Frame by Gazi

Frame by Gazi Passionate about inspiring minds, creating impactful content, and leading positive change. Sharing thoughts, stories, and creativity through engaging content.

Writing, creating, and exploring ideas—one post at a time

09/05/2026

প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক তাঁর বইয়ের চৌম্বক অধ্যায় "The Mind Of The Educated Middle Class In India" তে শুরুতেই যে লাইনটি লিখছেন তা হলো: "It is an admitted fact that most political movements in India have been initiated by the educated middle class. The records of the movements are the records of what it thought, what it said, and what it did."

অর্থাৎ, " এ এক স্বীকৃত সত্য যে, ভারতের অধিকাংশ রাজনৈতিক আন্দোলনের সূচনা হয়েছে শিক্ষিত মধ্যবিত্তের হাত ধরে। তাদের ভাবনাচিন্তা, কথাবার্তা এবং কর্মকাণ্ডের নথিপত্রই আন্দোলনের নথিপত্র হিসাবে বিদ্যমান আছে।"

এর তিন লাইন নিচে গিয়ে বলেন, "if we try to understand the nature of the political movements, we must examine the true relations of the middle class with the foreign government and also the substance of education the class was receiving."

অর্থাৎ, "আমরা যদি রাজনৈতিক আন্দোলনগুলোর প্রকৃতি বুঝতে চাই, তাহলে মধ্যবিত্তের সাথে ভিনদেশি সরকারের সম্পর্ক প্রকৃতপক্ষে কেমন ছিল, আর এ শ্রেণিটি কোন ধরনের শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছিল, তার বিচার-বিশ্লেষণ আবশ্যক।"

কেননা, কেবল এ শিক্ষার দৌলতেই মধ্যবিত্ত 'শিক্ষিত মধ্যবিত্ত' হয়ে উঠতে পেরেছিল, এবং এ শিক্ষার দোহাই দিয়েই নিজেদের নেতৃত্বের দাবি জায়েজ করেছিল।

|| ০৫/১১/২০২৫ ||

#দেশভাগের_পড়াশোনা

নির্বাচনের আগে প্রান্তীক মানুষদের কাছে তারেক রহমানের  ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘কৃষক কার্ড’ প্রতিশ্রুতি দুইটি সবচেয়ে ভাইটাল ...
14/04/2026

নির্বাচনের আগে প্রান্তীক মানুষদের কাছে তারেক রহমানের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘কৃষক কার্ড’ প্রতিশ্রুতি দুইটি সবচেয়ে ভাইটাল রোল প্লে করেছিল ভোট টানবার ক্ষেত্রে।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ১ মাসের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ইমপ্লিমেন্ট করতে শুরু করেছিলেন আজকে ২ মাসের মাথাতে পহেলা বৈশাখের দিন কৃষক কার্ডও ইমপ্লিমেন্ট শুরু করে দিলেন।

আজকে প্রি-পাইলটিং প্রোগ্রামে সারাদেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ৫ শ্রেণির কৃষকেরা এই সুবিধা পেয়েছেন, পর্যায়ক্রমে দেশের ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষক/কৃষাণীকে এই সুবিধার মধ্যে নিয়ে আসা হবে। সকলের তথ্য কৃষি মিনিস্ট্রি সংরক্ষণ করছে।

শুধু কী কৃষকরাই এই কার্ড সুবিধা পাবেন? না। মৎস্যজীবী,
হাঁস-মুরগি খামারি, দুগ্ধখামারী ও লবণচাষীরাও এ সুবিধা পাবেন। কার্ডপ্রাপ্ত কৃষকেরা যেসব সুবিধা পাবেন-

তাদের সোনালী ব্যাংকের একাউন্টে বাৎসরিক ২৫০০ টাকা প্রণোদনা দেবে সরকার।

কৃষকদের সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করে দেয়ার কমিটমেন্ট দিয়েছিলেন তারেক রহমান। সেটি তিনি ১ সপ্তাহের মধ্যে করেছেন। ১২ লাখ কৃষকের সরকারি বাণিজ্যিক, বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা মওকুফ করে দিলেন।

সামনে কৃষিকাজের জন্য কার্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে ঋণ নিতে পারবেন।

সরকার সরবরাহ করা সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছে থেকে POS বা Point of sale মেশিন ব্যবহার করে সার, বীজ, মৎস্য ও প্রাণি খাদ্যসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ ক্রয় করতে পারবেন।

ন্যায্য মূল্যে সেচ সুবিধা পাবেন। সরকার থেকে মনিটরিংয়ে স্বল্প মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতিও কিনতে পারবেন।

প্রতি বছরই অনেক কৃষকেরা ফসলে ক্ষতিগ্রস্ত হন শুধুমাত্র আবহাওয়া সম্পর্কে জানতে না-পেরে সেই অনুযায়ী তাদের ফসল ফলন বা ব্যবস্থাপনা না করবার কারণে৷ এখন থেকে সরকার তাদের মোবাইলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য সবসময় আপডেটেড জানাবে।

নিয়মিত ফ্রীতে কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ পাবেন কৃষকেরা। সব ধরনের ফসল ফলন থেকে উৎপাদন প্রক্রিয়া বিষয়ে নানান ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচী চালু করা হবে।

ফসলের রোগ-বালাই দমনে কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ পাবেন।

কৃষি বিমা সুবিধা পাবেন। এবং উৎপাদিত পণ্য ন্যায্য মূল্যে সরকারিভাবে আবার বিক্রয়ের সুবিধাও পাবেন।

আজকে সারাদেশে ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষক/কৃষাণী কার্ড পেয়েছেন প্রি-পাইলটিংয়ে। তথ্য কালেক্ট ও বাছাই প্রক্রিয়া, এ পুরো কর্মযজ্ঞে স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীদেরকে ইনভলভ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল স্বচ্ছতার জন্য। গ্রেট স্টার্ট।

ব্যাংকিং ব্যবস্থা কি ধ্বংসের মুখে? জেনে নিন সতর্কবার্তা! ⚠️🏦​সম্প্রতি নাথান রথচাইল্ডের (প্যারোডি অ্যাকাউন্ট হলেও যার তথ্...
14/04/2026

ব্যাংকিং ব্যবস্থা কি ধ্বংসের মুখে? জেনে নিন সতর্কবার্তা! ⚠️🏦
​সম্প্রতি নাথান রথচাইল্ডের (প্যারোডি অ্যাকাউন্ট হলেও যার তথ্যগুলো বেশ চাঞ্চল্যকর) কিছু টুইট বিশ্ব অর্থনীতিতে গুঞ্জন সৃষ্টি করেছে। গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আমাদের ভাবিয়ে তুলছে:
​মুদ্রা ব্যবস্থার পরিবর্তন: বর্তমান মানিটারি সিস্টেমের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
​ডিজিটাল রূপান্তর: প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা ব্লকচেইন ও ডিজিটাল সিস্টেমে স্থানান্তরিত হবে।
​আর্থিক ক্ষতি: মার্কিন ব্যাংকগুলো বিশাল অংকের ক্ষতির সম্মুখীন, যা ভবিষ্যতের বড় সংকটের ইঙ্গিত।
​কেন আপনি সতর্ক হবেন?
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং সারের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় বিশ্বজুড়ে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে জুন-জুলাই নাগাদ খাদ্যদ্রব্যের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে। মানুষ যখন বাড়তি খরচের জন্য ব্যাংক থেকে গণহারে টাকা তুলবে, তখন ব্যাংকগুলো নগদ টাকার সংকটে পড়বে এবং মুদ্রাস্ফীতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।
​আপনার করণীয় কী? 🛡️
​স্থায়ী সম্পদ: শুধু ব্যাংকে টাকা না রেখে সোনা, রূপা বা জমিতে বিনিয়োগ করুন। মোট অর্থের ১৫-২০% সোনা-রূপায় রাখতে পারেন।
​ফার্মিং বা কৃষি: নিজের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ছোট পরিসরে হলেও গবাদি পশু (গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি) বা সবজি চাষ শুরু করুন। এটি আপনাকে কঠিন সময়ে খাদ্যের পাশাপাশি নগদ অর্থের জোগান দেবে।
​নগদ অর্থ: জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত নগদ টাকা হাতের কাছে রাখুন।
​সময় থাকতে সতর্ক হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। পরিবর্তিত পরিস্থিতির জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখুন।
​ #টাকা #দোয়া

14/04/2026

বাঙালি মুসলমান হয়েছে আটশো বছর আগে। তার আগে ছিলো হিন্দু। এর আগে ছিলো বৌদ্ধ। শুরুতে ছিলো অনার্য তথা দ্রাবিড়। এই দ্রাবিড়রা ছিলো মূলত 'বাঙালি।'

বাঙালি বহুবার রাষ্ট্র বদল করেছে। শুরুতে রাষ্ট্র ছিলো না, কোন সাম্রাজ্যেও ছিলো না। ছিলো স্বাধীন। সে স্বাধীন-অনার্য বাঙালিকে প্রথমে আর্যরা এসে পৌত্তলিক ধর্মে অন্তর্ভুক্ত করে। তার বহু পরে সম্রাট অশোক বাঙালিকে বৌদ্ধ বানিয়ে নিজের সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করে নতুন এক আইডেন্টিটি দিয়েছেন। তারপর হিন্দু রাজারা তাদের হিন্দু রাজত্বের আওতাভুক্ত করে তাদেরকে হিন্দু আইডেন্টিটি জুড়ে দিয়েছেন। সবশেষে বখতিয়ার খলজির বাংলা জয়ের পর বাঙালির বৃহৎ অংশ মুসলমান হয়ে ওঠেছে।

এরই মধ্যে বাঙালির রাষ্ট্র বদল ঘটেছে কয়েকবার। শুরুতে বৌদ্ধ-হিন্দু বিভিন্ন সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত থেকে পরবর্তীতে বাঙালি ব্রিটিশ-ভারতীয় অন্তর্ভুক্ত হয়ে, তারপর পাকিস্তান নামক একটি রাষ্ট্রের মধ্যে চব্বিশ বছর থেকে এখন 'বাংলাদেশে' আছে। কিন্তু বাংলাদেশে আবার সমগ্র বাঙালি নেই। বাঙালির একাংশ এখানে, আরেকাংশ এখনো ভারত রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত হয়ে বসবাস করতেছে।

বাঙালি বৌদ্ধ হওয়ার পর বাঙালির প্রধান উৎসব ছিলো 'বুদ্ধ পূর্ণিমা', হিন্দু হওয়ার পর প্রধান উৎসব ছিলো 'দূর্গা পূজা' মুসলমান হওয়ার পর প্রধান উৎসব হয়েছে 'ঈদুল ফিতর।' এদিকে বাঙালি কখনো ভারতের স্বাধীনতা দিবস, কখনো পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন করে এসেছে, সবশেষ বাঙালির একাংশ এখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালন করে। এগুলো সবই পরিবর্তিত, বিবর্তিত, রুপান্তরিত হয়েছে, হচ্ছে।

বাঙালির ধর্ম পরিচয়, রাষ্ট্র পরিচয়ের সাথে বাঙালির সকল পরিচয় পরিবর্তন হয়ে যায়। কিন্তু বাঙালির একটি পরিচয় অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, সেটি হলো, বাঙালিয়ানা ( বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য, বাংলা সুর-সংগীত, বাংলার ভাত-মাছ, বাংলার নদ-নদী, বাংলার নর-নারী, বাংলার শাড়ী-লুঙ্গি-পাঞ্জাবি, বাংলার পশুপাখি, জলাজঙ্গল, বাঁশির সুর, ধান, পাট, বক, চিল, টেপা পুতুল, পেঁচা, ময়ূরের পেখম, আকাশ-বাতাস, দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠ, শিশুর সতেজ হাসি, সবুজের সমারোহ)

এই বাঙালিয়ানা বিবর্তিত হয়েছে। বহুকিছু বিলুপ্ত হয়েছে। বহু কিছু যুক্ত হয়েছে। কিন্তু বাংলা ভাষা হারায়নি, বাংলা সংগীত-সুর আর বাংলার সবুজ হারায়নি। এই বাংলা সংগীত, সুর আর সবুজের নীড়ে বারবার রচিত হবে-

'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।'

সবাইকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

বোমার্ডিয়ার বিটল (Bombardier Beetle) প্রকৃতির একটি অসাধারণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উদাহরণ।এই পোকাটি তার শরীরের ভেতরে দুটি ...
05/04/2026

বোমার্ডিয়ার বিটল (Bombardier Beetle) প্রকৃতির একটি অসাধারণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উদাহরণ।

এই পোকাটি তার শরীরের ভেতরে দুটি আলাদা রাসায়নিক (হাইড্রোকুইনোন ও হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড) সংরক্ষণ করে। বিপদের সময় এগুলো বিশেষ চেম্বারে মিশে তীব্র রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়, যার ফলে প্রায় ১০০°C তাপমাত্রার গরম স্প্রে তৈরি হয়।

এই স্প্রে শত্রুর দিকে দ্রুত নিক্ষেপ করা হয়, যা শিকারীকে ভয় পাইয়ে দূরে সরিয়ে দেয়। পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়, যাতে পোকাটি নিজে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

প্রকৃতির এই “কেমিক্যাল ডিফেন্স সিস্টেম” বিজ্ঞানীদের কাছেও বিস্ময়কর একটি উদাহরণ।

তেলবাহী জাহাজ: ভিতরে কী থাকে জানেন?এই বিশাল জাহাজটা আসলে এক চলমান তেলের ভাণ্ডার! সুপারস্ট্রাকচার ও এন্টেনা: জাহাজের কন্ট...
05/04/2026

তেলবাহী জাহাজ: ভিতরে কী থাকে জানেন?

এই বিশাল জাহাজটা আসলে এক চলমান তেলের ভাণ্ডার!

সুপারস্ট্রাকচার ও এন্টেনা:
জাহাজের কন্ট্রোল সেন্টার বা নেভিগেশনাল ব্রিজ।

ইঞ্জিন রুম ও ফানেল:
জাহাজের মূল চালিকাশক্তি এবং ধোঁয়া নির্গমনের পথ।

কার্গো তেল ট্যাঙ্ক:
যেখানে নিরাপদে বিপুল পরিমাণ তেল মজুত থাকে।

ডেক ক্রেন:
মালামাল ও ভারী যন্ত্রপাতি ওঠানামা করার যন্ত্র।

ডাবল বটম:
সমুদ্র দূষণ রোধে ব্যবহৃত আধুনিক দ্বৈত নিরাপত্তা স্তর।

পিক ও ফোরপিক ট্যাঙ্ক:
জাহাজের ভারসাম্য বা ব্যালেন্স বজায় রাখার বিশেষ ট্যাঙ্ক।

তেলবাহী জাহাজ হলো চলমান এক বিশাল “তেলের ভাণ্ডার”, যেখানে প্রযুক্তি, নিরাপত্তা এবং শক্তি—সবকিছু একসাথে কাজ করে।

আপনার কি মনে হয়—বাংলাদেশে এমন বড় ট্যাংকার পরিচালনা আরও বাড়ানো উচিত? মন্তব্যে জানাতে পারেন!

31/03/2026

ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালটি হতে যাচ্ছে দুর্যোগের বছর। বলা হচ্ছে, এবছরে ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

১.
বিশ্ব পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে যুদ্ধ-সংঘাতের প্রভাব থেকে আমরা আলাদা থাকতে পারব—এমনটা ভাবার সুযোগ নেই। এর প্রভাব ধীরে ধীরে আমাদের অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করেছে। তেল, জ্বালানি, বিদ্যুৎ—এই জায়গাগুলোতেই ভোগান্তি বেশি হওয়ার আশঙ্কা আছে। আমদানি-রপ্তানিতেও প্রভাব পড়বে।
সব মিলিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন—সবখানেই এর চাপ দেখা দিবে।

২.
প্রাকৃতিক দুর্যোগও এবছর বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বছরের শুরুতেই আগাম ঝড়-বৃষ্টি বলে দিচ্ছে, এবছরের আবহাওয়া মোটেও স্বাভাবিক থাকবে না। গবেষকরা ধারণা করছেন, বিগত বছরের তুলনায় এ বছর বৃষ্টিপাত বেশি হতে পারে। ফলে, বন্যা কবলিত হতে পারে বিভিন্ন অঞ্চল। বিশেষ করে সিলেট, সুনামগঞ্জ আর দক্ষিণাঞ্চলের কিছু এলাকা আবারও পানির নিচে চলে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

৩.
এর সঙ্গে আছে আরেকটা বাস্তবতা—নতুন সরকার, নতুন মানুষ, নতুন পদ্ধতি। সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার এই সময়টা নিজেই একটা চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ কতটা সামাল দেওয়া যাবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। যদি সরকার ঠিকভাবে সামলাতে না পারে, তাহলে বাকি সমস্যাগুলো আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে।

এই সবকিছু মিলিয়ে মনে হচ্ছে সামনের সময়টা একটু বেশিই কঠিন হতে যাচ্ছে। আল্লাহ আমাদের সহায় হন।
প্রাকৃতিক বিপদ, অস্থিরতা আর সব ধরনের সংকট থেকে আমাদের হেফাজত করুন।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা, এই সময়টায় বেশি বেশি তাওবা করুন। ইস্তেগফার ও দুরুদের আমল জারি রাখুন।

25/03/2026

বিভিন্ন পত্রিকায় দেখছি শিরোনাম করেছে

- যে কোন সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো!

সরকারের উচিত হবে এখনই বিষয়টা পরিষ্কার করা। এখানে লুকোচুরির কিছু নেই। এটি শুধু বাংলাদেশের সমস্যা না। পুরো পৃথিবীর সমস্যা। ইংল্যান্ডের সরকার তো আজকে কোবরা মিটিং ডেকেছে। ইউরোপেও একই অবস্থা।

ইরান যুদ্ধ প্রায় এক মাস ধরে চলছে। আর আজ সকালে এর মাঝেই অ্যামেরিকা ইরানের বিভিন্ন জায়গায় হামলা করেছে (এই বিষয়ে রাতে সময় পেলে বিস্তারিত লিখবো।) এই হামলা যদি ইরানের কোন এনার্জি সেক্টরে হয়ে থাকে, তাহলে কিন্তু পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নেবে।

ম্যানিয়াক ট্রা*ম্পকে বিশ্বাস করার কোন কারন নাই। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি কিছুক্ষণ আগে মধ্য প্রাচ্যে থাকা শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন

- ইরানের এনার্জি সেক্টরে যদি হামলা হয়। মধ্য প্রাচ্যের তেল-গ্যাস, বিদ্যুৎ কিংবা এর আশপাশে কাজ করা দক্ষিণ এশিয়া থেকে আসা শ্রমিকরা যেন দূরে থাকে।

ম্যানিয়াক ট্রা*ম্প যদি শেষ পর্যন্ত ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষে ইরানের এনার্জি সেক্টরে হামলা করে; এর প্রভাব সব চাইতে বেশি পড়বে বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে। তেল-গ্যাস মধ্য প্রাচ্য থেকে শুধু বাংলাদেশ না পৃথিবীর কোন দেশই হয়ত আর পাবে না একটা লম্বা সময়ের জন্য।

আমাদের আরও একটা সমস্যা আচ্ছে। বিপুল সংখ্যক শ্রমিক সেখানে কাজ করে। এদের অনেকেই কাজ হারাতে পারে। এই পুরো ব্যাপারটায় বাংলাদেশ সরকারের কোন হাত নেই। তাই সরকারের উচিত হবে লুকোচুরি না করে- কি পরিমাণ তেলের রিজার্ভ আছে, কত দিন চলবে, কীভাবে আগাতে হবে, রাশিয়া কিংবা অন্যান্য সোর্স থেকে তেল আসলে এর পরিমাণ কত হবে; এই পুরো ব্যাপারটা দেশের মানুষকে একদম পরিষ্কার করে জানানো।

লুকোচুরি করবেন না। এতে আপনারা বিপদে পড়বেন। সামনে কি হতে যাচ্ছে আমরা কেউই জানি না। ম্যানিয়াক ট্রা*ম্প থামলে তো ভালো। আর যদি না থামে, তাহলে পৃথিবী কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে আমরা কেউই জানি না।

প্যানিকড হবার দরকার নেই। পুরো ব্যাপারটা হাইপোথেটিকাল। কিছু নাও হতে পারে। ট্রা*ম্প হয়ত আজকেই থেমে যেতে পারে। আবার ইরান নাও থামতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টা খুবই ক্রিটিকাল। তাই যা কিছুই হোক, সরকারের উচিত হবে দেশের জনগণের কাছে একদম পরিষ্কার থাকা।

25/03/2026

মেয়েটা ইরান থেকে এসেছে। এই সেমিস্টারে ওদের 'রিসার্চ ম্যাথড' কোর্স পড়াচ্ছি। ক্লাসে মোট ৪৪ জন শিক্ষার্থী। একেকজন একেক দেশ থেকে এসেছে। আজ ওদের ভাইভা নিচ্ছিলাম। অ্যামেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আসা ছেলেটার নাম দিয়েগো। কথা প্রসঙ্গে সে বলছিল

- ট্রা*ম্প আমার প্রেসিডেন্ট নয়। আমি ওকে পছন্দ করি না।

ওর ভাইভা শেষে ইরান থেকে আসা ছাত্রী রুমে ঢুকেছে। মেয়েটার নাম ইয়ালদা। জিজ্ঞেস করলাম

- ইরানে তোমার পরিবারের সবাই ভালো আছে তো?

জিজ্ঞেস করতাম না। কিন্তু গত এক মাস ধরে দেখছি মেয়েটা ক্লাসে একদম চুপচাপ মন মরা হয়ে থাকে। তাই জিজ্ঞেস করেছি। মেয়েটা মন খারাপ করে বলেছে

- আমি জানি না।
- কিছুই জানো না?
- না, একদম কোন খবর নেই। যোগাযোগের কোন ব্যবস্থা নেই।

নিজেরই মন খারাপ হয়ে গেছে ওর কথা শুনে। জিজ্ঞেস করলাম

- তোমার বাসা ইরানের কোথায়?
- সিরাজে।
- এটা কি শহর না গ্রাম?

এইবার মেয়েটা একটু হেসে বলেছে

- এটা ইরানের সব চাইতে বড় শহরগুলোর একটি।

আমি এবার ওকে সান্তনা দেয়ার জন্য বলেছি

- হয়ত তোমার পরিবারের লোকজন গ্রামের দিকে চলে গেছে। আশা করছি তাঁরা ভালো আছে।
- কিন্তু আমাদের পরিবারের তো কোন গ্রাম নেই। সিরাজ শহরই আমার ঠিকানা। আর আমাদের বাসাটা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের খুব কাছে। যেখানে বার বার বো*ম মারা হচ্ছে।

মনটা খারাপ হয়ে গেল। তবুও সান্ত্বনা দেয়ার জন্য বললাম

- দেখবে সবাই ভালো আছে। নিশ্চয় সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।

অ্যামেরিকা থেকে আসা ছাত্রটাও যুদ্ধ পছন্দ করে না। ইরানের মেয়েটাও যুদ্ধ পছন্দ করে না। অথচ রাজনীতিবিদরা নিজেদের প্রয়োজনে দেশে-দেশে এভাবে যুদ্ধ বাঁধিয়ে রেখেছে।

মাত্রই বাসায় ফিরেছি। ভেবেছিলাম বিগত ২৫ দিনের মত যুদ্ধ নিয়ে বিশ্লেষণ করে কিছু লিখবো। আপনারা নিশ্চয় অপেক্ষায় আছেন আমার লেখা পড়ার জন্য। বাসায় ফিরতে ফিরতে নিউইয়র্ক টাইমসের একটা রিপোর্ট পড়ছিলাম। সেখানে লেখা

- যুদ্ধ চালিয়ে নিয়ে যাবার জন্য সৌদি যুবরাজ অ্যামেরিকাকে চাপ দিচ্ছে।

সৌদি যুবরাজ নাকি চায় এই সুযোগে ইরানকে ধ্বংস করে দেয়া হোক। অ*সভ্য-ব*র্বর আরব শেখরা আর 'এপ*স্টিন ক্লাস' পশ্চিমা পলিটিকাল এস্টাবলিম্যান্ট মিলে পৃথিবীটাকে বসবাসের অনুপযুক্ত করে রেখেছে। ভাবছিলাম

- সৌদি যুবরাজ কেন ইরানকে ধ্বংস করে ফেলতে অ্যামেরিকাকে চাপ দিচ্ছে?

এরপর উত্তরটা নিজেই পেয়ে গেছি- ইরান টিকে থাকলে ব*র্বর আরব শেখদের ক্ষমতা নিয়ে টানাটানি পড়বে। একটা-দুটো পরিবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য হাজার হাজার মানুষকে মেরে ফেলছে। আস্ত একটা দেশকে ধ্বংস করে ফেলতে চাইছে। পুরো পৃথিবীতে অস্থিরতা সৃষ্টি করে রেখেছে।

তবুও এই বুর্জোয়া 'এ*পস্টিন ক্লাসকে' ক্ষমতায় থাকতে হবে। ধ্বংস হোক এরা।

23/03/2026

অধিকার নিয়ে তর্ক করা মানে নিজের আত্মসম্মানকে সস্তা করা। যেখানে আপনার অনুভূতির কোনো মূল্য নেই, সেখানে নিজেকে ব্যাখ্যা করা মানে শূন্যে কথা বলা-যার কোনো উত্তর নেই, কোনো বোঝাপড়া নেই। তার চেয়ে নিঃশব্দে সরে আসাটাই নিজের সম্মান বাঁচানোর সবচেয়ে সুন্দর উপায়। কাউকে বোঝানোর দরকার নেই আপনি কতটা ঠিক ছিলেন। সম্পর্কের সমীকরণ যখন বি’ষাক্ত হয়ে যায়, তখন সব দায় নিজের কাঁধে নিয়ে নেওয়াটাই শ্রেয়। "তুমি ভালো, আমি খারাপ" এই একটি বাক্যেই সব তর্কের অবসান ঘটিয়ে গুমরে ম-রা আবেগগুলোকে মুক্তি দিন। মিথ্যে প্রমাণের লড়াইয়ে জেতার চেয়ে, হেরে গিয়ে নিজের শান্তি খুঁজে নেওয়া অনেক বেশি সম্মানের। কথা এখানেই শেষ।🩶

Address

Dhaka Narayanganj
Narayanganj
1400

Opening Hours

09:00 - 17:00

Telephone

+8801571328328

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Frame by Gazi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Frame by Gazi:

Share