Iti Katha

Iti Katha Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Iti Katha, Ranaghat, KOLKATA.

প্রতিটি ভাবনাই সৃষ্টির শুরু। আমি চেষ্টা করি সামাজিক, অর্থনৈতিক ,রাজনৈতিক ,ধার্মিকতা এবং শিক্ষা
প্রত্যেকটা বিষয়ের উপর আলোকপাত করার ।
একজন Digital Creator হিসেবে আমি সেই ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিই —
ভিডিও, আর্ট, শব্দ আর গল্পের মাধ্যমে।

" #ভারতবর্ষের  #পিতৃভূমি হচ্ছে  #ইসরাইল" ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী ইজরাইলে সভায় গিয়ে বলছেন ভারত...
08/03/2026

" #ভারতবর্ষের #পিতৃভূমি হচ্ছে #ইসরাইল"

ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী ইজরাইলে সভায় গিয়ে বলছেন ভারতবর্ষের পিতৃভূমি হল ইসরাইল। কেন তিনি এই কথা বললেন এর পিছনে কি কোন ঐতিহাসিক কারণ আছে ?? এই কথার বিশাল বড় ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে আজকে সেই বিষয়টাই আপনাদের কাছে তুলে ধরবো।

ইসরাইল ভারতবর্ষের ফাদারল্যান্ড কিনা তার থেকেও বড় বিষয় হলো হ্যাঁ ভারতবর্ষের ব্রাহ্মণদের ধর্ম বাবা হল এই ইসরাইল । ভারতবর্ষে যে ব্রাহ্মণ্যবাদীদের যে ধর্মের যে গঠন তা কিন্তু ঠিক ইসরাইলি দের মতোই। কেন ইসরাইলদের মতো?? ঐতিহাসিক দের মতে বা স্টেপ তত্ত্ব অনুযায়ী ব্রাহ্মণরা কখনোই মূল ভারতীয় নয় অর্থাৎ এদের সঙ্গে আপনি মিল পাবেন ইজরাইলি ইরানি এদের সঙ্গে । ব্রাহ্মণদের সবথেকে বড় মিল দেখবেন এখনো পর্যন্ত ব্রাহ্মণরা নিজেদেরকে আলাদা করে রাখার চেষ্টা করে এবং সেই একই চেষ্টা ইসরাইলি ধর্মের মধ্যে দেখা যায় অর্থাৎ অর্থাৎ কট্টরতা তারা অন্য ধর্মাবলম্বী বা অন্য দেশের কোন মানুষের কাছ থেকে রক্ত পর্যন্ত তারা গ্রহণ করে না অর্থাৎ শরীরের অসুস্থতায় যদি রক্ত প্রয়োজন হয় ওরা ইহুদীর রক্তটাকেই একমাত্র গ্রহণ করে ওরা মনে করে অন্য সবাই অপবিত্র ওরাই একমাত্র পবিত্র এবং শুদ্ধ তাই ওরা অন্যের রক্ত পর্যন্ত গ্রহণ করে না অর্থাৎ ব্রাহ্মণ্যবাদ আমরা দেখতে পাই সেই একই বিষয় ওরা নিজেদেরকে সবসময় শুদ্ধ বলে দাবি করেন এবং ওরাই শ্রেষ্ঠ বলে দাবি করেন অর্থাৎ এর থেকে অনেকটাই বোঝা যায় যে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী যে কথা তিনি বলেছেন এটা উনার ব্যক্তিগত কথা নয় এই কথার পিছনে আরও অনেক কারণ রয়েছে

"শূদ্রের ইতিহাস "এই বইটা আপনারা পড়তে পারেন এই লেখাটা অবশ্যই আপনারা পড়ে দেখতে পারেন সত্যি বলতে শূদ্র ঐতিহাসিক প্রমাণ কি...
08/03/2026

"শূদ্রের ইতিহাস "এই বইটা আপনারা পড়তে পারেন এই লেখাটা অবশ্যই আপনারা পড়ে দেখতে পারেন সত্যি বলতে শূদ্র ঐতিহাসিক প্রমাণ কি??

কোন সভ্যতা বেশি পুরনো বৈদিক নাকি সিন্ধু সভ্যতা ??
27/02/2026

কোন সভ্যতা বেশি পুরনো বৈদিক নাকি সিন্ধু সভ্যতা ??

26/02/2026

বাংলা ভাষার প্রথম সাহিত্য কি বলতে পারবেন??

গুরুচাঁদ ঠাকুর কোন কল্পকাহিনী বা বানানো দেবদেবী বা দেবী সরস্বতী নয় । তিনি একজন মহান ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন ব্যক্তি যিন...
20/02/2026

গুরুচাঁদ ঠাকুর কোন কল্পকাহিনী বা বানানো দেবদেবী বা দেবী সরস্বতী নয় । তিনি একজন মহান ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন ব্যক্তি যিনি বাস্তবে নিপীড়িত শোষিত মানুষদের মুক্তিযুদ্ধা এবং যিনি নারী-পুরুষের বিদ্যা অর্জনে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন এবং যার ইতিহাস আজও স্মরণীয় হয়ে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে তাই অযথা কেউ দেবীর সরস্বতী সঙ্গে এই মহান ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের তুলনা করতে যাবেন না ।

#জয়হরিচাঁদ #জয়গুরুচাঁদ #জয়শান্তিমাতা

20/02/2026

শিব (মহাদেব) কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নয় এবং যার কোন ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও নেই।
শিব শুধু একটা কল্পকাহিনীর চরিত্র। যা আপনি শিব পুরাণ পড়লেই জানতে পারবেন

 #দেবের  #দেব  #মহাদেব জানলে চমকে যাবেন  শিবপুরাণ — প্রধান ও সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উৎসচলুন দেখেছি মহাদেবের কি শক্তি, যিনি দ...
17/02/2026

#দেবের #দেব #মহাদেব জানলে চমকে যাবেন

শিবপুরাণ — প্রধান ও সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উৎস
চলুন দেখেছি মহাদেবের কি শক্তি, যিনি দেবের দেব অর্থাৎ দেবতাদের ও দেবতা তিনি। তাই জন্য ওনাকে বলা হয় দেবের দেব মহাদেব তিনি সমগ্র বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিতে পারেন তিনি সবকিছুকে লন্ডভন্ড করে দিতে পারেন
মা দুর্গা (পার্বতী) নিজের দেহের হলুদ (ময়লা)/মলিনতা থেকে এক কিশোর তৈরি করেন—এই কিশোরই গণেশ। দুর্গা তাঁকে আদেশ দেন,
“আমি স্নান করতে যাচ্ছি, কেউ যেন ভিতরে না আসে।”গণেশ দরজায় পাহারা দিতে থাকেন।
ঠিক তখনই শিবঠাকুর কৈলাসে ফিরে আসেন।
গণেশ তাঁকে চিনতেন না, তাই শিবকে ভিতরে ঢুকতে বাধা দেন।শিব বলেন—“আমি এই ঘরের স্বামী!”
কিন্তু গণেশ মায়ের আদেশ মান্য করে তাঁকে আটকে দেন। এতে শিব অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হন।
তিনি নিজের ত্রিশূল দিয়ে গণেশের মাথা কেটে ফেলেন। দুর্গা স্নান শেষে বেরিয়ে এই দৃশ্য দেখে ভয়ংকর রুদ্ররূপ ধারণ করেন।
তিনি বলেন—“আমার সন্তানকে ফিরিয়ে না দিলে আমি সৃষ্টিই ধ্বংস করে দেব!”
দেবতারা ভীত হয়ে শিবকে অনুরোধ করেন সমাধান করতে। শিব তখন বলেন—“যার মাথা প্রথম পাওয়া যাবে, সেই মাথা লাগিয়ে গণেশকে জীবিত করা হবে।”
দেবতারা খুঁজে প্রথম যে প্রাণীটিকে পান, সে ছিল একটি হাতি (কিছু পুরাণে বলা হয়—দেবলোকে জন্ম নেওয়া গজাসুর বা দেবহস্তী)।
সেই হাতির মাথা গণেশের দেহে স্থাপন করা হয়।
শিব নিজের শক্তি দিয়ে তাঁকে জীবিত করেন।

এবার আপনার মনে প্রশ্ন আসছে না যিনি দেবের দেব তিনি ছোট্ট একটা শিশুকে বোঝাতে পারলেন না এবার চিনতেও পারলেন না যেটা কোন একটা দেবতা তবে কেমন দেবতা এসব । তারপর আবার কি করলেন রাগ করে তার গলা কেটে দিলেন । ভাবুন আপনি একটা ছোট্ট শিশু এইটুকু ভুল সে করতেই পারে তাই বলে তাকে আমরা গলা কাটতে পারি না। নিশ্চয়ই এভাবে মার্ডার আমরা করতে পারি না কিন্তু এখানে সেটাই দেখা যাচ্ছে। শিব কি করলেন গলা কেটে ফেললেন তা ছাড়া কি আর অন্য কোন রাস্তা ছিল না তাহলে বন্ধুরা এই ছোট্ট একটু ভুলের জন্য এত বড় অন্যায় কাজ করতে পারে তাহলে তারা কি না করতে পারে । তিনি নাকি আবার দেবের দেব মহাদেব । তাহলে কি এগুলো গাঁজাখুরে গল্প ছাড়া আর অন্য কিছু ।

তালে মনে হয় না যে এত ক্ষমতা যিনি সব কিছু বুঝতে পারেন বোঝাতে পারেন তিনি এইটুকু করতে পারলেন না । এখানে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে সরল সাধারণ মানুষকে এসব গল্প শুনিয়ে ঈশ্বরের অনেক ক্ষমতার কথা বলে তিনি সবকিছু করতে পারেন অন্যায় পাপকর্ম সবকিছু তিনি মাফ করে দিতে পারেন এসব মিথ্যে বলে তাদের কাছ থেকে অর্থ উপার্জন করার জন্য এসব করা হয় এবং কিছু মানুষ সেটা বিশ্বাস করে কারণ তারা নিজেকে বিশ্বাস করতে পারে না এবং নিজের পাপ কর্ম থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য তারা এসব বানানো গল্পগুলোকে বিশ্বাস করে ।

13/02/2026

অখণ্ড ভারতবর্ষে মাটির ওপরে অথবা মাটির নিচে, যা শিল্প স্থাপত্য বা প্রান্ততাত্ত্বিক যা কিছু পাওয়া যাবে সবই বৌদ্ধের সময়কালের

ইতিহাস পড়ার আগে অবশ্যই বিষয়গুলো মনে রাখা দরকার #ইতিহাস
08/01/2026

ইতিহাস পড়ার আগে অবশ্যই বিষয়গুলো মনে রাখা দরকার

#ইতিহাস

যা শুনলে আপনি চমকে যাবেন 😱• দেবদাসী প্রথা: ব্রাহ্মণদের বানানো নারী শোষণের জঘন্য প্রথা দেবদাসী প্রথা হলো ভারতের একটি প্রা...
05/01/2026

যা শুনলে আপনি চমকে যাবেন 😱
• দেবদাসী প্রথা: ব্রাহ্মণদের বানানো নারী শোষণের জঘন্য প্রথা

দেবদাসী প্রথা হলো ভারতের একটি প্রাচীন সামাজিক-ধর্মীয় প্রথা, যেখানে অল্পবয়সি মেয়েদের কোনো দেবতা বা মন্দিরের সঙ্গে “বিবাহ” দেওয়া হতো। বাইরে থেকে একে ধর্মীয় সেবা বলা হলেও বাস্তবে এটি বহু ক্ষেত্রে নারী শোষণ ও যৌন দাসত্বের রূপ নিয়েছিল।

কারা বেশি শিকার হতো
দরিদ্র পরিবার
দলিত ও পিছিয়ে পড়া জাতির মেয়েরা
ধর্মীয় ভয়, কুসংস্কার ও আর্থিক চাপে পরিবার নিজেরাই মেয়েকে উৎসর্গ করত

প্রথাটি কিভাবে শোষণে রূপ নেয়
দেবদাসীদের বিয়ে করার অধিকার ছিল না
সমাজের ধনী পুরুষ, পুরোহিত ও রাজাদের দ্বারা তারা যৌনভাবে ব্যবহৃত হতো
সন্তান হলে সেই সন্তান সামাজিক স্বীকৃতি পেত না
ধীরে ধীরে এটি বংশানুক্রমিক দাসত্বে পরিণত হয়

ধর্ম বনাম বাস্তবতা
ধর্মের নামে শুরু হলেও
বাস্তবে এটি ছিল পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বৈধ শোষণ ব্যবস্থা
শাস্ত্রে ধর্মকে ব্যবহার করে এই প্রথাকে টিকিয়ে রাখা হয়েছিল।

এই প্রথার বিরুদ্ধে লড়েছেন—
ড. বি. আর. আম্বেদকর ।
জ্যোতিবা ফুলে ও সাবিত্রীবাই ফুলে ।
পেরিয়ার ই ভি রামস্বামী ।
আধুনিক নারীবাদী ও দলিত আন্দোলন ।

আইন ও নিষেধাজ্ঞা
ভারতে দেবদাসী প্রথা এখন আইনত নিষিদ্ধ:
১৯৩৪: বম্বে দেবদাসী প্রথা নিষিদ্ধ আইন
১৯৪৭-এর পর বিভিন্ন রাজ্যে আইন
কর্ণাটক দেবদাসী (নিষেধ) আইন, ১৯৮২
অন্ধ্রপ্রদেশ আইন, ১৯৮৮

#ইতিহাস

প্রত্যেক নারীকে চেনা উচিত সাবিত্রীবাই ফুলে — সামাজিক বিপ্লবের অগ্রদূতউনিশ শতকের ভারতবর্ষ ছিল কুসংস্কার, জাতিভেদ ও নারী ন...
03/01/2026

প্রত্যেক নারীকে চেনা উচিত
সাবিত্রীবাই ফুলে — সামাজিক বিপ্লবের অগ্রদূত

উনিশ শতকের ভারতবর্ষ ছিল কুসংস্কার, জাতিভেদ ও নারী নিপীড়নে ভরা। বিশেষ করে নারী ও শূদ্র–অতিশূদ্র সমাজ শিক্ষার অধিকার থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত ছিল। এই অন্ধকার সময়ে যিনি আলো জ্বালিয়েছিলেন, তিনি হলেন সাবিত্রীবাই ফুলে—ভারতের প্রথম নারী শিক্ষিকা ও এক নির্ভীক সমাজসংস্কারক।
১. নারী শিক্ষার পথিকৃৎ
১৮৪৮ সালে পুনেতে জ্যোতিবা ফুলের সঙ্গে মিলিত হয়ে সাবিত্রীবাই ফুলে ভারতের প্রথম বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
তিনি নিজে পড়ে পড়ে শিক্ষিকা হন
সমাজের বাধা, গালিগালাজ ও আক্রমণ সত্ত্বেও পড়ানো চালিয়ে যান
বিশ্বাস করতেন—
“শিক্ষাই মুক্তির একমাত্র পথ”
নারী শিক্ষার মাধ্যমে তিনি সমাজের ভিত নাড়িয়ে দেন।
২. দলিত ও শূদ্র সমাজের শিক্ষা বিস্তার
সেই সময় দলিত ও শূদ্রদের স্কুলে ঢোকার অধিকার ছিল না। সাবিত্রীবাই ফুলে—
দলিত ও শূদ্র শিশুদের জন্য আলাদা স্কুল চালু করেন
জাতিভেদ প্রথার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেন
শিক্ষাকে সব মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান
এটি ছিল তৎকালীন সমাজের বিরুদ্ধে এক বিপ্লব।
৩. বিধবা নারীদের জন্য সংগ্রাম
বিধবা নারীদের জীবন ছিল অত্যন্ত কষ্টকর ও অসম্মানজনক। সাবিত্রীবাই ফুলে—
বিধবা বিবাহের পক্ষে আন্দোলন করেন
বিধবাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র (Balhatya Pratibandhak Griha) স্থাপন করেন
অবাঞ্ছিত গর্ভধারণের ফলে শিশু হত্যার বিরুদ্ধে কাজ করেন
তিনি বিধবাদের “অপরাধী” নয়, মানুষ হিসেবে দেখতে শেখান।
৪. নারী নির্যাতন ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই
সাবিত্রীবাই ফুলে দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করেন—
বাল্যবিবাহ
সতীপ্রথা
নারীর শিক্ষা নিষেধাজ্ঞা
ব্রাহ্মণ্যবাদী কুসংস্কার
তিনি লেখালেখি ও কবিতার মাধ্যমে সমাজকে প্রশ্ন করতে শেখান।
৫. প্লেগ মহামারিতে মানবসেবা
১৮৯৭ সালে পুনেতে প্লেগ মহামারি দেখা দিলে—
সাবিত্রীবাই ফুলে আক্রান্তদের সেবা করেন
নিজ বাড়ি খুলে দেন রোগীদের জন্য
এক প্লেগ আক্রান্ত শিশুকে কোলে তুলে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই সংক্রমিত হন
এই সেবার ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়
তিনি প্রমাণ করেন—মানবসেবাই শ্রেষ্ঠ ধর্ম।
৬. লেখক ও চিন্তাবিদ হিসেবে ভূমিকা
সাবিত্রীবাই ফুলে ছিলেন একজন কবি ও চিন্তাবিদ।
তাঁর কবিতা নারীর আত্মসম্মান ও মুক্তির কথা বলে
শিক্ষার গুরুত্ব ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে যুক্তি তুলে ধরে
সমাজ পরিবর্তনের অস্ত্র হিসেবে কলম ব্যবহার করেন

সাবিত্রীবাই ফুলে কেবল একজন নারী নন, তিনি ছিলেন এক চলমান বিপ্লব।
তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন—
শিক্ষা ছাড়া মুক্তি নেই
নারী ও দলিতদের বাদ দিয়ে সমাজ উন্নত হতে পারে না
মানবতা ধর্মের ঊর্ধ্বে
আজকের নারী শিক্ষা, দলিত অধিকার ও সামাজিক ন্যায়ের যে ভিত্তি—তার অন্যতম স্থপতি সাবিত্রীবাই ফুলে।

#ইতিহাস

20/12/2025

ভারতবর্ষের বেশিরভাগ পুরনো মন্দির মসজিদ এর নিচে খনন করলে যা পাওয়া যাবে তা সবই বৌদ্ধ ধর্মের স্মৃতিচিহ্ন।

Address

Ranaghat
Kolkata
741501

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iti Katha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share