10/09/2026
ভাই..!এই সরকারের নেওয়া শত শত সিদ্ধান্তের মধ্যে এটি নিঃসন্দেহে অন্যতম সেরা এবং সবচেয়ে যুগোপযোগী একটা মাস্টারস্ট্রোক! 🫡
দেশের বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক আর তথাকথিত ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামের ক- সাইখানাগুলো সাধারণ মানুষের র* ক্ত কীভাবে চুষে খায় সেটা কারোর অজানা নয়।
একটা সাধারণ জ্বর বা ওয়ান-নাইট অ্যাডমিশনেও মানুষের ঘাড় ভেঙে লাখ টাকার ভুতুড়ে বিল ধরিয়ে দেওয়া হয়। চিকিৎসার নামে এই যে প্রকাশ্য ডা- কাতি আর মনগড়া বিলের মহোৎসব চলতো সেটার বুকে এবার সরাসরি লা*
থি মারতে যাচ্ছে সরকার!
জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন একদম কড়া ভাষায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন,খেয়ালখুশি মতো বিল রোগীর ঘাড়ে চাপানোর দিন এবার অফিশিয়ালি শেষ....!
এখন থেকে সরকারি ভাবে হাসপাতালের ক্যাপাসিটি আর সেবার মান অনুযায়ী ক্যাটাগরি ফিক্সড করে দেওয়া হবে। এ গ্রেডের চার্জ এক রকম হবে, তো সি গ্রেডের চার্জ হবে সীমিত। কোন টেস্ট বা কোন বেড ভাড়ার সর্বোচ্চ কত টাকা চার্জ করা যাবে, সেটাও সরকার সরাসরি বেঁধে দেবে।
চিকিৎসা আধুনিক হয়েছে, খরচ বদলেছে তাই ৪৪ বছরের পুরোনো ব্যাকডেটেড আইন সংশোধন করে একদম আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হচ্ছে।
প্রত্যেকটা ক্লিনিক-হাসপাতালে প্রাইস লিস্ট একদম মানুষের চোখের সামনে টাঙিয়ে রাখতে হবে। কোনো হিডেন চার্জ চলবে না। প্রত্যেকটা হাসপাতালকে তাদের সেবামূল্যের ফুল প্রাইস লিস্ট একদম প্রকাশ্য জায়গায় বড় বড় অক্ষরে টাঙিয়ে রাখতে হবে। রোগীদের প্রপার ক্যাশ মেমো বা রসিদ দেওয়া বাধ্যতামূলক। নির্ধারিত রেটের চেয়ে এক টাকাও যদি কেউ বেশি লুটে নেয়, অভিযোগ পাওয়া মাত্রই সরাসরি মোটা অঙ্কের জরিমানা এবং লাইসেন্স চিরতরে বাতিল!👍
উদ্যোগটা নিঃসন্দেহে ১০ এ ১০ পাওয়ার মতো। সরকারের এই সিদ্ধান্ত যদি মাঠপর্যায়ে শতভাগ কড়াভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে দেশের স্বাস্থ্য খাতে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় মুক্তি মিলবে।
এবার আমাদের একটাই দাবি, সিন্ডিকেট ও দালালদের পার না দিয়ে মাঠপর্যায়ে এই আইন যেন একদম জিরো টলারেন্সে ও কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়।
আপনার কী মনে হয়, সিন্ডিকেট ভেঙে এই আইন কি প্রপারলি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে? আর এই উদ্দেগ্যটাও কেমন লাগলো???