়ে নেমে যায়
প্ল্যাটফর্ম ছাড়ে ট্রেন যাত্রীদের প্রতীক্ষা সীটে বসে থাকা কিছু মানুষ
চেনা চেনা মুখ অচেনা হয়ে যায়
আলোর রশ্মি সমান্তরাল সরলরেখা ধরে দ্রুত বেগে যায় ট্রেন
একটা সময় তারা গন্তব্যের ট্রেন ধরে নেয়
কারোর
কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যো থাকুক বা না থাকুক তবুও ত বাড়ি ফিরতে হবে

সমুদ্রের ঝড় আর উত্তাল স্রোতের সামনে দাঁড়িয়েছোজলোচ্ছ্বাস সেখানে বনবীথিকার মধ্যে দিয়ে গিয়েছোকচি সবুজ পাতার ঝলমলে দিন ...
11/06/2026

সমুদ্রের ঝড় আর উত্তাল স্রোতের সামনে দাঁড়িয়েছো
জলোচ্ছ্বাস সেখানে
বনবীথিকার মধ্যে দিয়ে গিয়েছো
কচি সবুজ পাতার ঝলমলে দিন সেখানে
ঘামে ভেজা জামায় মরসুমের প্রথম বৃষ্টি
সে যেনো বহু প্রতীক্ষার অবসান
হঠাৎ ঝড়ে ঝরে পরা পাকা আম
সে যেনো ছেলে বেলায় ছুটে যাওয়া স্কুল ছুটির বিকেল

ভালোবাসার জন্য হেঁদিয়ে মরার কী আছে ?
মাটি খুঁড়ে দুঃখ খোঁজার কি মানে

আমাদের আনন্দ যেনো এখানে
সুন্দর চিন্তা ভাবনার কাছে
ঝরনার কাছে
অরণ্যে ছুটে চলা বন্য প্রাণের কাছে
উড়ে যাওয়া পাখির কাছে
নিঃস্বার্থ মানুষের কাছে
উষ্ণতার কাছে গাছের কাছে
শিশুর নির্মল হাঁসির কাছে
ফুঁটে থাকা ফুলের কাছে
ব্যাস্ত চলাচল, শিল্পের কাছে
খাতায় টানা দাগ আর কারুকার্যের কাছে
ভেসে আসা সুরের কাছে
নদীর কাছে
হাওয়ার কাছে
স্রোতের কাছে
মেঘের কাছে
বজ্রপাতের কাছে
বৃষ্টির কাছে
সরলতার কাছে
সহজতম জীবন যাপনের কাছে
আগলে রাখা মানুষের কাছে
যা কিছু স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসে
প্রকৃতির কাছে
একঝাঁক প্রজাপতির কাছে
তোলপাড় করা ঝড়ে খুলে যাওয়া জানলার কাছে
আনন্দ ত মনের কাছে

আনন্দ মুক্তির কাছেই

ভালোবাসা পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর অনুভূতি, কে না চাই ভালবাসতে এবং ভালোবাসা পেতে ,সবাই জীবনের সমস্ত কিছুতে তোমাকে চাই গানের ...
23/05/2026

ভালোবাসা পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর অনুভূতি, কে না চাই ভালবাসতে এবং ভালোবাসা পেতে ,
সবাই জীবনের সমস্ত কিছুতে তোমাকে চাই গানের মতো , সমস্ত ব্যার্থতায়, ভেঙ্গে যাওয়ায় ,হেরে যাওয়াই , ক্লান্তিতে আগলে রাখার বুক খোঁজে যেখানে কোনো কথা ছাড়াই নিঃস্বার্থভাবে আত্মসমর্পণ করা যায়
হৃদয়হীন নিষ্ঠুর পৃথিবীর কাছে সবাই একটা নিরাপদ আশ্রয় চায়

ভালোবাসা বলতে এই মূহুর্তে যা মনে হয়, জীবনের ওটা পড়ায় একে ওপরের পাশে থাকে , তার প্রতি এক অদ্ভুত অন্যরকমের ভালো লাগা থাকে , যা খুব সহজেই পরিবর্তন হয় না , একে ওপরের সাথে এক তীব্রতা ভীষণ রকম পেতে চাওয়ার তাগিদ থাকে। এ এক প্রগাঢ় অনুভূতি।

একটা সময় পরে বিয়ে কর , বিয়ে করছিস না কেনো ?
কতদিন একা থাকবি , বয়স হলে কে দেখবে ? এসবের উওর দিতে ক্লান্তি লাগে , আমরা যে মানসিক অবস্থায় থাকি , যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যায় তা কেউ জানে না , আর ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এসবের উত্তর হয়না আর প্রয়োজন হয় না নেই এগুলো উত্তর দেওয়ার , পরিবার আর কাছের মানুষ ছাড়া , আর এগুলো কোনো প্রভাব ও ফেলে না।
জীবনে কারোর প্রতি, মানে ,একে অপরের প্রতি সেই ভালোবাসা না থাকলে বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যায় না ।

এগুলো কখনোই জোর করে হয় না খুব স্বাভাবিকভাবে সবকিছু হয় , আর জীবনে এই স্বাভাবিকতা দরকার।

এই সময়েই দাঁড়িয়ে কেউ কারোর জন্য বিন্দুমাত্র অপেক্ষা করে না, সেই ভীষণভাবে চাওয়ার তাগিদ থাকে না , খুব তাড়াতাড়ি রাত থেকে দিন হতে দেয় না অনেক মুহূর্তে বিকল্প খুঁজে নেয়
জীবনের নিশ্চয়তা খুব দরকার তবে একটা মানুষের পরিপূরক কেউ হয় না ,
অর্থ ছাড়া কোনো সম্পর্ক হয় না , না ভালোবাসা, ভালোবাসা থাকলেও অর্থ ছাড়া সে সম্পর্ক দীর্ঘ মেয়াদী হয়না বর্তমান সময়ে যা কিছু করো তার জন্য অর্থের প্রয়োজন, আর আমাদের সমাজ সে সব প্রয়োজন পুরুষের ওপর চাপিয়ে দেয় , অনেকই যে নারীরাও নারীবাদের কথা বলে সেও পুরুষের অর্থ দেখেই জীবনের নিশ্চয়তা দেখেই আসে তার সমাজজীবনের প্রভাব প্রতিপত্তি দেখে আসে , অথচ সম্পর্কে হওয়া উচিত উভয়ের যৌথ দায় দায়িত্বে ।
খেতে না পেলে ভালোবাসা কোথায় চলে যায় দিনশেষে মানুষ নিজেকে ভালোবাসে

এটাও ঠিক অনেক কিছু বলার থাকে একে ওপরের সাথে
আদান প্রদানের থাকে , দিনশেষে আনন্দ বিষাদে একটা কাঁধ চাই, কিছু না বলেও তার সাথে অনেক কিছু বলা যায়, যতই বই পড়ি ,অনেক মানুষের সাথে মিশি , ঘুরতে যাই একটা মানুষের বিকল্প হয় না সেটা ঠিক।
আবার কেউ কেউ জীবনকে বৃহত্তর অর্থে জীবনকে আত্মত্যাগ করেছে , সবাই ত সেই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে না ।

চাই বলে থাকতে হবে বলে একটা মানুষের সাথে সারাজীবন থাকা যায় না , যেখানে স্বতঃস্ফূর্তা নেই।
অনেক কেই বলতে শুনি একটা সময় পরে তো একটা দেখার লোক ত লাগবে - তাহলে ত কাজের লোক রাখলেই হয় , এই সময়ে দেখভাল করতে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে শুধু টাকা লাগে, এটাও বলছিনা সবসময় টাকা দিয়ে সবকিছু পূরণ হয় , একজন মানুষের একটা লেখা পড়েছিলাম কার ঠিক মনে নেয় - এই পৃথিবীতে সবকিছু টাকা দিয়ে কেনা গেলো বৃষ্টি হাওয়া নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আনন্দ টাকা দিয়ে কেনা যায় না,
একদিন সবাই সবাইয়ের মতো গুছিয়ে নেবে তুমি একা পরে থাকবে , সবাই তাদের নিজেদের মতোই থাকবে সবসময় সঙ্গ দিতে পারে না আর সম্ভব নয় , তাতে কিছু করার আছে কি ?
একটা সময় ছেলেমেয়ে বাইরে চলে যায় অনেকে দেখে না , তার সঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় বা মারা যায় জীবন অনিশ্চিত অনেক কিছুই হতে পারে , থাকতে হবে বলে একটা বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দুটো জীবন তার সাথে জড়িয়ে থাকা মানুষগুলো কে চাওয়া পাওয়া নিজে দগ্ধদে তাদের অনুভূতিগুলোর সাথে খেলা যায় কি ?

খাওয়া দাওয়া, জল , বিশ্রাম, ঘুমের মতোই যৌনতা মানুষের জৈবিক চাহিদার একটা , এটাও অনেক ক্ষেত্রে হয় শরীর ছুঁয়েই অনেকেই ভালোবেসে ফেলে , কিন্তু যৌনতা মানেই ভালোবাসা নয় দুটো অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত হলেও পৃথক বিষয় , সেসব টাকা দিয়েও কিনতে পাওয়া যায় ‌। কিন্তু সেই ভালোবাসার কাছে পৌঁছাতে যারা মন ছুঁয়ে শরীরের কাছে আসে সে তৃপ্তি পৃথিবীর সবচেয়ে আরামদায়ক অনুভূতি। আর সে বন্ধন অনেক বেশি দৃঢ় ।

তারপর একদিন থাকতে হবে বলে একটা সম্পর্ককে রাখা এ এক চরমতম বেদনাকে আজীবন বয়ে বেড়ানো , যারা নিঃশব্দে কথা না বলেও গভীরে ভালোবাসতে জানে তারা মানে ভালোবাসা যেকোনো বয়সে , জাত ধর্ম নির্বিশেষে হয় , আমরা পৃথিবীতে জাত ধর্ম নিয়ে আসিনি মানুষ আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে , আমার মনে হয় না আমাদের নামের পাশে নিজের পদবি তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায়, শাঁখা সিঁদুর বয়ে বেড়ানোর দরকার নেই , প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব সত্ত্বা আছে চিন্তা ভাবনার পরিসর আছে , সেসব কিছুকেই সম্মান করতে হয়, তুমি তাকে খোলা আকাশ দেবে সে নিজে থেকে তোমাকে সাথে নিয়ে উচ্ছাসে উড়তে চাইবে , ভালোবাসা হল মুক্তি।

এখন যেটা মনে হচ্ছে একটা বয়সের পরে তা মনে নাও হতে পারে , জীবন বদলায় চিন্তা ভাবনা বদলায় দেখার আঙ্গিক বদলায় , যা প্রত্যেকে করে এসেছে , পৃথিবীতে যে নিয়ম একদল মানুষ সমাজে প্রতিস্থাপন করেছে তা বয়ে নিয়ে চলতে হবে তার কি মানে আছে, জীবনের সবকিছু চাওয়া পাওয়া অনুযায়ী হয়না , জীবনে একসাথে থেকেও একসাথে থাকতে পারে না ,ওরকম ই বা থাকার কি মানে ?
অনেকটা সময় বা আজীবন একা চলতে হবে , মনের কাছে জীবনের কাছে, অসুস্থতায় , একাকীত্বে , হেরে যাওয়ায়, ভেঙ্গে পড়ায় ,অসম্পূর্ণতায় , জীবন সঙ্কটে কেউ থাকবে না তাতে কি কিছু করার আছে , ভালোবাসাহীনতা নিয়ে থাকা যায় না ,জীবনে সবকিছু ত্যাগ করে চলা যায় কিন্তু এই জেয়গায় চলা যায় না। একা থাকাও এক মস্ত বড়ো স্বাধীনতা।

প্রাণীজগতের সমস্ত প্রাণীর পুরুষরা নানারকম ভাবে নারীকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে বা প্রেমের প্রস্তাব দেয় , বাঘ মাইলকে মাইল দৌড়ে যায় সঙ্গীনিকে খোঁজার জন্য , পুরুষ শিম্পাঞ্জি শক্তি বা প্রভাব দেখিয়ে আকৃষ্ট করা চেষ্টা করে , কোনো কোনো মাছ অনেক শাঁখ জোগাড় করে , পাখি বিভিন্ন রকমভাবে শীষ দিয়ে , বিভিন্ন রকম নেচে মহিলা সঙ্গীনীকে আকৃষ্ট করে বা প্রেম নিবেদন করে , মানুষ ও তাই , কিন্তু সময় এগিয়েছে চিন্তাভাবনা বদলাচ্ছে যদিও আদিমতম প্রকৃতি রয়েগেছে, মানুষ আমরা যখন একে অপরের মনের কাছাকাছি আসি তখন একসাথে থাকার সিদ্ধান্ত নিয় , বিশ্বাস করি এসব অনুভূতি দুদিক থেকেই হোক, অনেক মহিলা সাজতে গয়নাগাটি পছন্দ করেন, কিন্তু আমার কাছে তাকেই সুন্দর লাগে যার পরিধান হল জ্ঞান, সুন্দর ব্যবহার ,দয়া ,মায়া ,স্নেহ , পাশে থাকার হাত তার পরিচয়।

সম্পর্ক ভালোবাসা বিভিন্ন রকম মানুষের কাছে বিভিন্ন রকম হতে পারে , কারোর কাছে কেনা বেচার মতো ও হতে পারে,
একসাথে থাকতে হলে বিয়ে করতে হবে তার ও কোনো‌ মানে নেই, আমরা মানুষ যেভাবে আদিম মানুষ ঘর খুঁজে নিয়েছিল, আমরা সবসময় নিশ্চয়তা খুঁজে নিতে চায় ,
বিবাহ হল বিশেষ ভাবে বন্ধন , জীবনের প্রয়োজনে থাকতে হবে বলে একটা বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারিনা ।

ফুলে ফুলে ভরা গাছকে দেখতে ভালো লাগে , এমনকি সময়ের নিয়মে আসতে আসতে ঝরে পড়ে যায় সেও সুন্দর, কিন্তু তাকে তুলে নিয়ে নিজের করে পেতে চাইলে তার সমস্ত সুন্দর্য মুগ্ধতা নষ্ট হয়ে যায়।
পৃথিবীর অনেক বড়ো দেখার অনেক কিছু আছে জানার অনেক কিছু আছে

নিঃশব্দে যে কত কিছুই বলা যায়
ভালোবাসা সুন্দর পৃথিবীর অন্যতম অনুভূতি।
চোখে চোখের নিস্তব্ধতায় ডুবে যাওয়া যায়।

Photo ta Ai diye create kora

অত্যাশ্চর্য মায়াময়ী সুন্দর যেনো প্রথম বৈশাখী ঝড়ের সমস্ত উচ্ছাস এখানে সুন্দর আর যাপনের বিস্তর ফারাক পথিক তার ব্যাস্ত ন...
23/05/2026

অত্যাশ্চর্য মায়াময়ী সুন্দর
যেনো প্রথম বৈশাখী ঝড়ের সমস্ত উচ্ছাস এখানে

সুন্দর আর যাপনের বিস্তর ফারাক

পথিক তার ব্যাস্ত নাগরিক জীবন ছেড়ে এখানে আস্তে চেয়েছে
দগ্ধ ছায়াহীন শহরে জারুল ফুল যেনো ‌
সিন্ধু সভ্যতার গুপ্তধন
ইতিহাস আগলে রেখেছে যক্ষের মতো

মানুষ জটিল মনের কাছে
হেঁটে হেঁটে তুমিও হারিয়ে যেতে পারো লালসার কাছে

চাষী
নগরের কাছে ভিক্ষা চেয়েছে ফসলের ঘাম
তখন বেচে দিয়েছো সোনালী ধান‌ ক্ষেত

কৃষ্ণচূড়ার ফুলের সিথানে পূর্ণিমার চাঁদ
যুক্তিবোধহীন আবেগ থেমে থাকেনা
হাঁসগুলো চরতে জলাশয়ের দিকে যায়

সর্ষের মাঠ জীবনানন্দের বাংলার নদী বয়ে যায়
নীল শাড়ির একা মেয়ে দাঁড়িয়ে
চুলে তার কাঠগোলাপ জুঁইয়ের সুগন্ধি
তার আঁচল ছুঁয়ে থাকে সূর্যমূখীর মাঠ

এক একা হেঁটে যায় দেখবে বলে
নিঝুম রাতের খসে যাওয়া নক্ষত্র কাছে

মন আমাদের বুনো ঘ্রাণ শুঁকে শুঁকে যায়
নির্ঝর ধারার উৎসের কাছে

রাধার কৃষ্ণের দোল কখনই যেন ভালোবাসার নিদর্শন হিসাবে বেঁচে না থাকে যারা কখনোই নিজেদের ভালোবাসার জন্য লড়তে পারেনা অনন্ত ত...
15/03/2026

রাধার কৃষ্ণের দোল কখনই যেন ভালোবাসার নিদর্শন হিসাবে বেঁচে না থাকে যারা কখনোই নিজেদের ভালোবাসার জন্য লড়তে পারেনা অনন্ত তারা আর যাই করুক ভালোবাসে না

ফাল্গুনী পূর্ণিমা দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির বা গুলাল নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সঙ্গে রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কারনে উদযাপন করা হয় বর্তমানে ধর্মীয় উদযাপনের বাইরে গিয়ে এটা একটা সম্প্রীতির উৎসব ।

রাধা কৃষ্ণের দোলের উৎসব বাস্তবে প্রেমের উৎসবের নিদর্শন হিসেবে আর না বেঁচে থাকুক ।
সামাজিক পরিণতিই একমাত্র সম্পর্কের মাপকাঠি বলে মনে করি না (মানে যাকে so called বিবাহ বলে)। দুটো মনের মিলনই সবকিছু, আর মনের মিলন হয় বলেই শরীরের মিলন হয় , মন শরীর একটা সম্পর্ককে আরো বেশি করে আঁকড়ে ধরে সেটা দীর্ঘস্থায়ী হয় তার জন্য বিবাহের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই । ( মনের সাথে শরীর ভালোবাসাকে আরো বেশি কাছে টানে , ক্রম বিবর্তনের যে যাত্রা পথ তাতে বিজ্ঞান তা দেখিয়েছে) বিবাহ হল একটা সামাজিক প্রতিষ্ঠান যেখানে আর পাঁচটা লোক দুটো মানুষকে একসাথে থাকার (licence) অনুমতি দেয় ।

দুজনে একসাথে থাকবে এটা শুধু মাত্র তাদের ব্যাক্তিগত পছন্দ এর জন্য বিবাহের ও প্রয়োজনও হয় না কারোর অনুমতির ও না এবং কোনো নারীকে তার পুরুষের সিঁদুর বা বোরকা বা নামের পাশে বেগম বয়ে বেড়ানোর প্রয়োজন পরে না অন্তত উন্নত সমাজ তাই মনে করে ।

রাধা কৃষ্ণে যখন একে অপরকে ভালোবাসত সবকিছুর উর্ধ্বে গিয়ে একসাথে থাকতে পারত এর জন্য কোনো সামাজিক পরিণতির ও দরকার ছিল না কিন্তু তারা সেটা না করে দুজনেই দুটা আলাদা মানুষের সাথে সামাজিক বন্ধনে আবদ্ধ হল এর ফলে কি হল ওরা আরো দুটো মানুষের সাথে প্রতারণা করলো, একসাথে চারটে মানুষকে মানসিক যন্ত্রনার অগ্নিকুন্ডে ফেলে দিলো আর তাতে আমৃত্যু পর্যন্ত ঘৃতাহুতির যোগান দিল ।

ভালোবাসালে লড়াই আরো জোরালো হোক সে সমাজের সাথে হোক বা পরিবারের সাথে লড়াই মানেই যুদ্ধ নয় , লড়াই হোক উন্নত চিন্তাভাবনা গড়ে তোলা

"এক জনায় ছবি আঁকে এক মনে, ও রে মন
আরেক জনায় বসে বসে রংমাখে"

ওর থেকে ভালো যে যার ছবি আঁকে তারাই রঙ মাখুক আর যার ছবি মনে মনে আঁকে তার রং যদি না মাখতে পারে তাহলে তার রং বা অন্য কারোর রঙ মাখার দরকার নেই , রঙ নিয়ে ছেলেখেলা করলে রঙের ও অপচয় ছবিখান ও নষ্ট হয় , তার চেয়ে জীবনে একা থাকুক

এরকম ও কোনো মানে নেই কাউকে ভালবাসলে সে আর অন্য কাউকে ভালবাসতে পারবে না সময়ের সাথে চাহিদার ও পরিবর্তন হয় ভালোবাসার ও হ্যাঁ তবে একটা সম্পর্কে থেকে সঙ্গীর অমতে অন্য সম্পর্কে জড়ানো কখনও নেই ঠিক নয় , যদি কাউকে ভালো লাগে তবে একটা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে ভালবাসুক । এটা পাহাড় নয় সমুদ্র নয় যে দুটো একসাথে ভালোবাসবে।

ওরকম রাধা কৃষ্ণের রঙ লাগার থেকে অঙ্গে রঙ লাগুক , মর্মে লাগুক বা অলিন্দে লাগুক আজীবন কাল একটা জীবন শেষ করে দেওয়ার থেকে রঙ আকাশে লাগুক ।

 #মানুষ_বুঝুক_প্রেয়সী_তুমিও_বোঝোচলো হই নৈরাশ্যের ভাঙ্গা হাটে আকাঙ্খার ফেরিওলাচলো হই শ্রমজীবী মানুষের গান চলো হই নৈরাজ্যে...
15/03/2026

#মানুষ_বুঝুক_প্রেয়সী_তুমিও_বোঝো

চলো হই নৈরাশ্যের ভাঙ্গা হাটে আকাঙ্খার ফেরিওলা
চলো হই শ্রমজীবী মানুষের গান
চলো হই নৈরাজ্যের বুকে বিবেকের দংশনে চেতনার সুর
চলো হই কুঁড়ে ঘড়ে ভালোবাসার মেঠো খাটে সুরক্ষার ছাদ

জাতীয়তাবাদের সীমায় পড়ুক আন্তর্জাতিক বোমা
সৈন্যরা লিখুক ,সন্ত্রাস পড়ুক কবিতা
বনভূমি বাঁচুক ছেড়ে কালো ধোঁয়া
বই এর ভীড়ে অবাধ্যদের ইচ্ছেরা পাখা মেলুক কল্পনার আলপনায়
শুনুক তারা যারা জীবনের গন্ডী খেটেছিল

তুমি আসার আগে কত রক্তের মিছিল বয়ে গেছে
যুবকেরা প্রতিদিনই মরে, ঘুমের মধ্যে ও মরে , শুনতে পাই কী তারা যারা ভালোবাসে !
ভবিতব্যের সমাবেশে তোমাকে নিয়ে বসেছিলাম নৌকায়
যারা ভালোবাসার দাবি রেখেছিল মৃত গোলাপের পৃষ্ঠায়
ফিরেআসুক ভালোবাসার দাবি নিয়ে ভালোবাসার উৎসবে

Lekha ta 5/6 bochor age likhechilam, muloto jara jibone chena choker baire bnachate chai
din sesh pak ba na pak , chesta kore jak

Address

Kolkata

Telephone

+918293336843

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Porijayi dana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share