15/06/2019
বাজে-ট ... !! 👍
৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি...
গতকাল প্রকাশিত আমাদের জাতীয় বাজেট ! যে বাজেট প্রকাশ করতে ২/৩ জন হিমশিম খেয়েছেন,,🧟♂ যেখানে ঘাটতি ১ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা, আর যে ঘাটতি পূরনের খাত হিসেবে দেখানো হয়েছে চড়া সুদের দেশি-বিদেশি ব্যাংক ঋন !
উক্ত বাজেটের ৩ লাখ ৮১ হাজার কোটি টাকা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে এনবিআরের কাধে। এই এনবিআরের সামনে এখন ডাকাতি ছাড়া কোন পথ খোলা নেই। যেখানে মাথা পিছু গড় আয় দেখানো হয়েছে ২১০০ ডলার, সেখানে মানুষের আয়ের ক্ষেত্রে সমতার কথা কিছুই বলা হয়নি৷
উচ্চবিলাসী এই বাজেটের সবচেয়ে আলোচিত দিক হল সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি ! যেখানে মোবাইল কল রেট পূনরায় বৃদ্ধি করে ৫ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশ, স্মার্ট ফোন ১০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ, আর সিমের উপরে শতভাগ সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে !
আমরা জানি, যেসব পন্যকে নিরুতসাহিত করা হয়, যেমন- তামাক, সিগারেট এসব পন্যের উপর বার বার সম্পূরক শুল্কারোপ করা যায়। কিন্তু যে মোবাইল খাতের সাথে দেশের কোটি কোটি আপামর প্রান্তিক জনগোষ্ঠী জড়িত, তাদের বুকে ছুড়ি চালিয়ে, তাদের পকেট ছিড়ে কিভাবে উন্নয়ন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া কতটা সম্ভব তা আমার কাছে মোটেও বোধগম্য নয়।
আধুনিক সভ্যতায় উন্নয়নের প্রথম শর্ত হল প্রযুক্তিগত উন্নয়ন। সেই প্রযুক্তিকে পেছন থেকে টেনে ধরে কিভাবে ডিজিটাল দেশ গড়া যায় তা সত্যিই হাস্যকর। এটা সরকারের ইশতিহারের সাথে সাংঘর্ষিক, স্ববিরোধী! সম্পূরক শুল্কারোপের জন্য দেশে আরও অনেক অনেক খাত ছিল,,, নিসন্দেহে এ বাজেট প্রস্তাবের ক্ষেত্রে মেয়াদউত্তীর্ন গাজাঁর প্রভাব থাকতে পারে,,, এভাবে ১৭ কোটি মানুষের পকেট ছিড়ে উন্নয়ন হয়না রে পাগলা 🤡....
অপরক্ষে এই ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার উচ্চবিলাসী বাজেটে মানুষের বেচেঁ থাকার, টিকে থাকার অপর নাম নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানোর বিষয়ে কোন আওয়াজ করা হয়নি। জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রনালয় আবার গ্যাসের দাম বাড়ানোর পায়তারা করছে,,, আর বিদ্যুৎ নিয়ে তো সরকার নির্লজ্জ একচেটিয়া ব্যাবসা করছে! ইতিমধ্যে সুপরিকল্পিত ভাবে মোবাইল কলরেটের কোমড় ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে,,,,!!
মোটা অংকের বাজেট দিয়েই কি সামগ্রিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা সম্ভব? যে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে বার বারই প্রশ্ন থেকে যায়.! সরকার পার্লামেন্টে উচ্চবিলাসী এক বাজেট প্রনয়ন ও বাস্তবায়নের স্বপ্নে বিভোর, তাই পার্লামেন্টের ভেতরের দৃশ্যটা খুবই সুন্দর, মধুর এবং একমূখী তৈলবাজিতে পরিপূর্ন।
কিন্তু বাস্তবতা বলে পার্লামেন্টের বাহিরের দৃশ্য গুলো খুবই অসুন্দর, তিক্ত, অস্বস্থিকর। চট্টগ্রামে পুলিশের এস আই আব্দুল কুদ্দুস ইয়াবার বস্তা নিয়ে ধরা খেয়েছে,,,! দূর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তার বিরোদ্ধেই দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে,,,! যা জাতির জন্য এক অশনিসংকেত !
স্বরাষ্ট মন্ত্রনালয় ওসি মোয়াজ্জেমকে ধরতে পারছে না, যে মোয়াজ্জেম নুসরাত হত্যাকান্ডের অন্যতম মদতদাতা ও সহযোগিতাকারী,,,
আমরা জানি পুলিশ জনগনের রক্ষক, তারা এখন ভক্ষকে পরিনত হয়েছে,,, আদালতের চার্জশিটভুক্ত ও পিবিআইয়ের তদন্ত চলাকালীন একজন পুলিশ কর্মকর্তা পলাতক হয় কি করে? এটা এখন কোটি টাকার প্রশ্ন !!! বিশ্বের অষ্টম আশ্চর্যও বলতে পারেন...
আগুন নিয়ে যেসব খিলাড়ি রোজ খেলা করে,
তাদের অন্তত একটি বিষয়ে ভয় থাকা উচিৎ,
যে এই আগুন যেকোন সময় হাতের কব্জিতে লেগে যেতে পারে ! পরবর্তীতে কব্জি থেকে বিস্তার ঘটতে পারে সমস্ত দেহে !!!
Adora valobaser golpo
একটি প্রতিবাদী কন্ঠস্বর