Kolkata: cults and cricket

Kolkata: cults and cricket I’m starting a journey to rediscover Kolkata through cricket and street stories

জগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম রথ যাত্রার গল্পপ্রথম পর্ব (ভক্তের ভগবান)প্রায় সাড়ে ছয়শো বছর আগের কথা বলছি। হিসেব করলে প্রায় ১...
17/07/2025

জগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম রথ যাত্রার গল্প

প্রথম পর্ব
(ভক্তের ভগবান)

প্রায় সাড়ে ছয়শো বছর আগের কথা বলছি। হিসেব করলে প্রায় ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ। বাংলায় তখন সুলতানী আমল শেষ হয়ে ইলিয়াস শাহী শাসনের শুরু হয়েছে। ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী নামের একজন সাধক গিয়েছিলেন পুরীতে জগন্নাথ দর্শন করতে। তাঁর ইচ্ছে ছিল নিজের হাতে ভোগ রেঁধে মহাপ্রভুকে খাওয়াবেন। সেই মতো তিনি প্রভুর জন্য ভোগ নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করলেন। কিন্ত সেবায়ত এবং দ্বৈতাপতিরা সে ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেবেন কেন?কোথাকার কোন বামুন, নাম নেই ধাম নেই, তাঁর এমন আস্পর্ধা! শ্রীমন্দিরের ছাপ্পান্ন ভোগ ছেড়ে জগন্নাথ নাকি যে সে লোকের হাতে রাঁধা ভোগ খাবেন। মন্দিরের পান্ডারা ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারীকে চরম অপমান করে মন্দির থেকে বের করেদিলেন ।
স্বয়ং ভগবানের স্থানে এসে ভক্ত এতো অপমান সইবে কেন? ধ্রুবানন্দ ভগবানের কাছে এসেছিলেন সামান্য ভোগ গ্রহণের আর্জি নিয়ে। কিন্ত বদলে জুটলো অহেতুক লাঞ্ছনা। জগতের নাথ যিনি সেই মহাপ্রভু জগন্নাথের দুয়ারে যদি এই অন্যায় সহ্য করতে হয়, তবেতো জীবন রাখাই বৃথা। দুঃখে অভিমানে ধ্রুবানন্দ অনাহারে প্রাণত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেন। দুই দিন পেরিয়ে গেল। অসুস্থ হয়ে পড়লেন ধ্রুবানন্দ গোঁসাই। তিন দিনের দিন রাতে ধ্রুবানন্দের এক আশ্চর্য অভিজ্ঞতা হলো।
" ধ্রুবানন্দ, তুমি নাকি ভোগ খাওয়াবে বলে এসেছো। এদিকে নিজেই অনাহারে মরতে বসলে যে।"
ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারীর মাথার সামনে ও কে দাঁড়িয়ে? জগতের সমস্ত আলো যেন ধ্রুবানন্দকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরেছে।
" ধ্রুবানন্দ, তোমার রান্না করা ভোগ খেতেই আমি এলাম। কিন্ত এযে দেখছি তুমি অভিমান করে বসে আছো। আমি তোমার সঙ্গে যাবো বলেই এসেছি।"
চোখ খুললেন না ধ্রুবানন্দ, তিনি জানেন প্রভু জগন্নাথ স্বয়ং আবির্ভূত হয়েছেন ভক্তের মান ভাঙাতে। ধ্রুবানন্দের চোখ বেয়ে জল নামতে থাকলো।

"প্রভু, আপনি আপনার শ্রী মন্দির ,ছাপ্পান্ন ভোগ ছেড়ে এসেছেন আমার মতো একজন তুচ্ছ মানুষের সঙ্গে যাবেন বলে? আপনার ছলনার অন্ত নেই।"

"ভক্তের মনই আমার শ্রীমন্দির ধ্রুবানন্দ। লোক চক্ষুর সামনে যে মন্দির, সেখানে আমি দারুব্রহ্ম। কিন্ত লোক চক্ষুর অন্তরালে, মনের শ্রীমন্দিরে আমিই পূর্ণব্রহ্ম রূপে বাস করছি। সুতরাং শ্রীমন্দির ছেড়ে কোথাও যাওয়ার সাধ্যি নেই আমার।"

কিন্ত ঠাকুর, ব্রহ্মচারী মানুষ আমি, নিজেরই চালচুলো নেই। আপনাকে নিয়ে গিয়ে কোথায় ঠাই দেব? কোথায় পাবো এমন জায়গা যেখানে আপনাকে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।"

" ধ্রুবানন্দ, ভাগীরথীর তীরে এক পুণ্যভূমি আছে। সেখানে আমার জন্যে অপেক্ষা করো। আমি দারু রূপেই তোমায় দর্শন দেব।"

"কিন্ত ঠাকুর, আমি সংসার ত্যাগী সন্যাসী। আমার পরে তোমার সেবা করার জন্যে কাউকে যে রেখে যাবো সে উপায় নেই। আমার অবর্তমানে তোমার ভার কে নেবে ঠাকুর?"

"আমি তোমার হাতে রাঁধা ভোগ খেতে এসেছি গো ধ্রুবানন্দ ঠাকুর। এই জীবনে তোমার দায়িত্ব ওইটুকুই। সময় এলে আমিই স্বয়ং তোমায় দায়িত্ব ভার থেকে মুক্তি দিতে আসবো। ততোদিন তুমি শুধু আমার নির্দেশ টুকু পালন করো।"

ঘুম ভেঙে গেল ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারীর। নাহ, সারা শরীরে কোনো রকম অসুস্থতার ছাপ নেই। বরং তারুণ্য ফিরে পেয়েছেন যেন। ভক্তের হৃদয়ে ভগবানের বাস, এই কথাটা মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছেন। আর সময় নষ্ট করা যাবেনা এক্ষুনি বেরিয়ে পড়তে হবে। কি যেন নাম জায়গাটার? হ্যাঁ,

ভাগীরথী তীরে যেথা নব্য নীলাচল
মাহেশ নামেতে তাঁকে জানেন সকল।।

ফিরে চললেন ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী। এখন তাঁর কাঁধে স্বয়ং মহাপ্রভুর দায়িত্ব। মরার সময় নেই তাঁর।



























ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং প্রাচীন রথযাত্রার গল্প নিয়ে আসছি,,, জয় জগন্নাথ             াব্দীর_রথ
12/07/2025

ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং প্রাচীন রথযাত্রার গল্প নিয়ে আসছি,,,

জয় জগন্নাথ













াব্দীর_রথ

কালনার রাখাল রাজা পর্ব ২(অন্তিম)আগের পর্ব লিংকে : https://www.facebook.com/share/p/16RDyT2tQj/?mibextid=xfxF2i   ইতিমধ্য...
06/07/2025

কালনার রাখাল রাজা

পর্ব ২(অন্তিম)

আগের পর্ব লিংকে : https://www.facebook.com/share/p/16RDyT2tQj/?mibextid=xfxF2i

ইতিমধ্যে রাত হয়ে এসেছে। একটি জঙ্গলের মধ্যে রামকানু গোঁসাই বিশ্রাম নেবেন ঠিক করলেন। গোপীনাথের ভোগের ব্যবস্থাও করতে হবে। এমন সময় পোঁটবার জমিদার গোপাল দাসও সঙ্গীদের নিয়ে মৃগয়া করে ফিরছিলেন। জায়গাটি তাঁর ইজারার মধ্যে ছিল। হঠাৎ নির্জন জঙ্গলে তিনি শুনতে পেলেন কাঁসর ঘণ্টার আওয়াজ। কৌতূহলী হয়ে তিনি আওয়াজের উৎস খুঁজতে রওনা হলেন। ঘটনাস্থলে পৌছে জমিদার দেখলেন এক বৈষ্ণব নিত্যপুজা শেষ করে তাঁর আরাধ্যের জন্য হাঁড়িতে ভোগ রান্না করছেন। জমিদারকে দেখে রামকানু গোঁসাই প্রসাদ গ্রহণের নিমন্ত্রণ জানালেন। জমিদার আতিথেয়তা গ্রহণ করলেও তাঁর মনে সংশয় থেকে যায়, ওইটুকু একটা হাঁড়িতে রান্না করা প্রসাদ, এত লোকের পাতেও পড়ার কথা নয়, পেট ভরানো দূরস্থান। এদিকে ব্রাহ্মণের নিমন্ত্রণ ফেলতেও পারবেন না। অগত্যা সবাইকে নিয়েই তিনি খেতে বসলেন। এদিকে সবাই খাওয়া শেষ করলেও হাঁড়ির প্রসাদ শেষ হলো না। এমন আশ্চর্য কান্ড দেখে জমিদার বুঝলেন এ ব্রাক্ষণ কোনো সাধারণ মানুষ নন। সেই রাতে রামকানু গোস্বামী স্বপ্নে একটি রাখাল ছেলেকে দেখেন। সে বলছে, আমার দর্শন পেতে বৃন্দাবন যাওয়ার প্রয়োজন নেই এখানেই মন্দির বানিয়ে আমার রাখাল রাজা রূপের প্রতিষ্ঠা কর। পাশের যেই ছোট্ট জলাশয়, কাল সেখানে একটা নিমকাঠ ভেসে থাকবে। তুই সেটা নিয়ে পাশের গ্রাম বাগনাপারায় যাবি। সেখানে পাঁচ বছরের একটি ছেলের খোঁজ করিস। তাঁকে দিয়েই আমার বিগ্রহ বানানো হবে। ঘুম ভেঙে গেল রামকানু গোঁসাই এর । তিনি জলাশয়টির দিকে ছুটে গেলেন। সেখানে ভাসতে থাকা নিম কাঠটি দেখে আর কোনো সংশয় রইলো না। তাঁর এত দিনের সাধনা ফলপ্রসূ হয়েছে। প্রভু স্বয়ং তাঁর হাতে প্রতিষ্ঠা পেতে চেয়েছেন। এতো পূণ্য কি করেছিলেন জীবনে ? জমিদারকে ঘটনাটি জানাতে তিনি এক কথায় আশপাশের কিছু জমি এবং নিজের সম্পত্তির অংশ ঠাকুরের মন্দির তৈরি এবং ভোগের জন্য রামকানু গোস্বামীকে দান করলেন। দূরদর্শী জমিদার হয়তো বুঝেছিলেন এনাকে কেন্দ্র করেই এই স্থান মহাপ্রভুর লীলাক্ষেত্র হয়ে উঠবে।
এরপর প্রায় আড়াইশো বছর কেটে গেছে। রাখাল রাজার আগের মন্দিরটি সংস্করণ এবং পুনঃনির্মাণ হয়েছে। রামকানু গোঁসাই এর বংশধররাই মন্দিরের পৌরহিত্য করেন। প্রত্যেক বছর মাঘী পূর্ণিমার তিন দিন আগে ঠাকুরের অঙ্গরাগ করা হয়। মহাদেব ভাস্করের উত্তর পুরুষেরা বংশ পরম্পরায় কাজটি করে আসছেন। অঙ্গরাগের তিনদিন মন্দির বন্ধ থাকে।প্রত্যেকদিন নানা পদের ভোগ দেওয়া হয় মন্দিরে। সাধারন মানুষের জন্যে মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা আছে। এর মূল্য বর্তমানে পঞ্চাশ টাকা। গর্ভমন্দিরের সামনের দিকটা নাটমন্দির। ভক্তরা সেখান থেকে ভগবানের দর্শন পান। নাটমন্দিরের দেওয়ালে ছবি আকারে শ্রীকৃষ্ণের বাল্য জীবনকে তুলে ধরা হয়েছে। মূল মন্দিরটি দোচালা। মন্দিরের পাশের জলাশয়টি, যেখানে নিম কাঠ ভেসেছিল তার নাম রাখা হয়েছে যমুনা। জনশ্রুতি আছে এই মন্দিরের নিচেই নাকি রামকানু গোস্বামী সমাধিস্থ আছেন। জমিদারের নামে গ্রামের নাম হয়েছে গোপালদাশপুর। বর্তমানে এটি কালনা মহকুমার বৈদ্যপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত। তবে মন্দির সংলগ্ন এলাকা এখনও নিরিবিলি। সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষের ছায়াও পড়েনা। স্থানীয়রা বলাবলি করেন সূর্য ডোবার পর অনেক অদ্ভুত ঘটনা ঘটে চলে মন্দির প্রাঙ্গণ জুড়ে। এখনও পর্যন্ত যারা নিষেধ অমান্য করে সেই স্থানে রাত কাটাতে গেছে তাঁরা হয় কেউ জীবিত ফেরেনি নয়তো মুক-বধির অথবা উন্মাদ হয়ে গেছে।
পশ্চিমে সূর্য ঢুলুঢুলু। পিচ বাঁধানো সুন্দর রাস্তা ধরে আমাদের টোটো গাড়িটা ছুটে চলেছে। একটু পরেই চারদিক অন্ধকার করে সন্ধ্যে নামবে। তারপর গাড়ির হেডলাইট ভরসা। আমাদের সবার হাতেই মুড়ি তেলেভাজার ঠোঙ্গা, সাথে আড্ডা। কর্মব্যস্ত কলকাতা থেকে অনেক দূরে, আমরা আছি অতীত এবং এতিহ্যের মেলবন্ধনে তৈরি গ্রাম বৈদ্যপুরে । মনসামঙ্গল অনুযায়ী এই গ্রামেই তীর পেয়েছিল গাঙ্গুরের জলে ভেসে আসা কলার ভেলা। জগৎ গৌরীর কৃপাধন্য এই গ্রামের ইতিহাস শতাব্দী প্রাচীন। সেটা বলা হবে অন্য কোনো লেখায়, অন্যকোন দিনে। আপাতত সর্ষের ক্ষেত আর গোধূলির আকাশ দেখতে দেখতে আমরা চলেছি কালনা স্টেশনের দিকে।

#রাখালরাজারদেশে
#রাখালরাজারগল্প
#বাংলারলোককথা








#লোককথা
#বাংলারগল্প





কালনার রাখাল রাজা পর্ব ১"কোথা দিয়ে আসা হচ্ছে বাবারা?""কলকাতা, মাসিমা""আমরা পাশেই থাকি,,ঘর দোরের কাজ সেরে বিকেলে এসে বসি...
03/07/2025

কালনার রাখাল রাজা

পর্ব ১

"কোথা দিয়ে আসা হচ্ছে বাবারা?"
"কলকাতা, মাসিমা"
"আমরা পাশেই থাকি,,ঘর দোরের কাজ সেরে বিকেলে এসে বসি,, তোমরা ভালো সময় এসেছো,, এরপর তো আর থাকার জো নেইকো।"
"জো নেই কেন?"
"তিনি বের হন যে, তখন কি আর থাকা চলে?"
অনেকটা জায়গা জুড়ে ধু ধু মাঠ, মাঝে বট আর অশ্বত্থ গাছ। ডাল গুলো নুইয়ে পরে ভূমিস্পর্শ করেছে। দেখলে মনে হবে বিশাল একটা দৈত্য মাথা নুইয়ে প্রণাম করছে। উল্টো দিকে রাখাল রাজার মন্দির। আমরা আছি কালনা স্টেশন থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে গোপালদাসপুর গ্রামে, রাখাল রাজার রাজত্বে। গ্রামের বাসিন্দা রাধারাণী বিশ্বাস ভোগ প্রসাদ নিতে মন্দিরে এসেছেন। আমাদের দেখে আলাপ করতে এলেন। তার থেকেই জানতে পারা মন্দিরের নিয়ম কানুন। সন্ধ্যা ছটার পর এই চত্বরে আসা নিষেধ। স্থানীয়দের কাছে এটাই হলো রাখল রাজার অলিখিত হুকুম।
"কে বের হন?"
"যার থানে তোমরা এসেছ বাবা। নাম কি আর মুখে নিতে আছে? বিকেলে তিনি গরু চড়াতে বেরন। আমরা অনেকবার তেনার আওয়াজ পেয়েছি। এইযে মাঠ দেখছো, এখানেই তিনি নৃত্য করেন।"
গায়ে কাঁটা দিল। সামনে বিস্তীর্ণ মাঠ। তার ওদিকে জঙ্গল। গর্ভগৃহে নিম কাঠের তৈরি রাখাল রাজা আমাদের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসছেন। মুখ যেন গ্রামবাংলার সারল্য মাখা। চোখ দুটি দীঘল। বিগ্রহের বর্ণ আকাশী নীল। ডান হাতে ক্ষীরের নাড়ু। বাঁ হাতে লাঠি। হাঁটুর দিক থেকে উঁকি দিচ্ছে দুটো সাদা গাভী। জনশ্রুতি আছে পাঁচ বছরের একটি ছেলে মহাদেব ভাস্কর মূর্তিটি তৈরি করেছিল। রাখাল রাজার এক পাশে অবস্থান করছেন রঘুপতি(রাম)। অপরপাশে বংশিধারী গোপীনাথ। রঘুপতির গায়ের রং সবুজ এবং গোপীনাথ আকাশী নীল। এই গোপীনাথের ভক্ত রামকানু গোঁসাইকেই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ধরা হয়। সময়কাল ১৭৭৫ এর আশেপাশে। বাংলার মসনদে তখন মুর্শিদকুলি খাঁ। রামকানু গোস্বামী নামের এক বাকসিদ্ধ বৈষ্ণব কাটোয়ার খাটুন্দী এলাকায় বাস করতেন। তাঁর কুলদেবতা ছিলেন গোপীনাথ। একদিন তাঁর বাগানের মাধবী ফুলের গাছটা কেউ নষ্ট করে ফেলায় ক্রোধে তিনি অভিশাপ দিয়ে বসেন, যে এই ফুলগাছ নষ্ট করেছে তিন রাতের মধ্যে তার মৃত্যু হবেই। এদিকে রামকানুর ছোট ছেলে রাখাল খেলার ছলে এই অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছে। তিন রাতও পেরোলো না, মারা গেল রাখাল। ক্রোধের বশবর্তী হয়ে কি ভুল যে করে ফেলেছেন, তা এবার রামকানু গোস্বামীর বোধগম্য হলো। তিনি ঠিক করলেন বাকি জীবন কৃষ্ণের পদসেবা করে কাটাবেন। গৃহত্যাগী হয়ে রামকানু রওনা দিলেন বৃন্দাবনের পথে।

#রাখালরাজারদেশে
#লোককথা
#বাংলারগল্প











#কালনা


রাঢ় বাংলার বুকে এবার গপ্পো হলো খোঁজা,,সুয্যি সেথায় ডুবলে পরে আসেন রাখাল রাজা,,তাড়াতাড়ি নিয়ে আসছি, অম্বিকা কালনার রা...
03/07/2025

রাঢ় বাংলার বুকে এবার গপ্পো হলো খোঁজা,,
সুয্যি সেথায় ডুবলে পরে আসেন রাখাল রাজা,,

তাড়াতাড়ি নিয়ে আসছি, অম্বিকা কালনার রাখাল রাজার গল্প ,,


#রাখালরাজা
#রাঢ়বাংলা

বিপত্তারিণী পূজোর কথা   বিদর্ভ নগরে এক রাজা ছিলেন। তাঁর রানী ছিলেন খুব ভক্তিমতী । রাণী নিষ্ঠার সঙ্গে বিপত্তারিণী মা দুর্...
28/06/2025

বিপত্তারিণী পূজোর কথা

বিদর্ভ নগরে এক রাজা ছিলেন। তাঁর রানী ছিলেন খুব ভক্তিমতী । রাণী নিষ্ঠার সঙ্গে বিপত্তারিণী মা দুর্গার পুজো করতেন। রাজা রানীতে মিলে সুখে দিন কাটাচ্ছেন, এমন সময় একটা কাণ্ড হলো।
এক চন্ডালিনী ছিল রাণীর সই। দরকারে রানী চন্ডালিনীকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করতেন। চন্ডালিনীও যারপর নাই কৃতজ্ঞ। সামান্য চন্ডালিনী হয়ে রাণীকে কিছু দেয় এমন কপাল তাঁর কোথায়। রাণী একদিন তাঁর সইয়ের কাছে অদ্ভুত আবদার করলেন। কীরকম?
রানী শুনেছেন গো মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ, কিন্ত কখনোই সেটি চোখে দেখেননি। আজ তাঁর গো মাংস দেখার সাধ হয়েছে, তাই চন্ডালিনীর কাছে আবদার করলেন সে যেন পরেরদিন গোমাংস রেঁধে এনে রানীকে দেখায়। রাণী শুধু দেখবেন, খাবেন না।
যেই কথা সেই কাজ। পরের দিন একটা পাত্রে গোমাংস রান্না করে, চন্ডালিনী গোপনে রাণীকে দিলেন। আড়াল থেকে একজন পেয়াদা যে সবকিছু দেখছে তা ওনারা জানতে পারলেন না।
পেয়াদার মুখে সমস্ত কথা শুনে রাজা তো ভীষণ রেগে গেছেন। তখনি তিনি তরবারি নিয়ে ছুটলেন রানীর কাছে। হয়েছে কী, চন্ডালিনি তো চলে গেছে কিন্ত মাংসের পাত্র রানীর কাছেই আছে। রাজা এসে দেখলেন একটি লাল কাপড়ে ঢাকা পাত্র রানীর ঘরে পরে রয়েছে। তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে রানীকে জিজ্ঞেস করলেন-- " পাত্রে কী রয়েছে দেখাও তাড়াতাড়ি। যদি দেখি আপত্তিকর কিছু, তোমার শিরচ্ছেদ করবো।"
-রাণী পড়েছেন মহা বিপদে। চোখ বন্ধ করে তিনি মা বিপত্তারিণীকে ডাকতে লাগলেন। হঠাৎ কেউ যেন রানীর কানে কানে বললো -" বিপদ কীসের? ও পাত্রে তো ফুল আছে। ঢাকাখানা সরিয়ে দেখ।"
রাণী তখনই পাত্রটি রাজাকে দেখালেন। রাজা রানী দুজনেই দেখলেন পাত্রের ভেতর ফুটে রয়েছে সুন্দর জবা ফুল। মা বিপত্তারিণীর কৃপায় রানী বিপদমুক্ত হলেন। সেই থেকে ব্রতের কথা চারদিকে ছড়িয়ে পড়লো।


#বাংলারলোককথা #ব্রতকথা

বাটিতে কী ? মাংস? উহু গো-মাংস!!ক্রিকেট নিয়ে অনেক হলো, এবার পালা cult এর।রাজা–জমিদারদের যুগ পেরিয়ে, গোটা বিশ্বের সঙ্গে ...
27/06/2025

বাটিতে কী ? মাংস? উহু গো-মাংস!!

ক্রিকেট নিয়ে অনেক হলো, এবার পালা cult এর।
রাজা–জমিদারদের যুগ পেরিয়ে, গোটা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা এখন 5G পিরিয়ডে।
কিন্তু আজও গ্রাম বাংলার ঘরে, শহরের অলিতে গলিতে শোনা যায় শঙ্খের আওয়াজ, মন্দিরের ঘণ্টা ধ্বনি, কিংবা মসজিদের আজান— মনে করিয়ে দেয় আমাদের শিকড়।
আমরা এগোচ্ছি, বদলাচ্ছি, কিন্তু অতীতকে ফেলে যাচ্ছি নাতো?
চলুন, একটু অন্য ঢঙে ঘুরে দেখা যাক বাংলার সেই বিস্তীর্ণ গপ্পো গাঁথার নগরী—
যেখানে আজও বাস করেন মঙ্গলচন্ডি, মাসান বাবা, সত্য পীরেরা…

Kolkata Cults and Cricket-এ শুরু হোক cult এর গল্প। 🎭



রাহুল ঋষভ পার্টনারশিপের জোরে আপাতত ড্রাইভিং সিটে ভারতীয় দল। একটা অসামান্য সেঞ্চুরি এলো কেএল রাহুলের ব্যাট থেকে। সুনীল গ...
24/06/2025

রাহুল ঋষভ পার্টনারশিপের জোরে আপাতত ড্রাইভিং সিটে ভারতীয় দল। একটা অসামান্য সেঞ্চুরি এলো কেএল রাহুলের ব্যাট থেকে। সুনীল গাভাস্কারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় ওপেনার হিসেবে ১০০০ রানের মাইল ফলক ছুঁলেন রাহুল। কিন্তু এই কৃতিত্বকে ছাপিয়ে, চর্চায় থাকতে চলেছেন ঋষভ পন্থ। লিডস টেস্টের দুটি ইনিংসেই একশো পার। জিম্বাবুয়ের অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের পরে টেস্ট ইতিহাসের দ্বিতীয় উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে দু্ই ইনিংসেই একশো করলেন ঋষভ পন্থ। একই সঙ্গে তৈরি হলো নতুন রেকর্ড। একটাই ম্যাচে দুটো ইনিংস মিলিয়ে মোট পাঁচটি সেঞ্চুরি করা প্রথম দল ভারত। তাল মিলিয়ে অব্যাহত লোয়ার অর্ডার কলাপস। প্রথম ইনিংসে ৪০ রাণে সাত উইকেট হারিয়ে ভারতের স্কোরবোর্ড থমকে গেছিল ৪৭১ এ। ব্যতিক্রম হয়নি এবারেও । শেষ পাঁচ উইকেটে ভারতের স্কোরবোর্ড মোটে তিরিশ রান এগিয়েছে। পর্বতের মূষিক প্রসব। ভারতীয় দর্শকদের কাছে এদৃশ্য নতুন কিছু নয়। লোয়ার অর্ডার থেকে ব্যাটিং কন্ট্রিবিউশন, আমাদের জন্য অলীক স্বপ্ন। স্টার্ক, কামিন্স, ওকসদের হিংসে করাটা স্বাভাবিক। লিডস টেস্টের ভাগ্য নির্ধারণ হবে পঞ্চম দিনে। তিন রকম ফলাফলই সম্ভব। ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ৩৫০ রান। ভারতের চাই দশ উইকেট। রাফ থেকে টার্ন পেলে জাদেজাও ভয়ানক হতে পারেন। জসপ্রীত বুমরাহর মাহাত্ম্য আর নাইবা বললাম। কিন্ত সিরাজদের কাছে নায়ক হওয়ার এটা আপাতত শেষ সূযোগ। বুমরাহর একাধিপত্য থেকে বেরোতে দরকার এখন একটা মিয়া ম্যাজিকের।

বাজবল বনাম বুমরাহ চেঁচিয়ে বলে, "ফাঁদ পেতেছ ? জগাই কি তায় পড়ে ?সাত–জার্মান, জগাই একা, তবুও জগাই লড়ে ।"লড়াই ক্ষ্যাপা কবিত...
22/06/2025

বাজবল বনাম বুমরাহ

চেঁচিয়ে বলে, "ফাঁদ পেতেছ ? জগাই কি তায় পড়ে ?
সাত–জার্মান, জগাই একা, তবুও জগাই লড়ে ।"
লড়াই ক্ষ্যাপা কবিতার বিখ্যাত দুটো লাইন। ভারতের বোলিং দেখতে গিয়ে বার বার মাথায় এসেছে,বুমরাহ কি একাই লড়ছেন? প্লেয়িং ইলেভেনে পাঁচজন বোলিং অপশন, ব্যতিক্রমী শুধু বুমরাহ। যারা খেলাটা মোটামুটি ফলো করেন, তাদের সিরাজকে নিয়ে একটা প্রত্যাশা থাকার কথা। বুমরাহ না থাকা সত্ত্বেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্কোয়াডে তাঁর জায়গা হয়নি। এই টেস্টই তো বদলা নেওয়ার আদর্শ মঞ্চ । বদলে দেখা গেল তাঁর আউটসাইড অফ স্ট্যাম্প ডেলিভারি গুলোতে স্রেফ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাউন্ডারি হাঁকাচ্ছেন হ্যারি ব্রুক। এই হলো ৩৬ টা টেষ্ট খেলার অভিজ্ঞতা। ক্রিস ওকসের সামনেও অসহায়তা ফুটে উঠল চোখ মুখে। আইপিএল প্রসিদ্ধ প্রসিধ কৃষ্ণা পেয়েছন তিনটি উইকেট। কিন্ত কুড়ি ওভার বল করার পরে ইকোনমি রেট 6.4। দেখলে ছ্যাঁকা লাগবে। বাজ বলের রোলারে পিষে গিয়েছেন দুজনে। এই সব কিছুর মধ্যে শার্দুল ঠাকুরের ভূমিকাও গোলমেলে। আপনি যাকে চতুর্থ পেস বোলার হিসেবে দলে নিয়েছেন তাঁকে দিয়ে করালেন মাত্র ছয় ওভার। ফলাফল , 471 রাণের পাহাড় ইংল্যাণ্ড চড়ে ফেললো একশো ওভারে। মাঝে বুমরাহ না থাকলে আজ ভারতীয় দল লিডের রাণ শোধ করার সুযোগ পেতো কিনা সন্দেহ। আপাতত ভারতের স্কোর 90-2, সঙ্গে ছয় রাণের লিড। ব্যাট হাতে রাহুল আরো একবার অতুলনীয় খেলছেন। আশা করবো কাল একটা বড়সড় ইনিং উপহার দেবেন। নিজের বারো নম্বর ফাইফারটি নিয়ে আজকের হিরো জসপ্রীত বুমরাহ।



দিন শেষে ভারতের স্কোর 359, ঝুলিতে আছে সাত উইকেট। একেই বলে ঘরে ঢুকে দাদাগিরি দেখানো। আদ্যোপান্ত ডমিনেশন। লাঞ্চের আগের দুট...
20/06/2025

দিন শেষে ভারতের স্কোর 359, ঝুলিতে আছে সাত উইকেট। একেই বলে ঘরে ঢুকে দাদাগিরি দেখানো। আদ্যোপান্ত ডমিনেশন। লাঞ্চের আগের দুটো ওভার বাদ দিলে, ঘরোয়া টিমকে কোনো সমীকরণেই থাকতে দেয়নি জয়শ্বাল গিলরা। শেষে পন্থের ঝোড়ো ব্যাটিং, সমস্ত প্রশ্ন চিহ্নে দাড়ি টানার জন্য যথেষ্ট। কিন্ত প্রশ্নবানে বিদ্ধ হতে চলেছেন বেন স্টোকস। আজ তাঁর শুরুটা যদিও টসে জিতে হয়েছিল। কিন্ত ফায়দা লুটেছে প্রতিপক্ষ। একটা ড্রাই উইকেটে ,অপেক্ষাকৃত গরম আবহাওয়ায় তিনি বিরোধী দলকে নেমন্তন্ন করলেন ব্যাটিং করতে । 2002 সালে এই মাঠে প্রথম ব্যাটিং করে ইন্ডিয়া তুলেছিল 628 রান। কন্ডিশনও ছিল আজকের মতোই। সেঞ্চুরি করেছিলেন শচিন, সৌরভ এবং দ্রাবিড়। সেসব ইতিহাস স্টোকস পড়েননি । তাঁর মাথায় চলছিল 2021 সালে ভারতের ব্যাটিং বিপর্যয়। তাই কি উত্তেজনায় আকাশের দিকে তাকাতেই ভুলে গেলেন? ইংল্যান্ড বোলিংও করেছে তেমনি। কে বলবে এটা ওদের হোম গ্রাউন্ড। মন্দের ভালো বেন স্টোকস নিজে। দুটো উইকেট নিয়ে নিজের স্ট্যাটিসটিক্সটা ঠিক রেখেছেন। যাকগে, অতো দেখে কাজ নেই। 550+ রান উঠুক তারপর বৃষ্টি নামুক। বল হাতে বুমরাহর কাম ব্যাকটা হবে দেখার মতো।















Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kolkata: cults and cricket posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category